পোস্টগুলি

December, 2014 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

কলকাতা হাই কোর্ট

ছবি
কলিকাতা উচ্চ আদালত বা কলকাতা হাই কোর্ট ভারতের প্রথম এবং প্রাচীনতম হাইকোর্ট। ১৮৬১ সালের হাইকোর্ট আইন বলে ১৮৬২ সালের ১ জুলাই কলকাতা হাইকোর্ট স্থাপিত হয়। সেই সময় এই হাইকোর্টের নাম ছিল হাই কোর্ট অফ জুডিকেচার অ্যাট ফোর্ট উইলিয়াম। বর্তমানে সমগ্র পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ কলকাতা হাইকোর্টের অধিকারক্ষেত্রের অন্তর্গত। আন্দামান ও নিকোবরের রাজধানী পোর্ট ব্লেয়ারে কলকাতা হাইকোর্টের একটি সার্কিট বেঞ্চ আছে।



হাইকোর্ট ভবনটি বেলজিয়ামের ইপ্রেসের ক্লথ হলের আদলে নির্মিত। উল্লেখ্য, প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ক্লথ হল ক্ষতিগ্রস্থ হলে সেটি পুনর্নিমাণের জন্য ওই শহরের মেয়র কলকাতা থেকে এক সেট প্ল্যান চেয়ে পাঠিয়েছিলেন। ১৮৬৪ সালের মার্চ মাসে ভবনটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়। নির্মাণকার্য শেষ হতে সময় লেগেছিল আট বছর। এই ভবনে একটি ১৮০ ফুট উঁচু টাওয়ার আছে। হাইকোর্ট ভবনের নকশাটি বেশ জটিল।

১৮৭২ সালে স্যার বার্নেস পিকক কলকাতা হাইকোর্টের প্রথম প্রধান বিচারপতি নিযুক্ত হন। হাইকোর্টের প্রথম ভারতীয় বিচারক ছিলেন শম্ভুনাথ পণ্ডিত। হাইকোর্টের প্রথম ভারতীয় প্রধান বিচারপতি ছিলেন রমেশচন্দ্…

টাটা সাম্রাজ্যের ইতিহাস

ছবি
বাবাকে বলে গিয়েছিলেন, প্রাচ্যদেশে ব্যবসা করতে যাচ্ছেন, সেখান থেকে মোটা উপার্জন ছাড়া বাড়ি ফিরবেন না। তাঁর সেই সদ্য সংসার হয়েছে। বিয়ের পরেই এমন কঠিন সিদ্ধান্তে বিচলিত হয়ে পড়েছিলেন তাঁর স্ত্রীও। কিন্তু চোখে মুখে সেই পার্সি যুবকের তখন স্বপ্নের হাতছানি। বড় ব্যবসায়ী হতে তাঁকে হবেই। বাবার কাছে এক হাজার টাকা নিয়ে বেড়িয়ে পড়লেন স্বপ্ন সন্ধানে।

পথে ঘাটে পরাধীন ভারতের দৈন্যতা তাঁকে বিস্তর বিচলিত করেছে। কিন্তু তাঁর লক্ষ্য অন্য। তিনি সওদাগর। একে একে গুজরাট, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, বাংলা হয়ে সমগ্র পূর্ব ভারত এমনকি ব্রহ্মদেশও চষে ফেললেন তিনি। কিন্তু কই! উপার্জন তো দূরে থাক, তাঁর সমস্ত সঞ্চয়ই প্রায় শেষ হয়ে আসছিল। কেউ অপরিচিত এই পার্সি যুবকের সঙ্গে বাণিজ্যে আগ্রহ দেখাচ্ছিলেন না। উল্টে তাঁকে নির্মমভাবে ঠকাচ্ছিলেন অনেকে। ক্লান্ত, পর্যদুস্ত এই মানুষটির এইভাবেই কেটে যাচ্ছিল দিনের পর দিন, মাসের পর মাস। মাঝে মধ্যে বাবাকে চিঠি লিখে জানাতেন। বাবা বলতেন ফিরে আসতে। আর প্রতিবারই তিনি উত্তর দিতেন, একবার শেষ চেষ্টা করে দেখি!



এভাবে 'চেষ্টা' করা অবশ্য কোনো কাজে আসেনি। প্রায় দুই বছর পার হয়েছে এই করে। স…

গঙ্গা নদী

ছবি
হুগলি নদী বা ভাগীরথী-হুগলী পশ্চিমবঙ্গে নদীর একটি শাখানদী। পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে প্রবাহিত এই নদীটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২৬০ কিলোমিটার। মুর্শিদাবাদ জেলার ফারাক্কা বাঁধ থেকে একটি খালের আকারে নদীটি উৎসারিত হয়েছে। হুগলি জেলার হুগলি-চুঁচুড়া শহরটি (পূর্বনাম হুগলি) এই নদীর তীরে অবস্থিত। হুগলি নামটির উৎস অজ্ঞাত, তাই জানা যায় না যে নদী না শহর কোনটির নামকরণ আগে হয়েছিল।

ভাগীরথী নামটি পৌরাণিক। কিংবদন্তী অনুযায়ী, রাজা ভগীরথ মর্ত্যলোকে গঙ্গা নদীর পথপ্রদর্শক ছিলেন বলে গঙ্গার অপর নাম ভাগীরথী। হুগলি নামটি অপেক্ষাকৃত অর্বাচীন। ইংরেজ আমলেই সর্বপ্রথম ভাগীরথীর দক্ষিণভাগের প্রবাহকে হুগলি নামে অভিহিত হয়।

ভাগীরথী-হুগলি গঙ্গার মূল প্রবাহপথ নয়। গঙ্গা নদীর মূল প্রবাহটি পদ্মা নামে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবাহিত। লোকবিশ্বাসে ভাগীরথী-হুগলিও গঙ্গার মূল ধারা এবং সেই অর্থে পবিত্র ও পূজ্য। পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতা এই নদীর তীরেই অবস্থিত।



বাংলার প্রাচীন সংস্কৃত গ্রন্থে ও লেখমালায় সর্বত্রই ভাগীরথীকে গঙ্গা বলা হয়েছে। ধোয়ীর পবনদূত গ্রন্থে ত্রিবেণী-সঙ্গমের ভাগীরথীকেই বলা হয়েছে গঙ্গা। লক্ষণসেনের গোবিন্দপুর পট্টোলীতে …

পূর্ণিমা রাত কবে - চাঁদ, তিথি

ভরা পূর্ণিমা রাতে আকাশের চাঁদ উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর হয়। মায়াবী তারার দল তাদের অনুপম সৌন্দর্য মেলে ধরে। এই রাতে চাঁদ-তারাদের ঝলকানিতে মানুষ বিমোহিত হয়। চন্দ্র-তারারা পূর্ণিমা রাতে পৃথিবীকে এতটাই আলোকিত করে যে মানুষের তৈরি বৈদ্যুতিক আলো সেই আলোর কাছে তুচ্ছ হয়ে নতি স্বীকার করে। এই রাতে যদি লক্ষ ওয়াটের বৈদ্যুতিক বাল্ব দিয়েও আলো জ্বালানো হয়, তবুও সেই আলো জোনাকির আলোর মতো ক্ষুদ্র হয়ে মানুষের চোখে ধরা পড়ে।

অন্যদিকে, অমাবস্যা রাতে থাকে ঘুটঘুটে অন্ধকার। এই ঘুটঘুটে অন্ধকারের মাঝে নিজের হাতের আঙ্গুলগুলোও ঠিকমতো দেখা যায় না। এই অন্ধকারের মাঝে যদি ছোট্ট একটা মোমবাতিও জ্বালানো হয়, তাহলে সেই মোমবাতির আলো বিরাট কিছু হয়ে আমাদের চোখে ধরা পড়ে। মনে হয় যেন ছোট্ট মোমবাতির আলো সমগ্র অন্ধকারকে দূরীভূত করতে সক্ষম।



একাদশী, অমাবস্যা, পূর্ণিমা তিথিতে জোয়ার ভাটার কারনে দেহে জলীয় পদার্থের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। এই সময় অন্নাদি শাকপাতা ভোজোনে শরীর অলস হয়ে পড়ে । এই সময় আহার সংযম প্রয়োজন। এই জন্য বাত রোগী অমাবস্যায়, পূর্ণিমায় নিশিপালন করেন ।



নিক্কো পার্ক - কলকাতার দর্শনীয় স্থান

ছবি
নিক্কো পার্ককে প্রায়ই পশ্চিমবঙ্গের ডিজনিল্যান্ড নামে অভিহিত করা হয়। এটির ধারণা ও উদ্দীপনার জন্যই তাকে বিশ্ব বিখ্যাত থিম পার্ক হিসাবে পরিমাপ করার বাস্তব কারণ নয়, বরঞ্চ এর অনুপ্রেরণার আরোও বড় কারণ হল উদ্যানটি তৈরি করার পিছনে চিন্তাধারা। রাজীব কৌলের মস্তিষ্কপ্রসূত নিক্কো পার্কটি গড়ে তোলার পিছনে ছিল তাঁর অনুপ্রেরণার মুহুর্ত, একবার তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডিজনিল্যান্ডের একটি সফরে গিয়েছিলেন এবং সেটির শ্রেষ্ঠ সৃজনশীল চিত্রকল্প দেখেন।

ফিরে আসার পর তিনি নিক্কো পার্ক তৈরির পরিকল্পনা করেন ও গড়ে তোলেন এবং আজকের দিনে এটি 40 একর জুড়ে বিস্তৃত এক উদ্যান এবং তার আকর্ষণ 2 কোটি 40 লক্ষেরও বেশি অতিথিদের দ্বারা পরিদর্শিত হয়েছে।

এই উদ্যানটি ভূমি, জল ও বায়ু রাইডের প্রস্তাব দেয় যা ভারতের শ্রেষ্ঠত্বের মধ্যে মর্যাদা পায়। সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সঞ্জিবনী রাইড হল ওয়্যাটার ছুট। জলের ছুট-এ স্লাইডিং-য়ের সময় আপনি আপনার চিৎকার নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না এবং পুনরায় দ্বিতীয় দফার জন্য সিঁড়িতে ওঠার অপেক্ষাও করতে পারবেন না। তারপর এখানে ট্যুইস্ট-আ্যন্ড-টার্ন রাইড রয়েছে যেখানে আপনার পুরো পরিবারকে একটি হতবুদ্ধিকর আবর্তিত গাড়ী…

গাজরের সন্দেশ রেসিপি

ছবি
রাজত্ব করে মিষ্টির দেশ, মিঠাই এর সন্দেশ! তাই হারিয়ে যান সন্দেশের স্বাদে। ছানা ও সন্দেশ দুটি খাবারই খেতে দারুণ। তবে আজ আপনাদের জন্য এলো মজাদার গাজরের সন্দেশ তৈরির সহজ রেসিপি। খুবই মজা ও খুবই আকর্ষণীয় খাবারটি তৈরি করে নিজে খান আর আপ্যায়ন করুন আর তাক লাগিয়ে দিন সবাইকে। তাছাড়া বাচ্চাদেরও খেতে দিন এই পুষ্টিগুণে ভরপুর ছানার সন্দেস। রইলো রেসিপি।

উপকরণ

গাজর-১ কেজি।
কন্ডেন্স মিল্ক-১ টিন।
দুধ-১ লিটার।
ডিম-৬ টা।
চিনি-১ টেবিল চামচ।
ঘি-১/২ কাপ।
গুড়া দুধ-১/২ কাপ।
ময়দা-১ টেবিল চামচ।
এলাচ গুড়া-১/৪ চা চামচ।

রেসিপি প্রনালি

প্রথমে গাজরকে কেটে সিদ্ব করে চটকে অথবা ব্লেন্ড করে নিতে হবে।এবার প্যানে ঘি দিয়ে গাজরের পেষ্ট দিয়ে ভুনে চিনি দিতে হবে।

১ লিটার দুধ কে জ্বাল দিয়ে আগেই ১/২ লিটার করে নিব। এবার এই দুধের সাথে ছয়টা ডিম ভাল করে মিশিয়ে নিব।এখান থেকে এক কাপ আলাদা করে সরিয়ে রেখে তার মধ্যে দুই টেবিল চামচ কন্ডেন্স মিল্ক দিয়ে রাখব। এবার বাকি দুধ ও কন্ডেন্স মিল্ক গাজরের মধ্যে দিয়ে ঘন ঘন নাড়তে থাকব।কিছুক্ষণ পর গুড়ো দুধ দিয়ে আবার ভাল করে নেড়ে যখন গাজর প্যান থেকে দলা পাকিয়ে পুরোটা উঠে আসবে তখন এলাচ গুড়া ছিটিয়ে …

ভোগের খিচুড়ি রেসিপি

ছবি
খিচুড়ি স্বাস্থ্যকর ও উপাদেয় খাদ্য। প্রোটিন এ ভরপুর, কোলেস্টেরল মুক্ত। আমাদের হাড়, ব্রেন, ত্বক ভাল রাখে । হজমের পক্ষেও উপকারী। অল্প পরিমাণে ক্যালরি থাকায় ওজন কমাতেও বেশ কার্যকরী।



উপকরণ

গোবিন্দভোগ আতপ চাল 300 গ্রাম
সোনা মুগ ডাল 250 গ্রাম
আলু মাঝারি আকারের 3 টি
গাজর 1 টি মাঝারি আকারের
বাঁধাকপি 1-2 কাপ
কাঁচালঙ্কা 5টি
ছাড়ানো মটর শুঁটি এক কাপ
আদা 2 চা চামচ
তেজপাতা, গোটা জিরে, শুকনো লঙ্কা
নুন, চিনি আন্দাজ মতো।
থেঁতো করা দারচিনি 2.5 সেমি
ছোট এলাচ 5টি
গাওয়া ঘি 2-3 টেবিল চামচ
জলের পরিমাণ 10-12 কাপ মতো।

রেসিপি প্রণালী

চাল জলে ভিজিয়ে রাখুন 1 ঘন্টা মতো । মুগ ডাল সামান্য তেলে ভেজে তুলে ধুয়ে রাখুন। পুরো জলটা গরম করে রাখুন। প্রেসার কুকারে 5 কাপ মতো জল দিয়ে ফুটে উঠলে ভেজে রাখা মুগ ডাল দিয়ে দিন। নাড়াচাড়া করে নিন। এবার ডুমো করে কাটা গাজর, আধখানা করে কাটা আলু, বাঁধাকপি কুচানো দিয়ে নেড়ে নিন। 5 মিনিট ফুটতে দিন।

এবার ভিজিয়ে রাখা চাল দিয়ে দিন। একই সঙ্গে নুন, চিনি, হলুদ, মটর শুঁটি, কাঁচালঙ্কা চেরা ও আদা বাটা দিয়ে নাড়াচাড়া করুন।এবার গরম করে রাখা বাকি জল দিয়ে দিন এবং 2 মিনিট ফুটতে দিন। এবার…

আইম্যাক্স থিয়েটার

ছবি
আইম্যাক্স থিয়েটারকে বলা হয় পৃথিবীর সবচাইতে বৃহৎ সিনেমা স্ক্রিন। পৃথিবীর ৬৯ টি দেশে এই থিয়েটার আছে মাত্র এগারোশ টি। আইম্যাক্সের স্ক্রিন এমনিতেই ছিলো একটা পাচঁতলা বিল্ডিংয়ের সমান। আইম্যাক্সে সিনেমা দেখার সর্বাধুনিক সব প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। যেমনঃ ডুয়েল প্রজেকশন, লেজার এলাইন্ড অডিও, হাইটেন্ড রিয়ালিজম, হ্যান্ড ক্রাফটেড রি-মাষ্টারিং, ইত্যাদি। এই ধরনের প্রযুক্তিগুলো সাধারনত পৃথিবীর আর কোন সিনেমা হল ব্যবহার করে না। এর একটা প্রধান কারন হলো, এগুলো অত্যন্ত ব্যয়বহুল প্রযুক্তি, অন্য সিনেমা হল এগুলো পোষাতে পারে না।

আইম্যাক্স হচ্ছে সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রজাতির এক সিনেমা-ফাইল ফরম্যাট, যেটি গতানুগতিক ৩৫ মিমি রিলের চাইতেও প্রায় তিনগুন বেশী চওড়া। অনেক সময় শুধুমাত্র আইম্যাক্স থিয়েটারে দেখানোর জন্য মুভির শুটিংয়ের সময় বিশেষভাবে আইম্যাক্সের জন্য নির্মিত ভিডিও ক্যামেরা ব্যবহৃত হয়, যার ওজন হচ্ছে প্রায় ১১৪ কেজি! আইম্যাক্স থিয়েটারে কোন খারাপ সিট নেই, এবং প্রতিটি শো এর আগে এর সাউন্ড আর প্রজেকশন কোয়ালিটি আলাদা আলাদাভাবে ম্যানুয়ালি চেক করা হয়।



আপনি যদি পৃথিবীর সবচাইতে সেরা ”সিনেমা দেখার অভিজ্ঞতা” নিতে চান, তবে আইম্…

শাহী জিলাপি বানানোর রেসিপি আর পদ্ধতি

ছবি
খালি বোতল বা কেক সাজানো পাইপিং ব্যাগ অথবা প্লাস্টিকের দুধের প্যাকেট করে জিলাপি বানাতে পারেন ৷ প্লাস্টিকের ব্যাগ বানালে প্যচ দেওয়ার সময় হাত উপর রাখলে সুন্দর প্যচ জিলাপি হবে ৷

উপকরন :

ময়দা ২ কাপ
টক দই ৫ টেবিল চামচ
ইস্ট দেড় চা চামচ
কর্নফ্লাওয়ার ৪ টেবিল চামচ
চিনি ১ চা চামচ
লবন ১ চা চামচ (হাফ)
তেল ৪ টেবিল চামচ
২ কাপ পানি হালকা গরম
তেল ৩ কাপ ভাজার জন্য

সিরা জন্য

৩ কাপ পানি
৩ কাপ চিনি
১ টেবিল চামচ ঘি
১ চা চামচ গোলাপজল
৩ এলাচি
লেবুর রস একটু

ময়দা সাথে কর্নফ্লাওয়ার, চিনি, তেল, লবন, দই, ইস্ট মিশিয়ে নিয়ে পানি দিয়ে খামির করে নিন ৷ খামির হাত দিয়ে তুললে আঙুল বেয়ে তারের মতো পড়ে বুঝতে হবে খামির ঠিক আছে ৷ ১ ঘন্টা ঢেকে রাখতে হবে ৷

সিরা উপকরন সব উপকরন হাড়িতে নিয়ে ঝ্বাল দিয়ে সিরা করে নিতে হবে ৷ সিরা ৬/৭ ফুটে উঠলে চুলা বন্ধ করে দিতে হবে ৷ সিরা বেশি ঝ্বাল দিলে জমে যাবে

কড়াইতে ডুবো তেল দিয়ে চুলার আচঁ একদম কমায় দিয়ে এবং তেল অনেক গরম হওয়ার আগেই প্রথমে একবার হাত ঘুরিয়ে গোল করে খামির তেলে ফেলুন ,খামির চারপাশে লাগিয়ে আর একবার ঘুরান,তৃতীয়বারে জিলাপীর মাঝখানে খামির দিয়ে হাত সামনের দিকে নিয়ে আসে উঠিয়ে…