ফলের রাজা। উপকারেও দারুণ। গরমের দিনে এই ফল খেয়েই রসনা তৃপ্ত করেন ভোজন রসিকরা। তা দিয়ে তৈরি হয় অনেক রকমারি পানীয়, যা গরমের দিনে অতিথি আপ্যায়নের জন্য নিতান্তই অপরিহার্য।
কোন ফলের কথা বলছি তা নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন। ফলের বাজারে এরই মধ্যে তার আনাগোনা তুঙ্গে। যেদিকে তাকাবেন পাকা হলুদ রঙের বাহারি আমের উপস্থিতি চোখে পড়ে যাবে। নামেই শুধু রাজা নন তিনি, গুণেও পটু। তার উপকারটা অনেক ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। বিশেষ করে স্বাস্থ্যের জন্য আমের উপকারের মাত্রাটা সীমাহীন।
হৃদরোগ থেকে শুরু করে অপরিপকস্ফতা, ক্যান্সার সারাতে আম মহৌষধি। আমের মধ্যে অত্যধিক আয়রন রয়েছে। গর্ভবতী থাকাকালীন যেসব মহিলা এনিমিয়া রোগে ভুগছেন তারা আম খেতে পারেন। এতে রক্তস্বল্পতা সহজেই দূর হয়ে যাবে। লোমকূপের ছিদ্র বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে ত্বক নিয়ে ভুগছেন? আমের টুকরো ত্বকে রগড়ে নিন। ১০ মিনিট পর তা ধুয়ে ফেলুন। সমস্যা থাকবে না।
বেশি মাত্রায় আম খান। অ্যাসিডিটির হাত থেকে রেহাই পাবেন। তাছাড়া উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রেও আমের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিনের খাবার মেন্যুতে আম রাখুন। গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, কিডনিতে পাথর জমার ক্ষেত্রেও বাদ সাধে আম। তাই দেরি না করে গরমের সুস্বাদু ফলটা খেতে শুরু করে দিন এখনই।
আমের মধ্যে এমন প্রোটিন আছে, যা মনোযোগ ও স্মৃতিশক্তি বাড়িয়ে দেবে। অপরদিকে আমের মধ্যে ভিটামিন-ই রয়েছে, যা আপনার যৌন হরমোনকেও সতেজ করে দেবে।
গরমে এক গ্লাস কাঁচা আমের জুস এনে দেবে স্বস্তি।
কাঁচা আম ২ টি
বিট লবন সিকি চা চামচ
লবন আন্দাজ মত
চিনি ৪ টেবিল চামচ
গোল মরিচ সিকি চা চামচ
ঠাণ্ডা পানি - ২ গ্লাস।
আম কুচি কুচি করে কেটে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন।এরপর সব একসাথে মিক্সড করে ৫ মিনিট ব্ল্যান্ড করুন। উপরে পাতলা কুচি করে অল্প কাঁচা মরিচ ছড়িয়ে দিন। আমের রস আর পানিতে ব্ল্যান্ড হয়ে তিন গ্লাস জুস হবে।
আম বাগান

Kalyan Panja
... menit baca
Dengarkan


১টি মন্তব্য