পোস্টগুলি

February, 2016 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

হাওড়া জেলার প্রাচীন জনপদ

ছবি
হাওড়া জেলার প্রাচীন জনপদগুলির মধ্যে আমতার শ্রী শ্রী মেলাইচণ্ডী র মন্দিরটি বিশেষভাবে গুরুত্ব বহন করে। সুবিশাল এই মন্দিরের প্রতিটি অংশে প্রাচীনতা দেখা যায়। মেলাইচণ্ডী দেবী চণ্ডীর ৫১ রূপের বা ৫১ দেবীপীঠের অন্যতম একটি পীঠ। দুঃখের বিষয় আমতায় থেকেও অনেকে এই তথ্য সম্পর্কে সচেতন নন। তাদের সকলের জন্যই আমাদের এই প্রয়াস।

প্রাচীন দলিল দস্তাবেজ থেকে জানা যায় প্রায় ৫০০ বছর আগে মুসলিম রাজত্বকালে বর্ধমান - হাওড়া - হুগলী জেলা হিসেবে তখন ভাগ ছিল না। সেই সময় মেলাইচণ্ডীর মন্দির বর্ধমান রাজের অধীন ছিল। পরে হিন্দু রাজারা বর্ধমানের শাসনভার গ্রহণ করেন। তখন আদি বর্ধমান রাজ মেলাইচণ্ডীর মন্দির জনৈক তান্ত্রিক ব্রাহ্মণকে দান করেন। তখন হাওড়া হুগলী বর্ধমানের অধীন ছিল। পরে হাওড়া পৃথক জেলা হিসেবে গড়ে উঠলে মেলাইচণ্ডী মন্দির হাওড়াতে অবস্থান করতে থাকে। এটা মেলাইচণ্ডী মন্দিরের বর্ধমান-রাজের থেকে হাওড়া জেলার অধীন হবার ইতিহাস।



কিন্তু দেবী চণ্ডীর ইতিবৃত্ত শুরু হয়েছে তারও অনেক আগে। মেলাইচণ্ডীর ইতিহাস বিষয়ক একটি গ্রন্থ থেকে জানা যায় আমতায় বসবাসকারী দেবী চণ্ডীর উপাসক ও পরম ভক্ত শ্রী জটাধারী চক্রবর্তী একদিন …

নাইট-ক্লাব ও ডিজে-পার্টি

ছবি
কথিত পাশ্চাত্য সংস্কৃতির ডিজে পার্টি, নাইট ক্লাব, নেশার আড্ডার সাথে দেহব্যবসা ছড়িয়ে পড়েছে রাজধানী সহ সারাদেশে। তবে এসব ব্যবসার অন্যতম লক্ষ্য হলো মাদক ব্যবসা ও সেবন। এদের ৯১ শতাংশই কিশোর ও তরুণ। এদের মধ্যে শতকরা প্রায় ১০ জন তরুণী ও মহিলা। মাদকাসক্ত নারীর অধিকাংশই স্কুল-কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী।

প্রবেশ পথে লেখা ‘২১+ অনলি’। ভেতরে হালকা নীলচে আলো, লাল, হলুদ ডিম লাইট। বাজছে ইংরেজি গান, চলছে মাদক সেবন আর নারী-পুরুষের নৃত্য। সেখানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ নেশায় বুঁদ হয়ে আছে। যাদের মধ্যে অধিকাংশই তরুণ-তরুণী। সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সেখানে শিশা, গাঁজা, ইয়াবা, হেরোইন, মদসহ সব ধরনের মাদক সরবরাহ করা হয়।

বদলে যাওয়া সময়ের এক নতুন সংস্কৃতি ‘ডিজে পার্টি’। বড় বড় অভিজাত হোটলেই এখন কেবল ডিজে পার্টি সীমিত নেই, নানা জায়গায় গড়ে উঠেছে ডিজে ক্লাব। এইসব ক্লাব হোটেলের ডিজে পার্টির আকর্ষণ হলো চিয়ার্স গার্লরা। বিরাট হলরুম, বয় সারাউন্ড স্পিকারগুলোতে বিটের তাল মন-প্রাণ চঞ্চল করে তোলে। সেখানেই মিনি বারে বিয়ার এবং হার্ড …

বিশ্বের সেরা কয়েকটি শপিং মল

ছবি
কেনাকাটার জন্য অনেকেই ছুটে যাচ্ছেন শপিং মলে। বর্তমানে যে-কোনও বড় শহরের গর্বের বিষয় হল অত্যাধুনিক আর আকর্ষণীয় শপিং মলগুলো। আধুনিক শপিংমলের ধারণা আসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। এখন যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে বেশি শপিংমল রয়েছে এশিয়ায়। এমনকী বিশ্বের সর্ববৃহৎ শপিংমলগুলোও রয়েছে এই মহাদেশে। এসব নিয়ে লিখেছেন শামস্ বিশ্বাস



* নিউ সাউথ চায়না মল

বিশ্বের সর্ববৃহৎ এই শপিংমলের অবস্থান চীনের দক্ষিণের প্রদেশ গুয়াংডংয়ের দনগ্গুয়ান শহরে। আয়তন ৬ লাখ ৫৯ হাজার ৬১২ বর্গমিটার বা ৭১ লাখ বর্গফুট। এতে দোকানের সংখ্যা ২ হাজার ৩৫০টি। ২০০৫ সালে যখন নিউ সাউথ চায়না মলের উদ্বোধন করা হয়, তখন মাত্র ৪৭টি দোকান চালু হয়েছিল। প্রথম বছরে এই শপিংমল মাত্র ২ শতাংশ দোকান চালু করতে পেরেছিল। গেল বছরও দেখা গেছে এই শপিংমলের ৩৬ শতাংশ দোকান খালি আছে। এত দোকান খালি পড়ে থাকার জন্য এটিকে ‘মৃত শপিংমল’ বলা হয়। এমন হওয়ার কারণ, দনগ্গুয়ান শহরের অধিবাসীর সংখ্যা এক কোটি ছাড়িয়ে গেলেও শপিংমলটি তৈরি করা হয়েছে শহরের শেষ প্রান্তে কৃষিজমির ওপরে। যাতায়াতের সমস্যা থাকার কারণে নানা সুবিধা থাকলেও দনগ্গুয়ানবাসী খুব একটা আগ্রহী নয় এখানে যেতে।

* এসএম মেগামল

প্রায় ১০ হেক্…

জয়নগরের মোয়া

ছবি
উত্তুরে হাওয়ায় মাঠে দোল খাচ্ছে পাকা কনকচূড়। মাথা ঝাঁকাচ্ছে খেজুর গাছ। শীতে জয়নগরের মোয়ায় কামড় বসাননি এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া ভার। দেশে-বিদেশে এই মোয়ার কদর রয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগর এবং বহড়ু এলাকায় ঘরে ঘরে এই মোয়া তৈরি হয়। উপাদান কনকচূড় ধান, নলেন গুড়, কাজু, পেস্তা, কিসমিস, গাওয়া ঘি, মধু এবং খোয়া ক্ষীর। মোয়া কারবারিরা জানান, অঘ্রাণের শুরুতেই মোয়ার ‘ভিত’ তৈরি হয়। মাঠ থেকে ধান কেটে ঝাড়ার
পর খই ভাজা হয়। ডালপালা ছেঁটে রস সংগ্রহের জন্য খেজুর গাছকে ‘তৈরি’ করা হয়।



মোয়ার জন্য প্রায় পাঁচ হাজার কুইন্টাল কনকচূড় ধান এবং চার হাজার লিটার নলেন গুড় দরকার হয়। কাজু, কিসমিস তো আছেই। ধান কাটা থেকে শুরু করে মোয়া বানিয়ে প্যাকেটবন্দি করতে অন্তত ১৫ দিন সময় লাগে। শীতের মরসমে জয়নগরের অনেক মোয়া কারিগর রাজ্যের নানা প্রান্তেও ছড়িয়ে পড়েন। সেই সব জায়গায় অস্থায়ী ভাবে থেকে তাঁরা ‘জয়নগরের মোয়া’ বানান।