Monday, December 22, 2014

কলকাতা হাই কোর্ট

কলিকাতা উচ্চ আদালত বা কলকাতা হাই কোর্ট ভারতের প্রথম এবং প্রাচীনতম হাইকোর্ট। ১৮৬১ সালের হাইকোর্ট আইন বলে ১৮৬২ সালের ১ জুলাই কলকাতা হাইকোর্ট স্থাপিত হয়। সেই সময় এই হাইকোর্টের নাম ছিল হাই কোর্ট অফ জুডিকেচার অ্যাট ফোর্ট উইলিয়াম। বর্তমানে সমগ্র পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ কলকাতা হাইকোর্টের অধিকারক্ষেত্রের অন্তর্গত। আন্দামান ও নিকোবরের রাজধানী পোর্ট ব্লেয়ারে কলকাতা হাইকোর্টের একটি সার্কিট বেঞ্চ আছে।



হাইকোর্ট ভবনটি বেলজিয়ামের ইপ্রেসের ক্লথ হলের আদলে নির্মিত। উল্লেখ্য, প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ক্লথ হল ক্ষতিগ্রস্থ হলে সেটি পুনর্নিমাণের জন্য ওই শহরের মেয়র কলকাতা থেকে এক সেট প্ল্যান চেয়ে পাঠিয়েছিলেন। ১৮৬৪ সালের মার্চ মাসে ভবনটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়। নির্মাণকার্য শেষ হতে সময় লেগেছিল আট বছর। এই ভবনে একটি ১৮০ ফুট উঁচু টাওয়ার আছে। হাইকোর্ট ভবনের নকশাটি বেশ জটিল।

১৮৭২ সালে স্যার বার্নেস পিকক কলকাতা হাইকোর্টের প্রথম প্রধান বিচারপতি নিযুক্ত হন। হাইকোর্টের প্রথম ভারতীয় বিচারক ছিলেন শম্ভুনাথ পণ্ডিত। হাইকোর্টের প্রথম ভারতীয় প্রধান বিচারপতি ছিলেন রমেশচন্দ্র মিত্র এবং প্রথম পূর্ণ মেয়াদের ভারতীয় প্রধান বিচারপতি ছিলেন ফণীভূষণ চক্রবর্তী। হাইকোর্টের দীর্ঘতম মেয়াদের প্রধান বিচারপতি ছিলেন শংকরপ্রসাদ মিত্র।

Friday, December 19, 2014

TATA Centre


Tata Centre is one of the largest industrial groups in India with a long history in various industrial sectors. The Tata Group was founded by Jamshedji Tata and from the foundation of a member of the Tata family has almost always been at the helm of the group. Currently the chairman is Ratan Tata who succeeded JRD Tata in the nineties . The group consists of 93 companies in seven business sectors that employs about 220,000 employees. About 65% of the ownership of Tata Group is controlled by the Foundation.

Tuesday, December 16, 2014

Hooghly River


Hugli, often referred to in its transliteration English Hooghly, is a river of India of 250 km, branch west of the delta of the Ganges. It forms a Santipur near the town of Baharampur, flows in the state of West Bengal, passing between the twin cities of Howrah and Kolkata and empties into the Bay of Bengal near Diamond Harbor. Its two main tributaries are the Damodar and the Rupnarayan.

Monday, December 15, 2014

পূর্ণিমা রাত কবে - চাঁদ, তিথি

ভরা পূর্ণিমা রাতে আকাশের চাঁদ উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর হয়। মায়াবী তারার দল তাদের অনুপম সৌন্দর্য মেলে ধরে। এই রাতে চাঁদ-তারাদের ঝলকানিতে মানুষ বিমোহিত হয়। চন্দ্র-তারারা পূর্ণিমা রাতে পৃথিবীকে এতটাই আলোকিত করে যে মানুষের তৈরি বৈদ্যুতিক আলো সেই আলোর কাছে তুচ্ছ হয়ে নতি স্বীকার করে। এই রাতে যদি লক্ষ ওয়াটের বৈদ্যুতিক বাল্ব দিয়েও আলো জ্বালানো হয়, তবুও সেই আলো জোনাকির আলোর মতো ক্ষুদ্র হয়ে মানুষের চোখে ধরা পড়ে।

অন্যদিকে, অমাবস্যা রাতে থাকে ঘুটঘুটে অন্ধকার। এই ঘুটঘুটে অন্ধকারের মাঝে নিজের হাতের আঙ্গুলগুলোও ঠিকমতো দেখা যায় না। এই অন্ধকারের মাঝে যদি ছোট্ট একটা মোমবাতিও জ্বালানো হয়, তাহলে সেই মোমবাতির আলো বিরাট কিছু হয়ে আমাদের চোখে ধরা পড়ে। মনে হয় যেন ছোট্ট মোমবাতির আলো সমগ্র অন্ধকারকে দূরীভূত করতে সক্ষম।



একাদশী, অমাবস্যা, পূর্ণিমা তিথিতে জোয়ার ভাটার কারনে দেহে জলীয় পদার্থের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। এই সময় অন্নাদি শাকপাতা ভোজোনে শরীর অলস হয়ে পড়ে । এই সময় আহার সংযম প্রয়োজন। এই জন্য বাত রোগী অমাবস্যায়, পূর্ণিমায় নিশিপালন করেন ।



Sunday, December 14, 2014

নিক্কো পার্ক - কলকাতার দর্শনীয় স্থান

নিক্কো পার্ককে প্রায়ই পশ্চিমবঙ্গের ডিজনিল্যান্ড নামে অভিহিত করা হয়। এটির ধারণা ও উদ্দীপনার জন্যই তাকে বিশ্ব বিখ্যাত থিম পার্ক হিসাবে পরিমাপ করার বাস্তব কারণ নয়, বরঞ্চ এর অনুপ্রেরণার আরোও বড় কারণ হল উদ্যানটি তৈরি করার পিছনে চিন্তাধারা। রাজীব কৌলের মস্তিষ্কপ্রসূত নিক্কো পার্কটি গড়ে তোলার পিছনে ছিল তাঁর অনুপ্রেরণার মুহুর্ত, একবার তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডিজনিল্যান্ডের একটি সফরে গিয়েছিলেন এবং সেটির শ্রেষ্ঠ সৃজনশীল চিত্রকল্প দেখেন।

ফিরে আসার পর তিনি নিক্কো পার্ক তৈরির পরিকল্পনা করেন ও গড়ে তোলেন এবং আজকের দিনে এটি 40 একর জুড়ে বিস্তৃত এক উদ্যান এবং তার আকর্ষণ 2 কোটি 40 লক্ষেরও বেশি অতিথিদের দ্বারা পরিদর্শিত হয়েছে।

এই উদ্যানটি ভূমি, জল ও বায়ু রাইডের প্রস্তাব দেয় যা ভারতের শ্রেষ্ঠত্বের মধ্যে মর্যাদা পায়। সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সঞ্জিবনী রাইড হল ওয়্যাটার ছুট। জলের ছুট-এ স্লাইডিং-য়ের সময় আপনি আপনার চিৎকার নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না এবং পুনরায় দ্বিতীয় দফার জন্য সিঁড়িতে ওঠার অপেক্ষাও করতে পারবেন না। তারপর এখানে ট্যুইস্ট-আ্যন্ড-টার্ন রাইড রয়েছে যেখানে আপনার পুরো পরিবারকে একটি হতবুদ্ধিকর আবর্তিত গাড়ীর মধ্যে ঢোকানো হয়।

যারা উপর থেকে রাইডগুলিকে নিরীক্ষণ করতে চান, তার জন্য সেখানে কেবেল কার রয়েছে, যা 5 মিনিটের একটি অন্তরীক্ষ দৃশ্য প্রদর্শন করায়। ভীরুদের জন্য সেখানে খাড়াই অবনমনগুলি বাদ দিয়ে মুন-বেকার নামে একটি ছোট বেলনাকার বাহন রয়েছে। একটি বাস্তবিক ভিক্টোরিয়া যুগের আনন্দ উপভোগের অনুভূতির জন্য আপনার ক্যারৌসোল-এ খেলনা ঘোড়ার পিঠে বসে লাফানোর প্রয়োজন। আপনার সমগ্র দল তাদের পছন্দমত একটি ঘোড়া নিতে পারেন এবং চমৎকারভাবে লাফাতে লাফাতে উপরে যেতে পারেন। দ্য সাইক্লোন - ভারতের সবচেয়ে বড় কাঠের বেলনাকার যান – এখানকার জ্যোর্তিময় আকর্ষণ।

এই যানটির চলার সময় কর্কশ শব্দ শুনে আপনার গলা শুকিয়ে যাবে, তখন কি করবেন তা আন্দাজ করতে পারবেন না। সাইক্লোনের ট্র্যাক ধরে নীচে নামার সময় গর্জনে দীর্ঘ কয়েক মুহুর্ত নিছক “পাগল”-এর ন্যায় চিৎকার করে। তার উপর সেখানে আবার ছোট শিশুদের জন্য ওয়াটার- মেরী- গো-রাউণ্ড আছে এবং প্রকৃত আইফেল টাওয়ারের প্রতিকৃতিতে নির্মিত আইফেল টাওয়ার রয়েছে যা সমগ্র ধারণাটির মধ্যে আলতো ফরাসি ছোঁয়া এনেছে।

নিক্কো পার্কে ওয়েট-ও-ওয়াইল্ড পার্ক নামে অভিহিত একটি উদ্যানও রয়েছে যা একান্তভাবে জলজ আকর্ষণের কেন্দ্রস্থল; যেমন – ওয়েভ পুল (তরঙ্গায়িতজলনিধি), জায়ান্ট ওয়াটারফল (দৈত্যাকার জলপ্রপাত) ও কিড’স পুল (শিশু জলনিধি)।

নিক্কো পার্কের জনপ্রিয়তা শুধুমাত্র তার রাইডগুলির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এই থিম উদ্যানটি ব্যাক্তিগত ও সংস্থাবদ্ধ বিনোদনের জন্যও প্রিয় স্থান। রাজ্যিক উৎসব, পণ্যের উদ্ঘাটন, শিল্পপতিদের রাত্রির খাবারের বিনোদন, জাতীয় সংবেদনশীল সঙ্গীতবিদদের দ্বারা পরিবেশিত সঙ্গীত রজনী – সমস্ত কিছুই উদ্যানে লক্ষ্য করা যায়।

উদ্যানটিতে অনেক স্থান রয়েছে; যেমন ওয়্যাটারসাইড হল, ওয়েট-ও-ওয়াইল্ড ওয়াটার পার্ক, অন্তরঙ্গন বিনোদন কেন্দ্র, প্লাজা এবং সভাগৃহ – এই সবগুলিই বিভিন্ন অতিথি বিভাগের পরিবেশন করার জন্য নকশায়িত করা আছে। রান্নাঘর, কার পার্কিং, শৌচালয়, গৃহস্থলীর কর্মী ও আপদকালীন জরুরী পদ্ধতির সমন্বয়ে সম্পূর্ণরূপে সুসজ্জিত – উদ্যানটি কার্যক্রমের আয়োজনের জন্য এক যথার্থ স্থান।

বোলিং আ্যল্যে-র কাছে অবস্থিত, দ্য বোলার’স ডেন রেস্তোঁরা, নিকো পার্কের পরের দরজাতেই বর্তমান রয়েছে। এখানে বিভিন্ন প্রকারের সু্স্বাদু চীনা, থাই, উত্তর ভারতীয় ও মহাদেশীয় খাবার পরিবেশিত হয়। যদিও নামটি অসার্থক কারণ নিক্কো পার্কে আর একটিও বোলিং আ্যল্যে উপলব্ধ নেই।



নিক্কো পার্কের স্তর বিশ্ব মানের মর্যাদা স্থির করেছে। নিক্কো পার্ক শুধুমাত্র তার রাইডগুলির জন্যই প্রসিদ্ধ নয়। এটি তার সাবলীল বিচক্ষণতার জন্যও সুপ্রসিদ্ধ রয়েছে যা উদ্যানটিকে চালনা করে চলেছে এবং উদ্যানটিকে কোথা থেকে আজকের দিনের এই উদ্যানে নিয়ে এসেছে। উদ্যানটির বিশ্বস্তরের মান ও অভ্যন্তরীণ রাইডগুলি বিদেশে ভালোভাবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্ল্যাকপুল প্ল্যাজার বীচ, সেখানে তাদের দুটি রাইডের উন্নতির কাজের জন্য নিক্কো পার্ক থেকে ইঞ্জিনীয়ারদের ন্যস্ত করেছেন – তাদের অন্তর্দৃষ্টি চেনার জন্য এর চেয়ে ভালো উপায় আর কি হতে পারে? নিক্কো পার্ক দল প্রকল্প সংক্রান্ত পরামর্শ পরিষেবা প্রদান করে।

দলের জ্ঞান-চালিত কেন্দ্রবিন্দু হল রাইডগুলির সামনের চিত্রণ থেকে পর্যাপ্তভাবে ব্যাখ্যা করা যা রাইডগুলির পিছনে বৈজ্ঞানিক যুক্তির ব্যাখ্যা দেয়। নিক্কো পার্ক, 1991 সালের 13-ই অক্টোবর সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হয়। উদ্যানটি প্রথমে কেবলমাত্র 13-টি রাইড ও একটি টয় ট্রেন নিয়ে চালু করা হয়েছিল। উদ্যানটি পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং নিক্কো কর্পোরেশনের মধ্যে একটি যৌথ উদ্যোগ। উদ্যানটি, 2012 সালে একটি দুর্ঘটনার পর সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়, এই দুর্ঘটনায় 17-টি শিশু আহত হয়।

নিক্কো পার্ক পরিদর্শনের সেরা শীতকালের সময়, নভেম্বর থেকে ফ্রেব্রুয়ারী নিক্কো পার্ক পরিদর্শনের সেরা সময় হিসাবে বিবেচিত হয়। নিক্কো পার্কে পৌঁছানোর নিকটবর্তী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হল নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। বিমানবন্দর থেকে ক্যাবের মাধ্যমে ভায়া ভি.আই.পি. রোড হয়ে নিক্কো পার্কে পৌঁছাতে প্রায় 30 মিনিট সময় লাগে।

রেল মাধ্যমে শিয়ালদহ রেলওয়ে স্টেশন থেকে ক্যাবের মাধ্যমে ভায়া সাউথ ক্যানেল রোড ও সল্টলেক বাইপাস হয়ে নিক্কো পার্কে পৌঁছাতে প্রায় 15 মিনিট সময় লাগে। হাওড়া রেলওয়ে স্টেশন থেকে ক্যাব ধরে নিক্কো পার্কে পৌঁছাতে প্রায় 30 মিনিট সময় লাগে।

নিক্কো পার্কের কাছাকাছি কিছু আকর্ষণ নলবন বোটিং কমপ্লেক্স, সল্টলেক স্টেডিয়াম, সুভাষ সরোবর।

Saturday, December 13, 2014

গাজরের সন্দেশ রেসিপি

উপকরণ

গাজর-১ কেজি।
কন্ডেন্স মিল্ক-১ টিন।
দুধ-১ লিটার।
ডিম-৬ টা।
চিনি-১ টেবিল চামচ।
ঘি-১/২ কাপ।
গুড়া দুধ-১/২ কাপ।
ময়দা-১ টেবিল চামচ।
এলাচ গুড়া-১/৪ চা চামচ।

রেসিপি প্রনালি

প্রথমে গাজরকে কেটে সিদ্ব করে চটকে অথবা ব্লেন্ড করে নিতে হবে।এবার প্যানে ঘি দিয়ে গাজরের পেষ্ট দিয়ে ভুনে চিনি দিতে হবে।

১ লিটার দুধ কে জ্বাল দিয়ে আগেই ১/২ লিটার করে নিব। এবার এই দুধের সাথে ছয়টা ডিম ভাল করে মিশিয়ে নিব।এখান থেকে এক কাপ আলাদা করে সরিয়ে রেখে তার মধ্যে দুই টেবিল চামচ কন্ডেন্স মিল্ক দিয়ে রাখব। এবার বাকি দুধ ও কন্ডেন্স মিল্ক গাজরের মধ্যে দিয়ে ঘন ঘন নাড়তে থাকব।কিছুক্ষণ পর গুড়ো দুধ দিয়ে আবার ভাল করে নেড়ে যখন গাজর প্যান থেকে দলা পাকিয়ে পুরোটা উঠে আসবে তখন এলাচ গুড়া ছিটিয়ে দিয়ে নামিয়ে ডিশে ঢালব। ডিশে আগেই ঘি মাখিয়ে রাখব। চামচ দিয়ে সমান করে নিব। চামচের তলায় একটু ঘি মেখে নিলে সুন্দর ভাবে সমান হয়।

এবার অন্য আর একটি ননষ্টিক পাতিলে আলাদা করে রাখা এক কাপ দুধ ও দুই টেবিল চামচ কন্ডেন্স মিল্কের সাথে এক টেবিল চামচ ময়দা মিশিয়ে ভাল করে নেড়ে জ্বাল দিব। খুব দ্রুত নেড়ে যখন ঘন হয়ে আসবে তখন নামিয়ে ডিশে রাখা গাজরের উপর ঢেলে সমান ভাবে বিছিয়ে দিব।

ঠাণ্ডা হলে পছন্দ অনুযায়ী সেপে কেটে পরিবেশন করুন দারুন স্বাদের গাজরের সন্দেশ। কথা দিলাম সবাই খেয়ে আপনার প্রশংসা করতে ভুলবে না।

Sandesh



Thursday, December 11, 2014

ভোগের খিচুড়ি রেসিপি

খিচুড়ি স্বাস্থ্যকর ও উপাদেয় খাদ্য। প্রোটিন এ ভরপুর, কোলেস্টেরল মুক্ত। আমাদের হাড়, ব্রেন, ত্বক ভাল রাখে । হজমের পক্ষেও উপকারী। অল্প পরিমাণে ক্যালরি থাকায় ওজন কমাতেও বেশ কার্যকরী।

উপকরণ :-

গোবিন্দভোগ আতপ চাল 300 গ্রাম
সোনা মুগ- ডাল 250 গ্রাম
আলু মাঝারি আকারের 3 টি আধখানা করে কাটা
গাজর 1 টি মাঝারি আকারের ডুমো করে কাটা
বাঁধাকপি কুচানো 1-2 কাপ
কাঁচালঙ্কা চেরা 5টি
ছাড়ানো মটর শুঁটি এক কাপ
আদাবাটা 2 চা চামচ
তেজপাতা, গোটা জিরে, শুকনো লঙ্কা, নুন, চিনি আন্দাজ মতো।
থেঁতো করা দারচিনি 2.5 সেমি ও ছোট এলাচ 5টি
গাওয়া ঘি 2 - 3 টেবিল চামচ
জলের পরিমাণ 10-12 কাপ মতো।

রেসিপি প্রণালী:-

চাল জলে ভিজিয়ে রাখুন 1 ঘন্টা মতো ।

মুগ ডাল সামান্য তেলে ভেজে তুলে ধুয়ে রাখুন।

পুরো জলটা গরম করে রাখুন। প্রেসার কুকারে 5 কাপ মতো জল দিয়ে ফুটে উঠলে ভেজে রাখা মুগ ডাল দিয়ে দিন। নাড়াচাড়া করে নিন।এবার গাজর, আলু,বাঁধাকপি কুচানো,দিয়ে নেড়ে নিন। 5 মিনিট ফুটতে দিন।

এবার ভিজিয়ে রাখা চাল দিয়ে দিন।একই সঙ্গে নুন, চিনি, হলুদ,মটর শুঁটি,কাঁচালঙ্কা চেরা ও আদাবাটা দিয়ে নাড়াচাড়া করুন।এবার গরম করে রাখা বাকি জল দিয়ে দিন এবং 2 মিনিট ফুটতে দিন।এবার প্রেসার কুকারের ঢাকা বন্ধ করে দিন।

সিটি পড়ার বেশ কিছুক্ষণ আগেই গ্যাস নিভিয়ে দিন।

কিছুক্ষণ সিটি বসে গেলে সিটি আলগা করে বাতাস বের করে দিন ও ঢাকনা সামান্য আলগা করে রাখুন।

এবার কড়াইতে ঘি দিন। গরম হলে একে একে তেজপাতা, থেঁতোকরা দারচিনি ও ছোটএলাচ, শুকনো লঙ্কা ও গোটা জিরে ফোড়ং দিন এবং খিচুড়িতে মিশিয়ে নিন।

প্রয়োজন হলে ফোড়নের মধ্যে প্রয়োজন মতো জল দিয়ে ফুটিয়ে খিচুড়িতে দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।

খাওয়ার সময় খিচুড়ির ওপর গাওয়া ঘি ছড়িয়ে নিন।

khichuri recipe

Saturday, December 6, 2014

Mani Square


Mani Square, which opened on June 2008, is one of the leading shopping centers in Kolkata. With over five years of experience and more than fifteen million visitors has always been a reference point for shopping in the east of Kolkata, near Salt Lake. The Mall is frequented not only by the inhabitants of this beautiful place, but also by the many tourists and travelers who have the pleasure to stop for a relaxing break from shopping or dining.

Friday, December 5, 2014

শাহী জিলাপি বানানোর রেসিপি আর পদ্ধতি

খালি বোতল বা কেক সাজানো পাইপিং ব্যাগ অথবা প্লাস্টিকের দুধের প্যাকেট করে জিলাপি বানাতে পারেন ৷ প্লাস্টিকের ব্যাগ বানালে প্যচ দেওয়ার সময় হাত উপর রাখলে সুন্দর প্যচ জিলাপি হবে ৷

উপকরন :

ময়দা ২ কাপ
টক দই ৫ টেবিল চামচ
ইস্ট দেড় চা চামচ
কর্নফ্লাওয়ার ৪ টেবিল চামচ
চিনি ১ চা চামচ
লবন ১ চা চামচ (হাফ)
তেল ৪ টেবিল চামচ
২ কাপ পানি হালকা গরম
তেল ৩ কাপ ভাজার জন্য

সিরা জন্য

৩ কাপ পানি
৩ কাপ চিনি
১ টেবিল চামচ ঘি
১ চা চামচ গোলাপজল
৩ এলাচি
লেবুর রস একটু

ময়দা সাথে কর্নফ্লাওয়ার, চিনি, তেল, লবন, দই, ইস্ট মিশিয়ে নিয়ে পানি দিয়ে খামির করে নিন ৷ খামির হাত দিয়ে তুললে আঙুল বেয়ে তারের মতো পড়ে বুঝতে হবে খামির ঠিক আছে ৷ ১ ঘন্টা ঢেকে রাখতে হবে ৷

সিরা উপকরন সব উপকরন হাড়িতে নিয়ে ঝ্বাল দিয়ে সিরা করে নিতে হবে ৷ সিরা ৬/৭ ফুটে উঠলে চুলা বন্ধ করে দিতে হবে ৷ সিরা বেশি ঝ্বাল দিলে জমে যাবে

কড়াইতে ডুবো তেল দিয়ে চুলার আচঁ একদম কমায় দিয়ে এবং তেল অনেক গরম হওয়ার আগেই প্রথমে একবার হাত ঘুরিয়ে গোল করে খামির তেলে ফেলুন ,খামির চারপাশে লাগিয়ে আর একবার ঘুরান,তৃতীয়বারে জিলাপীর মাঝখানে খামির দিয়ে হাত সামনের দিকে নিয়ে আসে উঠিয়ে নাও ৷

তেল গরম হয়ে উঠলেই খামির সরে যায় তাই প্যাচ দেওয়া যায় না। হালকা গরম তেলে প্যাচ দিতে হয় ৷এই নিয়ম মানতে পারলে জিলাপীর প্যাচ জটিল না এভাবে জিলাপি বানিয়ে মচমচে করে ভেজে তেল থেকে তুলে গরম সিরা মাঝে ডুবিয়ে ১ মিনিট মত জিলাপি উল্টে পাল্টে সিরা থেকে তুলে সাজিয়ে রাখ ৷ জিলাপী ১ দিন পযন্ত মচমচে থাকবে ৷

দ্বিতীয় আবার জিলাপি দেওয়ার আগে চুলা বন্দ করে তেল কিছুটা ঠান্ডা করে আবার বানাতে হবে ৷


[jalebi[2].jpg]

Friday, November 28, 2014

Kolkata Fashion Week

http://2.bp.blogspot.com/-CqSrS_W6Oy4/TalRK2ls2DI/AAAAAAAAANo/v6hWdlq-k5s/s1600/Beautiful-Bipasha-Basu-in-saree.jpg

The fashion industry in India has seen steady growth since the past ten years. The proof of it can be found in the fact that Designer Wear is now among the top ten key growth sectors in India, and sees his current rate of progress, it would be very surprising if one day the fashion industry is seen on the top slot in the coming years. Indian companies are increasingly investing in the Fashion Design Industry and today there are numerous outlets of designer clothing, jewelry, accessories in different parts of India that are doing great business.

Saturday, November 22, 2014

Puppet Show



The puppet is a type of body of the piece and the head of wood or other material that appears on stage half length, moved from the bottom, from the hand of the puppeteer, who puts it like a glove. The puppet show is usually represented in a wooden hut, called the castle. The puppet must be distinguished from the marionette , puppet type, wood or other material, which appears in the scene in the entire body and is usually moved from above using wires.

Wednesday, October 29, 2014

Field Stork


Ciconiidae are a family of birds belonging to the order of Ciconiiformes. The best known species of the family is probably the white stork who also lives in Europe and makes long migrations in Africa . Birds are generally large, with a wingspan of between 1.8 and 2.5 m. They have long legs and slender, suitable for walking in shallow water, a long neck and strong, a large beak and sharp. The largest representative of the family is the Indian Marabou which has a wingspan of 2 feet and weighs 6-7 kg.

Monday, October 27, 2014

Kite Festival



Kite Festival is held during Makar Sankranti. The local kite craftsmen build their kites according to the old tradition, using river reeds dried in the open air, natural string, glue made by mixing flour and water, wax paper or tissue paper. The festival takes place on the terraces, where dozens of kites rise up into the sky from the early morning.

Wednesday, October 22, 2014

দীপাবলী উৎসব

দীপাবলী অর্থ আলোর উৎসব। এ-কে দেওয়ালীও বলা হয়। এর সময়কাল কার্তিক মাসের অমাবস্যার সন্ধ্যা। শুধু ভারতবর্ষ নয়, পৃথিবীর সর্বত্র এ উৎসব পালিত হয়। তবে আলো-কে আমন্ত্রণ-বরণ করার উপাচার অনেকটা পৃথিবীর সর্বব্যাপী । বৌদ্ধ, জৈন ও খৃস্টানরাও অন্যভাবে আলোর উৎসব পালন করেন।

শ্রীরাম চন্দ্র রাবণ বধ করে অযোধ্যায় আসলে প্রজারা তাঁকে স্বাগত জাননোর জন্য রাতব্যাপী অযোধ্যায় আলোকসজ্জা করে। অসুর শক্তির পরাজয়, মন্দ শক্তির পতনের এই উৎসবকে স্মরণীয় করে রাখতে অযোধ্যার প্রজারা যেভাবে আলো আর উৎসবের আয়োজন করেছিল সেই ধারাবাহিকতায় আজও বিশ্বব্যাপী হিন্দুরা অসত্যের পরাজয় আর সত্যের জয়কে স্মরণ করতে দীপাবলীতে আলোর উৎসব করে থাকে।

দীপাবলীর অন্য তাৎপর্য হচ্ছে শ্রীশ্রীকালীপূজা ও দীপাবলী অনুষ্ঠিত হয় কার্তিক মাসে। কার্তিক মাসটি মৃতের মাস বলে পরিগণিত। এই মাসে মৃত পিতৃপুরুষদের গতিপথ আলোকিত করতে আকাশপ্রদীপ জ্বালানো হয়। মৃত পুরুষদের মুক্তি কামনায় এই আলোর প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করা হয়। যেহেতু মাকালী কালভয়হারিণী, ত্রিনয়নে তার চন্দ্র-সূর্য-অগ্নি অনন্ত কোটি প্রদীপ্ত তারকা তাই তিনিই পিতৃপুরুষদের পথপ্রদর্শক।

তাঁর আলোকেই অন্ধকার থেকে জ্ঞানের পথে, যমলোক থেকে শাশ্বত মুক্তির পথে মানুষ গমন করতে পারে এই বিশ্বাস থেকে দীপাবলীর সাথে কালীপূজা জড়িয়ে আছে।

Kolkata Deepavali images wallpaper

সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা শক্তির দেবী হিসেবে যুগ যুগ ধরে কালী পূজা বা শ্যামা পূজার আয়োজন করে আসছেন। এ উপলক্ষ্যে হিন্দু অধ্যুষিত এলাকায় বিরাজ করে উৎসবের আমেজ। যে রাত, দেবীর গায়ের বর্ণের মতনই ঘোর কালো। মূলত ঋক বেদের ‘রাত্রি সূক্তে’ যে দেবীর খোঁজ মেলে তাঁকেই কালীর আদি সূত্র বলে মেনে নেওয়া হয়।

প্রাচীন প্রথা অনুসারে দীপাবলীর সন্ধ্যায় তেল দিয়ে সহস্র মাটির প্রদীপ জ্বালানো হয়। আবার মাটির প্রদীপের পরিবর্তে কলাগাছের খোলে প্রদীপ জ্বালানোও লক্ষণীয়। এখনও অনেক স্থানে এ সব প্রথা চালু আছে। তবে বর্তমানে শহরাঞ্চলে অনেকে তেলের প্রদীপের পরিবর্তে মোমবাতি ব্যবহার করেন।

তারা এই দিনটি "শারদীয়া নব-শস্যেষ্টি" হিসেবেও পালন করেন।


Friday, October 17, 2014

মুগ ডাল দিয়ে দারুণ সুস্বাদু নিরামিষ রেসিপি

এই শীতের দিনে গরম গরম রুটি-পরোটার সাথে নিরামিষ খেতে দারুণ লাগে। অন্যদিকে গরম ভাতের সাথে ডাল চচ্চড়ির যেন জুড়ি নেই। এই সবজি আর ডালকে একত্রিত করে দারুণ একটি রেসিপি আজ নিয়ে এসেছেন শৌখিন রাঁধুনি সায়মা সুলতানা। সোনালি মুগডালের সাথে শীতের সবজি দিয়ে দারুণ এই সুস্বাদু এই খাবারটি তৈরি হয় খুব অল্প সময়েই। আসো দেখে নেই বন্ধুরা এই মজাদার মুগ ডালের চচ্চড়িটি কিভাবে রান্না করবে, সকালে রুটি/পরোটার সাথে দারুন লাগে।

moong dal khichuri recipe images

প্রয়োজন:

মুগ ডাল ১ কাপ
পেয়াজ কুচি ১/২ কাপ
হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ
লাল মরিচ গুঁড়া ১ চামচ
আদা-রসুন বাটা ২ চা চামচ
জিরা বাটা ১ চা চামচ
কাঁচামরিচ ৫/৬টি
ধনিয়া পাতা, তেল ও
লবণ পরিমাণ মতো
টমেটো

যেভাবে রান্না করবে:

প্রথমে মুগডাল হালকা লালচে করে ভেজে, ধুয়ে রাখ।

কড়াইতে তেল দিয়ে পেঁয়াজ লালচে করে ভেজে টমেটো ও ওপরের সব মসলা সহ ডাল দিতে হবে। ভালো করে কষিয়ে পরিমান মত পানি দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। ডাল সিদ্ধ হলে মাখা মাখা হবে। ডাল নামানোর আগে কাচাঁমরিচ ও ধনিয়া ওপরে ছড়িয়ে দিতে হবে।

রুটি/ভাত/পোলাও ইত্যাদির সাথে পরিবেশন করতে পারো।

Saturday, October 11, 2014

Indian Museum Kolkata

http://1.bp.blogspot.com/-8J9vqCvvMe8/ThmfC-bAqUI/AAAAAAAAEO4/MbWMDlS2vRw/s1600/Kolkata_Indian_Museum+%252816%2529.JPG

Indian Museum tells the story of India with rare objects with a very rich collection of artifacts, which you will find in rooms with different gemstone archaeology, paintings, stuffed animals, sculptures and remains a place to visit when you come to the Kolkata. Indian Museum is one of the oldest museums in the world. Its establishment dates back to 1814 and was the work of the Danish botanist Nathaniel Wallich.

Friday, October 10, 2014

Marble Palace Kolkata


Marble Palace is a palladian style mansion built in 1835 by Raja Rajendra Mullick, a wealthy merchant avid collector of works of art, whose descendants own the rights of ownership. Constitutes one of the major tourist attractions of the city and is the best preserved and most elegant residence in the Calcutta of the nineteenth century.

Thursday, October 9, 2014

Butterfly Kiss

http://4.bp.blogspot.com/_D_FJU15AaxA/SkeMtEtqy-I/AAAAAAAABQo/B7g9zdlsGcE/s1600/butterfly+-+science+city.JPG

The butterfly is an insect that, like moths. The distinction between butterflies and moths does not answer a scientific classification taxonomy, but derives from common usage. Based on this distinction, popular, some authors in the past have suggested a distinction between butterflies, which correspond to the modern classification and moths. Today this distinction, however, is not scientifically accepted.

Wednesday, October 8, 2014

Feast of Grandparents Day

http://4.bp.blogspot.com/_r-4wztt8w_Y/TI9yoxKDE4I/AAAAAAAAAPs/gI4R9tQHOzA/s1600/CSWD.jpg

The Feast of the grandparents is a recurrence calendar, as a time to celebrate the important role played by grandparents within families and society in general. The task of promoting initiatives to enhance the role of grandparents, at that date, it is by law to Regions, Provinces and Municipalities. The Grandparents Day was introduced in the United States in 1978 during the presidency of Jimmy Carter on the proposal of Marian McQuade, a housewife of West Virginia, the mother of fifteen children and grandmother of forty grandchildren.

Monday, October 6, 2014

Babui Pakhi: Weaver Bird


The weaver birds are a family of small birds, passerines, which are characterized by bright colors and habit of building nests of large and complex structure. Birds are passerines of small to medium sized 11-24 cm long, with a beak short and stout. In most species there is a marked sexual dimorphism males have liveries in very bright colors while females have a rather resigned.

Saturday, October 4, 2014

বিজয়া দশমী - ছবি

মাত্র কয়েক দিন আগে যেখানে ছিল আলোর রোশনাই, ঢাকের শব্দ, আড্ডার মাদকতা আর অনাবিল আনন্দ সেখানেই এখন নীরবতা আর শূন্যতা। ঠাকুরদালানে জ্বলতে থাকা প্রদীপের মৃদু আলোয় তখন শুধুই খেলে বেড়ায় আলো-আঁধারির স্মৃতিকথা। প্রতি বছর পুজো শেষে এটাই পুজো প্রাঙ্গণের পরিচিত ছবি। নিজের অজান্তেই ছলছল করে চোখ দু’টি। ঠিক যেন আপনজনের দূরে চলে যাওয়া বেদনা গ্রাস করে অবুঝ, সরল মনকে।

নবমী নিশি পেরোতেই বিষাদের করুণ সুর বেজে ওঠে মনে। ঠাকুর থাকবে কতক্ষণ, ঠাকুর যাবে বিসর্জন তখন ঘোর বাস্তব। পাঁচ দিনের উৎসবের রেশ রয়ে যায় বছর ভর। এমনই এই উৎসবের মহিমা। তবু পুজোর ক’টা দিনের উষ্ণ মুহুর্ত যেন হয়ে ওঠে সারা বছরের আনন্দের উৎসবিন্দু।

Durga Baran dala

রথযাত্রা কিংবা জন্মাষ্টমীতে যার প্রস্তুতির সূচনা তারই সমাপ্তি ঘটে নবমী নিশিতে। এমনটাই তো চলছে যুগ যুগ ধরে। তবু মন মানে না। পুজোয় রঙিন মুহূর্তগুলো যেন ঘুরে ফিরে আসে কর্মব্যস্ত একঘেয়ে জীবনের আনাচে কানাচে। হয়তো এই কারণেই কখনও একঘেঁয়ে লাগে না পুজোটাকে।

ঠাকুর থাকবে কতক্ষন, ঠাকুর যাবে বিসর্জন! দশমীর সকাল থেকেই ঢাকের কাঠি, তাই বলে যাচ্ছে। পুজো, পুজো, পুজো, পুজো শেষ। কাল থেকেই স্কুল, কলেজ, পড়াশোনা, দৈনন্দিন জীবনযাপন। বিসর্জনের পরও, নিরাকার দেবী সারা বছর থেকে যাবেন আমাদের কাজের মধ্যে, আমাদের অধ্যবসায়। বিদায়কালে, এই চেতনাই আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছে।

দশমীর সন্ধ্যা থেকেই আবারও শুরু হয় এক বছরের নীরব প্রতীক্ষা। মাটির বেদীর উপরে তখন প্রতিমার পরিবর্তে শোভা পায় শুধুই প্রাণহীণ প্রতিমার পাটা। এ যেন বছর পেরিয়ে আপন মেয়ের ঘরের ঘরে ফেরা। তাইতো মিশে আছে এত আনন্দ, এত আন্তরিকতা। আর বিজয়া মানেই মেয়ের ঘরে ফেরার জন্য আবার এক বছর প্রতীক্ষার সূচনা। তাই মন খারাপ হয়। আজও দশমী এলেই মনে পড়ে যায় মেয়ের বিয়ের পরে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার কথা।

দূর্গা পূজার ইতিহাস, মন্ত্র

দুর্গা মূলত শক্তি দেবী। বৈদিক সাহিত্যে দুর্গার উল্লেখ পাওয়া যায়। তবে দুর্গার বিশেষ আলোচনা ও পূজাবিধি তন্ত্র ও পুরাণেই প্রচলিত। যেসকল পুরাণ ও উপপুরাণে দুর্গা সংক্রান্তআলোচনা রয়েছেসেগুলি হল: মৎস্যপুরাণ, মার্কণ্ডেয় পুরাণ, দেবীপুরাণ, কালিকাপুরাণ ও দেবী-ভাগবত। তিনি জয়দুর্গা,জগদ্ধাত্রী,গন্ধেশ্বরী, বনদুর্গা, চণ্ডী, নারায়ণী প্রভৃতি নামে ও রূপে পূজিতা হন ।

বছরে দুইবার দুর্গোৎসবের প্রথা রয়েছে – আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষেশারদীয়া এবং চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষে বাসন্তী দুর্গাপূজা। দুর্গা (সংস্কৃত:दुर्गा); অর্থাৎ "যিনি দুর্গ বা সংকট থেকে রক্ষা করেন" । অন্যমতে,"যে দেবী দুর্গম নামক অসুরকে বধকরেছিলেন" । দেবী দুর্গার অনেকগুলি হাত। তাঁর অষ্টাদশভূজা, ষোড়শভূজা, দশভূজা, অষ্টভূজা ওচতুর্ভূজা মূর্তি দেখা যায় ।

তবে দশভূজা রূপটিই বেশি জনপ্রিয়। তাঁর বাহন সিংহ । মহিষাসুরমর্দিনী- মূর্তিতে তাঁকে দেখা যায় । হিন্দুশাস্ত্রে দুর্গা শব্দটিকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলা হয়েছে: দৈত্যনাশার্থবচনো দকারঃ পরিকীর্তিতঃ। উকারো বিঘ্ননাশস্য বাচকো বেদসম্মত।। রেফো রোগঘ্নবচনো গশ্চ পাপঘ্নবাচকঃ । ভয়শত্রুঘ্নবচনশ্চা কারঃ পরিকীর্তিত । অর্থাৎ, "দ" অক্ষরটি দৈত্য বিনাশ করে, উ-কার বিঘ্ন নাশ করে, রেফ রোগ নাশ করে, "গ" অক্ষরটি পাপ নাশ করে এবং আ-কার শত্রু নাশ করে। এর অর্থ, দৈত্য, বিঘ্ন, রোগ, পাপ ও শত্রুর হাত থেকে যিনি রক্ষা করেন, তিনিই দুর্গা।

অন্যদিকে শব্দকল্পদ্রুম বলেছে, "দুর্গং নাশয়তি যা নিত্যং সা দুর্গা বা প্রকীর্তিতা"। অর্থাৎ, যিনি দুর্গ নামে অসুরকে বধ করেছিলেন, তিনি সব সময় দুর্গা নামে পরিচিত । শ্রীশ্রীচণ্ডী অনুসারে যে দেবী "ন িঃশেষদেবগণশক্ত িসমূহমূর্ত্যাঃ" (সকল দেবতার সম্মিলিত শক্তির প্রতিমূর্তি), তিনিই দুর্গা। শ্রী শ্রী চণ্ডীতে দেবীর তিনটি রুপ কল্পনা করা হয়েছে । তমোগুণময়ী মহা কালী, রজোগুণময়ী মহালক্ষী এবং সত্ত্বগুণময়ী মহাসরস্বতী । মনসা, শীতলা, ষষ্ঠী, গন্ধেশ্বরী, সুবচণী, অন্নপূর্ণাদিও এই মহাশক্তিরই অংশভূতা।

শক্তিবাদএই দেবী দুর্গাকেই কেন্দ্র করে অঙ্কুরিত, পরিবর্ধিত ও পূর্ণতাপ্রাপ্ত। ধ্যানাশ্রিত মূর্তি: দেবী দুর্গা: কেশরাজি সমাযুক্তা, অর্ধেন্দুকৃত শেখরা এবং ত্রিনয়না। তাঁর বদন পূর্ণ চন্দ্রের ন্যায় সুন্দর, বর্ণ অতসী ফুলের মত হরিদ্রাভ। তিনি ত্রিলোকে সুপ্রতিষ্ঠাতা, নবযৌবন সম্পন্না, সর্বাভরণ-ভূষিতা, সুচারু-দশনা, পীনোন্নত-পয়োধরা। তাঁর বামজানু কটি ও গ্রীবা এই স্থানত্রয় একটু বঙ্কিমভাবে স্থাপিত । তিনি মহিষাসুর মর্দিনী এবং মৃনালের ন্যায় দশবাহু সমন্বিত। তাঁর দক্ষিণ পঞ্চকরে উর্ধ্ব-অধ:ক্রমে ত্রিশূল, খড়গ, চক্র, তীক্ষ্ণবাণ ও শক্তি এবং বাম করে ঐরুপক্রমে খেটক ধেনু, পাশ, অঙ্কুশ, ঘন্টা, পরশু শোভিত।

দেবীর পদতলে ছিন্ন-স্কন্ধ মহিষ। উক্ত মহিষ থেকে উদ্ভূত এক খড়গপাণি দানব। দেবীর নিক্ষিপ্ত শূল ঐ দৈত্যর হৃদয় বিদীর্ণ করেছে। তাতে দৈত্যর দেহ রুধিরাক্ত,চক্ষু রোষ কষায়িত । দেবী নাগপাশযুক্ত, তাতে দৈত্যের কেশ আকর্ষণ করে আছেন। তাতে দৈত্যের রুধির বমন ও দ্রুকুটিতে ভীষণ দর্শণ হয়েছে। দেবীর দক্ষিণপদ সিংহোপরি এবং বামপদ দৈত্যের কাঁধে অবস্থিত । দেবী অষ্টশক্তি যথা উগ্রচণ্ডা, প্রচণ্ডা, চণ্ডোগ্রা, চণ্ড নায়িকা, চণ্ডা, চণ্ডাবতী, চণ্ডরুপা ও অতিচণ্ডিকা পরিবেষ্টিতা।

দেবী ধর্ম, অর্থ,কাম ও মোক্ষ এই চতুর্বর্গ ফলদাত্রী এবং জগদ্ধাত্রী।দেবীপূজার দুটি ধারা একদিকে তিনি অতি সৌম্যা মাতৃরুপা স্নেহ বাৎসল্যে জগত পালন করেন। আশ্রিত, ভক্ত, সাধক,সন্তানকে দান করেন ভয় ও অভয়। ভীষণা মূতি হয়ে তঁার সংহার নীলা- আসুরিক শক্তির বিরুদ্ধে কালান্তক অভিযান। দেবী পূজার ফলও দ্বিবিধ-ভক্তি ও মুক্তি। রাজা সুরথ, রামচন্দ্র, অর্জুন,শিবাজী রাণা প্রতাপ, গোবিন্দ সিং প্রমুখ অভ্যূদয়কামী রাজণ্যবর্গ ও স্বদেশপ্রেমী সাধকগণ দেবীর ভীষণা মূর্তির সাধনা করেন- বীর্য,ঐশ্বর্য, রাজ্য,শত্রুবধ, বিজয়, স্বাধীনতা লাভ করেছেন।

অপর দিকে সমাধি বৈশ্য, রামপ্রসাদ, কমলা কান্ত,বামাক্ষ্যাপা, রামকৃষ্ণ প্রমূখ ভাব সাধকগণ দেবীর করুণাময়ী, দয়াময়ী, সৌম্যামূর্তির সাধনা, উপাসনা করে লাভ করেছেন প্রেম ভক্তি, জ্ঞান, বৈরাগ্য-মহামুক্তি। রাজা সুরথ ও সমাধি বৈশ্য পূজা করেছিলেন উত্তরায়ণে বসন্তকালে। উত্তরায়নই দেবদেবীর পূজার প্রকৃষ্ট সময়। দু’জনই দেবী পূজায় স্ব স্ব অভীষ্ট ফল লাভ করেছিলেন।রাজা সুরথ রাজ্য ফিরে পেয়েছিলেন আর সমাধি বৈশ্য পেয়েছিলেন মহামুক্তি। দেবীর কল্পারম্ভ অর্থ সঙ্কল্পঃ সঙ্কল্প অর্থ দেবী বা দেব পূজার উদ্দেশ্য।

এই উদ্দেশ্যই মানুষকে দেব বা দেবীপূজায় নিয়োজিত করে। সংকল্প যেখানে স্থির, গভীর একাগ্র, শ্রদ্ধযুক্ত পূজা সেখানেই সার্থকতা মণ্ডিত। সকল দেবদেবী পূজাতেই সংকল্প আছে । কিন্ত দুর্গা পূজার সঙ্কল্প একটু বৈশিষ্টপূর্ণ। দুর্গা পূজার সঙ্কল্পসাত প্রকার। কৃষ্ণানবমী, প্রতিপদ,যষ্ঠী ,সপ্তমী,অষ্টমী বা নবমীতেও সংকল্প করে পূজা করতে পারেন। কল্পারম্ভ বা সংকল্প করা মানে চণ্ডীর ঘটস্থাপণ করে যথাশক্তি পূজা। বোধন অর্থ দেবীকে জাগ্রত করে আহ্ববান করা । পৃথিবীর এক বছর (ছয় মাস দিন ও ছয় মাস রাত্রি) দেবগণের একদিন।

অর্থাৎ পৃথিবীর এক বছর দেবগণের একদিন। শ্রাবণ থেকে পৌষ দেবগণের রাত্রি এবং মাঘ থেকে আষাঢ় দেবগণের দিন। শ্রী হরির শয়ণ থেকে উত্থান পর্যন্ত রাত্রি। তাই শ্রাবণ থেকে পৌষ দেবদেবীর পূজায় বোধণ অপরিহার্য। শারদীয় দুর্গোৎসব দেবদেবিগণের রাত্রি বিধায় বোধন করতে হয় । এ সময়টাকে দক্ষিনায়ন বা পিতৃপক্ষও বলে। তাই দেবীর আবাহনের পূর্বে পিতৃপক্ষ অনুযায়ী তর্পণাদির ব্যবস্থা আছে। অনুষ্ঠানের নাম “মহালয়া পার্বণ শ্রাদ্ধম”। দেবীপূজা জাতি গঠনের প্রেরণা। সংহতিই জাতি গঠন বা রাষ্ট্র গঠনের মূল ভিত্তি । এই সংহতিকে জাতির কল্যাণে সার্থক প্রয়োগেই রাষ্ট্র নির্মাণ পূণাঙ্গ হয় ।

Durga Visarjan images

বৈদিক সূক্তে দেবী নিজেই বলেছেন ‘অহং রাষ্ট্রী’। আমি এই বিশ্ব রাজ্যের অধীশ্বরী । দেবী প্রতিমায় আমরা যে পূজা করি তার দিকে দৃষ্টি দিলে এই রাষ্ট্র পরিকল্পনার নিখুঁত দিকটি কি প্রকাশিত হয় না? প্রত্যেক রাষ্ট্রে চারটি শ্রেণীর মানুষ দেখা যায়। বুদ্ধিজীবী, বীর্যজীবী, বৃত্তিজীবী ও শ্রমজীবী। এ চারশক্তির পূর্ণ অভিব্যক্তি ও পরস্পরের সাহচর্য যেখানে অবিঘ্নিত সে জাতি বা রাষ্ট্র অপ্রতিহত গতিতে তার লক্ষ্যপথে এগিয়ে যেতে সর্মথ। পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্র ভাবনা থেকেই এ দেশে সৃষ্টি হয়েছিল ব্রাহ্মণ,ক্ষত্রিয়, বৈশ্য ও শূদ্র চার বর্ণ বিভাগ ।

এ বিভাগ ভেদ- বুদ্ধি প্রণোদিত নয়। দেবীর দক্ষিণে লক্ষী ও গণেশ বামে সরস্বতী ও কার্তিকেয় । লক্ষী ধনশক্তি বা বৈশ্য শক্তি। গণেশ জনশক্তি ,শূদ্রশক্তি বা শ্রমশক্তি। সবস্বতী জ্ঞানশক্তি বা ব্রহ্মণ্যশক্তি এবং দেব সেনাপতি কার্তিকেয় ক্ষাত্রশক্তির দেবতা। দেবী দুর্গা যখন আমাদের মধ্যে অবতীর্ণ হোন তখন তিনি একা আসেন না। পুত্রকন্যা স্বরুপ চার শক্তিকে নিয়েই আসেন। দেবীর প্রতিমা দর্শনেলব্ধ জ্ঞানই রাষ্ট্রীয় জ্ঞান বা রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞান। বস্তুত দুর্গা প্রতিমাই জাতীয় প্রতিমা। দেবী পূজায় সমাজের সকল স্তরের লোকই প্রয়োজন।

হাত কর্মের প্রতীক। আলস্য, নিদ্রা,তন্দ্রা,জড়তা,নিবীর্যতার মহাপাপ দূরীভূত করে জাতির মধ্যে সর্বত: প্রসারি কর্মশক্তি জাগিয়ে তোলার জন্যই তিনি দশভূজা। দশে মিলে কাজ করার, কল্যাণ করার, সুন্দর সমাজ গড়ার কাজ নিয়েছেন বলেই তিনি দশভূজা । জাতির সকল প্রকার অশুভ বিনাশ করার জন্যই তিনি দশ প্রহরণধারিণী । পশুরাজ সিংহ কেন দেবীর বাহন? কালিকা পুরাণ মতে শ্রী হরি দেবিকে বহন করছেন।হরি শব্দের এক অর্থ সিংহ। শ্রী শ্রী চণ্ডীতে উল্লেখ আছে গিরিরাজ হিমালয় দেবীকে সিংহ দান করেন।

শিবপুরান বলেন ব্রহ্মা দুর্গাকে বাহনরুপে সিংহ দান করেছেন শুম্ভ ও নিশুম্ভ বধের সুবিধার্থে। দেবীর বাহ্য লক্ষণের সাথে সিংহের লক্ষণগুলো মিলিয়ে দেখলে বোঝা যাবে দেবীর বাহন রুপে সিংহ কেন? দেবী নিখিল বিশ্বে রাষ্ট্রী বা সম্রাজ্ঞী। সিংহ পশু রাজ্যের সম্রাট। দেবী অস্ত্রধারিণী, সিংহও দন্ত- নখরধারী। দেবী জটাজুট সমাযুক্ত, সিংহ কেশরী। দেবী মহিষাসুর মর্দিনী, সিংহ মহিষের সাথে যুদ্ধ বিজয়ী । সিংহর থাবায় এমন শক্তি যে এক থাবায় মহিষের খুলি মস্তক থেকে ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। সিংহ একটি মহাবীর্যবান পশু। আধ্যাত্বিকতার দিক থেকেও বিচার করা যেতে পারে।

অসীম শক্তি শালী সিংহের কাছে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে আত্মসর্মপণের। দেবীর পদতলে নিত্য শরনাগত। জীব মাত্রই পশু। পশু চায় পশুত্ব থেকে মুক্তি ,চায় দেবত্বে উন্নীত হতে। তাই মাতৃচরণেঐকান্তিক শরণাগতি। সিংহ পশু শ্রেষ্ঠ হয়েও দেবশক্তির আধার হয়েছেন শুধু দেবির শরণাগতির প্রভাবেই। অপরদিকে দেবীর লক্ষ্য লোক কল্যাণ।

সত্ত্বগুণময়ী মা রজোগুণোময়ী সিংহকে বাহন নিয়ন্ত্রন করে লোকস্থিতি রক্ষা করছেন। রজোগুণের সংঙ্গে তমোগুণের সমন্বয় ঘটলে লোককল্যাণ না হয়ে হবে লোকসংহার। তাতে আসুরিকতা ও পাশবিকতার জয় হবে। এই পাশবিকতা ও আসুরিকতার সংহার করে, উচ্ছেদ করে লোকস্থিতি ও সমাজ কল্যাণকর কাজ সমাধা করতে চাই রজোগুণাত্বক শক্তির সাধনা। তাই দেবি সত্ত্বগুণময়ী হয়ে রজোগুণাত্মক সিংহকে করেছেন বাহন, অর্থাৎ অনুগত আজ্ঞাবহ ভৃত্য। দেবী দুর্গার প্রনাম মন্ত্র: সর্ব মঙ্গলমঙ্গল্যে শিবে সর্বার্থ সাধিকে। শরণ্যে ত্রাম্বকে গৌরী নারায়ণী নমোহস্তুতে ।

Friday, October 3, 2014

ম্যাডক্স স্কোয়্যার

ম্যাডক্সের আড্ডা। আর সুন্দরীদের টানে পারলে পুজোর চার দিনই ওখানে কাটিয়ে দেওয়া যায়। এটাই আসলে পুজোর ম্যাজিক। সেখানে দেদার খাওয়া হত।



ছেলেবেলার পুজো

ছেলেবেলার পুজোর একটা অদ্ভুত গন্ধ থাকত। ওই যে সলিল চৌধুরির ওই গানটা…‘আয়রে ছুটে আয় পুজোর গন্ধ এসেছে’। সেটা তখন পেতাম। কিন্তু এখন আর পাই না। এখন ব্যপারটা অনেকটা উত্সবের মতো। গা সওয়া হয়ে গিয়েছে। বছরের চারটে দিন তো একটা উত্সব হবেই, ব্যাপারটা অনেকটা এমন।

Dhaaki bengal durga puja dhak

এখনকার জেনারেশন এ সব তো পায়ই না। কই আমার বন্ধুদের তো শুনি না মহালয়ার ভোরে ছেলেমেয়েদের জোর করে ঘুম থেকে তুলে মহালয়া শোনাচ্ছে। কোথাও সেই সংস্কৃতিটা হয়তো হারিয়ে যাচ্ছে। আমার পুজো চিরকালই পাড়াময়।

সিদুঁর খেলা রাঙিয়ে উমা বিদায়

উৎসবের শেষে বিষাদের সুর। আজ বিজয়া দশমী। ঘরের উমার এ বার বাপের ঘর থেকে বিদায় নেওয়ার পালা।মনের কোণে বিষাদ। ফের এক বছরের অপেক্ষা।সকাল থেকেই বিভিন্ন বাড়িতে এবং মণ্ডপে মণ্ডপে চলছে সিঁদুর খেলা। মঙ্গল কামনা করে একে অপরকে সিঁদুরে রাঙিয়ে দিচ্ছেন মহিলারা। দেশের বাইরেও প্রবাসী বাঙালিরা মেতে উঠেছেন সিঁদুর খেলায়।

জমজমাট খাওয়াদাওয়া, দেদার আড্ডা সঙ্গে প্যান্ডেল হপিং। কদিন এটাই ছিল রুটিন। উৎসবের আনন্দ পূর্ণতা পেল সিদুঁর খেলায়।



Thursday, October 2, 2014

আজ মহানবমী - ছবি

যেও না নবমী নিশি লয়ে তারা দলে, তুমি গেলে দয়াময়ী এ পরাণ যাবে। নবমীর নিশি পোহালেই মার যাবার পালা। মন সবারই ভারাক্রান্ত, একটা অদ্ভুত বিষণ্ণতা। মন খারাপের রঙ জামকে নিয়েই আমাদের নবমীর রাতের সোনামুখী সিল্ক।

তবুও যেন এ রঙ পরিতৃপ্তির, চারদিনের উৎসবের টুকরো টুকরো সোনালী স্মৃতি ছিটিয়ে আছে মীনা কাজের মধুবনী আঁকা আঁচলে, আমরা গেঁথে রাখছি মঙ্গলসূত্রে। ভোগের বেগুনভাজার ব্যঞ্জনবর্ণ, পঞ্চকশাইয়ের জাম ফল, খুঁজে পাওয়া জারুল ফুল, আবার নবমী পুজোর ব্যবহৃত খাল, বিলে ফুটে থাকা বেগুনী কুমুদ ফুলকে পেয়েছি আমরা কুরশের কাজের রুমালে।

এই রঙ ছড়িয়ে পড়ছে দেশের পশ্চিম প্রান্তে, আরব সাগরের পারে। সব্বাই মেতে উঠেছে নবরাত্রির গরবা, ডান্ডিয়ার রাসে। নৃত্যবিলাসীরাও সেজে উঠছে এই একই নির্দিষ্ট রঙে।

নবমীর সকাল হলেই যেন মনটা কেমন খারাপ হতে থাকে। বেলা গড়িয়ে যতই বিকেল হতে থাকে ততই গভীর হতে থাকে মন খারাপ। আর সন্ধের পর থেকে ঢাকের আওয়াজেও যেন বিষাদের সুর। নবমীর রাতটা এলেই মনে হতে থাকে আজই পুজো শেষ। কাল ভাসান হলেই আবার সেই একঘেয়ে জীবনে ফেরা। আর মাত্র এক দিন ছুটি। তারপরই অফিস। আবার অফিস যেতে হবে ভাবলেই মুড অফ হয়ে যায়। আর নবমীর রাতে না চাইতেও মনে আসে এই চিন্তা।

সবচেয়ে কাছের মানুষদের সঙ্গে কাটান, নিজের সবচেয়ে পছন্দের রেস্তোরাঁয় খেতে যান, সবচেয়ে পছন্দের পোশাকটা পরুন। যাতে এর পরেও এই বছরের নবমী নিশির কথা ভাবলে আপনার মনটা খুশিতে ভরে ওঠে। নবমী নিশিটা তাই রাখুন এক্সক্লুসিভলি পরিবারের সঙ্গে কাটানোর জন্য। শেষবেলাটা পরিবারের সঙ্গে কাটালে দেখবেন পুজো চলে গেলেও মন খারাপ হবে না।

Dhunuchi Naach

কুমারী পূজার ইতিহাস

মাতৃপূজার প্রচলন পৃথিবীর বিভিন্নভাবে দেখা গেলেও ভারতবর্ষের মতো শক্তির সাধনা আর কোথাও দেখা যায়না। এখানে বহুরূপে শতনামে শক্তির আরাধনা হয়। দুর্গাপূজার সময় কিছু কিছু পূজামণ্ডপে দেবীর কুমারী রূপের পূজার আয়োজন করা হয়। মহাশক্তির বরেণ্য সাধক-সন্তান শ্রীমৎ স্বামী অদ্বৈতানন্দ পুরীজী তাঁর শ্রীশ্রী দশমহাবিদ্যা গ্রন্থে নানাভাবে দর্শন করেছেন নিখিল ব্রহ্মাণ্ডের প্রসূতী ব্রহ্মবিদ্যারূপিণী আদ্যাশক্তি মা’কে।

তাঁর দৃষ্টিতে এই মা ব্রহ্মশক্তি ব্রহ্মময়ী, নির্গুণ ব্রহ্মের অচিন্ত্যগুণ প্রকাশিনী আদ্যাশক্তি সনাতনী, সমগ্র জীব-জগতের আশ্রয় স্বরূপ। নিষ্কলা হয়েও পরমাকলা-পরম ঐশ্বর্য্যময়ী। তাঁর বাণী- আকাশে আকাশবরণী নিত্য প্রকাশ...ইনি যে- দুহিতর্দিবঃ।। মাগো তুমি যে আকাশেরই মেয়ে! তুমি আকাশ ক্রোড়ে আকাশরাণী।

মার্কণ্ডেয় পুরাণের অন্তর্গত দেবী মাহাত্ম্য শ্রীশ্রী চণ্ডী নারায়ণীস্ততির পঞ্চদশ শ্লোকে রয়েছে- ‘‘কোমারী রূপ সংস্থানে নারায়ণী নমোহস্তুুতে।।’’ কুমারী কে? অপাপবিদ্ধা নিত্যশুদ্ধা সৃজনকারিণী ব্রহ্মশক্তি। কুমারী ব্রহ্মরূপিণী স্ত্রীশক্তি। এটির ইংরেজী প্রতিশব্দ নিষ্কল পবিত্র ও অসঙ্গা।

তন্ত্রসারে এক থেকে ষোল বছর পর্যন্ত নারীকে কুমারী বলা হয়েছে। বয়স অনুসারে কুমারীর নামকরণও করা হয়েছে। প্রথম বর্ষের কুমারী সন্ধ্যা, দু’বছরের কন্যার নাম সরস্বতী, তৃতীয় বর্ষে তিনি ত্রিধামূর্তি, চতুর্থ বর্ষে কালিকা, পঞ্চম বর্ষে সুভগা, ষষ্ঠা বর্ষে উমা, সপ্তম বর্ষে মালিনী, আট বছরের মেয়ে কুব্জিকা, নয় বছরে কালসর্ন্দভ‍া, দশম বর্ষে অপরাজিতা, একাদশে রুদ্রাণী, দ্বাদশ বর্ষে ভৈরবী, তের বছরের কুমারী মহালক্ষ্মী, চৌদ্দ বছরে পীঠনায়িকা, পনের বছরে তাঁর নাম ক্ষেত্রজা। আর ষোড়শ বর্ষে অম্বিকা। কিন্তু শাস্তের স্পষ্ট নির্দেশ দশ বৎসর বয়স পর্যন্ত কুমারীর পূজা করা উচিত। তার উদ্র্ধে নয়। ‘অত ঊর্ধ্বং ন কর্তব্যং সর্বকার্য্য বিগর্হিতা।’

belur math kumari puja durga

দেবী ভগবতে কুমারীর নামকরণ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে এক বছরের কন্যা পূজার যোগ্য নয়। দু’বছর থেকে দশ বছর পর্যন্ত কুমারীর পূজা হবে। কুমারী প্রসন্ন‍া হলে সাধকদের অভীষ্ট প্রদান করেন। এখ‍ানে বয়স অনুসারে নামকরণও পৃথক। দুই বৎসরের কন্যার নাম কুমারিকা, তিন বছরে ত্রিমূর্তি, চতুর্থ বর্ষীয়া কন্যা কল্যাণী, পঞ্চম বর্ষে রোহিণী, ছয় বছরে কালিকা, সপ্তম বর্ষে চণ্ডিকা, আট বছরের কন্যা সুভদ্রা, নয় বছর পর্যন্ত বয়সের কুমারী পূজার ফলও পৃথক পৃ্থক।

দু’বছরের কুমারীর পূজা দ্বারা দুঃখদারিদ্র ও শত্রুনাশ এবং আয়ু বৃদ্ধি হয়। ধনসম্পদ, ধান্যাগম, ও বংশবৃদ্ধি হয়। কল্যাণীর পূজা সাধককে বিদ্বান, সুখী এবং বিজয়ী করে। রোহিণীর পূজায় ধনেশ্বর্য লাভ। ষষ্ঠ বর্ষীয়া শঙ্করী, দুর্গা বা কালিকার অর্চনায় শত্রুরা মোহিত হয়, দারিদ্র ও শত্রু বিনষ্ট হয়। অভীষ্ট সিদ্ধির জন্য সুভদ্রার পূজা বিধেয়। তন্ত্রে যে কোন বর্ণ ও জাতির কুমারীকে দেবী জ্ঞানে পূজার কথা বলা হয়েছে। জগৎজননীর অনন্য প্রকাশ এই কুমারীর মধ্যে। মাতৃ্শক্তি ছাড়া এই জগতে কোন প্রাণের সৃষ্টি কী সম্ভব!

প্রণাম করি সেই মহাভয় বিনাশিনীকে, যিনি নিদারুণ দুঃখ থেকে পরিত্রাণ করেন। তিনি পরম করুণাময়ী, যাঁর স্বরূপ ব্রহ্মাদি দেবতারাও জানেন না, যাঁর কোন অন্ত খুজেঁ পাওয়া যায় না। তাই তিনি জন্মরহিতা হলেও জগতের কল্যাণে আত্মপ্রকাশ করেন। সর্বত্র ব্যাপ্ত হয়ে তিনিই আছেন। তাই তিনি অদ্বিতীয়া-একা।

লক্ষ্য করার বিষয় যে দুর্গাপূজার জন্য শরৎ ও বসন্ত ঋতুই নির্ধারিত। শরৎকালে অনুষ্ঠিত দুর্গাপূজা শারদীয়া এবং বসন্তকালে দেবী দুর্গাার নাম বাসন্তী পূজা। পুরাণে কথিত আছে যে সূর্যের উত্তরায়ণ দেবতাগণের দিবা এবং দক্ষিণায়নে দেবতাগণের রাত্রি। দক্ষিণায়নে দেবতারা নিদ্রিত থাকেন। শরৎকালে পড়ে দক্ষিণায়নে। এসময় দেবতার জাগরণের জন্য শারদীয়া পূজায় দেবীর বোধন ক্রিয়ার অনুষ্ঠান করা হয়। বোধণ অর্থ জাগরণ বা নিদ্রা থেকে জাগ্রত করা। অকালে অর্থাৎ নিদ্রাকালে দেবীকে জাগিয়ে তোলা হয় বলে শারদীয়া পূজার নাম অকাল বোধন। বসন্তকালে দেবতারা জাগ্রত থাকেন বলে দেবীর বোধন করতে হয় না।

মহাসপ্তমী আজ - ছবি

স্বপ্নে এমনটাই আদেশ ছিল বোধহয় তাঁর। সেই থেকেই কৃষ্ণনগরের চট্টোপাধ্যায় পরিবারে অপরাজিতা রঙের দেবী পুজোর প্রচলন। ভক্তের কাছে তিনি ‘নীল দুর্গা’। বনেদি বাড়ির আনাচে, কানাচের অভিজাত বৈভব, তাঁর রাজকীয় নীল রঙের গায়ে।

এই দিনই তো দৃঢ়চরিত্রা এই বীরাঙ্গনা দেবী যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন মহিষাসুরের সঙ্গে। আসুরিক শক্তিকে নির্মূল করে, পৃথিবীকে দুর্গতি থেকে রক্ষা করেই তিনি হয়েছেন দুর্গতিনাশিনী দুর্গা।

মর্তে তাঁর পুজো আরম্ভ করেন নীলকলেবর শ্রীকৃষ্ণ আবার অকালবোধনে ১০৮ টি নীল পদ্ম অর্পণ করেন শ্রীরামচন্দ্র। সর্বশক্তিময়ীর শক্তির রঙকে উপেক্ষা না করেই, লাল রঙ থাকলো আঁচলে আর কুঁচিতে।

Wednesday, October 1, 2014

নবপত্রিকা এবং কলা বৌ স্নান

মার্কণ্ডেয় পুরানের যুগ থেকে আনুমানিক ১২০০/১৩০০ বছর আগে রামায়নে বর্ণিত না থাকলেও সেকালে নবপত্রিকার নবরাত্রি উৎসব ছিল। নয়টা বিশেষ ঔষধীয় গুন্সম্পন্ন গাছের মানুষ পুজা করত। এই নয়টা গাছ হল কদলী, কচু, হরিদ্রা, জয়ন্তী, অশোক, বিল্ব, দাড়িম্ব, মান, ধান্য।

কদলী যেমন খাদ্যমূল্য আছে তেমনি অনেক রগেরও ঔষধ। সর্বাংশ কাজে লাগে। তাই ধরা হয় কদলীতে যে প্রাশক্তির অধিষ্ঠান তার নাম ব্রহ্মাণী। সে কালে আলু ছিল না, লকে কচু খেত। এর বিভিন্ন ধরনের গুন। কচুর মধ্য অনেক গুন থাকায় এর শক্তির যে শক্তির অধিষ্ঠান তাকে বলা হয় কালিকা।

কাচা হলুদ চর্মরোগের ঔষধ। হলুদের হলুদেরগুন থাকায় একে মানুষ পুজা করত। এর পরাশক্তির তার নাম দুর্গা। জয়ন্তী লতা শ্বেতী রোগে ব্যবহার হয়। এতে যে শক্তি আছে তার নাম কার্ত্তিকী। অশোক ফুল নানা রগের ঔষধ। স্ত্রীরোগের ঔষধ অশোকারিষ্ট। এর দেবীর নাম হল শোকরোহিতা।

কাঁচা বেল বহু গুন সম্পন্ন। এর অধিষ্ঠাত্রী দেবীর নাম শিবা। দাড়িম্ব বা ডালিম । খাদ্য হিসাবে ঔষধীয় গুন সম্পন্ন । এতে যে দেবীর কল্পনা করা হয় তার নাম রক্তদন্তিকা মান কচুতে যে দেবীর অধিষ্ঠান কল্পনা করা হয় তার নাম চামুণ্ডা।

আর ধানে যে দেবীর অধিষ্ঠান তার নাম মহালক্ষ্মী । নব পত্রিকা বলতে নটা দেবীর কল্পনা করা হত- এগুলো পৌরানিক কল্পনা। এদের জন্য নটা পৃথক রাত্রি হয়েছিল দেবী পক্ষে। পিতৃপক্ষ শেষে প্রতিপদ থেকে নবমী তিথি পর্যন্ত। দেবী দুর্গা প্রবেশ করার আগে ওই নয়টা ঔষধিকে স্নান করিয়ে স্থাপন করা হয়- এক বলে নবপত্রিকার প্রবেশ। যাকে বলে কলা বৌ।

লোকের ধারনা কলা বৌ বুঝি গণেশের বৌ। কলা বৌ গণেশের বৌ নয় বরং মা। দেবতাদের বা দিকে থাকে দেবী। কিন্তু গণেশের দান দিকে আছে কলা বৌ । নবপত্রিকা উৎসবকে উত্তর ভারতের লোকারা নব রাত্রি উৎসব বলে। বাঙলায় নবাব হোসেন সাহের সময় রামের জয় কে কেন্দ্র করে কংসনারায়ণ রায় এর প্রবর্তন করেন।



Wednesday, September 24, 2014

আজ মহাষ্টমী পূজা

বাঙালির ঘরের মেয়ে উমা এসেছে বাপের বাড়িতে। তারই নাকি আবার পুজো। প্রকাণ্ড প্রতিমার সামনে বসেছে আমাদের ছোট্ট চিন্ময়ী দেবী, মহাশক্তি রূপে। গঙ্গাস্নানের পরে সে পরেছে রক্ত-লাল বেশ, চন্দন, কুমকুমে চর্চিত, পুষ্পে শোভিত, আলতা, সিন্দুরে অর্চিত সে। শুরু হয়েছে কুমারী পুজো।

“কুমারী রক্তবর্ণাভা শক্তিহস্তা ভয়ানকি” দেবীদুর্গা যেন রক্তজিহ্বা, রক্তচক্ষু দিয়ে রাঙিয়ে দিয়েছেন এই নিষ্পাপ শিশুকে, উদ্রেক করছেন ভয় এই রক্তাক্ত পৃথিবীতে। কুমারীর কপালের বড় লাল টিপ সূচনা করছে জাগতিক মিলনের। গাঢ় পরিনয়ের আভা মিশেছে সিন্দুরের সঙ্গে, তারই রেশ টেনে তৈরি হয়েছে প্রতিস্তুতির রক্তিম মালা। একটা ছোট্ট মেয়ে উল-ফুলের মুকুট মাথায় পরে সূচনা করছে সৃষ্টির আর শুভ সঞ্চারের।

Chandelier jhar bati puja

Sunday, September 21, 2014

AJC Bose Road Flyover


The AJC Bose Road in Kolkata is a 3 km long flyover that connects park circus with race course and is one of the longest in India. With the flyover is usually designates the crossing of a railway line or road with a pathway to a different level. A cross placed at the same level of a railway with a road, a street or a square is on the contrary a level crossing.

Wednesday, March 5, 2014

Rabindra Sarobar


Rabindra Sarobar previously known as Dhakuria Lake that was created in the 1920s by excavation in a swampy area to provide soil for filling up the low lying areas is an artificial man-made lake in south Kolkata spread over 48 hectares with parks, gardens and walking alleys.

Thursday, February 27, 2014

রাধাষ্টমী

রাধাষ্টমী একটি বিশেষ দিন কারণ রাধারাণী হচ্ছেন কৃষ্ণের অনান্দদায়িনী বা হ্লাদিনী শক্তি। কৃষ্ণ ছিলেন এক, কিন্তু তিনি দুইজনে পরিণত হলেন রাধা ও কৃষ্ণ রূপে। তাই রাধারাণী একজন নারী নন, তিনি ভগবানের আনন্দদায়িনী শক্তি। যদিও কোন বৈষ্ণব পুরাণাদিতে শ্রীমতী রাধিকার উল্লেখ তেমনভাবে মেলে না, শ্রীমদ্ভাগবতপুরাণেও রাধারাণী অনুপস্থিত।

প্রপঞ্চ লীলায় পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের অন্তরঙ্গা স্বরূপশক্তি গোলোকেশ্বরী রাধারাণী ভাদ্র মাসে শুক্লা অষ্টমী তিথিতে অনুরাধা নক্ষত্রে সোমবারে মধ্যাহ্ন কালে ব্রজমণ্ডলে শ্রীগোকুলের অনতিদূরে রাভেল নামক গ্রামে শ্রীবৃষভানু রাজা ও কীর্তিদা মায়ের ভবনে সকলের হৃদয়ে আনন্দ দান করে আবির্ভূত হন।



Wednesday, February 12, 2014

National Library of India


National Library, the largest library in the Indian Union. The hefty neo Renaissance National Library of India established in 1836 at Belvedere, near Alipore, once the home of the Lieutenant Governors of Bengal is the largest repository of print resources in India by volume Built in Italian renaissance style. The building that houses the library was the official residence of the Governor of Bengal in the colonial era.

Monday, February 10, 2014

চায়না টাউন কলকাতা ও চাইনিজ খাবার

চায়না টাউন কলকাতার ভিতরে একটা মিনি বেজিং। কলকাতা পূর্ব অংশে ট্যাংরা এলাকায় অবস্থিত এই চীনা পাড়ায় চীনা খাবারের বেশ ছোটবড় কিছু রেস্তোরাঁ আছে। বলা যায় বিশুদ্ধ চীনা খাবারের খনি কলকাতার চায়না টাউন। চীনা রীতি রেওয়াজ মেনে এমন কি চীনে যে ধরণের মশলা দিয়ে বিভিন্ন খাবার রান্না করা হয় সেই ধরণের মশলা ব্যবহার করে এই রেস্তোরাঁগুলোতে খাবার পরিবেশন করেন চীনা রাঁধুনিরা।

কলকাতার এই চীনা পাড়ার একটা অদ্ভুত বৈশিষ্ট্য আছে। এখানে যেমন খুব ধুমধাম করে চীনা নববর্ষ পালন করা হয় ঠিক তেমন ভাবেই এই পাড়ায় গেলে দেখা যাবে চীনা তরুণদের মোবাইলে চলছে হিন্দি চলচ্চিত্রের গান। প্রায় সকলেই হিন্দি এবং বাঙলা বুঝতে পারেন, বলতেও পারেন। এই এলাকার রেস্তোরাঁগুলোতে চাউমিন চিলি চিকেন সঙ্গে পাওয়া যায় পিকিং রোস্টেড ডাক, গ্যাং ব্যাং চিকেন, স্প্রিং রোল, ডামপ্লিংস-এর মতো চিনা খাবার। এই খাবারগুলি খেতে কলকাতা সহ কলকাতার আশেপাশের অঞ্চল থেকে চায়না টাউনে প্রতিদিন ভিড় জমান বহু মানুষ। কলকাতায় চীনাদের ইতিহাস নিয়ে চায়না টাউন ঘুরে বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গেল।

সম্রাট অশোকের রাজত্ব কালে ফা হিয়েন প্রথম চীনের নাগরিক যিনি ভারতে আসেন। তিনি যেখানে প্রথম পা রাখেন সেই জায়গার তৎকালীন নাম ছিল তাম্রলিপ্ত। রূপনারায়ন নদীর তীরের তাম্রলিপ্ত বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুক বলে পরিচিত। কলকাতার চায়না টাউনে ঘুরতে ঘুরতে আরও একটি তথ্য উঠে এলো। ‘চিনি’ যা বাঙালির প্রায় প্রতিটি খাবারের অঙ্গ সেই ‘চিনি’ নিয়ে এসেছিলেন চীন থেকে কলকাতা তথা ভারতে আসা চীনের নাগরিকরাই।



এরপর পর্তুগিজদের হাত ধরে ভারতের বিভিন্ন বন্দরে শ্রমিক হিসেবে আসেন চীনের নাগরিকরা। ছড়িয়ে পরেন আসাম, পশ্চিমবঙ্গ সহ ভারতের বিভিন্ন জায়গায়। এই ভাবেই ভারতের সংস্কৃতির সঙ্গে মিলেমিশে যায় চিনা সংস্কৃতি থেকে শুরু করে রান্না। কলকাতার ট্যাংরা এলাকার ট্যানারিগুলোর সঙ্গে এখনও অনেক চীনা মানুষ যুক্ত। বর্তমানে চায়না টাউনে প্রায় ২০০০ চীনা মানুষ বাস করেন।

আগে এই সংখ্যাটা ছিল অনেক বেশি। জনসংখ্যা কমে গেলেও চাউমিন, চিলি চিকেন, সেজোয়ান চিকেন, মাঞ্চুরিয়ান, হুননান চিকেন কিংবা রাইস নুডুলসের আসল স্বাদ চেখে দেখার কথা উঠলেই প্রথমেই আসে চায়না টাউনের কথা। খাবারে স্বাদ শুধু দারুণ নয় দামের দিক থেকেও এই অঞ্চলের রেস্তোরাঁগুলো যথেষ্টই পকেট বান্ধব।

শুধু রেস্তোরাঁই নয় ট্যাংরা, বউ বাজার অঞ্চলের ফুটপাতে বসা চিনা খাবারগুলো বিশুদ্ধ চীনা স্বাদ পরিবেশন করে। তবে ফুটপাতের চীনা খাবার পাওয়া যায় মূলত সকালে। নাস্তা হিসেবে কলকাতার অনেকেই বউ বাজার, ট্যাংরা এলাকার ফুটপাতের চীনা খাবার পছন্দ করেন। একদিকে যেমন ভারতীয় খাবারে চিনা প্রভাব লক্ষ্য করা যায় অন্যদিকে কলকাতার চীনাদের হেঁসেলে ভারতীয় রন্ধন প্রণালীর ব্যবহার চোখে পড়ার মতো।

কলকাতার চীনা পাড়ার দৌলতেই একদিকে কলকাতার বাঙালির হেঁসেলে আকছার রান্না হচ্ছে চাউমিন, মাঞ্চুরিয়ান থেকে সেজোয়ান চিকেন অন্যদিকে চীনা হেঁসেলে রান্না হচ্ছে মাছের ঝোল, কোপ্তা থেকে মালাইকারি। এই ভাবেই বহু বছর ধরে মিশে যাছে চীন এবং পশ্চিমবঙ্গের রন্ধন প্রণালী যার কেন্দ্রে রয়েছে শহর কলকাতা।

Eden Gardens


Eden Gardens have been carried out in 1840 named after the sisters of Lord Auckland, the former governor general. Sports enthusiasts can try their hand with the understanding of a game of cricket the national sport, is played at the stadium, in turn housed within the Eden Gardens, where there is also the Burmese pagoda. If you are fond of cricket you can not miss a visit to Eden Gardens, the second cricket stadium in the world after the Melbourne Cricket Ground in Australia.

Sunday, February 9, 2014

Kolkata Cabs


Generally, the ubiquitous quintessential yellow ambassador models manufactured by Hindustan Motors are used for taxis that greets almost every visitor in Kolkata, but these days Maruti vans, Indicas and Maruti Zens are also running on the streets of Kolkata as taxis and cabs.

Friday, January 31, 2014

East Kolkata Wetlands


The East Kolkata Wetlands, spread over 12500 hectare on the eastern fringes of the city, one of the largest systems of wastewater agriculture in the world, comprise a large number of sewage fed water bodies are a complex of natural and human-made wetlands form a part of the extensive inter-distributary water networks of the Ganges where 250 million gallons of urban sewage flows into shallow ponds.

Tuesday, January 28, 2014

খোয়া ক্ষীর রান্নার রেসিপি

গরুর খাঁটি দুধ ঘন জ্বালে তৈরী হয় খুবই সু-স্বাদু ক্ষীর । এম্নিতে খাওয়ার পাশাপাশি শীতকালিন পিঠা, বিশেষ করে পাটিশাপটা পিঠায় পুর হিসেবে খুবই সু-স্বাদু ও জনপ্রিয়।

উপকরণ:

দুধ ১.৫ লিটার/ ৫ কাপ

রেসিপি প্রণালি:

একটি বড় পাতিলে দুধ দিয়ে মাঝারি আঁচে চুলায় দিন। বলক আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এবার আঁচ কমিয়ে দুধ জাল দিতে থাকুন ঘন হওয়ার জন্য। ২-৩ মিনিট পর পর পাতিলের নিচ পর্যন্ত চামচ দিয়ে নাড়তে হবে যেন নিচে লেগে না যায়।

পাশ থেকে ও দুধ টা নামিয়ে নিতে হবে। যখন দুধ অর্ধেকের কম হয়ে যাবে তখন ঘন ঘন নাড়তে হবে। খেয়াল রাখতে হবে যেন দুধ লেগে না যায়।

রং টা যেন লাল না হয়ে যায়। দুধ টা যখন একদম দলা পেকে যাবে তখন চুলা নিভিয়ে দিন। ঠান্ডা হতে দিন। ঠান্ডা হলে আরো শক্ত হবে। এবার এটা আপনার ইচ্ছা অনুযায়ী ব্যবহার করুন।

অনেকেই হয়তো জানেন না মাওয়া আর খোয়া ক্ষীর একি। কলকাতায় এটাকে খোয়া ক্ষীর বলে আর আমরা মাওয়া বলি।


Thursday, January 23, 2014

Kolkata Fashion Week


The Kolkata fashion week is a fashion event, lasting approximately one week, which allows fashion designers and the fashion houses to present their latest collections and the public to realize what are the latest trends.

Tuesday, January 21, 2014

Rabindra Sadan


Rabindra Sadan is a cultural centre and theatre in Kolkata where live dance or drama performance or cultural programmes and exhibition are held regularly. Rabindranath Tagore, sometimes called also the title of Gurudev, is the Anglicized name of Rabindranath Thákhur. He exercised an enormous fascination on the Western world, who rewarded him with the Nobel Prize for Literature in 1913.

Monday, January 20, 2014

দ্য স্টেটসম্যান

ভারতের প্রাচীনতম ইংরেজি সংবাদপত্র দ্য স্টেটসম্যান, কলকাতায় ১৮৭৫ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। আজ পর্যন্ত এটি পশ্চিমবঙ্গের এক অন্যতম নেতৃস্থানীয় সংবাদপত্র। কলকাতার পাশাপাশি ভুবনেশ্বর, নিউ দিল্লী ও শিলিগুড়ি থেকেও দ্য স্টেটসম্যান প্রকাশিত হয়। এটা দুটি সংবাদপত্রের সহযোগিতায় অবতীর্ণ হয়েছে, দ্য ইংলিশ ম্যান এবং দ্য ফ্রেন্ডস অফ ইন্ডিয়া।

দ্য ইংলিশ ম্যান এবং দ্য ফ্রেন্ডস অফ ইন্ডিয়া উভয়ই কলকাতা থেকে প্রকাশিত হত। দ্য ইংলিশ ম্যান ১৮১১ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। দ্য স্টেটসম্যান, কলকাতা শুরু হয় দ্য স্টেটসম্যান এবং নিউ ফ্রেন্ড অফ ইন্ডিয়া নাম থেকে। খুব শীঘ্রই এর প্রকৃত নাম সংক্ষিপ্ত করা হয় এবং এই সংবাদপত্র দ্য স্টেটসম্যান হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠে। স্বাধীনতার পর এই সংবাদপত্রের কর্তৃত্ব ভারতীয়দের স্থানান্তরিত করা হয়।



কলকাতায় চৌরঙ্গী স্কোয়ারের দ্য স্টেটসম্যান হাউস, এই পত্রিকার প্রধান কার্যালয় হিসাবে ভূমিকা পালন করে। যদিও, নিউ দিল্লীর কনট প্লেস- এর স্টেটসম্যান গৃহ হল জাতীয় সম্পাদকীয় কার্যালয়। এটি এশিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক- এরও সদস্য।

দ্য স্টেটসম্যান দৈনন্দিন আঞ্চলিক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ প্রকাশ করে। এটি বিশ্ব ব্যাপী ক্রীড়াসূচীরও ব্যাপক বিবরণ দেয়। দ্য স্টেটসম্যান-এর কলকাতা সংস্করণের পাশাপাশি কিছু সম্পূরকও প্রকাশিত হয়। এদের মধ্যে সবচেয়ে উল্লিখিত হল ভয়েসেস্। সৃষ্টির পর থেকেই এটি বিদ্যালয় যাত্রীদের কাছে খুবই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। কলকাতার দ্য স্টেটসম্যান এর অন্য এক জনপ্রিয় সম্পূরক হল দ্য এইটথ্ ডে। এটি প্রত্যেক রবিবারীয় পত্রিকার প্রধান পাতার সাথে থাকে যাতে আপনি বিভিন্ন বিষয়ে নিবন্ধ পাঠ করার সুযোগ পান।

দ্য স্টেটসম্যান এর একটি বৈকাল সংস্করণও উপলব্ধ আছে।



Friday, January 17, 2014

Nalban Boating


Nalban the 400 acre serene natural endless expanse of emerald water of Boating Complex a new lakeside attraction of Calcutta in Salt Lake, just 12 Km away from Central Kolkata, is one of the finest picnic spot in the city that gives you an opportunity to experience the beauty of nature to spend me time.

Wednesday, January 15, 2014

Mallickghat Flower Market


The flower market in Mullickghat, under the old Howrah Bridge, is one of the most famous. It is a special place, whose frenetic activity is continuous, day and night, between an unimaginable crowd, tons of garlands of flowers.

Tuesday, January 14, 2014

পিঠা বানানোর নিয়ম ও রেসিপি

শীতের সময় আমরা সবাই কম বেশী পিঠা পুলি খেয়ে থাকি। আমাদের গ্রাম বাংলার ঐতিয্যই এই পিঠা। শীতের সকালে ভাপা পিঠার কোন তুলনা নাই। আমরা সাধারনত গুর দিয়ে ভাপা পিঠা বানিয়ে থাকি। আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব, কিভাবে ভাপা পিঠা ঝাল করেও তৈরি করা যায়। যা ডায়বেটিস রোগী বা অন্যরাও খেতে পারেন। তাহলে আসুন দেখি কি করে ঝাল ভাপা পিঠা বানানো যায়।

## ঝাল ভাপা পিঠা

ঝাল পুর তৈরিঃ

মিহি পেয়াজ কুচি-২ টেবিল চামচ,
কাচা মরিচ কুচি-১ টি,
ধনে পাতা কুচি-১ টেবিল চামচ,
লবন-সামান্য ।

এই সব উপকরন এক সাথে লবন দিয়ে মেখে নিলেই ঝাল পুর তৈরী হয়ে গালো।

মিষ্টি পুর তৈরীঃ

নারিকেল কোরানো-২ কাপ,
খেজ়ুরের গুর-১ কাপ,
এলাচ,
দারচিনি-১/২ টি,
তেজপাতা-১টি।

এই সব উপকরন এক সাথে মাখিয়ে চুলায় ১০মিনিট জাল দিলেই মিষ্টি পুর তৈরী হয়ে গালো।

পিঠা তৈরীঃ স্বিদ্ধ চালের গুরা-২ কাপ, পোলাওয়ের চালের গুরা-১ কাপ, পানি-১/২ কাপ, লবন-সামান্য।

প্রনালীঃ

স্বিদ্ধ চালের গুরা ও পোলাওয়ের চালের গুরা এক সাথে মিশিয়ে নিতে হবে। পানিতে লবন গুলিয়ে চালের গুরার মধ্যে দিয়ে ভাল করে মাখাতে হবে যেনো গুরা হালকা ভেজা ভাব হয়।

এবার চিকন চালনীর উপরে ভেজা গুরা দিয়ে চেলে নিতে হবে।

ভাপা পিঠা বানানোর পাতিলে পানি ভরে চুলায় বসাতে হবে।পানিতে ভাপ উঠলে পিঠা বানানোর ছাচে প্রথমে চালের গুরা দিয়ে ঝাল পুর/ মিষ্টি পুর দিয়ে উপরে চালের গুরা সমান করে দিতে হবে।

এবার পাতলা কাপড় দিয়ে ঢেকে ভাপ এর উপর বসিয়ে পিঠার ছাচ তুলে কাপড় দিয়ে পিঠা ঢেকে দিয়ে উপরে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিতে হবে।

৫ মিনিট অপেক্ষা করে চুলা থেকে পিঠা নামাতে হবে । গরম গরম পরিবেশন করুন সুস্বাদু ভাপা পিঠা ।

Steamed Pitha Dumplings images

Friday, January 10, 2014

Paan Supari


Calcutta Meetha Paan is a must try for tradition of chewing betel leaf is an integral part of the Indian culture, which is very fresh and had good flavour. The Betel nut seeds are chewed after meals as they stimulate the activity and salivary digestion, but it seems that they also possess cardiotonic action, astringent and vermifuge.

Wednesday, January 8, 2014

চালের পায়েস রান্নার পদ্ধতি, রেসিপি

আমরা বেশ কিছু খাবারের নাম নিয়ে কমন কিছু ভুল করি. তার মধ্যে একটা হলো, পায়েস, ক্ষীর আর ফিরনি নিয়ে. অনেকেই এদের মধ্যে পার্থক্য জানি না. আমি বেশ অনেকদিন আগে আমার ব্লগে প্রথম এটার পার্থক্য গুলো লিখি ,তবে সেটা ইংলিশে লেখা. এখন যেহেতু বাংলায় লিখছি ,তাই মনে হলো এ ব্যাপারে আবার লিখি. পায়েস, ফিরনি, ক্ষীরের উপাদান প্রায় একি হলেও স্বাদ এবং টেক্সচারে এদের মধ্যে রয়েছে বেশ পার্থক্য.

ক্ষীর: দুধের অনুপাত চালের থেকে অনেক বেশি এবং দুধ কে জ্বাল দিয়ে অনেক টানিয়ে ঘন করে ফেলা হয়. দুধ ছাড়া ক্ষীর হবে না. অনেক সময় চাল বা অন্য কোন কিছু ছাড়াই দুধ টানিয়ে ক্ষীর করা হয়. যেমন ক্ষিরসা. যতদুর জানি, ক্ষিরসা শব্দটি হিন্দি বা উর্দু ক্ষীর সা মানে ক্ষীরের মতো থেকে এসেছে.
ছোট বেলায় ক্ষীরের পুতুল পড়েছেন? নাম থেকেও কিন্তু বোঝা যায় ক্ষীর নরম কিন্তু প্রায় সলিড ফর্মের থাকবে. ক্ষীরের পুর দিয়ে পাটিসাপটা, ক্ষীর পুলি সহ অনেক পিঠা করা হয়.

পায়েস: পায়েসে গোটা চাল ব্যাবহার করা হয়. দুধ জ্বাল দিয়ে ক্ষীরের মতো অত ঘন করার দরকার নেই. এটি ক্ষীরের মতো প্রায় সলিড নয়. ঘন কিন্তু থকথকে হবে না.

ফিরনি: ফিরনি নওয়াবদের রসুইঘরের শাহী ডেসার্টের একটি. ফিরনি তে ব্যাবহার করা হয় ভাংগা সুগন্ধি চাল আর জাফরান, কেওড়া, বাদাম, কিশমিশ সহ নানা শাহী উপাদান এর বৈশিষ্ট. এই ভাংগা চাল থেকে বের হওয়া স্টার্চই ফিরনির ঘনত্বের উৎস.

যাই হোক, আজকে পায়েসের রেসিপি দিচ্ছি. দুধের পায়েস. একটা কথা বলি,পায়েস রান্নার একটা সাধারন রুল হলো, ১ লিটার দুধে ১ মুঠো চাল. এক মুঠো মানে প্রায় ১/৪ ভাগ কাপ চাল. এর থেকে কিছু বেশিও নেয়া যায়, কিন্তু ১ লিটার দুধে ১/২ কাপ এর বেশি চাল নিলে সেটা প্রায় দুধ ভাত ধরনের হয়.

আমার এক বন্ধুর পায়েসের রেসিপি পেয়েছিলাম উনি ৫ লিটার দুধে মাত্র দু মুঠো চাল দিয়ে পায়েস করতেন. আহহহহহহহ! কি স্বাদ! হ্যা, সব সময় এত দুধ দিয়ে এত অল্প পরিমানে পায়েস করা সম্ভব হয় না. কিন্তু সেটার একটা টেক্নিক আছে. এক গাদা চাল আগেই এত অল্প দুধে সিদ্ধ করা হয় না কারন সিদ্ধ হয়ে আসল কন্সিস্টেন্সিতে আসার আগেই সেটা টেনে যাবে. এই জন্য অনেকেই আগে চালটাকে আলাদা সিদ্ধ করে খুব ঘন দুধে জ্বাল দিয়ে ,চিনি যোগ করে করে. যাক,সেই রেসিপি না হয় পরে কখনো দেয়া যাবে. আজকে বেসিক পায়েসের রেসিপি দেই.

শীতে ঘন দুধের খেজুরের রসের সুগন্ধে মৌ মৌ পায়েস কার না পছন্দ! কিন্তু এই পায়েস রাধতে গিয়ে কত মানুষের কত মন খারাপ. দুধ ফেটে গেল কেন? গুড়ের সুন্দর গন্ধ টা আসছে না. চাল গুলো ঠান্ডা হবার পর কেমন শক্ত আর তাকিয়ে তাকিয়ে আছে যেন! আমি অনেক রেসিপি দেখেছি,যেখানে দুধের সাথে গুড় জ্বাল দেয়ার কথা রয়েছে!

আর ইউ কিডিং মি? একটা রেসিপি কেউ লিখলে দায়িত্বের সাথে লেখা উচিত. দুধ আর গুড় গরম অবস্থায় জ্বাল দিলে ফেটে যাবার চান্স ৯৯.৯৯%.
এখন সেই খাটি গুড় কই? আর কমার্শিয়ালি করা গুড়ে এখন সোডা দেয়া ছাড়াও অনেক কেমিক্যাল ইউজ করা হয়. খাটি গুড় বলে বিক্রি করা গুড়েও নিদেন পক্ষে সোডা দেয়া থাকবে. এই গুড় গরম দুধে দেয়ার সাথে সাথে ফাটবে না তো কি! সমাধান পরে দিচ্ছি. এখন আসি আরেকটা ইস্যু নিয়ে. গুড়ের সুন্দর গন্ধ পাই না কেন?

আমি যত রেসিপি দেখেছি, সব যায়গায় গুড়ের পায়েস এ এলাচ, দারচিনি, তেজপাতা দেয়া!! এই গরম মশলার কারনে খেজুর গুড়ের সুন্দর গন্ধ টাই থাকে না. ঘন দুধের গুড়ের পায়েস এর উপাদান খুব সামান্য. দুধ,চাল আর ভাল মানের গুড়. চাইলে কেউ নারকেল দেই. এই তো. এর বেশি আর কিছুই না. প্লিজ নো গরম মশলা. তারপর দেখুন গুড় কেমন করে চারদিকে মৌ মৌ সুগন্ধে ভরে রাখে.

এখন প্রসেস এ আসি. দুইভাবে করা যায়.প্রথমে গুড় আর চাল একসাথে জ্বাল দেয়া হয়. চাল সিদ্ধ হয়ে নরম আর ঘন হয়ে আসার পর, ঠান্ডা হয়ে হালকা গরম থাকতে, হালকা গরম খুব ঘন দুধ মেশানো হয়. অথবা প্রথমে দুধে চাল জ্বাল দেয়া হয়. সিদ্ধ হয়ে ঘন হওয়ার পর ঠান্ডা করে হালকা গরম থাকতে, হালকা গরম ঘন করা জ্বাল দেয়া গুড় মিশিয়ে. আমি শেষের পদ্ধতি তে করেছি.

গরম দুধে কখনো গুড় দিবেন না. দুধ ফেটে যাবে. আবার দুধ হালকা গরম কিন্তু গুড় আগুন গরম, তাতেও কিন্তু দুধ ফেটে যাবে. দুটোই কুসুম গরম থাকবে. মেশানোর পর আমি আর জ্বাল দেই না. অনেকে দেয়. আমি দেই না. রিস্ক নেয়ার দরকার কি!



উপকরণ:

৩ কাপ চাল
দেড় কেজি দুধ
১ কাপ খেজুর গুড়
২ কাপ পানি
১ কাপ নারকেল কোড়া

প্রনালী:

১. চাল ধুয়ে ১ ঘন্টা ভিজিয়ে পানি ঝরিয়ে নিন. দুধ আর চাল একসাথে সিদ্ধ হতে দিন. প্রথমে মাঝারি আচে. প্রথম দিকে ঘন ঘন নাড়িয়ে দিবেন, আর না হলে নিচে চাল লেগে যেতে পারে. বলক আসলে জ্বাল মাঝারি থেকে কম আচে দিয়ে জ্বাল দিতে থাকুন. মাঝে মাঝে নেড়ে দিবেন. উপরে সরের মত পড়বে, দুধে মিলিয়ে দিন.

২. চাল সিদ্ধ হয়ে গেলে হ্যান্ড ব্লেন্ডার বা ডাল ঘুটুনি দিয়ে অল্প একটু ঘুটে দিন. পায়েস বেশ ঘন হয়ে আসলে চুলা বন্ধ করে দিন. একদম থকথকে ঘন না, কিন্তু বেশ ঘন, যাতে গুড় মিশালে পায়েস এর পারফেক্ট কন্সিসটেন্সি টা আসে, সেটা আন্দাজ করেই.

৩. দুধ আর চাল জ্বাল দেবার সময়, ১ কাপ খেজুর গুড় দেড় কাপ পানিতে জ্বাল দিয়ে অর্ধেক মানে ৩/৪ ভাগ কাপ করে ফেলুন. ঠান্ডা হতে দিন.

৪. দুধ আর চাল হালকা গরম থাকতে নারকেল কোড়া দিন. এখন ঠান্ডা হওয়া হালকা গরম গুড় বা রুম টেম্পেরেচারের গুড় আস্তে আস্তে মিশিয়ে নিন. গুড় মেশানোর পর আপনি যেমন কন্সিসটেন্সির পায়েস খেতে চান, তার থেকে একটু পাতলা থাকবে, কারন ঠান্ডা হলে এটা ঘন হয়ে জমে যাবে. ঠান্ডা হবার পর গুড়ের রংটাও পায়েসে সুন্দর আসবে. মজা করে খান.

Tuesday, January 7, 2014

শ্রীকৃষ্ণের ঝুলন যাত্রা ছবি, ইতিহাস, পূর্ণিমা

ঝুলন যাত্রা মানেই হচ্ছে শ্রীমতি রাধারাণী কিন্তু বিশেষ করে বাংলাতে অধিকাংশ গৃহস্থগণ গোপালকে দিয়ে এটি উদযাপন করে থাকে। অনেক গৃহেই তারা এভাবে পালন করে। ভারতের বিভিন্ন মন্দিরে তারা এই ঝুলনযাত্রার উদযাপন করে। এমনকি তিরুপতিতে তারা বালাজীকে দুলিয়ে থাকে।

কিন্তু এই বিশেষ দিনগুলি হচ্ছে রাধারাণী এবং কৃষ্ণের জন্য। কৃষ্ণ অধিক সন্তুষ্ট হন যখন আপনারা রাধারাণীর সাথে তাঁকে দোলান। তাই আমাদের উচিত এই সুযোগটি গ্রহণ করা, এই সময়টিতে রাধা ও কৃষ্ণের ঝুলন যাত্রা উদযাপন করা। কিন্তু যদি কোন নামহট্টে শুধুমাত্র গোপাল বিগ্রহ থেকে থাকে তাহলে তারা গোপালকে দুলিয়ে থাকে। কিন্তু যেখানে আমাদের রাধা ও কৃষ্ণ রয়েছে, আমরা সর্বদাই রাধা ও কৃষ্ণের ঝুলনযাত্রা উদযাপন করে থাকি।


Saturday, January 4, 2014

New Market Kolkata


Before leaving Kolkata shopping is a must in the New market or Sir Stuart Hogg Market. The architecture of the market dates back to the seventeenth century and is fabulous. Like most good things in the city, this has also undergone a change in recent renovations and the growing number of tourists. It is still a great experience, where you can find everything and at all prices from gold, jewels, silks, saris, spices, teas and even food products.