পোস্টগুলি

January, 2015 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

কালাকান্দ মিস্টি রেসিপি

ছবি
খুব ঝটপট আর সহজেই এই কালাকান্দ মিস্টি বাসায় তৈরি করতে খুব ইজি একটা রেসিপি শেয়ার করেসি । আসা করসি ভালো লাগবে ।

উপকরণ

ছানা
কন্দেন্সেদ মিল্ক সাধ অনুযায়ী
এলাচ গুড়ো
বাদাম
ঘি

ছানা তৈরির জন্য লাগবে

৪ কাপ দুধ
২ টেবিল চামচ লেবুর রস

আরও লাগবে ছানা ছাকার জন্য কাপড়

প্রণালী

ছানা তৈরি

দুধ একটি বড় পাতিলে গরম করতে থাকুন যখন দুধ উৎরিয়ে আসবে দুধে লেবুর রস দিয়ে দিন নাড়তে থাকুন যখন দুধ থেকে ছানা আর পানি আলাদা হয়ে যাবে তখন ছানার কাপড়ে ঢেলে পানি ছেঁকে ভালো করে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুতে থাকুন যতক্ষণ না লেবুর গন্ধ একেবারে চলে যায়। কাপড় চিপে চিপে ছানার পানি গূলো ঝরিয়ে ফেলুন খূব ভালো করে যাতে পানি না থাকে ছানায়। অথবা ছানার কাপড়টি বেধে কথাও ঝুলিয়ে রাখুন ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা। ছানা তৈরি মিষ্টি বানানোর জন্য।

ছানা তৈরী করে একটা ননস্টিক করাই চুলার উপর দিন, গরম হলে কন্দেন্সেদ মিল্ক আর ছানা দিয়ে নাড়তে থাকুন তারপর ইচ্ছা হলে চিনি ও দিতে পারেন যেহেতু এইখানে কন্দেন্সেদ মিল্ক দেয়া হয়েছে তাই চিনির পরিমান কম অথবা না দিলেও চলবে।

এরপর চুলার আচ কমিয়ে ঘী আর এলাচ গুড়া দিয়ে নাড়তে থাকুন, যখন কালাকান্দ মিশ্রণটি রান্না হতে থাকবে দেখবেন…

বিড়লা তারামন্ডল

ছবি
বিড়লা তারামন্ডল হল এশিয়ার সবচেয়ে বৃহত্তম তারামন্ডল। বিস্ময়কর স্থাপত্যের মহীয়ান পসরা সাজিয়ে কলকাতা তার বাস্তবিক সত্ত্বায় বিকশিত হয়েছে – তাজমহলের ন্যায় দেখতে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল, কুতুব মিনারকে স্মরণ করিয়ে দেওয়া শহীদ মিনার এবং তারপর হচ্ছে বিড়লা প্ন্যানেটেরিয়াম। বিড়লা তারামণ্ডল, ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের সাঁচী বৌদ্ধস্তূপ ও টাস্কান স্থাপত্যের একটি মিশ্রণের মতো দেখায়।

বহু দূর থেকে দৃশ্যমান সূ্র্যের আলোয় আলোকিত নিরাভরণ সাদা গম্বুজটি, সাঁচী বৌদ্ধস্তূপের গম্বুজের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। তারামণ্ডলের পরিধি জুড়ে আবন্টিত শক্তিশালী স্তম্ভগুলি একটি ক্ষুদ্র কলোসিয়ামের কথা আপনাকে স্মরণ করিয়ে দেয়। এম.পি.বিড়লা প্ন্যানেটেরিয়াম নামটি, তারামন্ডলের মেটোপের উপর তিনটি ভাষায় লেখা রয়েছে - গৃহীত আন্তর্জাতিক ভাষা ইংরাজী, রাজ্যিক ভাষা বাংলা এবং রাষ্ট্রীয় ভাষা হিন্দি।

বিড়লা শিক্ষা ট্রাস্টের পৃষ্ঠপোষকতায় বিড়লা তারামণ্ডল, 2-রা জুলাই, 1963 সালে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হয়। প্রথম ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু উদ্বোধনী বক্তব্য প্রদান করেছিলেন।



কলকাতার বিড়লা তারামন্ডল হল এশিয়ার সবচেয়ে বৃহত্তম এবং…

Nandan Kolkata

ছবি
Nandan, the West Bengal Film Centre, a center devoted entirely to the cinema and one of the main symbols of the city's culture and Bengalis, was baptized, inaugurated in 1985 and chaired by the director most celebrated in the history of Indian cinema, Satyajit Ray and now, therefore, will be under the direction of his son, Sandip Ray, himself a director.

বাঙালির চা পান

ছবি
বৌদ্ধ পুরাণে কথিত আছে, একদা গৌতম বুদ্ধ মঠে বসে ধ্যান করছিলেন কিন্তু ধ্যানে পূর্ণ মনোসংযোগ স্থাপন কিছুতেই সম্ভব হচ্ছিলো না। বারবার চোখ বুজে আসছিল, ঘুমে ঢুলে পড়ছিলেন তিনি। অগত্যা আর যাতে কখনোই চোখ বুজে না আসে সে জন্য নিজের চোখজোড়ার পাতা স্বহস্তে ছিঁড়ে নিয়ে মাটিতে নিক্ষেপ করেন তিনি। চোখের পাতা দুটি যেখানে পড়েছিল, সেখান থেকেই নাকি তখন পৃথিবীতে প্রথমবারের মতো জন্ম নেয় একটি চা গাছ, যার পাতা চিবিয়ে বা পানিতে ভিজিয়ে খেলে চোখ থেকে ঘুম ঘুম ভাব দূর হবেই!

এ তো গেল প্রাচীন পুরাণের কথা, চায়ের উৎপত্তিস্থল যে চিন দেশ

আমরা তো ছোটবেলায় ব্যাকরণ বইতেও বারবার করে পড়েছি: চা শব্দটি চৈনিক, চিনদেশ হতে আগত, সেখানকার আদ্যিকালের কিংবদন্তী-কাহিনি থেকে জানা যায়, খ্রিষ্টপূর্ব ২৭৩৭ সালে চিনের মহামহিম দিগ্বিজয়ী সম্রাট শেন্ নাং এই বলে এক বিচিত্র আইন জারি করেছিলেন যে সবাইকে জল পান করার আগে তা অবশ্যই ঠিকমতো ফুটিয়ে নিতে হবে।

তো একদিন সম্রাটের খাওয়ার জন্য জল পাত্রে ফোটাতে দেওয়া হয়েছে, কোত্থকে যেন কিছু চা বৃক্ষের পাতা উড়ে এসে তাতে পড়লো। ব্যাস, জলের রঙ পাল্টে গিয়ে এমন এক পানীয় তৈরি হলো যা তখনকার দিনে ছিল অভূতপূর্ব। আর এরপরে…

ট্রিনকা

ছবি
ফ্লুরি সাহেবদের একজন কর্মচারি ছিল ট্রিনকা নামে। কিছুদিন পর দেখা গেল মি ট্রিনকা উধাও। তার সাথে মিসেস ফ্লুরিও। মিস্টার ফ্লুরি যারপরনাই দুখিত হলেন। কিছুদিন পরে ফ্লুরিসের উলটা দিকে নতুন আরেকটি বেকারি শপ খুলল। নাম- ট্রিনকাস। ফ্রন্ট ডেস্ক-এ বসছেন সাবেক মিসেস ফ্লুরি তথা বর্তমান মিসেস ট্রিনকা। এখনো ট্রিনকাস বহাল তবিয়তে আছে।

কলকাতার মিউজিক রেস্তরাগুলোর মধ্যে ট্রিনকার ঐতিহ্যই সবচেয়ে বেশি। কলকাতার রক-পপ শিল্পের সুতিকাগার এই ট্রিনকাস। বলা হয়ে থাকে যে ট্রিনকাতে না গেয়ে কেউ রক-পপ জগতে কিছু করতে পারে না। ৬০ এর দশকে ট্রিনকা ছিল মিজিশিয়ানদের মক্কা শধু কলকাতায়ই নয়, পুরো ভারতবর্ষে। অঞ্জন দত্ত থেকে ঊষা উথথুপ – অনেকেই ট্রিনকাতে গেয়েছেন- বড় শিল্পী হয়েছেন।


পাটিসাপটা পিঠার রেসিপি

ছবি
নরম আর মিষ্টি মিষ্টি স্বাদের পাটিসাপ্টা খেতে ভালো লাগে না এমন মানুষ কম ই আছে। শীত তো এসে গেলো সকালে খেজুরেরগুড়ের ভাপা পিঠার মৌ নৌ গনধযেন স্বর্গীয় অনুভূতি

উপকরণঃ

ময়দা ২ কাপ
গুড়াদুধ ১ কাপ
চিনি ১ কাপ
সুজি ১ কাপ
পানি পরিমান মত
ঘি পরিমান মত

প্রস্তুত প্রণালীঃ

ক্ষিরসা তৈরীঃ

পানি, চিনি,গুড়ো দুধ, সুজি

প্রথমে পানি দিয়ে দুধ দিয়ে গুলে নিয়ে তারপর ১টেঃ চামচ সুজি দিয়ে চুলায়বসিয়ে দিয়ে তারপর চিনি দিতে হবে পানি ছেড়ে দিবে তারপর আস্তে আস্তে ঘন হয়ে ক্ষিরসা তৈরী হবে

প্যানকেক তৈরীঃ

১/২ কাপগুড়ো দুধ, ১/২ কাপসুজি,সোয়া কাপ পানি, এভাবে গুলিয়ে আধাঘন্টা রেখে দিতে হবে, এখন এটার সাথে ১/ ২ কাপ ময়দা এবং ১/8 কাপ চিনি মিশাতে হবে এবং ভালভাবে মিশতে হবে, এবার নন স্টিক প্যানে গোলা দিয়ে প্যানকেক এর মতো বানিয়ে তার মাঝামাঝি ক্ষিরসা দিয়ে ভাজ করে নিলেই হয়ে যাবে মজাদার পাটিসাপটা

পিঠা টিপ্‌সঃ

১। ময়দা বেশী হলে পিঠা নরম হবে।
২। চালের গুড়ো বেশী হলে পিঠা ভেঙ্গে যাবে।
৩। তেল বেশী হলে গোলা পেনে ভালোভাবে বসবেনা।
৪। গোলা কমপক্ষে এক ঘন্টা ভিজিয়ে নিলে ভালো হয়।
৫। পাতলা পরিষ্কার কাপড় দিয়েও তেল লাগানো যায়, তবে নতু…

বিড়লা মন্দির

ছবি
পুরো ভারত জুড়ে ছড়িয়ে থাকা বিড়লা মন্দিরগুলোর একটি কলকাতা বিড়লা মন্দির। আরেক নাম লক্ষ্মী-নারায়ণ মন্দির । ভারতের বিখ্যাত বিড়লা গ্রুপ অব ইণ্ডাসট্রিস এই মন্দির নির্মাণ করে। আগাগোড়া শুভ্র মার্বেলে গড়া মন্দিরটি একটি বিখ্যাত ব্যবসায়ী গঙ্গা প্রসাদ বিড়লা এবং তার স্ত্রী নির্মলা বিড়লা দ্বারা নির্মিত হয়েছিল, এই মন্দির বিড়লা মন্দির বলা হয় এই কারণএ।

এখানে তিন গম্বুজের তলায় তিন ভিন্ন উপাসনালয় । এটা শুধু নামেই মন্দির। আসলে এখানে তিনটি ভিন্ন ধর্মের উপাসনালয় আছে। অসম্ভব সুন্দর এই উপাসনালয়টি । শ্বেতপাথর কুঁদে নানা পৌরাণিক কাহিনী,ধর্ম গ্রন্থের শ্লোক তুলে ধরা হয়েছে। আছে রং বেরঙের কাঁচের জানালা ।এক একটি জানালায় এক একটি গল্পের অংশ ।শুধু দেবদেবী না,সক্রেটিস-কনফুসিয়াস-বুদ্ধ সহ আরও অনেকেই আছেন পাথরের ভাস্কর্য হয়ে ।



1978 সালে এই বিশাল গঠনের জন্য ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এই মন্দির পালনকর্তা বিষ্ণু ও লক্ষ্মী নিবেদিত। এটা কলকাতার জনপ্রিয় স্থাপত্য । বিড়লা মন্দির পুরপুরি সাদা মার্বেল দিয়ে তৈরি। প্রবেশদ্বার ডান দিকে সুন্দর ছবি দেখা যাবে। এই মন্দির তিনটি গম্বুজ । জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে এই মন…

জেনারেল পোস্ট অফিস, কলকাতা

ছবি
জেনারেল পোস্ট অফিস, কলকাতা ১৮৬৮ সালে পুরনো ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গের একাংশে এই ডাকঘরটি স্থাপিত হয়। পূর্বে পুরনো কেল্লার অবস্থান নির্দেশ করে এখানে একটি পিতলের পাত বসানো থাকত। স্থপতি ওয়ালটার বি. গ্রেনভিলের নকশা অনুযায়ী ম্যাকিনটশ বার্ন এই ভবনটি নির্মাণ করে। বর্তমানে এখানে একটি ডাক সংগ্রহশালা,ডাকটিকিট সংগ্রহের লাইব্রেরি ও সুকান্ত ভট্টাচার্যের কবিতা অবলম্বনে নির্মিত একটি "রানার" ভাস্কর্য আছে।



কনকচাঁপা ফুল

ছবি
বসন্তে ফোটা নানান রঙের ফুলের মধ্যে কনকচাঁপা অন্যতম। বসন্তে ফোটার পর ফুল থাকে গ্রীষ্মের শেষাবধি। জানামতে ঢাকায় দুটি মাত্র কনকচাঁপা গাছ আছে। একটি বাংলাদেশ শিশু একাডেমীর বাগানে, অপরটি রমনা পার্কে। রমনার উত্তরায়ণ গেট থেকে ঢুকে দক্ষিণ দিকে আসতে রমনার সবচেয়ে বড় পলাশগাছটির পূর্ব পাশে আছে গাছটি।

কনকচাঁপার ইংরেজি নাম গোল্ডেন চাম্পাক। সাধারণত ঘন গুল্মের জঙ্গল ও পত্রঝরা বনে জন্মে। একসময় সিলেট ও চট্টগ্রামের বনে অধিক দেখা যেত। এখন দুষ্প্রাপ্য হয়ে গেছে। বাংলাদেশ বাদে মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা ও দক্ষিণ ভারতের প্রাকৃতিক বনে জন্মে। কনকচাঁপা ছোট গাছ, চার থেকে সাত মিটার উঁচু, তবে এক মিটার উঁচু গাছেও ফুল ধরে। পত্রমোচী বৃক্ষ, শীতের সময় গাছের সব পাতা ঝরে পড়ে তরুতলে। কনকচাঁপার পাতা ডিম্বাকার, অখণ্ড, বোঁটা খাটো এবং আগা চোখা।



বসন্তের মাঝামাঝি সময়ে তামাটে রঙের নতুন কচি পাতার সঙ্গে উজ্জ্বল হলুদ বর্ণের ফুল আসে। ফুল সুগন্ধি। ফুল ফোটা শুরু হলে ধীরে ধীরে ছোট ছোট থোকায় পুরো গাছ ভরে যায়। ফুল তিন-চার সেন্টিমিটার চওড়া, পাপড়ি ১২টি, মুক্ত, বৃত্তাংশের সমান লম্বা। পুংকেশর বহু, সোনালি। ফল ০.৫ সেমি চওড়া ও গোলাক…