-->
your code goes here
কলকাতা রঙ্গ. Created by Techly420
¯\_(ツ)_/¯
Something's wrong

We can't seem to find the page you are looking for, we'll fix that soon but for now you can return to the home page

Bookmark

কলকাতা ময়দান

শহরের কেন্দ্রস্থলে বিশাল এ সবুজ প্রান্তর রয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনীর রক্ষণাবেক্ষণে৷ ব্রিটিশ আমলের ফৌজি কেল্লা ফোর্ট উইলিয়ামের চারদিকে সুরক্ষামূলক খোলা প্রান্তর হিসেবে গড়ে তোলা এই গড়ের মাঠ কলকাতাবাসীর অবসর কাটানোর জায়গা৷ প্রচলিত বাগধারাই আছে – চলো যাই গড়ের মাঠে, ফিটন চড়ে, হাওয়া খেতে৷ এখনও সরকারি ছুটির দিন বা রবিবারে লোকে সপরিবারে আসেন ঘোড়ার গাড়ি চড়ে ময়দানকে ঘিরে এক চক্কর মারতে৷ যদিও সাহেবি আমলের ল্যান্ডো, ব্রুহ্যাম বা ফিটন গাড়িগুলো এখন ভোল বদলেছে৷

রবিবারের ছুটির দিনে কলকাতা ময়দানে এখনও অনেকে আসেন সপরিবারে৷ দলবেঁধে আসে ছোটরা, ফুটবল-ক্রিকেট খেলতে৷ অনেকেই ঘোড়ায় চড়ে পাক মারে৷ অনেকে আসেন জোড় বেঁধে৷ এরা সাধারণত বসেন ভিড় থেকে দূরে, নির্জনে৷ কলকাতা ময়দান অনেক প্রেমের জন্ম দেখেছে, হয়ত বা মৃত্যুও৷ শহরে খেলার জায়গা কম৷ মেয়েদের আলাদা খেলার জায়গা তো নেইই৷ বিশাল ময়দান সেই সুযোগ করে দেয় মেয়েদের, যারা ছেলেদের মতোই ফুটবল খেলতে ভালোবাসে৷ স্কুলছুটির বিকেলগুলোয় ওরাও আসে৷



শুধু ফুটবল ক্রিকেট নয়, রাগবির মতো অপ্রচলিত খেলাও দেখা যায় ময়দানে৷ বিদেশিরা সাগ্রহে এগিয়ে আসেন নতুন খেলার প্রশিক্ষণ দিতে৷ আর যারা নেহাতই ছোট, তাদের জন্যেও থাকে ছোটখাটো আয়োজন৷ তাতে খুব চমকদার কিছু যে থাকে, তা নয়৷ কিন্তু ছোটরা তাতেই খুশি৷ যেমন মেরি গো রাউন্ডে চড়ে এই খুকিটি৷ কলকাতা ময়দান জনপ্রিয় তার মাদারিওয়ালাদের জন্যেও৷ বাঁদর, কুকুর, ছাগল নিয়ে যারা ছোটখাট খেলা দেখায়৷ আগে ভালুকের খেলাও দেখা যেত, কিন্তু বন্যপ্রাণ সুরক্ষা আইনে তা নিষিদ্ধ হয়েছে৷

নিয়মিত যাতায়াত করতে করতে ওরাও বন্ধু হয়ে যায়৷ যেমন এই দুই চাওয়ালা আর এক ঘোড়ার সহিস৷ জায়গাটা যে একসময় ফৌজি এলাকা ছিল, তার প্রমাণ ওই দুই কামান৷ কলকাতা শহরের অনেক জায়গা থেকেই ট্রাম উঠে গেছে, কিন্তু যে পথে ট্রাম এখনও চালু, তা এই ধর্মতলা-খিদিরপুর রুটে৷ যাতায়াত করে একেবারে ময়দানের গা ঘেঁষে৷ ময়দানের সবুজ উপভোগ করতেও অনেকে এই ট্রামটিতে চড়েন৷ এরাও কলকাতা ময়দানের অবিচ্ছেদ্য অংশ৷ এই ঘোড়াদের দল৷ পোষা ঘোড়া যদিও, তবে ছাড়াই থাকে এরা, নিজেদের মনে ঘাস খায়৷ বর্ষায় ঘাস আরেকটু বাড়লে আসে মেষপালকেরা৷ খুব অন্যরকম লাগে সেই কলকাতাকে৷
১টি মন্তব্য

১টি মন্তব্য

  • Ken
    Ken
    ১৩ জুন, ২০১১ এ ৭:৩১ PM
    I much enjoyed reading this post. A great intro to your city. And, I had never heard of laughing clubs prior to reading this...
    Also, thanks for your words of wisdom and encouragement.

    Have a great day!
    Reply