পোস্টগুলি

October, 2014 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

নির্বাক চলচ্চিত্র যুগের কিংবদন্তী চার্লি চ্যাপলিন

ছবি
চার্লি চ্যাপলিন একজন ব্রিটিশ চলচ্চিত্র অভিনেতা। স্যার চার্লস স্পেন্সার চ্যাপলিন ১৬ই এপ্রিল, ১৮৮৯ সালে ইষ্ট স্ট্রিট, ওয়ালওয়ার্থ, লন্ডনে জন্ম গ্রহণ করেন।চার্লি চ্যাপলিনের কোনো বৈধ জন্ম প্রমানপত্র পাওয়া যায়নি, তাই তার জন্ম নিয়ে ধোয়াশা রয়েছে। সংবাদ মাধ্যম নানা সময়ে নানা রকম তথ্য দিয়েছে তার জন্মস্থান সম্পর্কে। এমনকি তার চলচ্চিত্র জীবনের প্রথমদিকে চ্যাপলিন নিজেও একবার বলেছেন যে তিনি ফ্রান্সের ফঁতেউব্ল শহরে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন।১৮৯১ সালের আদমশুমারী থেকে জানা যায় যে চার্লি তার মা হান্নাহ চ্যাপলিন এবং ভাই সিডনির সাথে ওয়ালওয়ার্থ, দক্ষিণ লন্ডনের বার্লো স্ট্রিটে থাকতেন, এটি কেনিংটন জেলার অন্তর্গত। ইতিমধ্যে তার পিতা চার্লস চ্যাপলিন জুনিয়ারের সাথে তার মায়ের বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে গেছে। চ্যাপলিনের শৈশব কাটে প্রচণ্ড দারিদ্র্য আর কষ্টের মাঝে আর তাই হয়তো তিনি উপলদ্ধি করতেন দেওয়া ও পাওয়াতে কী আনন্দ। তিনি একটা কথা প্রায়ই বলতেন যে বৃষ্টিতে হাঁটা খুবই ভালো কারণ এই সময় কেউ তোমার চোখের অশ্রু দেখতে পায় না।অত্যধিক দারিদ্রই চ্যাপলিনকে শিশু বয়সেই অভিনয়ের দিকে ঠেলে দেয় তার মা-বাবা দুজনেই মঞ্চের স…

ঘুড়ি উৎসব

ছবি
পৌষ সংক্রান্তি বা মকর সংক্রান্তি বাঙালি সংস্কৃতিতে একটি বিশেষ উৎসবের দিন। বাংলা পৌষ মাসের শেষের দিন এই উৎসব পালন করা হয়। এই দিন বাঙালিরা বিভিন্ন ধরণের অনুষ্ঠান আয়োজন করে খাকে। তার মধ্যে পিঠা খাওয়া, ঘুড়ি উড়ানো অন্যতম। সারাদিন ঘুড়ি উড়ানোব পরে সন্ধ্যায় মশাল জালিয়ে পটকা ফুটিয়ে ফানুস উড়ানোর পাশাপাশি সাংস্কৃতিক উৎসবের মাধ্যমে সমাপ্তি করা হয়। ঢাকা শহরের প্রান কেন্দ্র পুরান ঢাকার কিছু এলাকায় এই দিনটিকে ঘিরে ঐতিহ্যময় উৎসবের আয়োজন করা হয়। আমরা পুরান ঢাকা বাসী এই দিন টার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করি।

বাংলা পৌষমাসের সংক্রান্তিতে এই উৎসব পালিত হয়। তবে গ্রীষ্মকালে পিঠেপুলি রুচিকর নয় বলে, বর্ষা বা শীতকালেই এই জাতীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বছরের বিভিন্ন সময়ে অনুষ্ঠিত পিঠেপর্বের মধ্যে পৌষ সংক্রান্তির পৌষপার্বণই সর্বাপেক্ষা প্রসিদ্ধ। এই দিনটি হিন্দু পঞ্জিকায় মকর সংক্রান্তি বা উত্তরায়ণ সংক্রান্তি নামেও পরিচিত।



প্রাচীন হিন্দুরা এই দিনটিতে পিতৃপুরুষ অথবা বাস্তুদেবতার উদ্দেশ্যে তিল কিংবা খেজুড় গুড় দিয়ে তৈরি তিলুয়া এবং নতুন ধান থেকে উৎপন্ন চাল থেকে তৈরি পিঠের অর্ঘ্য প্রদান করতেন। এই ক…

মুগ ডাল দিয়ে দারুণ সুস্বাদু নিরামিষ রেসিপি

ছবি
এই শীতের দিনে গরম গরম রুটি-পরোটার সাথে নিরামিষ খেতে দারুণ লাগে। অন্যদিকে গরম ভাতের সাথে ডাল চচ্চড়ির যেন জুড়ি নেই। এই সবজি আর ডালকে একত্রিত করে দারুণ একটি রেসিপি আজ নিয়ে এসেছেন শৌখিন রাঁধুনি সায়মা সুলতানা। সোনালি মুগডালের সাথে শীতের সবজি দিয়ে দারুণ এই সুস্বাদু এই খাবারটি তৈরি হয় খুব অল্প সময়েই। আসো দেখে নেই বন্ধুরা এই মজাদার মুগ ডালের চচ্চড়িটি কিভাবে রান্না করবে, সকালে রুটি/পরোটার সাথে দারুন লাগে।



প্রয়োজন:

মুগ ডাল ১ কাপ
পেয়াজ কুচি ১/২ কাপ
হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ
লাল মরিচ গুঁড়া ১ চামচ
আদা-রসুন বাটা ২ চা চামচ
জিরা বাটা ১ চা চামচ
কাঁচামরিচ ৫/৬টি
ধনিয়া পাতা, তেল ও
লবণ পরিমাণ মতো
টমেটো

যেভাবে রান্না করবে:

প্রথমে মুগডাল হালকা লালচে করে ভেজে, ধুয়ে রাখ।

কড়াইতে তেল দিয়ে পেঁয়াজ লালচে করে ভেজে টমেটো ও ওপরের সব মসলা সহ ডাল দিতে হবে। ভালো করে কষিয়ে পরিমান মত পানি দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। ডাল সিদ্ধ হলে মাখা মাখা হবে। ডাল নামানোর আগে কাচাঁমরিচ ও ধনিয়া ওপরে ছড়িয়ে দিতে হবে।

রুটি/ভাত/পোলাও ইত্যাদির সাথে পরিবেশন করতে পারো।

ভারতীয় সংগ্রহালয়

ছবি
ভারতীয় সংগ্রহালয় ভারতের বৃহত্তম জাদুঘর। ১৮১৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতায় এশিয়াটিক সোসাইটি অফ বেঙ্গল এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করে। জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা কিউরেটর ছিলেন ড্যানিশ বোটানিস্ট ড. নাথানিয়েল ওয়ালিচ।

কলকাতা সংগ্রহালয় একটি সাংস্কৃতিক ও বিজ্ঞান জাদুঘর। এর ছয়টি বিভাগ রয়েছে – শিল্পকলা, পুরাতত্ত্ব, নৃতত্ত্ব, ভূতত্ত্ব, প্রাণীতত্ত্ব ও অর্থনৈতিক উদ্ভিজ্জ। ভারতীয় সংবিধানের সপ্তম তফসিলে এই প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। এটি বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন জাদুঘর। এখন এটি ভারত সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রকের পরিচালনাধীন।

১৭৮৪ সালে স্যার উইলিয়াম জোন্স এশিয়াটিক সোসাইটি অফ বেঙ্গল প্রতিষ্ঠা করেন। ১৭৯৬ সালে সোসাইটির সদস্যরা মানুষের তৈরি বস্তু ও প্রাকৃতিক সামগ্রী নিয়ে একটি জাদুঘর স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেন। ১৮০৮ সালে জাদুঘর তৈরির কাজ শুরু হয়। এই বছরই ভারত সরকার সোসাইটিকে চৌরঙ্গী অঞ্চলে জাদুঘর তৈরির জন্য জমি দেয়।

১৮১৪ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ডাচ উদ্ভি্দতত্ত্ববিদ ড. নাথানিয়েল ওয়ালিচ (তাঁকে শ্রীরামপুরের যুদ্ধের সময় বন্দী করা হয়েছিল ও পরে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল) কল…

মার্বেল প্যালেস

ছবি
প্রাচীন কলিকাতা শহরের অন্যতম ধনাঢ্য ব্যক্তি শ্রী নীলমণি মিত্রের দত্তক পুত্র শ্রী রাজেন্দ্র মল্লিক তাদের পারিবারিক সংগ্রহীত মুল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে একটি সংগ্রহশালা গড়ার পরিকল্পনা করেন। প্রায় ২৫বিঘা জমির উপর মার্বেল প্যালেস নির্মিত হয়। ১৮৩৫ সালে ফ্রান্সের টেকাডোরা প্রাসাদের অনুকরণের এই ভবন তৈরি করতে সময় লেগেছিল প্রায় পাঁচ বছর। প্রায় পাঁচ হাজার মিস্ত্রী এই প্যালেস তৈরির কাজে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভূমিকা নিয়েছিল।

প্যালেসের একতলার অভ্যর্থনা কক্ষে আছে দেশবিদেশের প্রায় ১২০/১২৫ রকমের পাথর। রাজেন্দ্র মল্লিক শিল্পকলার প্রতি ভীষণ ভাবে অনুরক্ত ছিলেন। দেশবিদেশ থেকে সংগৃহীত জিনিসপত্রের সম্ভারে সমৃদ্ধ এই সংগ্রহশালা। এই সংগ্রহশালায় বিশ্ববিখ্যাত শিল্পীদের শিল্পকর্ম নজরকাড়ার মতো, ম্যারেজ অব ক্যাথেড্রাল, ভেনাস এন্ড কিউপিড থেকে রাজা রবি বর্মা শোভা পাচ্ছে। অসংখ্য প্রাচীন ঘড়ি, ঝাড়বাতি, ফুলদানি থেকে শুরু করে মার্বেল পাথরের হরেক শিল্পকর্ম এখানে বর্তমান। গোলাপ কাঠের একটি টুকরোতে তৈরি রানী ভিক্টোরিয়ার মূর্তি দেখলে তাক লেগে যায়। বাগানে আছে একটি বিশালাকার ফোয়ারা।



প্যালেসের আরও একটি বিখ্যাত দর্শনিয় জিনিস হল ছোট একটি…

প্রজাপতি প্রজাপতি

ছবি
প্রজাপতি লেপিডোপ্টেরা বর্গের অন্তর্গত এক ধরণের কীট। এদের শরীর উজ্জ্বল রঙের এবং এরা দেখতে অত্যন্ত আকর্ষণীয়। প্রজাপতির বেশিরভাগ প্রজাতিই দিবাচর বলে এরা সহজেই নজর কাড়ে। এদের মাথায় প্রায় গোলাকার পুঞ্জাক্ষী রয়েছে যা আমরা শুঁড় নামে বলে থাকি। প্রজাপতির ১০ খন্ডে গঠিত দেহ আকৃতিতে অনেকটা বেলনের মত, শেষের ২-৩টি খন্ড যৌনাঙ্গে পরিণত হয়েছে ।

রংবেরংয়ের ফুল, লতাপাতায়, ঝোপঝাড়ে বিচিত্র বর্ণের নানা প্রজাপতি যখন উড়ে বেড়ায তখন মন জুড়িযে যায় । রংধনুর সব রং যেন প্রজাপতির পাখায় উঁকি দেয় । মৌমাছিল মতো প্রজাপতিও ফুলে ফুলে উড়ে বেড়ায়, মধু খায়, পানা মেলে ফুলের সঙ্গে ভাব জমায় । স্যাঁতসেঁতে আলো আঁধারী, ঝরণা, পাহাড়ি অরণ্যে প্রজাপতির মেলা বসে । আমাদের দেশে পার্বত্য চট্টগ্রামের বেশীর ভাগ জঙ্গলে পুষ্পবৃষ্টির মতো প্রজাপতির ঝাঁক উড়ে বেড়ায় । বিশেষ করে রাঙ্গামাটির নির্জন জঙ্গলে দেখতে পাওয়া যায় প্রজাপতির হাট । প্রকৃতির কি বিচিত্র খেলা ফুটে উঠে সেই হাটে ।

নানা রংয়ের প্রজাপতি ছুটে বেড়ায় গাছের বিভিন্ন শাখায় । শিল্প - সাহিত্য – সংস্কৃতি লোকগাথা সমাজের নান দর্পণে প্রজাপতির উল্লেখ আছে । পৃথিবীতে প্রায় ১৮ হাজার প্রজাতির প্…

পারিবারিক বিপর্যয় রোধে আমাদের করণীয়

ছবি
পাশ্চাত্যে বহু আগেই পারিবারিক প্রথা ভেঙ্গে পড়েছে। সেই ঢেউয়ের প্রচন্ড অভিঘাত আমাদের পারিবারিক ব্যবস্থার উপরও আছড়ে পড়ছে প্রতিনিয়ত। অবাধ নারী স্বাধীনতার নামে আমাদের দেশের নারীদেরকে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করার প্রচেষ্টা চলছে পুরোদমে। আজকে আমাদের পারিবারিক ব্যবস্থা মহাবিপর্যয়ের সম্মুখীন হতে চলেছে। সময় থাকতে আমাদেরকে এখুনি এ ব্যাপারে সাবধান হতে হবে। পারিবারিক বিপর্যয় রোধে গ্রহণ করতে হবে কার্যকর ব্যবস্থা । নিম্নে এ সম্পর্কে কিছু সুপারিশ উপস্থাপন করা হলো।

আমাদের সমাজের নারী-পুরুষ বিশেষত যুবক-যুবতীদের দৃষ্টিভঙ্গি ও মূল্যবোধ আমূল পরিবর্তন করতে হবে। তাদের বোঝাতে হবে, বস্ত্তবাদী ও ভোগবাদী সমাজ ও পরিবার সমাজ ও পরিবারের জন্য কোন দিক দিয়েই আদর্শ ও অনুসরণীয় হতে পারে না। সমাজ ও পরিবারের রীতি-নীতি শুধু পারিবারিক বিপর্যয়েরই সৃষ্টি করে না, মানুষকে পশুর চাইতেও নিকৃষ্ট চরিত্রের বানিয়ে দেয়। অতএব, তাদের অন্ধ অনুকরণ করে আমরা কোনক্রমেই পশুত্বের স্তরে নেমে যেতে পারি না।



অসৎ সঙ্গে মিশে ছেলে-মেয়ে যাতে নষ্ট না হয়ে যায় সেদিকে পরিবারের অভিভাবক ও সদস্যদের তীক্ষ্ম দৃষ্টি রাখতে হবে। তারা কার সাথে চলাফেরা, উঠাবসা, খেলাধূ…

বাবুই পাখি

ছবি
বাবুই পাখি আর বাবুই পাখির দৃষ্টি নন্দন বাসা। বলতে গেলে বাবুই পাখির বাসা আজ অনেকটা স্মৃতির অন্তরালে চলে যাচ্ছে। অথচ আজ থেকে ২/৩ বছর আগে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলেল তাল, নারিকেল ও সুপারি গাছে চোখে পড়ত ব্যাপকভাবে বাবুই পাখির বাসা। বাবুই পাখির এসব বাসা যে শুধু শৈল্পিক নিদর্শনই ছিল তা নয় মানুষের মনে চিন্তা ও নিপুন কারুকার্য আজও মানুষের মনে সাড়া জাগায় এবং স্বাবলম্বী হতে উৎসাহিত করে । গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, রাস্তার পাশে সুপারি গাছের ডালে সেই চির চেনা কারিগর বাবুই পাখি বাসা। শোনা যাচ্ছিল বাবুই পাখির সুমধূর ডাক।

গাছে অত্যন্ত সুনিপুন ভাবে দক্ষ কারিগরের ন্যায় ঝুড়ির মতো করে অত্যন্ত চমৎকার বাসা বুনে বাস করছে চির চেনা এসব বাবুই পাখি। আর এ জন্য অনেকেই এই বাবুই পাখিকে তাতি পাখি বলেও ডেকে থাকেন। জানা যায়, সারা বিশ্বে বাবুই পাখি প্রজাতির সংখ্যা ১১৭।



বাবুই পাখির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, রাতের বেলায় ঘর আলোকিত করার জন্য এরা জোনাকি পোকা ধরে নিয়ে বাসায় রাখে এবং সকাল হলে আবার ছেড়ে দেয়। প্রজনন সময় ছাড়া অন্য সময় পুরুষ ও স্ত্রী পাখির গায়ে কালো কালো দাগসহ পিঠ হয় তামাটে বর্ণের। নিচের দিকে কোনো দাগ থাকে না। ঠোঁট পুরো মোছ…

ছেলেবেলার পুজো

ছবি
ছেলেবেলার পুজোর একটা অদ্ভুত গন্ধ থাকত। ওই যে সলিল চৌধুরির ওই গানটা…‘আয়রে ছুটে আয় পুজোর গন্ধ এসেছে’। সেটা তখন পেতাম। কিন্তু এখন আর পাই না। এখন ব্যপারটা অনেকটা উত্সবের মতো। গা সওয়া হয়ে গিয়েছে। বছরের চারটে দিন তো একটা উত্সব হবেই, ব্যাপারটা অনেকটা এমন।



এখনকার জেনারেশন এ সব তো পায়ই না। কই আমার বন্ধুদের তো শুনি না মহালয়ার ভোরে ছেলেমেয়েদের জোর করে ঘুম থেকে তুলে মহালয়া শোনাচ্ছে। কোথাও সেই সংস্কৃতিটা হয়তো হারিয়ে যাচ্ছে। আমার পুজো চিরকালই পাড়াময়।