Tuesday, December 31, 2013

Vidyasagar Setu Evening


In Kolkata Vidyasagar Setu is known as the second Hooghly bridge. It is a beautiful bridge over the river Hooghly. Vidyasagar Setu is suspended 457 meters above the river Hoogly. This bridge is beautifully lit at night. The Vidyasagar Setu is one of the symbols of the city of Kolkata and one of the most famous bridges in the world. Crosses the river Hooghly in its narrowest point.

Monday, December 30, 2013

Kolkata Spa Ayurveda


Located just 20 minutes from Kolkata International Airport, on land with forests and waterfalls of over 60 hectares, the Best Western Premier Vedic Village Spa Resort combines the luxury of a 5 star hotel in an ethnic ambience, making it a ideal place to stay. The spa competes with the best in the world in the field of holistic and offers holistic rejuvenation, targeted therapies and healing processes through the integration of Ayurveda, Yoga and naturopathy.

Saturday, December 28, 2013

সুন্দরবন ভ্রমন - রয়েল বেঙ্গল টাইগার ছবি

আসছে পূজার ছুটিতে চলুন ঘুরে আসা যাক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবন থেকে। গহীন বনের নীরবতা আপনাকে হাতছানি দিয়ে ডাকছে। দুপাশে গভীর বন, মাঝে কখনও নদী, কখনও সাগর। ভাঁটার সময় শ্বাসমূলের জেগে থাকা, হরিণের পানি খেতে খেতে চমকে দৌড়ে সরে যাওয়া । রাতের গভীরতাতে জোনাকির আলো আর নানা অচেনা পাখির ডাক। কখনও জেলেদের মাছ ধরার নৌকা কিংবা কখনও খালের পানিতে নৌকা ভাসিয়ে দুপাশ দেখতে দেখতে যাওয়া। এই হোল সুন্দরবন।



সুন্দরবনের গহীনে আকর্ষনীয় সব দর্শনীয় স্থান, এবং দেখতে পারেন বাঘ, হরিন, কুমির, ডলফিন, বানর সহ অসংখ্য বন্যপ্রানী ও অতিথি পাখি। বেঙ্গল টাইগার বা রয়েল বেঙ্গল টাইগার, বাঘের একটি উপপ্রজাতি। বেঙ্গল টাইগার সাধারণত দেখা যায় ভারত ও বাংলাদেশে। এছাড়াও নেপাল, ভুটান, মায়ানমার ও দক্ষিণ তিব্বতের কোনো কোনো অঞ্চলে এই প্রজাতির বাঘ দেখতে পাওয়া যায়। বাঘের উপপ্রজাতিগুলির মধ্যে বেঙ্গল টাইগারের সংখ্যাই সর্বাধিক।
প্রথাগতভাবে মনে করা হয়, সাইবেরীয় বাঘের পর বেঙ্গল টাইগার দ্বিতীয় বৃহত্তম উপপ্রজাতি। বেঙ্গল টাইগার উপপ্রজাতি বাংলাদেশের জাতীয় পশু। অন্যদিকে প্রজাতি স্তরের ভারতের জাতীয় পশু।

ভারত ও বাংলাদেশের সুন্দরবন এলাকায় যে সুদর্শন বাঘ দেখা যায় তা পৃখিবীব্যাপী রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার নামে পরিচিত। কয়েক দশক আগেও (পরিপ্রেক্ষিত ২০১০), বাংলাদেশের প্রায় সব অঞ্চলে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের বিচরণ ছিলো। পঞ্চাশের দশকেও বর্তমান মধুপুর এবং ঢাকার গাজীপুর এলাকায় এই বাঘ দেখা যেতো; মধুপুরে সর্বশেষ দেখা গেছে ১৯৬২ এবং গাজীপুরে ১৯৬৬ খ্রিষ্টাব্দে।

বর্তমানে সারা পৃথিবীতে ৩০০০-এর মতো আছে, তন্মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি ভারতীয় উপমহাদেশে। এই সংখ্যা হিসাব করা হয় বাঘের জীবিত দুটি উপপ্রজাতি বা সাবস্পিসীজের সংখ্যাসহ। ২০০৪ সালের বাঘ শুমারী অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রায় ৪৫০টি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার রয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের ধারণা এর সংখ্যা ২০০-২৫০টির মতো। বাংলাদেশ ছাড়াও এদের বিচরণ রয়েছে ভারতের সুন্দরবন অংশে, নেপাল ও ভুটানে।

এর গায়ের রঙ হলুদ থেকে হালকা কমলা রঙের হয়, এবং ডোরার রঙ হয় গাঢ় ক্ষয়েরি থেকে কালো; পেটটি হচ্ছে সাদা, এবং লেজ কালো কালো আংটিযুক্ত সাদা। একটি বদলানো বাঘের জাতের (সাদা বাঘ) রয়েছে সাদা রঙের শরীরের উপর গাঢ় ক্ষয়েরি কিংবা উজ্জল গাঢ় রঙের ডোরা, এবং কিছু কিছু শুধুই সাদা। কালো বাঘের রয়েছে কমলা, হলুদ কিংবা সাদা রঙের ডোরা। স্মাগলারদের কাছ থেকে উদ্ধারিত হয় যে একটি কালো বাঘের ত্বকের মাপ হচ্ছে ২৫৯ সেঃমিঃ, ডোরাবিহীন কালো বাঘ রিপোর্ট করা হয়েছে তবে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার এর ক্ষেত্রে কোনো প্রমান এখনও পাওয়া যায়নি। যদিও জাগুয়ার বা লেপার্ড এর ৬ শতাংশ-ই কালো হয়ে থাকে।

উত্তর ভারতের পুরুষ বাঘেরা সাইজে সাইবেরিয়ান বাঘের মতোই। উত্তর ভারত ও নেপালে পুরুষদের গড় ওজন ২৩৫ কেজি আর মহিলাদের ১৪০ কেজি। বর্তমানে বিভিন্ন বাঘ জাতির ওজনের উপর পরীক্ষা করে দেখা যাচ্ছে যে গড়ে বেঙ্গল টাইগারেরা সাইবেরিয়ান বাঘের চেয়ে বড়। একটি বেঙ্গল টাইগারের গর্জন ৩ কিলোমিটার পর্যন্ত দুরে শোনা যায়।

বাংলাদেশে সুন্দরবনই রয়েল বেঙ্গল টাইগারের শেষ আশ্রয়স্থল। মানুষের আগ্রাসনে গোলপাতার ঝোঁপ আর গাছ যেভাবে কমে যাচ্ছে, তাতে বাঘের বিচরণ বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। খাদ্যঘাটতি দেখা দিচ্ছে জঙ্গলের ভিতরে। এভাবে ক্রমে রয়েল বেঙ্গল টাইগার বিলুপ্তির হুমকিতে অবস্থান করছে।

Friday, December 27, 2013

স্টার থিয়েটার

১৮৮৩ সালের দিকে বিখ্যাত অভিনেতা ও নাট্যকার গিরিশচন্দ্র ঘোষ এবং বিনোদিনী দাসী স্টার থিয়েটার গড়ে তুলেছিলেন । কারণ গ্রেট ন্যাশনাল থিয়েটারের মালিক ছিলেন একজন অবাঙ্গালী ব্যবসায়ী প্রতাপচাঁদ জহুরী, যিনি থিয়েটারকে ব্যবসা হিসেবেই দেখতেন । কথিত আছে বিনোদিনীকে থিয়েটার ছেড়ে দিতে ধনী যুবক গুর্মুখ রায়ের ৫০,০০০ টাকার প্রস্তাব দেন । বিনোদিনী প্রস্তাবে না হয়ে বরং বাংলা থিয়েটারের উন্নতির জন্য নতুন থিয়েটার খুলতে রাজি হন এবং একই সাথে গুর্মুখ রায়ের রক্ষিতা হতেও রাজি হন ।

তার অধীনে কাজ করা গিরিশ ঘোষ এবং বিনোদিনী কার পক্ষেই বনিবনা হচ্ছিলনা । তারা আলাদা করে স্টার থিয়েটার গড়ে তোলেন । বিনোদিনী গিরিশচন্দ্র ঘোষ কে নিজের গুরু এবং দেবতা বলে আত্মজীবনীতে উল্লেখ করেন । তাঁর কাছেই তিনি উঁচুমানসম্পন্ন অভিনয় কলা শেখেন । রক্ষিতা হিসেবে তিনি বিনোদিনী দাসীকে গভীরভাবে ভালোবাসতেন । কিন্তু স্টার থিয়েটার গড়ে তোলার জন্যে যিনি অর্থ দিয়েছিলেন, নিজের প্রেমিক গিরিশচন্দ্র ঘোষকে ছেড়ে বিনোদিনীকে তাঁর রক্ষিতা হতে হয় ।



স্টার থিয়েটারে কাজ করার সময় তিনি খ্যাতির তুঙ্গে ছিলেন । এ অবস্থায় গিরিশচন্দ্রসহ তাঁর সহকর্মীদের বিরোধিতার মুখে উক্ত থিয়েটারে বিনোদিনীর পক্ষে তিন বছরের বেশি সময় কাজ করা সম্ভব হয়নি । বিনোদিনীর ইচ্ছা ছিল যে নতুন থিয়েটার তৈরি হবে তা বিনোদিনীর নামে বি-থিয়েটার হবে । কিন্তু কিছু মানুষের প্রতারনার শিকার তিনি হন । যাঁদের মধ্যে তাঁর নিজের অভিনয় গুরু গিরিশচন্দ্রও ছিলেন । বিনোদিনীর ত্যাগ স্বীকারে যে নতুন থিয়েটার তৈরি হয় বিনোদিনীর নাম তাতে থাকেনি । এই নতুন থিয়েটারের নাম হয় স্টার থিয়েটার ।

Wednesday, December 25, 2013

শাড়ি পরার ডিজাইন

শাড়ি ভারতীয় উপমহাদেশের নারীর পরিধেয় বস্ত্র বিশেষ। কখন কীভাবে শাড়ি উদ্ভূত হয়েছিল সে ইতিহাস খুব একটা স্পষ্ট নয়। তবে আবহমান বাংলার ইতিহাসে শাড়ির স্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যুগে যুগে বদলিয়েছে শাড়ির পাড়-অাঁচল, পরার ধরন আর বুনন কৌশল। শাড়ি শব্দের উৎস সংস্কৃত ‘শাটী’ শব্দ থেকে। ‘শাটী’ অর্থ পরিধেয় বস্ত্র।

ইতিহাসবিদ রমেশচন্দ্র মজুমদার প্রাচীন ভারতের পোশাক সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন যে তখন মেয়েরা আংটি, দুল, হার এসবের সঙ্গে পায়ের গোছা পর্যন্ত শাড়ি পরিধান করত, উপরে জড়ানো থাকত আধনা (আধখানা)। পাহাড়পুরের পাল আমলের কিছু ভাস্কর্য দেখেই তা অনুমান করা যায়। এই তথ্য অনুযায়ী বলা যায় যে, অষ্টম শতাব্দীতে শাড়ি ছিল প্রচলিত পোশাক।

ইতিহাসবিদ নীহাররঞ্জন রায়ের মতে, দক্ষিণ ও পশ্চিম ভারতে সেলাই করা কাপড় পরার রেওয়াজ আদিম কালে ছিল না। এই সেলাইবিহিন অখন্ড বস্ত্র পুরুষের ক্ষেত্রে ‘ধুতি’ এবং মেয়েদের বেলায় ‘শাড়ি’ নামে অভিহিত হয়। বয়ন শিল্পের উৎপত্তির সঙ্গে শাড়ির সংযোগ রয়েছে। তখন যেহেতু সেলাই করার কৌশল জানা ছিল না তাই সেলাই ছাড়া টুকরা কাপড় পরাই ছিল শাস্ত্রীয় বিধান। এ সময়ে সেলাই ছাড়া কাপড় পরার রেওয়াজ উপমহাদেশের বাইরেও প্রচলিত ছিল। পৃথিবীর অন্যান্য সভ্যতায়, যেমন মিশর, রোম, গ্রিস-এ সেলাই ছাড়া বস্ত্র ঐতিহ্য হিসেবেই চালু ছিল।

সেলাই করার জ্ঞান লাভ হওয়ার পর এই অখন্ড বস্ত্রই নানা এলাকায় বিচিত্ররূপে ও বিভিন্ন নামে রূপান্তরিত ও আদৃত হয়, যেমন ঘাগরা, সালোয়ার, কুর্তা, কামিজ প্রভৃতি। কিন্তু কয়েকটি এলাকায় ওই বসনখন্ড সেলাই ছাড়াই টিকে যায়। এসব এলাকা হচ্ছে আজকের বাংলাদেশ, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, উড়িষ্যা, আসাম, কেরালা, কর্ণাটক, তামিলনাড়ু, মহারাষ্ট্র, অন্ধ্র প্রদেশ, গুজরাট, উত্তর প্রদেশ, হিমাচল প্রদেশ, বিহার, পাঞ্জাব এবং পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশ ও পাঞ্জাব। তাই বলা যায়, শাড়ি একমাত্র বাঙালি নারীর পরিধেয় নয়, যদিও বর্তমান যুগে বিশেষভাবে বাঙালি রমণীর পোশাক হিসেবেই শাড়ির অধিক পরিচিতি।

জামদানি শাড়ি
টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ি
সুতি শাড়ি, ব্লক প্রিন্ট
রাজশাহী সিল্ক
সুতি শাড়ি

আজকের শাড়ি অখন্ড হলেও তার সঙ্গে যোগ হয়েছে আরও বস্ত্র যা সেলাই করা অর্থাৎ অখন্ড নয়। শুধু শাড়ি পরার প্রথা আজ আর নেই, এর সঙ্গে অনিবার্য অনুষঙ্গ হিসেবে এসেছে ব্লাউজ এবং সেই সঙ্গে পেটিকোট বা সায়া নামের অন্তর্বাস। আদিকালে বর্তমান যুগের মতো শাড়ি পরার কায়দা ছিল না। কালিদাসের শকুন্তলার শাড়ি আর ভারতচন্দ্র-এর বিদ্যাসুন্দর কাব্যের নায়িকা বিদ্যার শাড়ি এক নয়। এ ভিন্নতা শুধু শাড়ির বৈচিত্র্যে নয়, শাড়ি পরার ধরনেও। এক কালে শাড়ি পরার দুটি ধরন ছিল, আটপৌরে ও পোশাকি।

মেয়েরা শাড়ি পরত কোমর জড়িয়ে, পরার ধরন অনেকটা পুরুষের ধুতি পরার মতোই, যদিও পুরুষের মতো মেয়েদের পরিধেয়তে সাধারণত কোন কাছা থাকত না। আদিকালের বসনের মতো আজকের শাড়িও একখন্ড বস্ত্র যা দশ, এগারো কি বারো হাতের। শাড়ি পরার ধরনও সব জায়গায় এক নয়। কেরালা, কর্ণাটক, তামিলনাড়ু, উত্তর প্রদেশ, বাংলাদেশ ইত্যাদি জায়গায় শাড়ি পরার কায়দায় নিজ নিজ এলাকার বৈশিষ্ট্য প্রতিফলিত। শাড়ি পরায় পার্থক্য আছে বিভিন্ন শ্রেণি ও জীবিকাধারীর মধ্যেও। শাড়ির ইতিহাসের মতোই আছে শাড়ি পরার ধরনেরও ইতিহাস।



মূলত শাড়ি পরার আদলে আমূল পরিবর্তন ঘটে সেলাই অর্থাৎ সিয়ান শিল্প আবিষ্কারের পর থেকে। প্রাচীনকালে নারীর অধোবাসের একটু অংশ (বা বাড়তি অংশ) সামনে অথবা পেছনে ঝুলিয়ে রাখা হতো। কালক্রমে তা-ই বক্ষাবরণের উপরে স্থাপিত হতে থাকে এবং আরও পরে অবগুণ্ঠনের প্রয়োজনে মাথায় স্থান পায়। সিয়ান শিল্প আবিষ্কারের পর ব্যবহূত হয় ব্লাউজ। কিন্তু তারও আগে ছিল সেমিজ। সেমিজের দ্বিখন্ডিত রূপ-ই ব্লাউজ ও পেটিকোট। এসবই অন্তর্বাস ও অনুষঙ্গ হিসেবে সংযোজিত। দুবার জড়িয়ে অর্থাৎ দুপ্যাঁচ দিয়ে পরার ধরনটি বলতে গেলে নগরাঞ্চল থেকে উঠেই যায়।

সেমিজ বা পেটিকোটের উপর শাড়িটিকে গিঠ দিয়ে প্রথমে ডানে পরে বাঁয়ে লম্বা ভাঁজ দিয়ে জড়িয়ে টেনে এনে ডান হাতের নিচ দিয়ে আলগা করে বাঁ কাঁধে অাঁচলের সামান্য অংশ রাখার যে ধরন, তার নাম ‘এক প্যাঁচ’। এ ধরন চালু ছিল সুদীর্ঘকাল। এক প্যাঁচ ধরনের শাড়ি পরার অনেক সুবিধা ছিল একদিকে পর্দা রক্ষা, অন্যদিকে সংসারের কাজের সুবিধা। প্রয়োজনে ঢিলা অাঁচল কোমরে জড়িয়ে নেওয়া গেছে, সন্তান লালনে-পালনে ও শীত-বর্ষায় লম্বা অাঁচল মায়ের কাজে লেগেছে।

পরবর্তীকালে এ ধরনও পরিবর্তিত হয়েছে। পরার ধরনে এসেছে ‘কুচি পদ্ধতি’। এ পদ্ধতিতে শাড়িকে কোমরে পেঁচিয়ে সামনের অংশে কুচি পেটের উপর দিয়ে লতিয়ে বুক ঘিরে ছন্দোময় ভঙ্গিতে উপরে তুলে বাঁ কাঁধ ছুঁয়ে অাঁচলটিকে পিঠে ছেড়ে দেওয়া হয়। এভাবে পরা শাড়ির অাঁচল দ্বারা অবগুণ্ঠনের কাজও হয়। একালের অবগুণ্ঠনের স্টাইল আগের মতো নয়। অবগুণ্ঠন মানে আর মুড়ি ঘোমটা নয়, তা আব্রুর মাধ্যমে সৌন্দর্য পরিস্ফুট করার পন্থা।

এখন অবগুণ্ঠন মানে মাথার তালুর কাছে আলতো করে অাঁচল তুলে দেওয়া। শাড়ির ‘কুচি’র প্রাথমিক চিন্তা এসেছে অবাঙালির কাছ থেকে। ঘাগরার ঘেরাও কুচির প্রভাবই লক্ষ্য করা যায় শাড়ির কুচিতে। উল্লেখ্য, ঘাগরা কুচি দিয়ে সেলাই করা অধোবাস। শাড়িকে পরিধেয় হিসেবে গ্রহণ করেছেন

এমন অবাঙালিরাই প্রথমে কুচি পদ্ধতি চালু করেন। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষার্ধ ও বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ পর্যন্ত শাড়ির কুচির এ স্টাইল চালু ছিল। অাঁচল লম্বা করে রাখা হতো মাথায় ঘোমটা দেওয়ার জন্য। ক্রমে ক্রমে শাড়ির কুচির অংশ বাড়তে থাকে, শাড়ি গায়ের সঙ্গে টেনে পরা হতে থাকে, কমে আসতে শুরু করে শাড়ির ঢিলে-ঢালা কায়দাটি; কোমর, বুক পিঠ সর্বত্র শাড়ির অবস্থান হয়ে ওঠে টান টান, বিন্যস্ত, পরিপাটি, কুচির ধরনও পাল্টাতে থাকে। শাড়ির আদি পর্বে কুচি ছিল সামনের দিকে প্রস্ফুটিত ফুলের মতো ছড়িয়ে দেওয়া, পরে তার ভঙ্গি হয় একের পর এক ভাঁজ দিয়ে সুবিন্যস্ত করা।

এ কুচি পদ্ধতি বাঙালি সমাজে শুরুতে সমালোচিত হয়েছিল। যারা সাহস করে পরেছেন তাদের খ্রিস্টান, ব্রাহ্ম কিংবা হিন্দুস্থানি বলে কটাক্ষ করা হতো। তবে বাঙালি সমাজে শিক্ষিতা ও আধুনিকা মেয়েরাই এ পদ্ধতি আগে গ্রহণ করে। কুচি পদ্ধতিকে প্রায় আজকের রূপে প্রথম চালু করেন জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের মেয়েরা। কেবল রূপদান নয়, বাঙালি সমাজে এ প্রথাকে জনপ্রিয় করার কৃতিত্বও তাদের। তবে ‘এক প্যাঁচ’ প্রথা আজও অবলুপ্ত নয়। প্রবীণ মহিলারা এর চল অব্যাহত রেখেছেন, তরুণীরাও বিশেষ বিশেষ অনুষ্ঠানে সখ করে এভাবে শাড়ি পরে। এক প্যাঁচ ধরনটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে শহরতলি ও পল্লী এলাকা জুড়ে।

Sunday, December 22, 2013

Moulin Rouge


The dimly lighted Moulin Rouge one of the places to unwind with live music in Park Street is still the essence of old kolkata's version of the real Moulin Rouge in Paris, complete with the trademark windmill at its entrance and is one of the oldest popular night spots and dining restaurants of kolkata.

Saturday, December 21, 2013

শান্তিনিকেতন - ভ্রমন, ইতিহাস, বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়

দেশজুড়ে পর্যটনের তালিকায় বহুদিন আগেই পাকাপাকি ঠাঁই করে নিয়েছে রবি ঠাকুরের শান্তিনিকেতন। রবীন্দ্রনাথ ১৯০১ সালের ডিসেম্বরে প্রাচ্যের প্রথম নব্য বিদ্যালয়ের স্থাপনকর্তাও বটে। তাঁর পিতৃদেব ১৮৬৩ সালে কলকাতা থেকে ১৬০ কিলোমিটার দূরে একটি জমি কেনেন–রবীন্দ্রনাথের বয়স তখন মাত্র দুই্, পরে এখানেই ১৯০১ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পালিয়ে আসা, গৃহশিক্ষকদের দ্বারা শিক্ষিত রবীন্দ্রনাথ তৈরী করলেন এমন এক বিদ্যালয় যেখানে শিশুদের তাঁর মত শোচনীয় শিক্ষাপ্রণালীর যন্ত্রণা ভোগ করতে হবে না।

সুন্দর ও তাৎপর্যপূর্ণ শান্তিনিকেতন নামে আজও এই বিদ্যালয়ের ক্লাস বসে মুক্ত হাওয়ায়, একশ বছরের পুরনো গাছের তলায়, পাখীয় গান শুনতে শুনতে আর রঙ বেরঙের ফুলের সুগন্ধে মাতোয়ারা হয়ে। এই বিদ্যাস্থলটি এক পরম আশ্চর্য এবং ইউনেস্কো যদি একে মানবজাতির সম্পদ বলে ঘোষণা করে তবে তা যোগ্য সম্মান হবে। এখানে ২৫ বর্গ কিলোমিটারেরও বেশি জায়গা জুড়ে আছে অসংখ্য শিশু শিক্ষালয় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বৃত্তিমূলক শিক্ষাকেন্দ্র, হস্তকলাশিক্ষাকেন্দ্র ও বিশ্বভারতী নামে এক আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় যাতে চৌদ্দটিরও বেশি শিক্ষাবিভাগ আছে। এই চৌদ্দটি বিভাগের মধ্যে চারুকলা, সংগীত, নৃত্য ও নাট্য বিভাগ সব থেকে প্রাচীন ও ঐতিহ্যমণ্ডিত।



এই স্বর্গস্বরূপ শিক্ষাক্ষেত্রের সব থেকে সুন্দর হল এর পরিবেশ। এটা সম্ভব কারণ রবীন্দ্রনাথ স্বয়ং এর সম্বন্ধে বলেছেন যে এই বিদ্যালয় একটি নীড়, কোনো পিঞ্জর নয়। এখানে রবীন্দ্রনাথের হৃদয়বৃত্তি, সত্য ও সুন্দর সম্পর্কিত সব নীতি কাজে পরিণত করা হয় আর ছাত্রদের শিক্ষা দেওয়া হয় ঔদার্যের, সত্যকথনের, শান্তির, একে অপরকে ভালোবাসতে, প্রকৃতিকে ভালোবাসতে, অন্য ধর্মকে, অন্য সভ্যতাকে, অন্য জাতিকে, অন্য দর্শনকে (যা জীবন হরণের শিক্ষা দেয় না) শ্রদ্ধা করতে। রবীন্দ্রনাথের শিক্ষাভাবনা, শান্তিভাবনা ও দর্শনচিন্তা আলোকিত করতে পারে আমাদের আজকের এই বিশ্বকে–যেখানে মানবিকতা অনুপস্থিত।

পশ্চিমবঙ্গে পর্যটনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ অবশ্যই শান্তিনিকেতনের আশ্রমিক পরিবেশ তথা বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। এছাড়াও শান্তিনিকেতনের গ্রামাঞ্চল এবং পার্শ্ববর্তী জঙ্গলগুলি সহ কোপাই-খোয়াই শহুরে পর্যটকদের বিশেষ পছন্দের তালিকায় রয়েছে। সপ্তাহান্তে দুটি ছুটির দিনে হাট বসে সোনাঝুরি জঙ্গলে। পৌষ মেলা বা বসন্ত উৎসব ছাড়াও তাই বছরভর শহুরে পর্যটকদের আনাগোনা লেগেই থাকে। তবে শনি-রবিবার অর্থাৎ উইকএন্ডে ভিড়টা থাকে চোখ পড়ার মতো।

Friday, December 20, 2013

Citizens Park


Mohor Kunja Citizens Park named after Mohor di located on Cathedral Road by the side of Victoria Memorial near to rabindra sadan metro and maidan metro station is a public urban park in Kolkata set up in 2005. A city park, also called urban park, public park, or other similar names, it is a green area is located within the city or in its immediate vicinity, with the aim of providing to the citizens and other visitors to a recreational area in contact with nature.

Monday, December 16, 2013

Flurys Tearoom



The Flurys Tearoom is located in Park Street. This Hall was founded in 1926 by Mr and Mrs J Flury from which it took its name, an English couple from a wealthy family. Their thoughts had turned to open a tearoom and reading for the many Anglo Saxons in the capital. At the time of the founding of Flurys, tearoom is still run by the descendants of Flurys.

Sunday, December 15, 2013

National University of Juridical Sciences


The West Bengal National University of Juridical Sciences NUJS. The law is the study of law, and by extension the criteria used by the courts in applying the rules, as well as all the judgments delivered by the courts.

Saturday, December 14, 2013

Presidency College University


Presidency University earlier Hindu College and Presidency College a public state university one of the first institutes of Western type higher education in Asia is one of the premier institutes of learning of liberal arts and sciences in India and one of the top ranked institutions. Founded by Raja Ram Mohan Roy and established in 1817, it is the oldest educational institution in India.

Monday, December 9, 2013

Shaheed Minar


The Shaheed Minar, also known as Ochterlony monument, or simply the monument is an important monument of the city dedicated to a general of the British East India Company, best known for his key role in the war between the British and the Marathas who actually delivered to the almost total control of the British in India.

Sudder Street


Sudder Street is a street where you can find room in Historic Inns that are cheaper to find accommodation to your liking. Around Sudder Street are also most of the traditional restaurants, where to eat a good thali Western style. The restaurants also has wi- fi signal. Around Sudder Street no shortage ATMs, supermarkets, internet cafes and craft shops. A few minutes walk is the Indian Museum, and walking some more, the Maidan park, place of recreation for people of Kolkata.

Darjeeling Toy Train


Darjeeling is a popular tourist destination, reachable from Kolkata with a short transfer by plane or a scenic train ride that lasts about twelve hours. The hill station is famous for its black tea and its extraordinary scenic beauty with its charming Victorian style buildings. A romantic journey of 8 hours on what is also known as Toy Train, which will take you from Siliguri, at the foot of the eastern Himalayas, at the station of Darjeeling and has views of the highest peaks of the Himalayas.

কাটি রোল রেসিপি

বিকেলের নাস্তায় বা আড্ডায় সকলেরই পছন্দের স্ন্যাকস হচ্ছে কাটি রোল। বিশেষ করে বাচ্চাদের তো খুবই পছন্দের এই কুড়মুড়ে মজাদার স্প্রিং রোল। কিন্তু একই কাটি রোল আর কতোদিন খাবেন বলুন। আজকে চলুন না শিখে নেয়া যাক চেনা কাটি রোলের সম্পূর্ণ নতুন ভিন্ন একটি স্বাদ। শিখে নিন মজাদার কাটি রোল তৈরির সবচাইতে সহজ রেসিপিটি।

মুরগি মাংসের যেকোন খাবার খেতে দারুন লাগে। মুরগি মাংস দিয়ে নানা খাবার তৈরি করা যায়। বাচ্চাদের টিফিনে কি খাবার দেবে তা নিয়ে মায়েদের চিন্তার শেষ নেই। বাচ্চাদের টিফিনের সমস্যা সমাধান করে দেবে চিকেন কাঠি রোল। সহজে অল্প কিছু উপকরণ দিয়ে এই কাবাবটি তৈরি করে নিন।



খাসির মাংস ও পরোটা দিয়ে মজাদার কাঠি কাবাব রোল তৈরি করে ফেলতে পারেন দুপুর অথবা রাতের খাবারের জন্য। সুস্বাদু আইটেমটি নিয়ে যেতে পারবেন অফিসেও। জেনে নিন কীভাবে তৈরি করবেন কাঠি কাবাব রোল-

উপকরণ

খাসির মাংস- ৩০০ গ্রাম
মাখন- ৪ চা চামচ
লেবুর রস- ২ টেবিল চামচ
ধনেপাতা কুচি- ১ মুঠো
চাট মসলা গুঁড়া- ১/৪ চা চামচ
পরোটা- ২টি
লবণ- স্বাদ মতো
পেঁয়াজ- ১ স্লাইস
কাঁচামরিচ- ১টি (কুচি)
কাঁচা পেঁপে কুচি- ১ চা চামচ
ম্যারিনেটের উপকরণ
আদা বাটা- ১ চা চামচ
টক দই- ১০০ গ্রাম
ধনে গুঁড়া- ১/২ চা চামচ
লেবুর রস- ১ টেবিল চামচ
তেল- ২ চা চামচ
রসুন বাটা- ১ চা চামচ
মরিচ গুঁড়া- ২ চিমটি
গরম মশলা গুঁড়া- ১/২ চা চামচ
কাঁচামরিচ- ১টি (কুচি)

প্রস্তুত প্রণালি

একটি পাত্রে হাড়ছাড়া খাসির মাংস নিন। ম্যারিনেটের সব উপকরণ একসঙ্গে মেশান। ম্যারিনেট করা মাংস সারারাত রেখে নিন ফ্রিজে। ১ চা চামচ কাঁচা পেঁপে মাংসে মিশিয়ে দিন। এতে দ্রুত সেদ্ধ হবে মাংস।

একটি গভীর পাত্রে মাখন গরম করে মাংস ও সামান্য লবণ ছিটিয়ে নিন। পেঁয়াজ কুচি, কাঁচামরিচ কুচি, লেবুর রস ও চাট মসলা দিয়ে নেড়ে পাত্র ঢেকে নিন। মাঝারি আঁচে রান্না করুন। মাংস নরম হওয়া পর্যন্ত রাখুন চুলায়। শুকিয়ে গেলে সামান্য পানি দিতে পারেন। তবে মাংস যেন অতিরিক্ত নরম না হয় সেদিকে লক্ষ রাখবেন।

আরেকটি পাত্রে ঘি গরম করে পরোটা ভাজুন। মাংসের মিশ্রণ পরোটার মাঝে রেখে রোল করে নিন। ধনেপাতা চাটনির সঙ্গে গরম গরম পরিবেশন করুন মজাদার কাঠি কাবাব রোল।

Victoria Memorial Calcutta


The Victoria Memorial is probably the most famous monument in Calcutta and was built between 1906 and 1921 in honor of Queen Victoria, Empress of British India. It is located in the center of beautiful gardens in the area of the Maidan, which was the heart of the British Calcutta, with its parks, the Fort William and the Cathedral of St. Paul.

Sunday, December 8, 2013

Princep Ghat


The Princep Ghat was built in the everlasting memory of James Princep, a researcher and past Secretary of the Asiatic Society here. The Ghat was opened to public in the year 1843 and is one of Kolkata's oldest recreation spot. In its initial years, all the royal British entourages used the Princep Ghat jetty for embarkation/disembarkation.

Tuesday, December 3, 2013

Kolkata Maidan

Kolkata Maidan

Kolkata is a city chaotic, full of traffic, pollution, noise and odors, which, although in my opinion can give the charm to a city so, it can become suffocating after a while. Like any big city in India, Calcutta has among its attractions a huge park, the size and the location could be considered the Central Park in India, where locals and visitors who come here find a safe haven where the air is cool and do not think for a few minutes to the city that offers them shelter.

Monday, December 2, 2013

Blood Donation Kolkata



Organ donation is a mission and a gesture of generosity that characterizes high humanity of a country and is catching many lost years with a recent increase of consent to donation. The same has given way to a form of collaboration is very important, which currently cover only but could very well involve the whole continent in a short time. It is connected via the internet all the eye bank in the country, or that archive that gathers data on donations related to the cornea tissue, blood groups, techniques, innovations, updates.

Sunday, December 1, 2013

Kolkata Summer


Usually in Bengal summer is a period of long holidays for students of all ages. The starting dates of the suspension of school activities is during June. In general, in the summer holidays begin in the first weeks of June, leading up to the first days of July for examinations are to be addressed even in the heat of the season, while generally the months of August and September are clear of any activity.