অন্যদিকে, অমাবস্যা রাতে থাকে ঘুটঘুটে অন্ধকার। এই ঘুটঘুটে অন্ধকারের মাঝে নিজের হাতের আঙ্গুলগুলোও ঠিকমতো দেখা যায় না। এই অন্ধকারের মাঝে যদি ছোট্ট একটা মোমবাতিও জ্বালানো হয়, তাহলে সেই মোমবাতির আলো বিরাট কিছু হয়ে আমাদের চোখে ধরা পড়ে। মনে হয় যেন ছোট্ট মোমবাতির আলো সমগ্র অন্ধকারকে দূরীভূত করতে সক্ষম।
একাদশী, অমাবস্যা, পূর্ণিমা তিথিতে জোয়ার ভাটার কারনে দেহে জলীয় পদার্থের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। এই সময় অন্নাদি শাকপাতা ভোজোনে শরীর অলস হয়ে পড়ে । এই সময় আহার সংযম প্রয়োজন। এই জন্য বাত রোগী অমাবস্যায়, পূর্ণিমায় নিশিপালন করেন ।



একটি মন্তব্য পোস্ট করুন