কলকাতা বন্দর

কলকাতা দেশের প্রাচীনতম প্রধান বন্দর. কিন্তু বর্তমানে দিন কলকাতা বন্দরের নিউক্লিয়াস মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব পূর্ব ভারতীয় ব্রিটিশ সেটেলমেন্ট ট্রেডিং অধিকার মঞ্জুরের সঙ্গে অনেক আগেই এই ব্যবস্থার সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ. কলকাতা শহরের, পোর্ট সঙ্গে একটি অতিক্রিয়া লিংকেজ হয়েছে. 1690 সালে ব্রিটিশ বর্তমান দিনের কলকাতার অদূরেই হুগলি নদী নাগালের মধ্যে প্রথমবারের মত প্রভুভক্ত. শহর পরবর্তীকালে ব্রিটিশ ভারতে প্রধানমন্ত্রী বন্দর হয়ে গেল.

কালক্রমে এই সুবিশাল দেশের ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি থেকে ব্রিটিশ পাস শাসন করার ক্ষমতা. বন্দরের বিষয়ক ১৮৭০ সালে পোর্ট কমিশন নিয়োগের সঙ্গে সরকারের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে আনা হয়.



বন্দর কলকাতা বন্দর আইনের অধীনে ১৭ অক্টোবর ১৮৭০ কমিশন লাভ করেন. ১৮৮৬ সালে একটি পৃথক তেল ঘাটা বজবজ স্থাপন করা হয়. খিদিরপুর এ আবদ্ধ করা ডক ১৯২৫ চার নদীর জেটি সালে ১৮৯৩ সালে কর্মক্ষম হয়ে ওঠে এবং একটি কয়লা বোঝাই জেটি গার্ডেনরিচ এ নির্মাণ করা হয়. ১৯২৮ দ্বিতীয় ডক ব্যবস্থায়, কিং জর্জ ডক এখন নেতাজি সুভাষ ডক নামে পরিচিত একই এলাকায় এসেছেন.

কলকাতা বন্দর প্রাথমিকভাবে প্রচার এবং ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক স্বার্থ রক্ষার জন্য ভাবা হয়েছিল. কিন্তু ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা আবির্ভাবের মধ্য দিয়ে, পোর্ট জাতীয় কারণ রক্ষক বিপরীত ভূমিকা পালন করতে আহবান জানানো হয়েছিল. যখন মেজর পোর্ট ট্রাস্ট আইন, ১৯৬৩, বলবত্ আসেন কলকাতার পোর্ট কমিশনারদের জানুয়ারি ১৯৭৫ পর্যন্ত বন্দর দৌড়ে.