Monday, December 31, 2012

Kolkata Police Kiosk

Kolkata Police Kiosk helpline numbers

Police kiosks all over Kolkata act as immediate responders to anyone who cannot reach the police station regarding complaints of crime, taxi refusals and other law and order issues. The function of the police, as for generally refers to systems in Western culture of our times, eminently regards to combating crime, organized or individual. It is not uncommon, indeed, to see that the term police is also required by law to have a use for functions exquisitely respect of the protection of the legal order.

Sunday, December 30, 2012

Kolkata Supermarket Big Bazaar

Kolkata Supermarkets sell fast moving consumer goods like grocery, toiletry and it has a market share of around thirty percent in organized retail. The shopping centers are part of those spaces that ethnologist French anthropologist Marc Augé calls non-places, contrasting them to classic anthropological places: the non-places are those spaces produced the so-called society supermodernity who have the prerogative not to be identity, relational and historical spaces in which multitudes of individuals are crossed without entering into a relationship, driven only by the desire to consume or to accelerate everyday tasks.

Tuesday, December 25, 2012

Kolkata Xmas

Kolkata Christmas

For Christmas, Kolkata truly turns city of joy with Christmas carols, choirs, light and sound exhibitions, rock music, shimmering lights, delectable food all forming the myriad nuances of the Christmas celebrations. 

Kolkata Christmas Market

The Christmas Market is a public trade event, which takes place usually outdoors, in the city center, which is exposed to everything that concerns the Christmas. Usually, there are small stands, where one can buy Christmas decorations, gourmet regional products or of handicraft, souvenir, small gift items. He performs extensively a catering service that offers fast often mulled wine, sandwiches, sausages and hot dogs warm.

Christmas New Market

Christmas New Market kolkata

Its winter, it is the season of colors, bright sunny days, chocolates, cakes and of course the season of festivals. The Christmas Market in Kolkata or in Indian New Market is a trade event that takes place during the month of December in Calcutta.

Park Street Christmas

park streer chirstmas kolkata

The Park Street is a Christmas carnival place in the square hosted in Kolkata. With an estimated two million visitors a year is one of the largest Christmas carnivals in India and one of the most popular in the world. Begins each year on the Friday before the advent and ends December 25. Christmas lights invite you to stroll through the romantic markets, the seductive scent of baked apples and mulled wine fills the air in winter, traditional folklore and the sweet melodies of wind instruments prepare souls to recollection and to the party.

Wednesday, December 5, 2012

Kolkata Restaurant

A restaurant attested for the first time in Kolkata in 1877 is a building in which they are served food and beverages varied, to be enjoyed inside and sometimes even take away. The term covers a wide range of commercial activities and a variety of cuisine. Sometimes the restaurants are part of a larger complex, typically a hotel, in which case the environments for food are meant for use by guests, but they are often also open to external clients.

Tuesday, December 4, 2012

The Chocolate Room Kolkata

Many of you have asked about different neighborhoods from Kolkata, to explore the less commercial and tourist. In fact, one of my favorite places in this area The Chocolate Room, a small chocolate boutique, at Rawdon Street. In, approaching Valentine's Day, it might be also a great destination for you.

Monday, December 3, 2012

শিবের গাজন যাত্রা - ভিডিও, গান, প্রক্রিয়া, মেলা

চৈত্র মাস গাজন ও চড়কের মাস! এই একমাস যাবৎ যেকোন বয়সের যেকোন ব্যক্তি এই ব্রত নিজের সাধ্যমতো উদযাপন করতে পারেন! একমাস করতে না পারলে চৈত্রের শেষ ১৫ দিন, বা ৭ দিন বা, ৫ দিন, বা ৩ দিন ধরেও ব্রত পালন করতে পারেন! ফাল্গুন মাসের সংক্রান্তির দিন ক্ষৌরকর্ম সেরে গঙ্গামাটি মেখে স্নান করে নতুন গৈরিক বস্ত্র পরিধান করতে হয়!

এদিন থেকে রোজ শিবনাম করতে হয় ও বিজোড় সংখ্যক মালসায় হবিষ্যান্ন (আতপ চাল, দুধ, গাওয়া ঘি, আখের গুড়, কাঁচকলা, সন্ধক নুন ইত্যাদি পরিশুদ্ধ ও সহজপাচ্য খাদ্য) গ্রহণ করতে হয়! চৈত্র সংক্রান্তির দিন চড়ক, তার আগের দিন নীলপূজা, নীলপূজার আগের দিন মহাহবিষ্য! এই শেষ ৩ দিনের (মহাহবিষ্য, নীল, চড়ক) নিয়ম একটু ভিন্ন!

মহাহবিষ্যের দিন সারাদিন উপবাসী থেকে রাতে একটি মালসায় ৩টি চাউল রেঁধে একটি খেতে হয়, একটি পাকপাত্রে ও একটি পাতে রেখে দিতে হয়! ঐ পাতে ফলমূল খাওয়া যাবে! পরদিন (নীলের দিন) উপবাসী থেকে বাবা তারকনাথের পুজো দিয়ে মন্দিরে নীলবাতি দিতে হয়!

রাতে ফলমূল খেতে হয়! পরদিন (চড়কের দিন) সকালে ছাতু ভোগ দিয়ে বাবা তারকনাথের পুজো দিয়ে প্রসাদ খেতে হয়! ঐদিন মুখরোচক অথচ সহজপাচ্য খাবার (লুচি, উচ্ছে প্রভৃতি) খেতে হয়! বিকেলে চড়কে উঠতে হয় ও কাঁটাঝাঁপ করতে হয়! ১লা বৈশাখ সকালে শিবগোত্র ত্যাগ করে নিজগোত্র পুনর্গ্রহণ করে উত্তরীয় ত্যাগ করতে হয়!

ঐদিন বাবা তারকনাথের পুজো দিয়ে সংবৎসরের জন্য মঙ্গল ও শান্তি প্রার্থনা করতে হয়! সর্বোপরি একটাই কথা বলার যে, ভক্তিই সব! ভক্তি আর বিশ্বাস না থাকলে কিছুই হবে না! বাবা তারকনাথের মহিমা অপার! সন্ন্যাসীরা বঁড়শিতে গ্রথিত হয়ে চড়কে ঘোরেন, কাঁটার উপরে ঝাঁপ দেন, খোলা বঁটি কাটারির উপর ঝাঁপ দেন, জ্বলন্ত কয়লার উপর দিয়ে হাঁটেন, অথচ অক্ষত থাকেন!

এ সমস্তই বাবা তারকনাথের লীলা! তাই আজ হুগলী জেলার অন্তঃপাতি তারকেশ্বর ভারতের একটি বিখ্যাত শৈবতীর্থ! তারকেশ্বরের গাজনের মেলা অতি প্রাচীন একটি মেলা! বাবা তারকনাথ সকলের মঙ্গল করুন!

Gajan Fair Charak Festival

Sunday, December 2, 2012

Kolkata Maidan

Maidan is a term coming from the Arabic meaning square one of the largest green spaces in central Kolkata. The park is adjacent to Victoria Memorial. Maidan covers 1000 acres. Maidan  hosted the Exhibitions. Maidan has also become home to numerous political and cultural events, such as the one of bookfair and the brigade parades. In the park, the protest also took place on February 2003 against the invasion of Iraq.

Saturday, December 1, 2012

Fame Cinemas INOX

South City Mall kolkata shopping

A multiplex cinema or just multiplex is a movie theater which includes from 2 to 10 screens playing, usually the result of renovation and or expansion of an existing single screen cinemas in town. It speaks instead of in the case of multiplex movie theaters built exnovo usually outside of city centers to the need for large spaces at affordable rates with an advanced design that optimizes the use by the spectators, starting from the extensive availability of parking spaces, and at the same time the management by the operator.

Friday, November 30, 2012

নারিকেলের নাড়ু বানানোর নিয়ম ও রেসিপি

নারকেলের নাড়ু অনেকের কাছে নারকেলের লাড্ডু নামেও পরিচিত। প্রাচীন কালে গ্রামে-গঞ্জে বাঙ্গালির উত্সবের খাবারের একটি জনপ্রিয় আইটেম ছিলো এই নারিকেলের নাড়ু। গুড় ও নারিকেল দিয়ে তৈরী এই নাড়ু খেতে অত্যন্ত মুখরোচক এবং এর পুষ্টিগুণও অনেক। নারিকেলের নাড়ু তৈরিও খুব সোজা। আসুন দেখে নেয়া যাক খেজুরের গুড় দিয়ে বানানো নারিকেলের নাড়ুর রেসিপি।

নারকেল দিয়ে তো আমরা অনেক ধরনের নাড়ু বা লাড্ডু বানিয়ে থাকি।সবসময় একই রকম নাড়ু খেতে ভালো লাগে না,তাই না?তাই আজ আমি আপনাদেরকে নারকেল দিয়ে একটি ভিন্ন স্বাদের মজাদার নাড়ু বা লাড্ডু তৈরি করা শেখাবো।

নারকেলের নাড়ু খেতে কার না ভালো লাগে। আর এই সময় পূজার মিষ্টান্ন আইটেমে এর উপস্থিতি থাকা চাই-ই-চাই! খুব সহজ এবং নারকেল কুড়ানো থাকলে ঝটপট তৈরি করা যায়। এটা এতোই সুস্বাদু যে টপাটপ দু-তিনটা গ্রাস করে ফেলা যায়।তবে আর দেরি কেন? নারকেলের নাড়ুর প্রতি দুর্বলতা থাকলে ঝটপট তৈরি করে ফেলুন।

নাড়ুর কালার হালকা হবে।ডিপ কালার হলে দেখতে ভালো লাগবে না। রং মেশানোর সময় প্রথমে অবশ্যই এক ফোঁটা দিয়ে দেখতে হবে যে রং চাচ্ছেন সেটা ঠিক হয়েছে কিনা নাড়ুর উপর কোরানো নারকেল দিতে না চাইলে মাওয়ার গুঁড়ো দেয়া যাবে। তবে খুব বেশি দেয়া যাবে না তাহলে নাড়ুর কালার দেখা যাবে না ডেকোরেশন নিজের মত করে করা যাবে।

পূজায় খাবার-দাবারের তালিকায় নাড়ু থাকবে না, তাই কি হয়! নাড়ু ছাড়া পূজার খাবার অসম্পূর্ণই থেকে যায়। মিষ্টি ও মুখরোচক এই খাবারটি সবার কাছেই সমান প্রিয়। থাকলো নারিকেলের নাড়ু তৈরির রেসিপি-

narkel naru ladoo coconut balls

উপকরণ ও পরিমাণ

ফ্রেশ নারকেল কোরানো ২ কাপ
কনডেন্সড মিল্ক ১/৩ কাপ
এলাচ গুঁড়ো ১/৪ চা চামচ
ঘি ২ টেবিল চামচ
মাখন ১ টেবিল চামচ
ফুড কালার ২ ফোঁটা
ফ্রেশ নারকেল কোরানো প্রয়োজনমত
সুইট সিলভার বল

প্রস্তুত প্রণালী

# প্রথমে একটি সসপ্যানে বা পাতিলে ঘি+মাখন নিয়ে এরমধ্যে নারকেল কোরানো দিয়ে হালকা ভেজে নিতে হবে মিডিয়াম আঁচে।ভাজার সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন নারকেল লাল রং না হয়।নারকেলের রং কিন্তু সাদা থাকতে হবে।

# তারপর নারকেল হালকা ভাজা হলে এরমধ্যে কনডেন্সড মিল্ক+এলাচ গুঁড়ো দিয়ে ভালো করে অনবরত নাড়তে হবে।নাড়ার সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন পুড়ে না যায়।

# এরপর নাড়তে নাড়তে যখন নারকেল আঠালো হয়ে আসবে তখন চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করতে হবে।

# তারপর ঠান্ডা হলে নারকেলকে ৩ ভাগে ভাগ করতে হবে এবং ৩ ভাগে ৩টি রং মেশাতে হবে।রং মেশানো হলে গোল শেপ করে কোরানো নারকেলের উপর নাড়ু গড়িয়ে নিতে হবে।তারপর নাড়ুর উপরে সুইট সিলভার বল দিয়ে ডেকোরেশন করতে হবে।

# এরপর নাড়ু ফ্রিজে ১ ঘন্টা রাখতে হবে।এক ঘন্টা পর ফ্রিজ থেকে নাড়ু বের করে পরিবেশন করা যাবে।

Thursday, November 29, 2012

Hooghly River Lights

An evening by the Hooghly river and Vidyasagar Setu. Hooghly River is majestic soaring well 4 bridges and yet the oldest among them, the Howrah Bridge also known as Rabindra Setu, in honor of the great poet Rabindranath Tagore still figure as the busiest in the city perhaps because, compared to the other three, the Vidyasagar Setu, the Vivekananda Setu and the Nivedita Setu guarantees free access.

Tuesday, November 27, 2012

গ্যাস বেলুন

এই শহরে এমন কিছু জিনিস আছে যাদের শুধু পুজোর সময়ই দেখতে পাওয়া যায়— বাদবাকি বছর তাদের টিকির দেখাও পাওয়া যায় না। এদের মধ্যে একটি হল গ্যাস বেলুন। অন্য বেলুনের সঙ্গে গ্যাস বেলুনের তফাত হল এই যে, এদের ছোট্ট মুখের সঙ্গে বাঁধা সুতোটি হাতে ধরে থাকলে এরা আকাশে উড়তে থাকে।আর এটাই তাদের ছোটদের চোখে আরও অ্যাট্রাকটিভ করে তোলে।

তবে যেকোনও আকর্ষণীয় জিনিসের যেমন একটা ঝামেলার দিক থাকে গ্যাস বেলুনও তার বাইরে নয়।কোনও ভাবে সুতোটা ফসকে গেলে এরা তার মালিকে ভুলে গিয়ে ভাসতে ভাসতে হারিয়ে যায় দূরের আকাশে।গ্যাসবেলুনওয়ালারা সব সময় একটি ছোট ঠ্যালা-গাড়ি নিয়ে দুগ্‌গা ঠাকুরের মণ্ডপের কাছে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন।ওই গাড়ির মধ্যে একটি গোল-মাথার ধাতব সিলিন্ডার সোজা ভাবে রাখা থাকে।

যাতে ভরা-থাকে অদ্ভুত গন্ধওয়ালা হিলিয়াম গ্যাস। এই গ্যাসটি বাতাসের চেয়ে হালকা। তাই সিলিন্ডারের চাবি ঘুরিয়ে তা বেলুনে ঢোকালে বেলুনটি বাতাসে ভেসে থাকে।

Sunday, November 25, 2012

International Day of Families

International Day of the Family, founded by the United Nations in 1993. Thanks to the healthy family the state gets stronger and develops and the well being of people grows. At all times the level and character of development of the country has been judged o­n the attitude of the state to family, as well as its stand in a society. This is due to the fact that the happy union of family and the state is a necessary pledge of prosperity and well being of its citizens. Human life commences with family and then its formation as citizen takes place.

Friday, November 23, 2012

Communists in Bengal

Finally the curtains are down for the world's longest democratically-elected Communist government in a state. The people has ended the uninterrupted 34 year old rule of the Left Front to give power to the right wing forces. The opposition came with a landslide victory with the communists left to rubbles and wrest the seat of power in Bengal, the Writers Building for the next 5 years.

Wednesday, November 21, 2012

আম বাগান

ফলের রাজা। উপকারেও দারুণ। গরমের দিনে এই ফল খেয়েই রসনা তৃপ্ত করেন ভোজন রসিকরা। তা দিয়ে তৈরি হয় অনেক রকমারি পানীয়, যা গরমের দিনে অতিথি আপ্যায়নের জন্য নিতান্তই অপরিহার্য।

কোন ফলের কথা বলছি তা নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন। ফলের বাজারে এরই মধ্যে তার আনাগোনা তুঙ্গে। যেদিকে তাকাবেন পাকা হলুদ রঙের বাহারি আমের উপস্থিতি চোখে পড়ে যাবে। নামেই শুধু রাজা নন তিনি, গুণেও পটু। তার উপকারটা অনেক ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। বিশেষ করে স্বাস্থ্যের জন্য আমের উপকারের মাত্রাটা সীমাহীন।

হৃদরোগ থেকে শুরু করে অপরিপকস্ফতা, ক্যান্সার সারাতে আম মহৌষধি। আমের মধ্যে অত্যধিক আয়রন রয়েছে। গর্ভবতী থাকাকালীন যেসব মহিলা এনিমিয়া রোগে ভুগছেন তারা আম খেতে পারেন। এতে রক্তস্বল্পতা সহজেই দূর হয়ে যাবে। লোমকূপের ছিদ্র বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে ত্বক নিয়ে ভুগছেন? আমের টুকরো ত্বকে রগড়ে নিন। ১০ মিনিট পর তা ধুয়ে ফেলুন। সমস্যা থাকবে না।

বেশি মাত্রায় আম খান। অ্যাসিডিটির হাত থেকে রেহাই পাবেন। তাছাড়া উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রেও আমের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিনের খাবার মেন্যুতে আম রাখুন। গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, কিডনিতে পাথর জমার ক্ষেত্রেও বাদ সাধে আম। তাই দেরি না করে গরমের সুস্বাদু ফলটা খেতে শুরু করে দিন এখনই।

আমের মধ্যে এমন প্রোটিন আছে, যা মনোযোগ ও স্মৃতিশক্তি বাড়িয়ে দেবে। অপরদিকে আমের মধ্যে ভিটামিন-ই রয়েছে, যা আপনার যৌন হরমোনকেও সতেজ করে দেবে।

গরমে এক গ্লাস কাঁচা আমের জুস এনে দেবে স্বস্তি।

কাঁচা আম ২ টি
বিট লবন সিকি চা চামচ ( ১/৪)
লবন আন্দাজ মত
চিনি ৪ টেবিল চামচ [আম টক কেমন সে অনুযায়ী চিনি কম বেশি দিতে পারেন ]
গোল মরিচ সিকি চা চামচ ( ১/৪)
ঠাণ্ডা পানি - ২ গ্লাস।

আম কুচি কুচি করে কেটে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন।এরপর সব একসাথে মিক্সড করে ৫ মিনিট ব্ল্যান্ড করুন। উপরে পাতলা কুচি করে অল্প কাঁচা মরিচ ছড়িয়ে দিন। আমের রস আর পানিতে ব্ল্যান্ড হয়ে তিন গ্লাস জুস হবে।

Monday, November 19, 2012

Chhath Puja at Babughat

During Chhath Puja celebration to worship God Sun, huge crowd can be seen on Babughat performing their puja. And after the light and the hope of prosperity wealth of Diwali comes also from the sun purifier. The Chhat festival is an important event in Nepal and many other countries of the subcontinent. A Hindu festival that has many interesting meanings.

Saturday, November 17, 2012

Grand Trunk Road

The Grand Trunk Road GT Road was initiated by, and later constructed and extended by Sher Shah Suri, who then ruled much of northern India. Grand Trunk Road , the road that Kipling in his novel Kim, calls the backbone of India and is, in fact, the only major thoroughfare, busy and colorful truck with all sorts of vehicles and animals, which leads from Calcutta to Kabul, along the Pakistan.

Friday, November 16, 2012

কার্তিক পূজা

দেব সেনাপতি সুদর্শন কার্তিক একজন পৌরণিক দেবতা। তিনি ভগবান শিব,মা দূর্গার পুত্র। ছয় জন মাতৃকা দেবী কৃত্তিকা তাঁকে ধাত্রীরূপে স্তন্যপান করিয়েছিলেন বলে তাঁর নাম হয় কার্তিকেয়। আমরা সংক্ষেপে বলি কার্তিক। তাঁর ভাইয়ের নাম গণেশ। দেবতা কার্তিক অত্যন্ত সুন্দর, সুঠাম দেহ এবং অসীম শক্তির অধিকারী। পুরাণে আছে তরকাসুরের আধিপত্য থেকে স্বর্গরাজ্য উদ্ধার করার জন্য স্বর্গের দেবতারা তাকে সেনাপতিরূপে বরণ করেছেন। তাঁর দেহাবরণ উত্তপ্ত স্বর্ণের মতো। এ কারণে তাঁকে ষড়ানন বলা হয়।

কার্তিকের ছয়টি আনন। আনন মানে মুখ। তবে তাঁর একটি মুখযুক্ত রূপই প্রচলিত। সে রূপেই তাঁকে পূজা করা হয়। যুদ্ধাস্ত্র হিসেবে কার্তিকের হাতে তীর, ধনুক ও বল্লম দেখা যায়। তার বাহন সুদৃশ্য পাখি ময়ূর। কার্তিক বিভিন্ন অসুরের সঙ্গে যুদ্ধ করেছেন। এ সকল যুদ্ধে তিনি জয় লাভ করেছিলেন। পুরাণ অনুসারে তারকাসুরকে বধ করার জন্য কার্তিকের জন্ম হয়েছিল। তিনি বলির পুত্র বাণাসুরকেও পরাজিত
করেছিলেন। কার্তিকের আরেক নাম স্কন্দ, মহাসেন, কুমার গুহ ইত্যাদি। স্কন্দ পুরাণ কার্তিককে নিয়ে রচনা করা হয়েছে। আজ কার্ত্তিক পূজা......।।

সকলকে জানাই কার্ত্তিক পূজার শুভেচ্ছা...।।

Thursday, November 8, 2012

Bengal Elections

It is Election time these days when volumes and tempers are in full pitch in Kolkata, because the city takes politics very seriously. Kolkata’s streets are filled with signs and flags for a staggering number of political parties. Women are a powerful force in Indian politics, although they are quite rare in the public sphere of urban life.

Tuesday, November 6, 2012

মাতৃ দিবস

আজ ৮ই মে। বিশ্ব মাতৃ দিবস। হিসাব অনুসারে মে মাসের ২য় রবিবার মা দিবস পালন করা হয়। মাকে কে কে ভালোবাসেন? এই প্রশ্নটা করলে আমি কতোটা হেয় হবো জানা আছে। মা কে ভালোবাসেনা এমন মানুষের সংখ্যা হয়তো নিতান্তই কম। ফেসবুক ব্যবহারকারীরা ২ ভাগে বিভক্ত। একদল মাতৃ দিবসের পক্ষে! অন্যদল বিপক্ষে। বিপক্ষে ঠিক বলবোনা। তাদের কথায় ও যুক্তি আছে। তারা বলতে চাচ্ছে বছরের ৩৬৫ দিনই আমরা মা কে ভালোবাসি। তাহলে একটা দিন এতো নাটকীয়তার কি প্রয়োজন?!

মাকে ফেসবুকে প্রেম দেখায়ে লাভ কি? মন থেকে ভালোবাসলেই হলো। এতো দেখানোর কি আছে? আমি মা কে ভালোবাসি এটা পৃথিবীর সামনে চেঁচিয়ে বললেই কি আমার ভালোবাসা প্রমাণিত হবে? কারোর যুক্তি খন্ডানোর নয়। যে যে যার যার জায়গায় একদম ঠিক।

একদিকে এটা যেমন ঠিক যে ভালোবাসা যেমন দেখানোর বিষয় নয় তেমনি অপরদিকে এটাও ঠিক যে আমরা চাইলেই যখন তখন মাকে মুখ ফুটে বলতে পারিনা। শুধু বলতে পারিনা এটাই আমাদের ব্যর্থতা। এই ব্যাপারগুলো বেশিরভাগ ঘটে থাকে মধ্যবিত্ত পরিবারে। তারা এতোটাই সীমাবদ্ধতার মধ্যে বড় হয় যে তাদের ভালোবাসার প্রকাশ টাও সীমাবদ্ধ। তারা হাজার চাইলেও মা বাবা কে ভালোবাসি বলতে একপা এগিয়ে আবার দশ পা পিছিয়ে আসে।

মধ্যবিত্ত পরিবারের সবকিছু এতোটাই কন্ট্রোলে থাকে যে কখন আমাদের ইমোশন গুলোও আমরা কন্ট্রোল করা শিখে যাই। আপনি বলতে পারছেন না তার মানে এই নয় যে আপনি আপনার মা কে ভালোবাসেন না। আবার আপনি বলতে পারেন তার মানে এই নয় যে আপনি লোক দেখানো কাজ করেন। বলতে পারা, না পারা সবটাই স্বাভাবিক।

Monday, November 5, 2012

Dakshineswar Temple

Dakshineswar built between 1847 and 1855, is an excellent example of Bengali architecture. Gadadhar Chattopadhyay, known as Sri Ramakrishna Paramahamsa was a mystic Indian. Ramakrishna was a prominent mystic, as well as a guru, famous for taking the various mystical paths of the world's major religions. His teachings emphasize self-realization as the highest goal of life, develop love and devotion for God , the oneness of existence, the harmony and the essential unity of religions .

The disciples of Ramakrishna, including Swami Vivekananda, gave birth to an order inter-religious, the Ramakrishna Mission, with the aim of spreading the idea of the oneness of the Divine and the validity of any religious path. At Kàmarpukur had spread the rumor that Ramakrishna had gone mad because of the intense spiritual asceticism to which he was subjected to Dakshineswar.

Ramakrishna, however, came to know and instead of opposing the marriage began to take an active interest in the choice of the bride indicating also the place where the bride and the family could be found the village of Jairambati about 5 km by Kámarpukur and the family of a certain Ramachandra Mukherjee. The bride, a girl of just six years old named Sarada Devi, was found. The marriage was celebrated solemnly, the bride returned to her father's house and Ramakrishna to Dakshineswar to resume his asceticism.

Sarada realized that the neighbors talked to each other of the misfortune that had befallen said that her husband had gone mad, and of course he was very upset. He decided to go to Dakshineswar and see for themselves the condition of her husband. She found it quite normal, remained with him for some time and then returned to Jayrambati; After a few years she was always beside him.

Sunday, November 4, 2012

টেংরা মাছের কারি রেসিপি.ও চিতল মাছের কোপ্তা কারি

নানা পদের মাছ খেতে কে না ভালবাসে! বাংলাদেশ একটি নদী মাত্রিক দেশ এবং আমরা সবাই মাছে ভাতে বাঙ্গালী! কিন্তু কত দিন আর এক রকম মাছ খাব? সেই একি তরকারি? আজকে চলুন চিতল মাছের কোপ্তা কারি রান্না করার একটি ভিন্ন পদ্ধতি জেনে নেই।


১টি মাঝারি আকারের চিতল মাছ
১ চা-চামচ পেঁয়াজ
১ চা-চামচ আদা
১ চা-চামচ ধনেবাটা
১ টেবিল চামচ বাটা কাজুবাদাম
২ চা-চামচ ঘি
১ চা-চামচ কেওড়া জল
২ কাপ দুধ
১ টেবিল চামচ মিষ্টি ও টক দই
১ টেবিল চামচ টমেটো সস
১ টেবিল চামচ চিনি
১ টেবিল চামচ লবণ
প্রয়োজনমতো কিশমিশ
সামান্য এলাচ ও দারচিনি


চিতল মাছটির কাঁটা বেছে তাতে স্বাদমতো জিরা, লবণ, গোলমরিচের গুঁড়া ও ১ টেবিল চামচ বেসন দিয়ে নিন। তারপর কাঁচা মরিচ ও পেঁয়াজ কুচি দিয়ে মেখে কোপ্তার আকারে গোল করে ভেজে নিতে হবে। ঘি গরম করার পর অল্প দুধ দিয়ে সব মসলা কষানো শেষে, দুধ দিয়ে তিন-চার মিনিট রান্না করুন।ভাজা কোপ্তা দিয়ে ওপরে হালকা কিশমিশ দিয়ে অল্প আঁচে এক মিনিট রেখে দিন, এবার ঘি ওপরে উঠে এলে নামিয়ে ফেলুন।

টেংরা মাছের কারি রেসিপি


- মাঝারি ট্যাংরা মাছ ৫০০ গ্রাম
- মাঝারি পেঁয়াজ ২টা কুঁচোনো
- রসুন কুচি ১ চা চামচ
- হলুদ ১ চা চামচ
- মরিচ ১ চা চামচ (ঝাল কম খেলে কম দেবেন, বেশি খেলে বেশি)
- জিরা গুড়ো ১ চা চামচ
- কাঁচামরিচ ৪/৫টি অল্প চেরা
- ধনেপাতা কুচি
- লবণ
- তেল আন্দাজ মত।


প্যানে তেল গরম করে লবন দিয়ে পেঁয়াজ, রসুন হালকা বাদামি করে ভেজে নিন। ২ কাপ পানি দিয়ে হলুদ, মরিচ, জিরা দিয়ে তেল ওঠা পর্যন্ত কষান। মাছে লবন দিয়ে ভালো করে কচলে ধুয়ে রাখুন। মসলা কষানো হলে মাছ দিয়ে একটু নেড়েচেড়ে দিন। পানি এমন আন্দাজে দিন যাতে নামানোর সময় ছবির আন্দাজে ঝোল থাকবে। মানে পাত্রে ঝোল মাছের সমান সমান হবে। আবার আপনার ইচ্ছে হলে ঝোল বেশীও রাখতে পারেন।
প্যানে ঢাকনা দিয়ে আগুন মাঝারি আঁচে রাখুন। মিনিট দশেক পরে কাঁচামরিচ, ও ধনেপাতা ছড়িয়ে নামিয়ে নিন। বেশি জ্বাল দিলে মাছ ভেঙ্গে যাবে।

Sunday, July 8, 2012

ছানার কালোজাম তৈরির রেসিপি

কালোজাম মিষ্টি একটি খুবই মজাদার মিষ্টি যা না খেলে আইডিয়াই করতে পারবেন না। এই মিষ্টি খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনি দেখতেও আকর্ষণীয়। যে কোন উৎসবে এই মিষ্টি তৈরি করতে পারেন আর উপহার দিতে পারেন সবাইকে। কালোজাম এমনই এক মজার মিষ্টি যা ছোট-বড় সবার প্রিয়। অতিথি আসলে বা ভারি খাবার খাওয়ার পর একটি মিষ্টি না পরিবেশন করলেই নয়। তাই ছানা দিয়ে কালোজাম কিভাবে তৈরি করবেন জেনে নিন।

আমি যেমন কালো করেছি এমন করলে উপরের আবরন কিছু শক্ত হয়, কিন্তু ভেতর সফট থাকবে, কেউ যদি উপরের আবরন শক্ত করতে না চাও তবে আরো কম ভাজবে। সিরা ঘন হয়ে গেলে মিষ্টি শক্ত লাগবে, তাই প্রয়ো জনে আধা কাপ বা ১ কাপ গরম পানি দিয়ে মিষ্টি সহ জ্বাল দিতে পারো, তলা ভারী কড়াইতে ভাজলে ভাজাটা সুন্দর হবে এবং অবশ্যই একদম কম আঁচে ভাজবে। একি প্রসেসে লাল মোহন বানাতে পারো, গোল শেপে বা লম্বা করে ভাজবে লাল করে। আর রেসিপিও সহজ। তাহলে চলুন জেনে জেওয়া যাক রেসিপিটি।


•ছানা- ১ কেজি দুধের ১ কাপ হবে
•মাওয়া- ১/২ কাপ
•ময়দা-১/৪ কাপ
•চিনি-৪ কাপ
•পানি-৪ কাপ
•ঘি- ১ টেবিল চামচ
•গুড়া চিনি- ১ টেবিল চামচ
•বেকিং পাউডার- ১ চিমটি
•গোলাপী রং-খুব সামান্য
•তেল/ ঘি
•গোলাপ জল-১/২ চা চামচ


১) ৪ কাপ পানিতে ৪ কাপ চিনি দিয়ে জ্বাল দাও, ১টেবিল চামচ লিকুইড দুধ দিতে পারো,চিনির ময়লা থাকলে উঠে আসবে উপরে, চামচ দিয়ে সরিয়ে দিবে। গোলাপ জল দাও, চিনি আর পানি মিশে গেলে চুলা বন্ধ করে রাখো।

২)একটা ছড়ানো পাত্রে বা প্লেটে ময়দায় বেকিং পাউডার দিয়ে মিশিয়ে দাও, ঘি দিয়ে মাখাও, এবার গুড়া চিনি দিয়ে মাখিয়ে রেখে দাও,

৩)পানি ঝরানো ছানাকে হাতের তালু দিয়ে ঘষে ঘষে ছেনে নাও। ১০ -১৫ মিনিট ছানলেই হাতে তেল আসবে ও ছানাও মসৃন হয়ে যাবে। এবার ময়ান দেয়া ময়দা ও মাওয়া দিয়ে ছানা ভালো করে মেখে (রং ব্যবহার করলে একটু গোলাপ জলে মিশিয়ে ছানায় মাখিয়ে নেবে) ১০ টার মত ভাগ করে, হাতে সামান্য ঘি মেখে কালোজামের আকারে ছানা গুলো মসৃন করে তৈরী করো।

৪) চুলায় বড় তলা ভারী কড়াইতে বা ফ্রাই পেনে ডুবো তেল বা ঘি দিয়ে বসাও একদম অল্প জ্বালে। ফ্রাইপেন চুলায় বসিয়েই মিষ্টি গুলো ছেড়ে দাও ও গাড় বাদামী করে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ভাজো, বেশী কালো করতে হবে না কারন সিরাতে মিষ্টি দিলে আরো বেশী গাড় রং হয়। মিষ্টি ভাজার সময় সিরার পাত্রটা অন্য চুলায় জ্বাল দিয়ে বলক আনো, মিষ্টি যখন ভাজা শেষ হবে ঠিক ওই সময় যেনো সিরাটাতে ( আবার চুলায় দেবার পর)প্রথম বলক আসে নাহলে সিরা ঘন হয়ে যাবে।

৫)এবার ভাজা মিষ্টি গুলো ঝাঝরি টাইপ চামচে উঠিয়ে ( তেলটা ঝরিয়ে) বলক উঠা সিরায় দেবে, ৫ মিনিট জোড়ে ( বলক আসা ) জ্বালে থাকবে, আর পরের ৫ মিনিট অল্প আঁচে রাখবে, তবে খেয়াল রেখো সিরা যেনো বেশী ঘন না হয় , ঘন লাগলে, আধা কাপ বা প্রোয়োজনে ১ কাপ গরম পানি দিতে পারো। হয়ে গেলে নামাও ও পাতিল ঠান্ডা করো,,৬-৭ ঘন্টা সিরাতেই রাখলে ভালো তবে চাইলে এক দুই ঘন্টা পরও সার্ভ করতে পারো।

ছানা তৈরীঃ


•লিকুইড দুধ-১ লিটার
•সিরকা/ ছেকে নেয়া লেবুর রস/ ছানার পানি (পুরোনো)- সিরকা ও লেবুর রস ২-৩ টেবিল চামচ সম পরিমান পানি দিয়ে মিশানো ( লম্বা বড় লেবুর রস কখোনো বেশীও লাগতো পারে কারন সব লেবুতেই পর্যাপ্ত টক ভাব নাও থাকতে পারে)আর পুরোনো ছানার পানি যত লাগে ততটুকুই দিবে আধা কাপ করে একবারে ঢেলে ঢেলে।


১) ১ লিটার লিকুইড দুধ নেড়ে নেড়ে জ্বাল দাও, বলক উঠলে নামিয়ে রাখো, ৫-১০ মিনিট পর আধা চা চামচ করে করে সিরকা/ লেবুর রস দিবে আর আস্তে করে নাড়বে, যখন সবুজ পানি বের হবে তখন আর সিরকা দিতে হবে না, তবে যদি আরো লাগে তাহলে আরো দিবে সবুজ পানি আসা পর্যন্ত। দুধ কিন্তু আর চুলায় দিবেনা। ছানা হলে ১৫-২০ মিনিট পর ছানা ছাকবে।

২) একটা পাতলা নরম সুতি কাপড় যেটাতে রং উঠার সম্ভাবনা নাই সেটা একটা ঝাঝরির উপর নিয়ে, নিচে একটা পাতিল রেখে ছানার পানি ঝরাও, এই পানিটা ১ লিটার বোতলে রেখে ফ্রিজে রেখে দিতে পারো পরের বার ছানা বানাতে পারবে এটা দিয়ে।

৩) ছানার উপর কলের পানি ছেড়ে হাত দিয়ে নেড়ে নেড়ে ধুয়ে নাও তারপর পানি চেপে ফেলো, এভাবে দুবার করলে সিরকার বা লেবুর গন্ধ থাকবে না।

৪) এবার ছানা সহ কাপড় উঠিয়ে হাত দিয়ে চেপে চেপে পানি ঝরাও তবে এমন চাপ দিবে না যাতে ছানা বের হয়ে আসে, তারপর নরমাল বাতাস বয় এমন জায়গায় ঝুলিয়ে দাও কাপড়টা ১ ঘন্টার জন্য, আমি বারান্দাতে ঝুলিয়ে রাখি এতে বার বার পানি চিপতে হয় না ও সুন্দর পানি ঝরে যায়।

৫) ১ ঘন্টা পর হাত দিয়ে চেপে বাড়তি পানি বের করে ছানা বের করে নাও, ছানা থেকে কিছুটা এক হাতের তালুতে নিয়ে আরেক হাতের আঙ্গুল দিয়ে ৩-৪ সেকেন্ড ঘষে যদি একটা বল বানাতে পারো তাহলে বুঝবে ছানা রেডি ব্যবহারের জন্য। আর যদি হাতের সাথে লেগে যেতে চায় বুঝবে আরো পানি ঝরবে সেক্ষেত্রে ফ্যানের বাতাসে হাত দিয়ে নেড়ে নেড়ে আধা ঘন্টা রাখবে( হাত দিয়ে বার বার না নাড়লে ছানা শুকনা হয়ে যাবে) খেয়াল রেখো ছানা যেনো সফট থাকে। আর ছানা বেশী শুকনা লাগলে আধা বা ১ চা চামচ পানি দিয়ে মাখিয়ে নিতে পারো।

মাওয়া তৈরী

•গুড়া দুধ- ১/২ কাপ
•গুড়া চিনি-২ টেবিল চামচ
•ঘি -১টেবিল চামচ
•গোলাপজল -১ চা চামচ


১) সব এক সঙ্গে হাতের আঙ্গুল দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে মিহি চালুনিতে ঘষে ঘষে চেলে নাও।

Thursday, July 5, 2012

Dhakuria Lake

Rabindra Sarobar is a large man made lake and is a breath of fresh air in Calcutta in the midst of usual heat and dust. A lake or lake basin is a large mass for the most fresh water collected in the hollow Earth. The large lakes are sometimes referred to as inland seas, and sometimes the small seas are called lakes. Two examples are the Great Salt Lake and the Dead Sea.

Wednesday, July 4, 2012


শঙ্করপুর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলায় অবস্থিত। সপ্তাহান্তে কলকাতা থেকে একদিনের জন্য ঘুরতে যেতে হলে যে যে অপশনগুলো আছে, শঙ্করপুর তাদের মধ্যে অন্যতম । কলকাতা থেকে একদিনের জন্য কোথাও যেতে চাইলে শঙ্করপুর একটা ভালো অপশন । জায়গাটা মোটামুটি ফাঁকা, বিশ্রাম নেওয়ার পক্ষে খুব সুন্দর ।

হাওড়া থেকে ট্রেনে রামনগর পর্যন্ত গিয়ে সেখান থেকে গাড়ি করে শঙ্করপুর যাওয়া যায় । এছাড়া সরাসরি গাড়ি নিয়েও এখানে যাওয়া যেতে পারে । শঙ্করপুরে অল্পসংখ্যকই হোটেল আছে । ইন্টারনেটের মাধ্যমে এদের বুকিং করা যেতে পারে । শঙ্করপুরের প্রায় সব হোটেলই সমুদ্রের ধারে । এখানে সমুদ্রের পাড় বেশ কিছুটা জায়গা জুড়ে বাঁধানো - কিছুটা জায়গা আছে যেখানে চান করা যায় । শঙ্করপুরের সমুদ্রে ঢেঊ বেশ ভালো - চান করে ভালই লাগবে । সমুদ্রের ধারে অল্প কিছু দোকান আছে ।

কলকাতা থেকে সপ্তাহান্তে অর্থাৎ শনিবার গিয়ে রবিবার ফিরে আসার মতো জায়গা কমই আছে - শঙ্করপুর এদের মধ্যে অন্যতম । তাজপুর মন্দারমণি তালসারি বক্‌খালি উদয়পুরের মতো শঙ্করপুরেও সমুদ্র ছাড়া দেখার কিছুই নেই । তাই ঘুরতে যাওয়ার জন্য না গিয়ে বরং বলা যেতে পারে রিল্যাক্স করার জন্য শঙ্করপুর যাওয়া যেতে পারে । এখানে সমুদ্র বেশ সুন্দর - ভালো ঢেউ আছে ।

সমুদ্রে চান করা যেতে পারে আবার পাড়ে বসে সমুদ্রের দৃশ্যও উপভোগ করা যেতে পারে । আমাদের কোলাহলপূর্ণ দৈনন্দিন জীবনের মধ্যে একটা শান্ত-সুন্দর পরিবেশে একটা দিন কাটানোর এই অভিজ্ঞতা অর্জন করার জন্যই শঙ্করপুর । এখানে হয়তো দেখার অনেক কিছু নেই, কিন্তু যা আছে তা সময় কাটানোর জন্য যথেষ্ট । সবমিলিয়ে খরচও খুব বেশি না । তাই যদি হাতে একদিনের ছুটিও না থাকে, শুধুমাত্র সপ্তাহান্তে একটা দিন কোথাও চলে যাওয়ার জন্য শঙ্করপুর অবশ্যই একটা দূর্দান্ত জায়গা !

Saturday, June 30, 2012

Lal Dighi

Lal Dighi is a body of water in the middle of BBD Bagh, earlier known as Tank Square or Dalhousie Square, fed by natural springs and has a picturesque beauty surrounded by Writers' Buildings, Reserve Bank, GPO, Telephone Bhawan. The central portion houses the central business district and also includes government offices, legal and administrative. Includes BBD Bagh, known as Dalhousie Square and the Esplanade to the east; Strand Road is to the west.

Monday, June 25, 2012

Magen David Synagogue

Calcutta has always been a melting pot of various cultures & religions. The jews came to Calcutta some time around 1790. The first synagogue was built at the site where Maghen David stands now, in the year 1826. The Magen David Synagogue built in 1884 when Elias David Joseph Ezra was the Sheriff of Calcutta. The two side walls contains memorial plaques with the chequered marble floors, gleaming chandeliers, stained glass windows creating a stunning atmosphere. The alter of the Magen David Synagogue is crowned with a Apse studded with stars representing the heaven.

Saturday, June 23, 2012

Lalbazar Police Headquarters

The headquarters of the Kolkata Police is located at Lalbazar Street. Its primary mission is to ensure the maintenance of order and public safety within the province. To achieve this purpose is carried out a constant activity for the prevention and suppression of crime. It shall also review various administrative functions, in particular with respect to the issuance of the passport and practices regarding immigrants.

Friday, June 15, 2012

IIT Kharagpur

The Indian Institute of Technology Kharagpur or briefly IITK is an institute of technology in the city of Kharagpur 120 kilometers from Calcutta was born in 1951. The IITK has focused in the search for engineering and the sciences, and university teaching.

Wednesday, June 6, 2012

Howrah Bridge Lights

howrah bridge night

The Howrah Bridge, is lit up every evening with the majestic lighting making it look more beautiful. A bridge is a structure used to overcome an obstacle, natural or artificial, which is preferred to the continuity of a line of communication. We will bridge the strict sense if the obstacle is represented by a water course, we will have the viaducts if the obstacle is a valley orographic discontinuity, we will have the overpass if the obstacle is another way of communication of the same type as the crossing.

Sunday, April 8, 2012

Kolkata Metropolitan City

Kolkata largely the capital city of West Bengal or, in other contexts, the political capital is in the proper sense of the city that houses the headquarters of the government. The term capital derives from the Latin capitalis, in turn, from the noun caput. The latter designated the leader in its various meanings, such as the main part of the human or animal body head, or as a source, or as a guide, or just as a principal city of a nation . A Rome was in fact reserved for the name of caput mundi capital of the world.

Saturday, April 7, 2012

মিষ্টি দই বানানোর পদ্ধতি ও‍ টক দই রেসিপি

ঘরের দইয়ের মত সুস্বাদু আর নির্ভেজাল দই আর হয়না। দই বানাতে গেলে অবশ্যই মনে রাখবেন দুধ যত বেশি ঘন হবে দই তত বেশি মজা হবে, তাই দই মজা করতে চাইলে আমি বলবো কিছু পাউডার দুধ মিশান। তবে পরিমানের চেয়ে বেশি ঘন করলে তা আর দই থাকবে না পনির পনির টেস্ট করবে। দুধ বেশি গরম অবস্থায় পুরনো দই মেশালে ওই দই আর জমবে না।

খেয়াল রাখবেন পুরনো দই যেটা ব্যবহার করবেন তাতে যেন পানি না থাকে তাহলে আপনার বানানো দইও অল্প সময়ে পানি ছেড়ে দিবে। দই পাতার জন্য মাটির পাত্র ব্যবহার করাই উত্তম কিন্তু ধরাবাধা কোন নিয়ম নাই যে মাটির পাত্রই ব্যবহার করতে হবে, হাতের কাছে থাকা কাচঁ/প্লাস্টিক যে কোন কিছুতেই দই পাতা যাবে।

দই জমতে দেবার পর নির্দিষ্ট সময়ের আগে দই ঢাকনা খুলে চেক করতে যাবেন না বা নাড়া লাগাবেন না। সবচেয়ে ভালো হয় যদি দই রাতে জমতে দিন আর সকালে জমার পর ফ্রিজ এ রাখুন। গরম জায়গায় দই পাততে দিলে সুবিধা এ ক্ষেত্রে ওভেন সবচেয়ে সেফ জায়গা। ওভেন অন করবেন না শুধু ওভেনের ভিতরে রাখার কথা বলেছি গরম কাপড় দিয়ে।

দইয়ের রং করতে চাইলে দুধে ২/৩ চামচ ক্যারামেল দিতে পারেন, তাহলে রং সুন্দর আসবে। জর্দা রং, জাফরান ব্যবহার করলে ও‍ সুন্দর রং আসবে। আমি কোনটাই করিনা দুধ বেশি দেই এতেই সুন্দর রং চলে আসে। টক দই ঠিক উপরের নিয়মেই করবেন শুধু চিনি এ্যাড করবেন না। গোলাপ জল বা অন্য কোন ফ্লেভার দিয়ে দেখতে পারেন শুধু খেয়াল রাখবেন দুধ যেন না ফাটে, তবেই যে কোন সুগন্ধি এ্যাড করতে পারবেন।

ভিনেগার দিলে হবেনা পুরনো দইই লাগবে, কেননা ওতে আছে কোটি কোটি উপকারি ব্যাকটেরিয়া যারা দই তৈরিতে সাহায্য করে, এটাই দই বীজ। বাজার থেকে দই কিনে আনুন।

অবশ্যই শীতের দিনেও দইপাতা যায়। পুরনো দই না থাকলে দই বাজার থেকে কিনে আনুন তারপর সেখান থেকে দই নিয়ে বীজ হিসেবে ব্যবহার করুন। আসুন জেনে নিন ঘরে বসে মিষ্টি দই বানানোর ঝটপট সহজ উপায়।

mishti doi yogurt sweet labneh


দুধ – ১ লিটার
চিনি – আপনার রুচি অনুযায়ী
পুরনো দই (টক বা মিষ্টি) – ৩ টেবিল চামচ
পাউডার দুধ – ২/৩ টেবিল চামচ

দই বানানোর পদ্ধতিঃ

প্রথমে দুধ ও পাউডার দুধ প্যানে নিয়ে অল্প আঁচে জ্বাল দিতে থাকুন। বলক আসলে চিনি দিয়ে দিন (চিনি যখন দিবেন তথনই ক্যারামেল দিবেন, যারা ক্যারামেল দিতে ইচ্ছুক, ক্যারামেলের কথা কেন বললাম তা জানার জন্য রেসিপি পুরোটা ভালো করে পড়তে হবে) আপনার ইচ্ছানুযায়ী, মাঝে মাঝে চামচ দিয়ে নাড়তে হবে, নইলে দুধ পাতিলের নিচে জমা হয়ে পুড়ে যেতে পারে।

দুধ হাফ লিটার হলে চুলা থেকে নামিয়ে দুধকে ঠাণ্ডা হতেদিন। দু্ধ পুরো ঠান্ডা হবার আগে আঙ্গুল দিয়ে পরখ করে দেখুন। কুসুম গরম থাকা অবস্থায় ওতে পুরনো দই মিক্স করুন। ভালোভাবে মিশাতে হবে কাটা চামচ দিয়ে, মিক্স করার সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন ফেনা বেশি না উঠে যায়। এবার যে পাত্রে দই বানাবেন তাতে আপনার দইয়ের মিশ্রণটি ঢেলে দিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রাখুন। মোটা টাওয়াল/কাপড় গরম করে ৮/১০ ঘন্টা দই ঢেকে রাখুন। ৮/১০ ঘন্টা পরদই জমে গেলে ফ্রিজে রাখুন, খুব ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন।

ক্যারামেল তৈরী : পাত্রে ৫/৬ চামচ চিনিতে ২/৩ চামচ পানি দিয়ে চুলায় দিন, তারপর যতক্ষণ চিনি বাদামী রঙ নাহয়সে পর্যন্ত নাড়তে থাকুন বাদামী রঙ হলে নামিয়ে নিন।

Friday, April 6, 2012

Nahoum and Sons

Nahoum and Sons or Nahoum’s was started by confectioner Nahoum Israel Mordecai, and initially sold baklava, fista malfoof and almond rings. The bakery is the single laboratory dedicated to complete production of bread , and its direct sales to the public. Production is, in detail, the dosage of the ingredients, kneading, rising and baking bread.

Thursday, March 29, 2012

বাসন্তী পূজার ইতিহাস

মার্কণ্ডেয় পুরাণের অন্তর্গত শ্রীশ্রীচণ্ডী গ্রন্থে বাসন্তী পূজার দুর্গাদেবী দুর্গাপূজার আখ্যায়িকাটি নিম্নরূপ— সত্য যুগে দ্বিতীয় মনু স্বরোচিষের অধিকারকালে সুরথ চন্দ্রবংশে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি সসাগরা পৃথিবীর রাজা হয়েছিলেন। কিন্তু কাল বশে তিনি শত্রুগণ কর্তৃক পরাজিত হয়ে রাজ্য থেকে বিতাড়িত হয়ে মনের দুঃখে এক গভীর বনে প্রবেশ করে বিপ্র শ্রেষ্ঠ মেধস মুনির আশ্রমে আশ্রয় গ্রহণ করেছিলেন।

আশ্রমে থেকে মুকুটহীন রাজা সুরথ মনে মনে চিন্তা করতে লাগলেন, তাঁর কুচক্রী কর্মচারীরা তাঁর পরিত্যক্ত রাজপুরী ধর্মানুসারে পালন করছে কি? তাঁর অতুল ধনভান্ডার ইতিমধ্যে নিঃশেষ করে ফেলেছে কি না—এ রকম চিন্তা রাজা সুরথকে নিয়তই দহন করতে লাগল। এ রকম চিন্তা সম্পর্কে হিতোপদেশে বলা আছে:

‘চিন্তা চিতয়ো তুভেদ: বিন্দু মাত্রিণ বিদ্যতে চিতা দহতি নির্জীবং চিন্তা দহতে জীবিতম।’ চিন্তাপীড়িত রাজা সুরথ একদিন বনাঞ্চলে পথ চলতে চলতে সমাধি নামের এক বৈশ্যের সঙ্গে মিলিত হয়েছিলেন। সেই বৈশ্যও অসাধু ছেলে ও আত্মীয়দের চক্রান্তে বাড়ি থেকে বিতাড়িত হয়েছিলেন।

কিন্তু সেই বৈশ্য সর্বদা কুলাঙ্গার ছেলে ও আত্মীয়দের কুশল জানার জন্য উদগ্রীব হয়ে উঠেছিলেন। রাজা সুরথ বৈশ্যকে জিজ্ঞাসা করেন, ‘যে পুত্র ও আত্মীয়গণ ধনলোভে আপনাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিল, তাদের প্রতি আপনার চিত্ত স্নেহপরায়ণ হচ্ছে কেন?’ বৈশ্য উত্তরে বলেন, ‘হে রাজন, আমি বুঝেও বুঝি না, কেন বিমুখ পুত্র ও আত্মীয়গণের প্রতি আমার মন স্নেহাসক্ত হচ্ছে।’

সমাধি বৈশ্যের জিজ্ঞাসায় রাজা সুরথ একই মনোভাব ব্যক্ত করেন। অতঃপর রাজা সুরথ ও বৈশ্য সমাধি উভয়েই শান্তি লাভের আশায় মেধস মুনির কাছে এসে বিনীতভাবে জিজ্ঞাসা করেন: ‘আমি ও বৈশ্য উভয়েই ধনলোভী নিষ্ঠুর স্বজনগণ ও ভৃত্যগণ কর্তৃক বিতাড়িত হয়েও আমাদের মন তাদের প্রতি স্নেহাসক্ত হচ্ছে কেন? বিষয়ে দোষ দেখেও সেই বিষয়ের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে আমরা দুজনেই অত্যন্ত দুঃখ পাচ্ছি। হে মুনিশ্রেষ্ঠ! এর হেতু কী? আমাদের শক্তি লাভের পথ কী?’

আর্ত ও জিজ্ঞাসু রাজা সুরথ ও বৈশ্য সমাধিকে সান্ত্বনা দিয়ে মেধস মুনি তাঁদের কাছে জগতের সব বিষয়ের অসারতা সম্বন্ধে উপদেশ দেন এবং দেবী আদ্যাশক্তির মহিমা কীর্তন করে বলেন, ‘তামুপৈছি মহারাজ শরণং পরমেশ্বরীম।

হে মহারাজ, তুমি সেই পরমেশ্বরীর শরণাপন্ন হও। তাঁকে ভক্তিপূর্বক আরাধনা করলে তিনিই ইহলোকে অভ্যুদয় এবং পরলোকে স্বর্গসুখ ও মুক্তি প্রদান করবেন।

মেধস মুনির উপদেশে রাজা সুরথ ও বৈশ্য সমাধি শ্রীশ্রীচণ্ডীস্বরূপা দুর্গাদেবীকে দর্শন এবং সকল প্রকার ভোগান্তি থেকে মুক্ত হতে বন মধ্যস্থিত নদীর তীরে দেবীর মৃন্ময়ী প্রতিমা গড়ে তিন বছরকাল উপবাস থেকে তন্মস্ক হয়ে ফুল-ফল, ধূপ-দীপ ও অগ্নি (হোম) দিয়ে দেবীর পূজা সাঙ্গ করলে দেবী দুর্গা-চণ্ডীকা সন্তুষ্ট হয়ে তাঁদের বর প্রদান করেন।

‘হে নরপতি, অতি অল্পদিনের মধ্যেই তুমি শত্রু নাশ করে নিজ রাজ্য পুনরায় লাভ করবে এবং মৃত্যুর পর তুমি পুনরায় সূর্যপত্নী সবর্ণার গর্ভে জন্মলাভ করে পৃথিবীতে সাবনি নামে অষ্টম মনু হবে। হে বৈশ্য শ্রেষ্ঠ, তুমি মুক্তিপ্রদ ব্রহ্মজ্ঞান লাভ করবে।

ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ মতে, রাজা সুরথ ও বৈশ্য সমাধি নদী তীরবর্তী মেধসাশ্রমে শ্রীশ্রীদুর্গাপূজা সমাপন করে দেবী প্রতিমা নদীগর্ভে বিসর্জন দিয়েছিলেন। এখানে প্রশ্ন, বন মধ্যস্থিত মেধস মুনির আশ্রমটি কোন দেশের কোন স্থানে?

মার্কণ্ডেয় পুরাণের ৮১ থেকে ৯৩ অধ্যায় পর্যন্ত ত্রয়োদশ অধ্যায়ের নামই চণ্ডী। চণ্ডীশাস্ত্রকে তন্ত্রশাস্ত্রের মধ্যমণি বলা হয়েছে। শক্তি মঙ্গল তন্ত্রানুসারে সুদূর অতীতে বিন্ধ্যাচল থেকে বাংলাদেশের চট্টলভূমি পর্যন্ত প্রদেশ বিষ্ণুক্রান্তা নামে বিখ্যাত ছিল। এই ক্রান্তায় সর্বমোট ৬৪ খানি তন্ত্র প্রচলিত ছিল। পাল রাজাদের সময়ে সমগ্র বাংলায় (পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ) তন্ত্রের বিপুল প্রভাব ছিল। তন্ত্রে উল্লেখ আছে, ‘গৌড়ে প্রকাশিত বিদ্যা’ গৌড়ে তন্ত্রবিদ্যায় উদ্ভব হয়।

পরে এই তন্ত্রবিদ্যা সারা ভারতে ছড়িয়ে পড়ে। ‘গৌড়ে প্রকাশিত বিদ্যা’ এ বাক্যটিই ইঙ্গিত করে, শ্রীশ্রীচণ্ডীর উৎপত্তি স্থান আমাদের প্রিয় বাংলাদেশে। আবার দেখা যায়, দেবীর একান্ন পীঠের অধিকসংখ্যক পীঠ পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশে পড়েছে। সংখ্যার দিক দিয়ে মোট আটটি দেবীপীঠ বাংলাদেশে অবস্থিত। তন্মধ্যে দুটি পীঠ চট্টলভূমিতে।

অতীতে বাংলাদেশের অধিকাংশ ভূভাগ দীর্ঘকাল জঙ্গলে পূর্ণ ছিল। এসব জঙ্গলের আদিম অধিবাসীদের ‘কিরাত’ বা শবর বলা হতো। কাদম্বরী, হরিবংশ, দশ কুমার চরিত, ভবিষোত্তর পুরাণ, কালিকা পুরাণ প্রভৃতি গ্রন্থের অভিমত এই যে শ্রীশ্রীচণ্ডী বর্ণিত দেবী দুর্গা ‘কিরাত’ বা শবরগণেরই উপাস্য দেবী ছিলেন। সুতরাং কিরাত দেশ তথা বাংলাদেশেই চণ্ডী দুর্গার আবির্ভাবস্থলরূপে বিবেচিত হয়।

উল্লিখিত মতের অনুকূলে আরেকটি যুক্তি উল্লেখ করা যেতে পারে, শ্রীশ্রীচণ্ডীর ত্রয়োদশ অধ্যায়ের দশম শ্লোকে বলা আছে:

‘সচ বৈশ্যস্তপস্তেপে দেবী সূক্তং পরং জপন। তৌতস্মিন পুলিনে দেব্যাঃ কৃত্তা মূর্তিং মহীময়ীম্।’

রাজা সুরথ ও সমাধি বৈশ্য জন্মাতর সম্যক দর্শন মানসে নদীতীরে অবস্থানপূর্বক শ্রীশ্রীদুর্গাদেবীর মৃন্ময়ী প্রতিমা নির্মাণ করে পুষ্প, ধূপ, দীপ ও নৈবেদ্যাদি দ্বারা দেবীর পূজা করলেন।

‘মহীময়ী’ মূর্তির মাধ্যমে পূজার প্রচলন বাংলাদেশেই আছে। ভারতের অন্য কোনো প্রদেশে মৃন্ময়ী প্রতিমায় দুর্গাপূজার প্রচলন নেই। আবার ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণের মতে, রাজা সুরথ ও বৈশ্য সমাধি নদীর তীরবর্তী মেধসাশ্রমে শ্রীশ্রীদুর্গাপূজা সমাপনান্তে দেবী প্রতিমা নদী (বেতসা) গর্ভে বিসর্জন দিয়েছিলেন। এই বিধি মতে, বাংলাদেশের সর্বত্র দশমীর দিনে বিজয়া উৎসব পালনের মাধ্যমে ঘটা করে শ্রীশ্রীদুর্গা প্রতিমা নদীতে বা কোনো জলাশয়ে বিসর্জন দেওয়া হয়। আবার কামাখ্যাতন্ত্রের ৩৫তম পটলে মেধসাশ্রমের ভৌগোলিক অবস্থান সম্পর্কে বলা আছে, ‘কর্ণফুলীং সমারভ্য যাবদ্ধক্ষিণে সাগরম। পুণ্যক্ষেত্রামিদং প্রোক্তং মুনিগণ সেবিতম। তত্রাস্তি বেতসানাম্রী দিব্যাপুণ্য তোয়ানদী। তত্রেবামীন্মুনি শ্রেষ্ঠ মেধসঃ ঋষিরাশ্রম।’

Tuesday, March 27, 2012

Kolkata Theater

kolkata theater jatra

Started in the 1940s, the group theatre of Kolkata started as a different way of theatrical production in contrast with the traditional entertainment oriented theatres. The aims and objectives of group theatre are different from the primarily moneymaking goal of commercial theatre. Group theatre activists use the proscenium stage to highlight some social message.

Sunday, March 25, 2012

Brigade Parade Ground

The Brigade Parade Ground is unparallel in the country with its vast stretch of green plains, mementos of old wars and the magnificent Victoria Memorial at the background. The sprawling meadows of the Brigade Parade Ground are the breeding grounds for thousands of sportsmen and women coming from all over the state. It is the place that provides practice ground for numerous clubs who cannot afford to rent a ground of their own.

Friday, March 23, 2012

দীঘা ও মন্দারমণি ভ্রমণ

পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র ব্রাইটন অফ দি ইস্ট-দীঘা বীচ। দিঘা আজকের নয় আবিস্কার ওয়ারেন হেস্টিংসের। ১৭৮০ বেঙ্গল গেজেটে বীরকুল উল্লেখিত দীঘায় নগর গড়ার উল্লেখ পাওয়া যায় ১৮২৩ নবরুপে আবিষ্কার করেন পথহারা এক ইংরেজ দীঘা বীচের। তবে অতীত বিনষ্ট হলেও অবস্থান ছিল তার সাগরবেলা থেকে ৮ কিমি. অরণ্য বন্দরে। আর ১৯৪৭ স্বাধীনাত্তোর কালে বালিয়াড়িতে বৃক্ষ রোপন করে গড়ে ওঠে আজকের দীঘা ড. বিধানচন্দ্র রায়ের হাতে।

যাত্রী চাহিদা মেটাতে নবরুপে প্রসার পাচ্ছে ওঢ়িশা সীমান্তবর্তী ৩কিমি. জুড়ে দীগা নগরী-নাম তার নিউ দিঘা। নতুনের আগমনের ভিড়ে টইটুম্বুর পুরাতন অর্থাৎ ওল্ড দীঘা আজ চটকহীন। খড়গপুরের দুরত্ব ১২৩, কন্টাই ৩১ কিমি. দীঘা থেকে। দীঘার সমুদ্র আজ বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। সপ্তাহান্তিক ছুটি কাটাবার মনোরম পরিবেশ। ২০০৮ এ ভারতের পূর্ব উপকূলের শ্রেষ্ঠ পর্যটন কেন্দ্রের শিরোপাও পেয়েছে দীঘা। এর শান্ত সমাহিত রুপটি ধীরে ধীরে উত্তাল হয়ে উঠেছে। সমুদ্র এগিয়ে এসেছে-গ্রাস করেছে নগরজীবন।

বড় বড় পাথরখন্ডে রোধ করা হয়ছে সামদ্রিক গ্রাস। তবে আজ ক্ষত বিক্ষত বীচে প্রলেপ পড়ে আছে কংক্রিটের। বীচের হুটোপটিও তাই কিছুটা বিঘ্নিত । তারই ফাক ফোকরে ঢেউয়ের তালে তালে দেহটা নাচিয়ে তুলে অতি সহজেই উপভোগ করা যায় সমুদ্র স্নান । বাজারের নিচু দিয়ে মাইলখানেক জুড়ে চলে স্নানের হুটোপুটি। জোয়ারের জলে স্নাত এই সাগরবেলা ভেসে ওঠে ভাটায়। তবে নতুন দীঘার বীচটি যথেষ্ট প্রসস্ত-বালির আধিক্য সমতল ও একসাথে। নতুন করে মাথা তুলেছে ঝাউবীথিকা আজ দীঘা বীচে। সঝের বেলায় বিজলী আলোয় সমুদ্রে চিকমিকানী হাসি পর্যটকদের ঘর থেকে টেনে আনে বেলাভূমিতে।

এমনকি বিদায়ী সূর্যের সোণালী দীপ্তি পশ্চিম আধাকে শ্বেতশুভ্র আর বাকি আধা সমুদ্রকে নিলাভ করে তোলে। বর্ণময় আলো- আধারীর ঐ বর্ণলী দীঘার এক অনন্য প্রাপ্তি। তেমনি আকর্ষণ দীঘার সূর্যোদয়ের অসীম নীলাকাশ আর সীমাহীন বারিধি-তারই পাড়ে লেক হয়েছে কানন গড়ে-সীমান্তের পথে কৃত্তিমতা দোষে দুষ্ট অমরাবতি। বোডিং-এরও ব্যবস্থা মেলে লেকের জলে। অমরাবতির কাজলা দীঘিতে দুর্বর সংগ্রহের সর্প উদ্যান গড়েছেন সর্পবিশারদ দীপক মিত্র। ফেব্রুয়ারি ৪, ২০০৩ এ দ্বারোদ্ঘাটন হয়েছে এশিয়ার বৃহত্তম মেরিন একোয়ারিয়াম নতুন আর পুরাতনের মাঝে হাসপাতালের বিপরিতে।

২৩ টি বিশাল কেশে সামদ্রিক প্রানী ও জীব জগৎকে দেখে নেওয়া যায় ১১-১৫ টায়। দীঘার আর এক আকর্ষণ ন্যাশনাল কাউন্সিল অব সাইন্স মিউজিয়ামের দীঘা বিজ্ঞান কেন্দ্র। নানান মডেলের কারিকুরিতে শিক্ষামূলক বিজ্ঞানকে মজাদার করে তোলা হয়েছে। ফান গ্লাস এ আপনিও মিলিযে নিন আপনার উচ্চতা ও কঙ্কালের সাঙ্গে সাইকেল রেস, ইগলুর মত ঘরে বসে তারামগুল দর্শন, আরও কত কি! চারপাশ ঘিরে সায়েন্সপার্কটিও মজায় ভরা। আর হয়েছে জুরাসিক পার্ক একই চত্বরে। কালিপুজা ও হলি ছাড়া ৩৬৩ দিন ৮- ২০ পর্যন্ত খোলা।

আবার দীঘাকে ঘিরে পর্যটক, বিশেষত বিদেশী পর্যকদের একগুচ্ছ পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে রাজ্য সরকার। পরিকল্পনার অঙ্গ হিসেবে এয়ার ট্রিপ, রোপওয়ে, জলক্রিড়া, পাচতারা হোটেল, দাদন পাত্রবাড়-জলদা-চাঁদপুরে বিলাসবহুল রিসোর্ট অচিরেই রুপ পেতে চলেছে। শংকরপুর দীঘা থেকে ১৩ কিমি. দূরে নতুন গড়ে তোলা মৎস প্রকল্পটিও বেড়িয়ে নেওয়া যায় বাসে। লোকাল বাস যাচ্ছে দীঘা-কলকাতা সড়কে ৮ কিমি. দূরের রামনগর পেরিয়ে আরও ১’শ কিমি দূরের ১৪ মাইল হয়ে। ১৪ মাইল থেকে ভ্যান রিক্সা যাচ্ছে চম্পাখালের বুক বেয়ে ৪ কিমি. দূরের শংকরপুরে। কলকাতা-দীঘা ১০.৩০ টার বাসটি সংকরপুর হয়ে দীঘা যাচ্ছে। আর ৯ টায় দীঘা ছেড়ে শংকরপুর হয়ে কলকাতায় আসছে সিএসটিসির একমাত্র বাস।

এ ছাড়াও সিএসটিসির বাস যাচ্ছে ৬ টা, ৭.৩০টা ও ১৬ টায় দীঘা ছেড়ে আধা ঘণ্টায় শংকরপুর পৌছে আধাঘণ্টার বিশ্রাম নিয়ে বাস ফেরে শংকরপুর থেকে দীঘায়। দীঘা থেকে শ’তিনেক টাকায় ট্যাক্সিতেও বেড়িয়ে ফেরা যায় শংকরপুর। ভ্যান স্টান্ডের ডাইনে শংকরপুর ফিশিং হারবার প্রজেক্ট। সিধে যেতে সাগরবেলা। দুয়ের মাঝে ব্যবধান ১ কিমি। দীঘা-শংকরপুর রোপওয়েও গড়তে চলছে। ঝাউ ও কেয়া ছাওয়া সবুজের বনানী ও মাইলের পর মাইল জুড়ে ঝাউ শুধু ঝাউ। তেমনি পরিত্যক্ত জাহাজ, রুপলী বালিয়াড়ি ধু ধু করছে চারপাশ।

সামনে দিগন্ত বিস্তৃত নীল আকাশের নীলে গোলা বঙ্গোবসাগরের সুনীল জলরাশি। নীরালা সাগর বেলায় ভারতের বৃহত্তম যেটি রয়েছে মৎস প্রকল্পের শংকরপুরে। ট্রলার ও জেলে নৌকার আনাগোনা কর্মযজ্ঞ চলছে মাছ নিয়ে তেমনি সাথী খোজে হারমিট ক্র্যাব অর্থাৎ সন্নাসী কাকড়ারা সারা বীচে। প্রশাস্ত বীচ, মাটি শক্ত; ঘন সন্নিবিষ্ট ঝাউ বিথীকা-উচু উচু বালিয়াড়ি। টাটা শিল্প সংস্থার তাজ হোটেল গ্রুপ দিয়ে চলেছে ট্যুরিস্ট ভিলেজ শংকরপুরে। আর গড়তে চলেছে সিংগাপুরের এক সংস্থা, রাজ্য পর্যটন উন্নয়ন নিগম ও ন্যাশনাল বিল্ডিং কনস্ট্রাকশনের উদ্যোগে ১২০ কোটি টাকা ব্যায়ে ১২ কিমি. ব্যাপ্ত পর্যটন নগরী সংকরপুরে।

পলি ব্যাগ ফ্রি-জোনদিঘা ও শংকরপুর। কলকাতার ধর্মতলা, বিরাটি, উল্টাডাঙ্গা থেকে নিয়মিত বাস রয়েছে। ট্রেনেও যাওয়া যায় হাওড়া থেকে দীঘা। তাম্রলিপ্ত সুঃ ফাস্ট ৬.৪০ ছেড়ে পৌছে ১০.৫কান্ডারী এক্সপ্রেস ২.১০ ছেড়ে পৌছায় ৫.৫ এ দুরন্ত এক্সপ্রেস সকাল ১১.১৫য় ছেড়ে পৌছে ২.১৫। থাকার জন্য ২০০-৫০০০এর অধিক মূল্যমানের হোটেল রুম পাওয়া যায়। খাওযার জন্য রয়েছে সমুদ্রের তাজা মাছসহ সবকিছই।সময় সূচি বর্তমান কালের দেখে নেবেন l

মন্দারমণি যায়নি এমন বাঙালী আজ আর পাওয়া মুশকিল । ভ্রমনপ্রেমীদের কাছে মন্দারমণি আজ এক দারুন উইক এন্ড স্পট। একদম সি বিচের উপর একের পর এক রিসর্ট। ঘর বা বারান্দাই বসে সারাদিন সমুদ্রের ঢেউ গোনার খেলা, নিরালা বিচে আপনজনের সাথে বহুদূর হেঁটে যাওয়া এক কথাই মন্দারমণি অসাধারণ।

digha Mandarmani bengal

কখন যাবেন :-

সারা বছর যখনই চান যেতে পারেন মন্দারমণি। বৃষ্টির দিনগুলোই তো মন্দারমণি অসাধারন। শীতের মরসুমেও বেশ ভিড়।

যাবেন কিভাবে :-

গাড়িতে বা বাসে দীঘার পথে কাঁথির পর চাউলখোলা, এখান থেকে বাঁদিকের রাস্তাটি ধরে সোজা মন্দারমণি। বাসে এলে চাউলখোলা থেকে গাড়ি, ট্রেকার বা মোটরভ্যান পাওয়া যায়। ট্রেনে এলে কাঁথি থেকে গাড়িতে মন্দারমণি চলে আসুন।

এবার মাথা গোঁজার ঠা৺ই :-

এসে তো পড়লেন, এবার একটা থাকার জায়গা তো চাই। পকেটের জোর বুঝে ঢুকে পড়ুন কোন এক রিসর্ট বা হোটেলে। আপনার পেট পূজোর দায়িত্বটাও তারাই নেবে। এবার মন খুলে কাটান অন্তত দুটো রাত। মন্দারমণি আপনাকে উজাড় করে দেবে, চেটে-পুটে নেবার দায়িত্ব কিন্ত আপনার।

Saturday, March 17, 2012

Kolkata Apartment

kolkata apartment

Apartment is defined as the minimum space architectural composed of one or more environments and systematically linked together independent and such as to enable the function of dwelling. The unit thus corresponds to a single dwelling, which may also correspond to the concept more anthropological home. In all primitive cultures unit was founded in prehistoric times, it is the first element that goes to make up the built environment, that environment that is equipped man in modification of the natural environment, to make better their quality of life and optimize the limit of the technological possibilities of the various periods of its activities.

Monday, March 12, 2012

Kolkata Suburban Railway

sealdah railway kolkata suburban local train.jpg

Kolkata Suburban Railway is huge and extensive and covers large areas in hinterland with Sealdah being an important suburban rail terminal. The suburban railway or urban or metropolitan is a type of transportation that uses rail lines eg the so-called loops for routing of convoys in order to ensure a fast moving mass of people in very large cities or fractionated in neighborhoods distant from each other or between them and the urban centers of the district.

Thursday, March 1, 2012

Kolaghat Thermal Power Plant

Kolaghat Thermal Power Plant

Located 50 km away from Kolkata, the Kolaghat Thermal Power Plant, has the highest power generation capacity among the State Sector Utilities of Bengal. The thermal energy can be transformed into other forms of energy, for example, is transformed into electricity in thermal power plants in geothermal power plants and solar power plants.

Friday, February 24, 2012

Losar New Year Festival

darjeeling losar tibet buddhist butter lamps

Losar is the New Year and one of the most interesting festivals of the Buddhists. The trip takes in the Kathmandu valley during the celebrations of Losar, the Tibetan New Year, offering the opportunity to come into contact with a strong fascinating cultural world. In the Kathmandu valley lies a large community of Buddhists, including a large group of Tibetan refugees, who for the Losar organized countless celebrations and interesting events to which it is easy to participate and be welcome, fully enjoying the joviality and benevolence expressed by these people.

Thursday, February 23, 2012

রাধাচূড়া ফুলের ছবি

রাধাচূড়া সম্ভবত ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রজাতি। ২-৩ মিটার উচু গাছ, কাঁটাভরা, অনেক ডালপালা। যৌগপত্র ২-পক্ষল, ২০-৩০ সেমি লম্বা, প্রতিটি পত্রে ৮-১২ জোড়া আয়তাকার পত্রিকা, ১.৫-২ সেমি লম্বা। সারাবছরই কয়েকবার ফুল ফোটে। ডালের আগায় ২০-৩০ সেমি লম্বা ডাটায় নিচ থেকে উপরের দিকে ফুল ফোটে। আমাদের দেশে দুটি ভ্যারাইটি চোখে পড়ে- একটির ফুল লাল-কমলা, অন্যটি হলুদ।

ফুল প্রায় ৩ সেমি চওড়া, পাপড়ির মাঝখানে উঠানো পুংকেশর। বীজ চ্যাপ্টা। বীজে চাষ। বসন্তে ছাটা আবশ্যক। গাছের গঠন আমাদের চেনা কৃষ্ণচূড়ার মতোই। মাদাগাস্কারের প্রজাতি। মধ্যম গাছ, মাথা ছড়ানো, পত্রমোচী। শীতে গাছের পাতা ঝরে যায়। বসন্তের শেষ থেকে গ্রীষ্মের শুরুতে ফুল ফুটতে শুরু করে। ফুল শেষে শুটি, তাতে থাকে বীজ।

রাধাচূড়া ফুলের গাছ ছোট আকারের হয়, আর রং হয় হলুদ, লাল... অনেক সময় একই গাছে লাল হলুদ দুই রঙের ফুলই দেখা যায়... অন্য দিকে কৃষ্ণচূড়া ফুলের গাছ অনেক বড় আকারের হয়... ফুলের রংটাও হয় টকটকে লাল, আর এক সাথে সমস্ত গাছে অনেক ফুল আসে... রাধাচূড়া গাছে ফুল আসে অনেক কম।

Wednesday, February 22, 2012

কৃষ্ণচূড়া ফুলের ছবি

কৃষ্ণচূড়ার রাঙা মঞ্জুরি কর্ণে আমি ভুবন ভুলাতে আসি গন্ধে ও বর্ণে। প্রকৃতি যখন প্রখর রৌদ্রে পুড়ছে ঠিক তখনই প্রকৃতিকে রাঙিয়ে দিতে নিজের সবটুকু রং ছড়াতে শুরু করে কৃষ্ণচূড়া। ধরিত্রী যেন পায় প্রাণ। বসন্ত রাঙিয়ে ওঠে কৃষ্ণচূড়ার রংয়েই। নীল আকাশের ক্যানভাসে দিগন্তে যেন আগুন জ্বলে। বনে বনে কৃষ্ণচূড়ার লাল রঙ মনে জ্বালিয়ে দেয় বিদ্রোহের আগুন, বিপ্লবের আগুন, প্রেমের আগুন।

কেবল আনন্দানুভূতির সঙ্গেই নয়, কৃষ্ণচূড়া কখন যেন জড়িয়ে গেছে আমাদের চেতনার অনুষঙ্গে। ফুলটিকে তাই বিদেশি বলে ভাবতেই বরং বিস্ময় জাগে। গাছটি আমাদের দেশে সহজপ্রাপ্য হলেও আদি নিবাস আফ্রিকার মাদাগাস্কার। কৃষ্ণচূডা মাদাগাস্কারের শুষ্ক পত্রঝরা বৃক্ষের জঙ্গলে পাওয়া যায়। ১৮২৪ সালে সেখান থেকে প্রথম মরিশাস, পরে ইংল্যান্ড এবং শেষাবধি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বিস্তার ঘটে।

বর্তমানে ক্যারাবিয়ান অঞ্চল, আফ্রিকা, হংকং, তাইওয়ান, দক্ষিণ চীন, বাংলাদেশ, ভারত সহ বিশ্বের অনেক দেশে এটি জন্মে থাকে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণচূড়া শুধু মাত্র দক্ষিণ ফ্লোরিডা, দক্ষিণ পশ্চিম ফ্লোরিডা, টেক্সাসের রিও গ্রান্ড উপত্যকায় পাওয়া যায়। কৃষ্ণচূড়ার বৈজ্ঞানিক নাম ডেলোনিক্স রেজিয়া। ডেলোনিক্স গ্রিক শব্দ, অর্থ দৃশ্যমান থাবার মতো। সম্ভবত কৃষ্ণচূড়া ফুলের পাপড়ির বৈশিষ্ট্যেই নামটি অর্থবহ। ‘রিজিয়া’ অর্থ রাজকীয়। নামের এ অংশে কৃষ্ণচূড়ার ঐশ্বর্য পরিস্ফুট।

কৃষ্ণচুড়া মাঝারি আকৃতির শাখা-প্রশাখাবিশিষ্ট ছাতাকৃতির বৃক্ষ জাতীয় পর্ণমোচী উদ্ভিদ। কৃষ্ণচূড়া গাছ উচ্চতায় কম হলেও শাখা-পল্লবে এটি বেশি অঞ্চলব্যাপী ছড়ায়। শাখা প্রশাখার অগ্রভাগ নিম্নমুখি এবং নরম প্রকৃতির। ঝড়ে এ বৃক্ষের ক্ষতিসাধন হয়ে থাকে। এ বৃক্ষের কান্ডের রং কিছুটা ধুসর বর্ণের। সৌন্দর্যবর্ধক গুণ ছাড়াও, এই গাছ উষ্ণ আবহাওয়ায় ছায়া দিতে বিশেষভাবে উপযুক্ত। কৃষ্ণচূড়ার জন্মানোর জন্য উষ্ণ বা প্রায়-উষ্ণ আবহাওয়ার দরকার। এই বৃক্ষ শুষ্ক ও লবণাক্ত অবস্থা সহ্য করতে পারে।

শুধু ফুল নয়, পাতার ঐশ্বর্যেও কৃষ্ণচূড়া অনন্য। এই পাতার কচি সবুজ রঙ এবং সূক্ষ্ম কারুকর্ম আকর্ষণীয়। নম্র, নমনীয় পাতাদের আন্দোলন দৃষ্টিশোভন। এ গাছে পাতার নিবিড়তা নেই, তবু রৌদ্রশাসনে সক্ষম। কৃষ্ণচুড়া জটিল পত্রবিশিষ্ট এবং উজ্জ্বল সবুজ। পাতা দ্বিপক্ষল, ৩০-৬০ সে মি পর্যন্ত লম্বা, ২০-৪০ টি উপপত্র বিশিষ্ট। পত্রকগুলি ক্ষুদ্র, ১ সে মি লম্বা। দেশে শীত-গ্রীষ্মে কৃষ্ণচূড়ার পাতা ঝরে যায় অনেকটাই। প্রায় পত্রহীন গাছে গাছে বড় বড় থোকায় থোকায় জাপটে আসে কৃষ্ণচূড়ার লাল ফুল। তখন গাছে অল্প পরিমাণই পাতা থাকে। কিন্তু লাল ফুলের মাঝে পাতাগুলো মিলিয়ে যায়। শুষ্ক অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে কৃষ্ণচূড়ার পাতা ঝরে গেলেও, নাতিষীতোষ্ণ অঞ্চলে এটি চিরসবুজ।

গ্রীষ্মের খরাদীর্ণ আকাশের নিচে প্রচণ্ড তাপ ও রুক্ষতায় কৃষ্ণচূড়ার আশ্চর্য প্রস্ফুটনের তুলনা নেই। নিষ্পত্র শাখায় প্রথম মুকুল ধরার অল্প দিনের মধ্যেই সারা গাছ ফুলে ফুলে ভরে যায়। এত উজ্জ্বল রঙ, এত অক্লান্ত প্রস্ফুটন তরুরাজ্যে দুর্লভ। কৃষ্ণচূড়া ফুলের রং উজ্জ্বল লাল। কিন্তু কৃষ্ণচূড়ার প্রজাতিভেদে ফুল লাল, কমলা, হলুদ হয়ে থাকে। আমাদের দেশে বসন্ত কালে এ ফুল ফোটে এবং তার রেশ চলতে থাকে বর্ষার শেষ পর্যন্ত। তবে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কৃষ্ণচূড়ার ফুল ফোটার সময় বিভিন্ন। কৃষ্ণচূড়ার প্রস্ফুটিত ফুলের ব্যাস ২ থেকে ৩ ইঞ্চি। বৃতির বহিরাংশ সবুজ। ভেতরের অংশ রক্তিম। বৃত্যাংশের সংখ্যা ৫টি।

কৃষ্ণচূড়ার ফুলগুলো ৫টি পাপড়িযুক্ত। ৫ পাপড়ির একটি বড় ও তাতে হলুদ বা সাদা দাগ। পাপড়ি প্রায় ৮ সেন্টিমিটারের মতো লম্বা হয়ে থাকে। ভেতরে একটি হলুদ গর্ভকেশরকে ঘিরে থাকে ১০টি গাঢ় লাল পুংকেশর। একটু খেয়াল করলেই চোখে পড়বে, কৃষ্ণের মাথায় চুলের চূড়া বাঁধার ধরনটির সঙ্গে ফুলটির বেশ মিল। সেখান থেকেই হয়ত কৃষ্ণচূড়া নামকরন। তবে নাম যাই হোক না কেন কৃষ্ণচূড়ার ফুলের বর্ণনা লেখায় দেয়া সম্ভব নয়।

সত্যিকার সৌন্দর্য কৃষ্ণচূড়ার ফুলের কাছে গেলে কিছুটা হলেও উপলব্ধি করা সম্ভব। কে জানতো দেখতে লাল লাল কৃষ্ণচূড়ার পাপড়ির উপরেও প্রকৃতি পরম মমতায় কি সুন্দর নকশা করে রেখেছে! এক অলস বিকেলে হয়তো কোনো পথিক তুলে নেবে, দেখবে, মুগ্ধ হবে - এই তার পরম তৃপ্তি, এই সামান্য মুদ্ধতার জন্য প্রকৃতির কত না অসামান্য আয়োজন! কৃষ্ণচূড়ার ফুল ফোটার আগে কলি দেখতে মোহরের মতো দেখায় তাই হিন্দিতে এই ফুলকে বলা হয় গুলমোহর।

কৃষ্ণচূড়া শিম জাতীয় উদ্ভিদের গোত্রভুক্ত, তাই ফলের সঙ্গে চ্যাপ্টা শিমের সাদৃশ্য স্পষ্ট। অবশ্য ফলগুলি আকারে শিমের চেয়ে বহুগুণ বড়, ৪০-৬০ সে মি লম্বা এবং ৫ সে মি চওড়া। কৃষ্ণচূড়ার কচি ফলগুলি সবুজ, তাই পাতার ভিড়ে সহজে দেখা যায় না। শীতের হাওয়ায় পাতা ঝরে গেলেই ফল চোখে পড়ে। পাকা ফল গাঢ় ধূসর ও কাষ্ঠকঠিন। প্রতিটি ফলে প্রায় ১৫-৫০টি ২ সে মি লম্বা বাদামী রঙের বীজ থাকে।

নিষ্পত্র কৃষ্ণচূড়ার শাখায় যখন ফল ছাড়া আর কিছুই থাকে না তখন তাকে শ্রীহীন দেখায়। বসন্ত শেষে কৃষ্ণচূড়ার দিন ফেরে, একে একে ফিরে আসে পাতার সবুজ, প্রস্ফুটনের বহুবর্ণ দীপ্তি, নিঃশব্দে ঝরে পড়ে বিবর্ণ ফলগুলি।

অর্থনৈতিক দিক থেকে এ গাছ তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। তবে এ গাছ দ্রুত বর্ধনশীল হওয়ায় জ্বালানী কাঠ হিসেবে অধিক ব্যবহূত হয়। এছাড়াও ছায়াপ্রদানকারী গাছ হিসেবে ও শোভাবর্ধনকারী গাছ হিসেবে এর বহুল ব্যবহার রয়েছে। এর বীজ থেকে প্রাপ্ত আঠা ওষুধ শিল্পে বাইন্ডার রূপে ব্যবহার করা হয়। ফল থেকে নানাপ্রকার শৌখিন দ্রব্য প্রস্তুত হয়। বীজ গয়না শিল্পে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

Tuesday, February 21, 2012

হুগলী নদী

এলাহাবাদ থেকে পশ্চিমবঙ্গের মালদহ পর্যন্ত গঙ্গা বারাণসী, পাটনা, গাজীপুর, ভাগলপুর, মির্জাপুর, বালিয়া, বক্সার, সৈয়দপুর ও চুনার শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। ভাগলপুরে নদী দক্ষিণ-দক্ষিণপূর্ব দিকে বইতে শুরু করেছে। পাকুরের কাছে গঙ্গার ঘর্ষণক্ষয় শুরু হয়েছে। এরপর গঙ্গার প্রথম শাখানদী ভাগীরথী-হুগলির জন্ম, যেটি দক্ষিণবঙ্গে গিয়ে হয়েছে হুগলি নদী।

Hooghly river

বাংলাদেশ সীমান্ত পেরোনোর কিছু আগে হুগলি নদীতে গড়ে তোলা হয়েছে ফারাক্কা বাঁধ। এই বাঁধ ও ফিডার খালের মাধ্যমে জলপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে হুগলি নদীকে আপেক্ষিকভাবে পলিমুক্ত রাখা হয়। ভাগীরথী ও জলঙ্গী নদীর সঙ্গমের পর হুগলি নদীর উৎপত্তি। এই নদীর বহু উপনদী রয়েছে। তার মধ্যে সবচেয়ে বড় উপনদীটি হল দামোদর নদ। হুগলি নদী সাগর দ্বীপের কাছে বঙ্গোপসাগরে মিশেছে।

Monday, February 20, 2012

মিলেনিয়াম পার্ক

কলকাতার মিলেনিয়াম পার্ক, হুগলী নদীর তীরে বিবাদী বাগের কাছাকাছি স্ট্র্যান্ড রোডে অবস্থিত। ২০০০ সালের ১-লা জানুয়ারী মিলেনিয়াম পার্ক নির্মিত হয়েছিল এবং এটি কলকাতায় প্রথম এই ধরনের উদ্যান। এটি সমস্ত বয়সের ব্যাক্তিদের জন্য এক মনোরঞ্জক উদ্যান।

কলকাতা মহানগরী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের এক মস্তিস্কপ্রসুত উদ্ভাবন কলকাতার মিলেনিয়াম পার্ক।কলকাতা পোর্ট ট্রাস্টের জমির উপর এই মিলেনিয়াম পার্ক গড়ে উঠেছে। কলকাতার মিলেনিয়াম পার্কটি স্থাপনের পিছনে মূল উদ্দেশ্য ছিল পর্যটনকে উন্নীত করা এবং কিছু প্রশংসনীয় সৌন্দর্যের সঙ্গে নদীর তীরকে লাবণ্যময় করে তোলা।

মিলেনিয়াম পার্কের প্রধান আকর্ষণ হল নদীর নৈকট্যতা। শত-শত দর্শক সারাদিন ধরে এই উদ্যানে ভিড় করে। উদ্যানটির চারিপাশ সবুজ গাছপালায় আচ্ছাদিত। মিলেনিয়াম পার্কের মহানুভব এবং মার্জিত সৌন্দর্যের অভ্যন্তরে আরাম করে বসার জন্য অনেক বেঞ্চ রয়েছে।

প্রধান উদ্যানের পাশে শিশুদের জন্য একটি স্বতন্ত্র ছোট পার্ক রয়েছে যেখানে তারা নাগরদোলা, স্লাইডস, দোলনা ইত্যাদিতে চড়তে পারে। এছাড়াও মিলেনিয়াম পার্কের ভিতরে একটি খাদ্য-সংযোগ রয়েছে যেখানে আপনি কলকাতার সুস্বাদু স্ন্যাকস এবং খাবারের স্বাদ গ্রহণ করতে পারেন। যারা ছায়ার নীচে বসতে চান তাদের জন্য এখানে কুঁড়েঘর আকৃতির আশ্রয়স্থল রয়েছে।

কলকাতার মিলেনিয়াম পার্কে ঘুরতে যাওয়ার শ্রেষ্ঠ সময় হল সন্ধ্যাবেলা যখন মিলেনিয়াম পার্ককে অন্ধকার আকাশের নীচে রঙিন আলোয় বিস্ময়কর মনে হয়। এই সময় আপনি পার্কের মধ্যে বসতে পারেন এবং কলকাতার মিলেনিয়াম পার্কের মহৎ সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন।

Sunday, February 19, 2012

Palash Flower: Flame of the Forest

Palash flower or Parrot flower also known by the name flame of the forest starts blooming at the end of January and around mid March it is in full bloom and is the most attractive flower of the season.
The jungles of Bengal are full of these and the petals feels like velvet and has become an indispensable part of the celebration of spring.

Saturday, February 18, 2012

Kolkata Spring

Surely in the Spring myth was chosen to reflect moral truths, adopting an ancient theme, so universal, in a completely modern language. Spring, symbol of nature not so much intended as a season of the year as the universal force cyclical and regenerative power. The days start to get warm, the sun is again peeps , and the air is filled with the scent of nature that regenerates itself.

Sunday, February 5, 2012

আমের টক ঝাল মিষ্টি আচার, কাশ্মীরি আচার ও মোরব্বা রেসিপি

বাজারে এখন কাঁচা আম অনেক পাওয়া যাচ্ছে। তাই কাঁচা আম দিয়ে ঝটপট তৈরি করে ফেলুন মজাদার ১০ টি আমের আঁচার রেসিপি।


১) টক-ঝাল-মিষ্টি আমের আচার

উপকরণঃ কাঁচা আম ১ কেজি, সিরকা আধা কাপ। সরিষার তেল এক কাপ, রসুনবাটা দুই চা-চামচ, আদাবাটা দুই চা-চামচ, হলুদ্গুড়া দুই চা-চামচ
চিনি তিন টেবিল-চামচ, লবণ পরিমাণ মতো। মেথি গুঁড়া এক চা-চামচ, জিরা গুঁড়া দুই চা-চামচ, মৌরি গুঁড়া এক চা-চামচ, রাঁধুনি গুঁড়া দুই চা-চামচ,
সরষেবাটা তিন টেবিল-চামচ, শুকনা মরিচ গুঁড়া দুই টেবিল-চামচ, কালো জিরা গুঁড়া এক চা-চামচ।

প্রণালিঃ খোসাসহ কাঁচা আম টুকরো করে লবণ দিয়ে মেখে একরাত রেখে দিতে হবে। পরের দিন ধুয়ে আদা, হলুদ, রসুন মাখিয়ে কিছুক্ষণ রোদে রাখুন। এরপর সসপ্যানে আধা কাপ তেল দিয়ে আমগুলো নাড়া-চাড়া করতে থাকুন, গলে গেলে নামিয়ে ফেলুন। অন্য একটি সসপ্যানে বাকি তেল দিয়ে চিনিটা গলিয়ে ফেলুন। কম আঁচে চিনি গলে গেলে সব মসলা দিয়ে (মৌরি,মেথি গুঁড়া ছাড়া) আম কষিয়ে নিতে হবে। আম গলে গেলে মৌরি গুঁড়া, মেথি গুঁড়া দিয়ে নামিয়ে ফেলতে হবে।

২) আম-রসুনের আচার

উপকরণঃ খোসা ছাড়া কাঁচা আমের টুকরা দুই কাপ, সরিষার তেল এক কাপ, রসুনছেঁচা এক কাপ, মেথি এক টেবিল-চামচ, মৌরি এক টেবিল-চামচ, জিরা এক টেবিল-চামচ, কালো জিরা দুই চা-চামচ, সিরকা আধা কাপ, হলুদগুঁড়া দুই চা-চামচ, শুকনা মরিচ ১০-১২টি, চিনি দুই টেবিল-চামচ, লবণ পরিমাণমতো।

প্রণালীঃ আমের টুকরো গুলোতে লবণ মাখিয়ে একরাত রেখে দিতে হবে। পরের দিন ধুয়ে কয়েক ঘণ্টা রোদে দিতে হবে। রেসিপির সব মসলা মিহি করে বেটে নিতে হবে। এরপর চুলায় সসপ্যানে তেল দিয়ে বসাতে হবে। তেল গরম হলে রসুন দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়িয়ে, তারপর বাটা মসলা দিয়ে নাড়তে হবে। তারপর আম দিয়ে নাড়িয়ে নিতে হবে। কিছুক্ষণ রান্না করার পর আম নরম হলে, চিনি দিয়ে নাড়িয়ে নামাতে হবে। এরপর আচার ঠাণ্ডা হলে বোতলে ভরে, বোতলের মুখ পর্যন্ত তেল দিয়ে ঢাকতে হবে। এরপর কয়েকদিন রোদে দিতে হবে।

৩) আম-পেঁয়াজের ঝুরি আচার

উপকরণঃ কাঁচা আমের ঝুরি এক কাপ, পেঁয়াজ কুচি এক কাপ, জিরাগুঁড়া দুই চা-চামচ, কালো জিরাগুঁড়া আধা চা-চামচম, সরষেগুঁড়া এক টেবিল-চামচ, মরিচগুঁড়া দুই চা-চামচ, সরিষার তেল আধা কাপ, লবণ পরিমাণ মতো।

প্রণালীঃ আমের ঝুরি এবং পেঁয়াজের কুচি আলাদাভাবে একদিন রোদে ভালোভাবে শুঁকিয়ে নিতে হবে। তারপরের দিন বাকি সব উপকরণগুলি দিয়ে, ভালোভাবে হাত দিয়ে মাখিয়ে বোতলে ভরে কয়েক দিন রোদে দিতে হবে।

৪)আমের নোনতা আচার

উপকরণঃ আমের টুকরো ৪ কাপ, লবণ ২ চামচ, কালোজিরার গুঁড়া ১ চা-চামচ, শুকনা মরিচ ৩টা, মৌরি গুঁড়া আধা চা-চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা-চামচ, পাঁচফোড়ন ১ চা- চামচ, সরষের তেল ২ কাপ।

প্রণালিঃ আমের খোসা ফেলে লম্বা টুকরো করে লবণ পানিতে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। এরপর পানি ঝরিয়ে এতে হলুদ ও প্রয়োজনমতো লবণ দিয়ে কড়া রোদে কয়েক ঘণ্টা রেখে মৌরি গুঁড়া ও কালোজিরার গুঁড়া দিয়ে আবার রোদে দিন।

শুকনা নরম আম বোতলে ঢুকিয়ে নিন। গরম তেলে পাঁচফোড়ন ভেজে তেল ও পাঁচফোড়ন আমের বোতলে ঢেলে দিয়ে কয়েক দিন বোতলের মুখে পাতলা কাপড়ে বেঁধে রোদে দিন।

৫) খোসাসহ আমের আচার

উপকরণঃ আম ১০টা, সরষে বাটা ২ চামচ, পাঁচফোড়ন বাটা ১ চামচ, সিরকা আধা কাপ, হলুদ গুঁড়া ১ চা-চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, চিনি ১ কাপ, তেজপাতা ২টা, শুকনা মরিচ ৩টা, সরষের তেল ১ কাপ।

প্রণালিঃ আম খোসাসহ টুকরো করে হলুদ ও লবণ মাখিয়ে ৮-১০ ঘণ্টা রোদে দিন। এবার হলুদ, মরিচ, সরষে, পাঁচফোড়ন ও অর্ধেক সিরকা আমের সঙ্গে মিশিয়ে আবার রোদে দিন।

শুকিয়ে এলে বাকি সিরকা, চিনি, তেজপাতা ও শুকনা মরিচ দিয়ে বোতলে ঢুকিয়ে রোদে দিন। তেল ভালোভাবে গরম করে ঠান্ডা হলে আচারের বোতলে ঢেলে কয়েক সপ্তাহ রোদে দিন।

৬) আমের মোরব্বা

উপকরণঃ আম ১০টা, চিনি ২ কাপ, পানি ১ কাপ, লবণ আধা চা-চামচ, এলাচ ৩টা, দারচিনি ২ টুকরো, তেজপাতা ২টা, চুন ১ চা-চামচ।


আমের খোসা ফেলে দুই টুকরো করে নিন। এবার টুথপিক দিয়ে আমের টুকরো ভালোভাবে ছিদ্র করে নিন। চুনের পানিতে আম ৭-৮ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। আম তুলে পরিষ্কার পানিতে কয়েকবার ধুয়ে নিন।

এবার চিনির সিরায় সব উপকরণ দিয়ে ফুটে উঠলে আম ছেড়ে দিন। অল্প আঁচে রাখুন। আম নরম হলে চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করে বোতলে ঢুকিয়ে রাখুন।

৭)আমের ঝাল আঁচার:

উপকরণঃ আম ১ কেজি, সিরকা ১ কাপ, সরিষার তেল দেড় কাপ, সরিষা বাটা ১ টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়ো ১ চা চামচ, মরিচ বাটা ১ টেবিল চামচ, আদা কুচি ১ টেবিল চামচ, পাঁচফোড়ন গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ, আস্ত পাঁচফোড়ন আধা চা চামচ, লবণ ১ টেবিল চামচ, চিনি ১ টে চামচ, রসুন কোয়া ১৬টি, কাঁচামরিচ ১০টি, রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ।

কিভাবে তৈরি করবেন:

আম খোসাসহ ছোট ছোট টুকরা করে কেটে ১ টেবিল চামচ লবণ মাখিয়ে ভালো করে ধুয়ে পানি নিংড়ে নিতে হবে।অল্প হলুদ, লবণ মাখিয়ে এক দিন রোদে দিতে হবে। কড়াইতে তেল গরম হলে আস্ত পাঁচফোড়ন ছাড়তে হবে। পাঁচফোড়ন ভাজা সুগন্ধ বের হলে রসুন বাটা, আদা কুচি দিয়ে ১ মিনিট নাড়তে হবে। মরিচ, হলুদ, লবণ ও সামান্য সিরকা দিয়ে ভালো করে কষিয়ে আম দিয়ে নাড়তে হবে। আম আধা সেদ্ধ হলে বাকি সিরকা, চিনি, সরিষা বাটা, কাঁচা মরিচ, রসুন কোয়া দিয়ে আরও ১৫ মিনিট অল্প আঁচে নাড়তে হবে।ভাজা পাঁচফোড়ন গুঁড়ো দিয়ে ২ মিনিট নেড়ে আচার চুলা থেকে নামাতে হবে। আচার ঠান্ডা হলে কাচের বয়ামে রেখে দিন।

৮) রেসিপি - কাশ্মিরি আচার

উপকরণ: আম ৫ কেজি। চিনি ৩ কেজি। ভিনিগার ১ বোতল (৬৫০ মি.লি.)। শুকনামরিচ ২৪, ২৫টি। আদাকুচি ৬ টেবিল-চামচ। লবণ স্বাদ মতো।

পদ্ধতি: আম ছিলে ধুয়ে কিছুক্ষণ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর কিউব করে কেটে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। শুকনামরিচ কাঁচি দিয়ে চিকন করে কেটে দানা বাদ দিন। আদা চিকন করে কুচি করুন। তারপর চুলায় হাঁড়িতে চিনি ও ভিনিগার দিয়ে সব বসান।

যদি আচারে লাল লাল ভাব আনতে চান তবে চিনি কিছুটা কমিয়ে খেজুরের গুড় দিতে পারেন। এরপর শুকনা মরিচ, আদা ও লবণ দিতে হবে।
জ্বাল দিয়ে ঘন হয়ে আসলে, তাতে আমের টুকরা দিয়ে দিন। সিরা ঘন হয়ে আসলে চুলার আঁচ কিছুক্ষণ কমিয়ে রাখতে হবে। আম সিদ্ধ হয়ে গলে যাওয়ার আগেই নামিয়ে কাচের বোতলে ভরে রাখুন। ঠাণ্ডা হলে বোতলের মুখ বন্ধ করে রেখে দিন।

৯) আচার ও চাটনি - কাঁচা আমের আচার


কাঁচা আম আধা কেজি। দেশি পেঁয়াজ-কুচি ৪। কালোজিরা ১ চা-চামচ। শুকনা মরিচ ৮টি। তেঁতুল ১ টেবিল-চামচ। চিনি ৪ টেবিল-চামচ। রসুনের কোয়া ১০টি। লবণ স্বাদমতো। সরিষার তেল পরিমাণমতো। কাঁচের বোতল আচার রাখার জন্য।


পেঁয়াজ ছুলে নিন। আমের ছোকলা ছিলে পরিষ্কার করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখতে হবে। এরপর পেঁয়াজ এবাং আম মিহিকুচি করে কাটুন। একটা ডালায় আম আর পেঁয়াজের কুচি নিয়ে তাতে কালোজিরা, শুকনা মরিচ, রসুনের কোয়া, তেঁতুল, চিনি, লবণ আর অল্প সরিষার তেল দিয়ে মাখিয়ে তিন থেকে চার দিন রোদে শুকাতে হবে।

বাদামি রং এবং ঝরঝরে হলে কাঁচের জারে ভরে সরিষার তেল দিয়ে আবার রোদে দিতে হবে।

১০) আমসত্ত্ব

উপকরণ : পাকা আম এক কেজি, চিনি দুই কাপ।

যেভাবে তৈরি করবেন

পাকা আম খোসা ছড়িয়ে একটু চটকে নিন। হালকা আঁচে একটু সিদ্ধ করে নিন। আম মিষ্টি না টক সে অনুযায়ী চিনি মিশিয়ে দিন। একটি গোল থালায় তেল মাখিয়ে একপ্রস্থ আম লেপে দিয়ে রোদে দিন। শুকিয়ে গেলে আবার একপ্রস্থ দিন। এভাবে যতটুকু মোটা করতে চান সে অনুযায়ী আম দিন। ভালোভাবে শুকিয়ে গেলে কৌটায় ভরে রেখে দিন। রোদের ব্যবস্থা না থাকলে গ্যাসের চুলার নিচে রেখেও আমসত্ত্ব করা যাবে।