পোস্টগুলি

April, 2015 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

কালীঘাট কালী মন্দির

ছবি
কালীঘাট মন্দির কলকাতার একটি প্রসিদ্ধ কালীমন্দির এবং একান্ন শক্তিপীঠের অন্যতমহিন্দু তীর্থক্ষেত্র। এই তীর্থের পীঠদেবীদক্ষিণাকালী এবং ভৈরব বা পীঠরক্ষক দেবতানকুলেশ্বর। পৌরাণিক কিংবদন্তি অনুসারে, সতীর দেহত্যাগের পর তাঁর ডান পায়ের চারটি (মতান্তরে একটি) আঙুল এই তীর্থে পতিত হয়েছিল। কালীঘাট একটি বহু প্রাচীন কালীক্ষেত্র। কোনো কোনো গবেষক মনে করেন, কালীক্ষেত্র বা কালীঘাট কথাটি কলকাতা নামটির উদ্ভব।

জনশ্রুতি, ব্রহ্মানন্দ গিরি ও আত্মারাম ব্রহ্মচারী নামে দুই সন্ন্যাসী কষ্টিপাথরের একটি শিলাখণ্ডে দেবীর রূপদান করেন। ১৮০৯ সালে বড়িশার সাবর্ণজমিদার শিবদাস চৌধুরী, তাঁর পুত্র রামলাল ও ভ্রাতুষ্পুত্র লক্ষ্মীকান্তের উদ্যোগে আদিগঙ্গারতীরে বর্তমান মন্দিরটি নির্মিত হয়েছে। পরবর্তীকালে মন্দিরের কিছু পোড়ামাটির কাজ নষ্ট হয়ে গেলে সন্তোষ রায়চৌধুরী সেগুলি সংস্কার করেন।বর্তমান এই মন্দিরটি নব্বই ফুট উঁচু।

এটি নির্মান করতে আট বছর সময় লেগেছিল এবং খরচ হয়েছিল ৩০,০০০ টাকা।মন্দির সংলগ্ন জমিটির মোট আয়তন ১ বিঘে ১১ কাঠা ৩ ছটাক; বঙ্গীয় আটচালা স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত মূল মন্দিরটির আয়তন অবশ্য মাত্র ৮ কাঠা।মূল মন্দির সংলগ্…

ছুটিতে বকখালি

ছবি
বকখালি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার কাকদ্বীপ মহকুমার অন্তর্গত একটি পর্যটন কেন্দ্র ৷ বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী এখানকার সমুদ্র সৈকত বিখ্যাত ৷ এখানে আছে ম্যানগ্রোভ বন এবং উন্মুক্ত চিড়িয়াখানা। স্বাধীনতার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকার এটিকে পর্যটন কেন্দ্র হিসাবে গড়ে তোলেন ৷ কলকাতার সঙ্গে বকখালি সড়কপথে যুক্ত ৷ কলকাতা থেকে ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়ক পথে বা রেলপথে নামখানা পযর্ন্ত গিয়ে সেখান থেকে অথবা কলকাতা থেকে সরাসরি বাসযোগে বকখালি যাওয়া যায়। যাওয়ার পথে হাতানিয়া-দোয়ানিয়া নদী পড়ে।

এই নদীর ওপর ৮০ মিটার দীর্ঘ সেতু তৈরী হচ্ছে। এখানে পর্যটকদের জন্য হোটেল আছে। বকখালি থেকে জম্বুদ্বীপ ঘুরতে যেতে পারেন। জম্বুদ্বীপ যাওয়াটা একটু ঝুঁকিপূর্ণ হলেও রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা। বঙ্গোপসাগরের মধ্যে একটি দ্বীপের নাম জম্বুদ্বীপ। বকখালি থেকে কিছুটা দূরে ফ্রেজারগঞ্জ থেকে জম্বুদ্বীপ যাওয়ার ভুটভুটি ছাড়ে। কমবেশি ১৫জন নিয়ে নৌকা ছাড়ে। ভাড়া ১৩০০ টাকা মতো। একটু বড় নৌকা হলে ১৬০০ টাকা ভাড়া। হাজার তিনেক টাকায় ছোট লঞ্চ ভাড়া পাওয়া যায়। কিন্তু সমুদ্রের মধ্যে দিয়ে ছোট ভুটভুটিতে যাওয়াটা কিছুটা ঝুঁকির। আর ১০-১৫জন না হ…

সায়েন্স সিটি

১৯৯৭ সালের ১জুলাই ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দের কুমার গুজরাল ‘সায়েন্স সিটি’-এর উদ্বোধন করেন। ৫,৪০০বর্গমিটার এলাকা জুড়ে স্থাপিত স্পেস থিয়েটার মিলনায়তনে ১৫০টি স্পেশাল ইফেক্ট প্রজেক্টরের মাধ্যমে ৪০ মিনিট ধরে ‘জীবনের বিবর্তন’ দেখানো হয়। এতে সৃষ্ঠির রহস্য জানার সুযোগ অবারিত হয়। বর্ণনার হিন্দি ধারাভাষ্য বেশ উপভোগ্য ।

৩-ডি ভিশন থিয়েটার এ ৩০ মিনিট ব্যাপী প্রাচীন মিশরের জীবনধারা, মমি, পিরামিড ইত্যাদির মুভি দেখানো হয়। ইংরেজী ভাষায় প্রচারিত ধারাভাষ্য অনেকের কাছে বোধগম্য হয় না। হিন্দি ভাষায় ডাবিং করলে সবাই উপকৃত হতে পারতো। আলোর রশ্মিকে প্রতিবিম্বিত করে কাঁচের ম্যাজিকের প্রদর্শনী রয়েছে ৩৫টি। বিস্তৃত সবুজ পার্ক সহজে মনকে সতেজ করে তুলে। প্রবেশ, ইভেন্ট ও প্রতিটি রাইডের জন্য রয়েছে পৃথক টিকিটের ব্যবস্থা। এক কথায় কলকাতা সায়েন্স সিটি অপূর্ব, শিক্ষণীয় ও মনোমুগ্ধকর।

সায়েন্স সিটি, কলকাতা, বিজ্ঞান জাদুঘর জাতীয় কাউন্সিল, সংস্কৃতি, সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বশাসিত সংস্থা একটি ইউনিট. ভারত ও ভারতের বৃহত্তম বিজ্ঞান কেন্দ্র, প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ের দ্বারা একটিবারের মূলধন অনুদান সঙ্গে উন্নত ছিল. সায…