পলাশ ফুলের অন্যান্য নাম ঢাক ফুল, কিংশুক। চমৎকার এই ফুলটি মাঝারি আকারের পত্রমোচী দেশী গাছ। তিনটি পত্রিকা নিয়ে যৌগিক পত্র। ফুল ফোটে বসন্তে। ফুল গাঢ় কমলা, লম্বা মঞ্জুরীতে ঘনবদ্ধ থাকে। সারাগাছ ফুলেফুলে ভরে ওঠে। বীজ থেকে সহজেই চারা জন্মায়। বাড়েও দ্রুত। মূলত বসন্তের শেষে গাছগুলি যখন তাদের পাতা হারিয়ে দৃষ্টিকটুতায় আক্রান্ত হয়, তখনই প্রকৃতি তার আপন লীলায় মত্ত হয়ে দৃষ্টিকটু গাছে উজ্জ্বল লাল বা গাড় কমলা রং এর এই পলাশ ফুটিয়ে পলাশ গাছের আদর বাড়িয়ে দেয়।
পাতাহীন গাছের ডালের যত্রতত্র ফুটতে দেখা যায় পলাশকে। তাইতো রবীন্দ্রনাথ পলাশকে দেখে লিখেছিলেন, রাঙ্গা হাসি রাশি-রাশি অশোকে পলাশে, রাঙ্গা নেশা মেঘে মেশা প্রভাত-আকাশে, নবীন পাতায় লাগে রাঙ্গা হিল্লোল। পলাশের বিচি থেকে দেশীয় ভেষজ ঔষধ তৈরি করা হয়। একসময় পলাশ গাছের শিকড় দিয়ে মজবুত দড়ি তৈরি করা হতো। সেই সাথে পলাশের পাতা দিয়ে তৈরি হতো থালা। আজও কলকাতা সহ ভারতের বিভিন্ন স্থানে এই পলাশ পাতার ছোট্ট বাটিতে ফুচকা বা পানিপুরি বিক্রি করা হয়।
পলাশ ফুল

Kalyan Panja
... menit baca
Dengarkan

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন