পোস্টগুলি

August, 2015 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

মিশনারিজ অফ চ্যারিটি

ছবি
১২ বছর বয়সেই মাদার তেরেসা ধর্মীয় জীবন যাপনের সিদ্ধান্ত নেন। ১৯২৮ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর ১৮ বছর বয়সে তিনি গৃহত্যাগ করে একজন মিশনারি হিসেবে সিস্টার্স অফ লোরেটো সংস্থায় যোগ দেন। ১৯৫০ সালে কলকাতায় তিনি মিশনারিজ অফ চ্যারিটি নামে একটি সেবাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। ধীরে ধীরে তার কার্যক্রম বাড়তে লাগল। কলকাতা শহরেই প্রতিষ্ঠিত হলো আরও বেশ কয়েকটি সেবাশ্রম। জগদীশচন্দ্র বসু রোডে স্থাপিত হলো অনাথ শিশুদের জন্য সেবাশ্রম নির্মলা শিশুভবন। কলকাতার এই জগদীশচন্দ্র বসু রোডেই অবস্থিত তেরেসার মিশনারিজ অব চ্যারিটির প্রধান কার্যালয়।

সুদীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে তিনি দরিদ্র, অসুস্থ, অনাথ ও মৃত্যুপথযাত্রী মানুষের সেবা করেছেন। সেই সঙ্গে মিশনারিজ অফ চ্যারিটির বিকাশ ও উন্নয়নেও অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। প্রথমে ভারতে ও পরে সমগ্র বিশ্বে তাঁর এই মিশনারি কার্যক্রম ছড়িয়ে পড়ে।

১৯৫২ সালে এই চ্যারিটির অধীনেই গড়ে উঠে ‘নির্মল হৃদয়’, কুষ্ঠ রোগীদের জন্য ‘শান্তি নগর’। ১৯৫৫ সালে স্থাপন মাদার তেরেসা স্থাপন করেন ‘নির্মল শিশুভবন’। ১৯৬৩ সালে গড়ে তোলা হয় ‘মিশনারিজ অব চ্যারিটি’-এর ব্রাদার শাখা। মাত্র ১২ জন সদস্য নিয়ে যে চ্যারিটির যাত্রা শুরু …

কলকাতা বন্দর

ছবি
কলকাতা দেশের প্রাচীনতম প্রধান বন্দর. কিন্তু বর্তমানে দিন কলকাতা বন্দরের নিউক্লিয়াস মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব পূর্ব ভারতীয় ব্রিটিশ সেটেলমেন্ট ট্রেডিং অধিকার মঞ্জুরের সঙ্গে অনেক আগেই এই ব্যবস্থার সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ. কলকাতা শহরের, পোর্ট সঙ্গে একটি অতিক্রিয়া লিংকেজ হয়েছে. 1690 সালে ব্রিটিশ বর্তমান দিনের কলকাতার অদূরেই হুগলি নদী নাগালের মধ্যে প্রথমবারের মত প্রভুভক্ত. শহর পরবর্তীকালে ব্রিটিশ ভারতে প্রধানমন্ত্রী বন্দর হয়ে গেল.

কালক্রমে এই সুবিশাল দেশের ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি থেকে ব্রিটিশ পাস শাসন করার ক্ষমতা. বন্দরের বিষয়ক ১৮৭০ সালে পোর্ট কমিশন নিয়োগের সঙ্গে সরকারের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে আনা হয়.



বন্দর কলকাতা বন্দর আইনের অধীনে ১৭ অক্টোবর ১৮৭০ কমিশন লাভ করেন. ১৮৮৬ সালে একটি পৃথক তেল ঘাটা বজবজ স্থাপন করা হয়. খিদিরপুর এ আবদ্ধ করা ডক ১৯২৫ চার নদীর জেটি সালে ১৮৯৩ সালে কর্মক্ষম হয়ে ওঠে এবং একটি কয়লা বোঝাই জেটি গার্ডেনরিচ এ নির্মাণ করা হয়. ১৯২৮ দ্বিতীয় ডক ব্যবস্থায়, কিং জর্জ ডক এখন নেতাজি সুভাষ ডক নামে পরিচিত একই এলাকায় এসেছেন.

কলকাতা বন্দর প্রাথমিকভাবে প্রচার এবং ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক স্বার…

কলকাতা পৌরসংস্থা

ছবি
একটি রাজকীয় সনদের মাধ্যমে একজন মেয়র ও নয়জন অল্ডারম্যানকে নিয়ে ১৭২৬-এর ৪-ঠা সেপ্টেম্বর প্রথম পৌর নিগম গড়ে ওঠে। অবশ্য প্রাথমিকভাবে এই নিগমের প্রধান কাজ ছিল মেয়রের আদালত হিসেবে আইন সংক্রান্ত কাজকর্ম সম্পাদন। তখনও কিছু জমিদারের হাতেই কোলকাতার প্রশাসনভার ন্যস্ত ছিল এবং তাকে সহায়তা করার জন্য ছিলেন একজন কৃষ্ণবর্ণ জমিদার। ক্রমবর্ধমান চাহিদার সাথে সঙ্গতি রাখার উদ্দেশ্যে ১৭৬৩-তে আরেকটি রাজকীয় সনদের দ্বারা এই নাগরিক সংস্থাটির ক্ষমতা ও দায়িত্ব পূনঃনির্ধারিত হয়।

দীপ প্রজ্বালন ও পরিবেশ সংরক্ষণ, নিষ্কাশন পরিষেবার সম্প্রসারণ, সড়ক, পয়ঃপ্রণালী নির্মাণ এবং পানীয় জল সরবরাহের জন্য দীঘি খনন ইত্যাদি শহর-পরিসর বৃদ্ধির প্রত্যক্ষ ফল। ১৭৫৭ থেকে ১৮০০-র মধ্যে ময়দান পরিষ্করণ, বর্তমান অবস্থানে ফোর্ট উইলিয়াম নির্মাণ ও চৌরঙ্গীতে ইউরোপীয়দের বাসস্থান সম্প্রসারণ-এর মতো কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ হয়েছিল।

১৭৯৭ সালে সনদের অধীনে নগরের পরিচালন ব্যবস্থা ‘জাস্টিস অব পীস'-এর হাতে ন্যস্ত করা হয়। ১৭৯৪ থেকে ১৮৭৬ পর্বে এই জাস্টিস-দের চেয়ারম্যান পৌরসভার কর নির্ধারণ বিভাগ, কার্যনির্বাহী বিভাগ ও বিচার বিভাগ সংক্রান্ত দপ্তর- এর মুখ্য ক…

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়

বিশ্বের নামকরা প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্টদের অনেকেই পড়েছেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিশ্বনেতাদের মধ্যে বিল ক্লিনটন, ডেভিড ক্যামেরুন, মনমোহন সিং, বেনজির ভুট্টো, ইমরান খান, অং সান সু চিসহ ৩০ জন এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি নিয়েছেন। ব্রিটেনে ২০১০ সালে হাউস অব লর্ডসের ১৪০ জন সদস্য এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। এখানকার শিক্ষার্থীদের মধ্যে এখনও পর্যন্ত নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ৪৭ জন।

হ্যাঁ পাঠক অবশ্যই বুঝতে কষ্ট হচ্ছেনা, বলছি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সঠিক তারিখ জানা যায়নি। তবে অনুমান করা হয় ১১ শতাব্দীর প্রথম থেকেই অক্সফোর্ডে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব ছিল। তবে ১১৬৭ সালে রাজা ২য় হেনরি ইংরেজ ছাত্রদের প্যারিস বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। ফলে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করে।

প্রথমদিকে ভাড়া করা হল অথবা চার্চে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস নেয়া হত। সে সময় বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মতত্ত্ব, আইন, চিকিৎসাবিজ্ঞান ও দর্শন বিভাগ ছিল। ১৩৫৫ সালে রাজার এক আদেশবলে বিশ্ববিদ্যালয়কে অক্সফোর্ড শহরে স্থান দেওয়া হয়। ১৯শ শতাব্দীতে বিশ্বব…

Kolkata Bus Service

ছবি
Kolkata Buses are run by Calcutta State Transport Corporation that manages bus services in Greater Kolkata. Most services are operated by private companies, although this is not well known to the passengers as the bus carrying the same colors and logo of public transport in Kolkata.

চৌরঙ্গী রোড

ছবি
এখন যে চৌরঙ্গী রোড কলিকাতা নগরীর মুকুটমণি, আগে তাহা বনজঙ্গল সমাচ্ছন্ন একখানি ক্ষুদ্র গ্রাম ছিল। এই গ্রাম ও তাহার আশেপাশের স্থান গুলি গভীর জঙ্গলপূর্ণ ছিল। দিনের বেলায় লোকে সাহস করিয়া গোবিন্দপুর বা সুতালুট যাইতে পারিত বটে, কিন্তু সন্ধ্যার পর বাঘের ভয়ে, বা গভীর রাত্রে ডাকাতের ভয়ে কেহই চৌরঙ্গীর এ জঙ্গল পার হইত না। জঙ্গলগিরি চৌরঙ্গী নামক এক সন্ন্যাসী এই জঙ্গলে বাস করিতেন।

তাহার নাম হইতেই এই ক্ষুদ্র গ্রামের নাম চৌরঙ্গী হইয়াছিল। জঙ্গল গিরি সম্বন্ধে আমরা ইতি পূৰ্ব্বে অনেক কথা বলিয়াছি। চৌরঙ্গী একটা গ্রামের বা স্থানের নাম। এই গ্রামের নাম হইতেই রাস্তার নামকরণ হইয়াছে। ১৭১৪ খৃঃ অব্দেও চৌরঙ্গীর নাম শোনা যায়। হলওয়েল সাহেবও চৌরঙ্গীর রাস্তাকে কালীঘাটের রাস্তা বলিয়া উল্লেখ করিয়া গিয়াছেন।



আজ কাল যাহা বেণ্টিঙ্ক ষ্ট্রীট ও সেই বেণ্টিঙ্ক ষ্ট্রীট যেখানে ধৰ্ম্মতলায় মিশিয়াছে, তাহা ইংরাজদের কলিকাতার আগমনের বহুপূৰ্ব্ব হইতেই একটা সরু রাস্ত ছিল। এই সরু রাস্তার দুই ধারে গভীর জঙ্গল। এই জঙ্গল মধ্যবর্তী পথ দিয়াই, যাত্রীগণ চিত্রেখরীর মন্দির হইতে কালীঘাটে যাইত। পুরাতন ম্যাপ, সমূহে চৌরঙ্গ একটা স্থানের না…

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় শহর লন্ডন

ছবি
লন্ডন যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম শহর।এটি ইংল্যান্ডের টেম্‌স্‌ নদীর তীরে অবস্থিত। প্রায় ৭০ লক্ষ লকের বসতি এই লন্ডন সপ্তদশ শতক থেকেই ইউরোপে তার প্রথম স্থান বজায় রেখে আসছে। ঊনবিংশ শতাব্দীতে এটিই ছিল বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শহর। কারণ তখন বিশ্বের উল্লেখযোগ্য সকল স্থানই ছিল ব্রিটিশ রাজত্বের অধীন আর লন্ডন ছিল সেই রাজত্বের রাজকীয় ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র। বর্তমান যুগেও লন্ডন পৃথিবীর অন্যতম প্রধান অর্থ-বাণিজ্য ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকে।

লন্ডনের দুটি দূরবর্তী বিন্দুর মধ্যবর্তী সর্বোচ্চ দূরত্ব প্রায় ৩০ মাইল। এর আয়তন ১৬১০ বর্গ কিমি। এই সুবৃহৎ শহরাঞ্চলটি ৩৩টি রাজনৈতিক এককে বিভক্ত। কেন্দ্রে অবস্থিত সিটি অফ লন্ডন ছাড়াও রয়েছে অধীনস্থ ৩২টি বরো। কেন্দ্রীয় অঞ্চলটিকে মধ্য লন্ডন নামে ডাকা হয় যার বেশির ভাগ অঞ্চলই টেম্‌স নদীর উত্তরে একটি মৃদুমন্দ ঢালু এলাকায় অবস্থিত।

এই ঢালুটি আবার আরও উত্তর দিকে গিয়ে উঠতে শুরু করেছে। ৩৩টি রাজনৈতিক এককের মধ্যে ১২টিই এই মধ্যভাগে অবস্থিত যার মধ্যে রয়েছে সিটি অফ লন্ডন, সিটি অফ ওয়েস্টমিন্‌স্টার এবং পশ্চিম প্রান্তের জেলাসমূহ…

দ্য গ্র্যান্ড হোটেল

গ্র্যান্ড হোটেল যেটি এখন ওবেরয় গ্র্যান্ড নামে পরিচিত, সেটি কলকাতার একদম বুকে জওহরলাল নেহেরু রোডের ওপর অবস্থিত, আগে যার নাম ছিল চৌরঙ্গী রোড। এটি ব্রিটিশ যুগের একটি মার্জিত ভবন এবং কলকাতায় একটি বিখ্যাত বিল্ডিং। এই হোটেলের মালিক হলেন ওবেরয় হোটেলস এন্ড রিসর্টস।

হোটেল টি এখন যেই সাইট এ দাঁড়িয়ে আছে, সেটা উনিশ শতকের প্রথম দিকে একজন কর্নেল গ্র্যান্ড সাহেব এর ব্যক্তিগত বসবাস হিসাবে ১৩ নং চৌরঙ্গী রোড এ তৈরী করা হয়েছিল| ঘর টি পরে মিসেস অ্যানি মংক এর দ্বারা একটি বোর্ডিং বাড়িতে রূপান্তরিত হয় যিনি, পরে তার ব্যবসা প্রসারিত করার জন্য ১৪, ১৫ এবং ১৭ নাম্বার কে এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন|

১৬ নম্বর চৌরঙ্গী একটি থিয়েটার এর দখলে ছিল যার মালিক এবং পরিচালক ছিলেন এরাথুন স্টিফেন নামক এসফাহন থেকে আসা একজন আর্মেনিয়ান| ১৯১১ সালে যখন সেই থিয়েটার পুড়ে যায়, তখন এটা স্টিফেন কেনা এবং সময়ের সাথে, এই সাইট টাকে পুনর্নির্মাণ করে এখনকার আধুনিক হোটেল এর মত করে তোলে| একটি অসংযত নব্যধ্রুপদী ধরনে নির্মিত এই হোটেল টি শীঘ্রই কলকাতার ইংরেজ জনসংখ্যার মধ্যে একটি জনপ্রিয় স্পট হয়ে ওঠে|



এটা পরিচিত ছিল, বিশেষ করে ত…

ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল ইতিহাস

ছবি
কলকাতায় গেছেন অথচ ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হল দেখেননি এমন লোক খুব কমই আছেন। যেসব স্থাপনা ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের চিহ্ন বয়ে বেড়াচ্ছে তার মধ্যে কলকাতার ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল অন্যতম। এটি ভারতের অন্যতম ঐতিহ্য, যা দেশি-বিদেশি পর্যটককে আকর্ষণ করে। আমি কলকাতা ভ্রমণে গেলে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল অবশ্যই ঘুরে আসি, কখনো এটি পুরনো মনে হয় না। বার বার দেখা সত্ত্বেও ছুটে যাই ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে।

যে কথা বলছিলাম, প্রকৃতপক্ষে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হলো রানী ভিক্টোরিয়ার স্মৃতিসৌধ। কলকাতা ময়দানের দক্ষিণ কোণে অবস্থিত এবং সুরম্য উদ্যান পরিবেষ্টিত শ্বেতপাথরে নির্মিত মেমোরিয়ালটি। এর নির্মাণ শুরু হয় ১৯০৬ সালে। এরপর সৌধটির উদ্বোধন হয় ১৯২১ সালে। আয়ারল্যান্ডের বেলফাস্ট সিটি হলের স্থাপত্যশৈলীর আদলে এ স্মৃতিসৌধের নকশা প্রস্তুত করেন স্যার উইলিয়াম এমারসন।

ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে তাকে বলা হয়েছিল ইতালিয়ান রেনেসাঁর স্থাপত্যশৈলীতে এটি নির্মাণ করতে। শুধু ইউরোপীয় স্থাপত্যের আদলে গড়তে বিরোধিতা করেন উইলিয়াম। তিনি তার কাজে মুঘল ছাপও যুক্ত করেন। তাই এটি দেখতে অনেকটা আগ্রার তাজমহলের মতো। অনেকেই ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালকে পশ্চিমবঙ্গের…