Thursday, March 29, 2012

বাসন্তী পূজার ইতিহাস

মার্কণ্ডেয় পুরাণের অন্তর্গত শ্রীশ্রীচণ্ডী গ্রন্থে বাসন্তী পূজার দুর্গাদেবী দুর্গাপূজার আখ্যায়িকাটি নিম্নরূপ— সত্য যুগে দ্বিতীয় মনু স্বরোচিষের অধিকারকালে সুরথ চন্দ্রবংশে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি সসাগরা পৃথিবীর রাজা হয়েছিলেন। কিন্তু কাল বশে তিনি শত্রুগণ কর্তৃক পরাজিত হয়ে রাজ্য থেকে বিতাড়িত হয়ে মনের দুঃখে এক গভীর বনে প্রবেশ করে বিপ্র শ্রেষ্ঠ মেধস মুনির আশ্রমে আশ্রয় গ্রহণ করেছিলেন।

আশ্রমে থেকে মুকুটহীন রাজা সুরথ মনে মনে চিন্তা করতে লাগলেন, তাঁর কুচক্রী কর্মচারীরা তাঁর পরিত্যক্ত রাজপুরী ধর্মানুসারে পালন করছে কি? তাঁর অতুল ধনভান্ডার ইতিমধ্যে নিঃশেষ করে ফেলেছে কি না—এ রকম চিন্তা রাজা সুরথকে নিয়তই দহন করতে লাগল। এ রকম চিন্তা সম্পর্কে হিতোপদেশে বলা আছে:

‘চিন্তা চিতয়ো তুভেদ: বিন্দু মাত্রিণ বিদ্যতে চিতা দহতি নির্জীবং চিন্তা দহতে জীবিতম।’ চিন্তাপীড়িত রাজা সুরথ একদিন বনাঞ্চলে পথ চলতে চলতে সমাধি নামের এক বৈশ্যের সঙ্গে মিলিত হয়েছিলেন। সেই বৈশ্যও অসাধু ছেলে ও আত্মীয়দের চক্রান্তে বাড়ি থেকে বিতাড়িত হয়েছিলেন।

কিন্তু সেই বৈশ্য সর্বদা কুলাঙ্গার ছেলে ও আত্মীয়দের কুশল জানার জন্য উদগ্রীব হয়ে উঠেছিলেন। রাজা সুরথ বৈশ্যকে জিজ্ঞাসা করেন, ‘যে পুত্র ও আত্মীয়গণ ধনলোভে আপনাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিল, তাদের প্রতি আপনার চিত্ত স্নেহপরায়ণ হচ্ছে কেন?’ বৈশ্য উত্তরে বলেন, ‘হে রাজন, আমি বুঝেও বুঝি না, কেন বিমুখ পুত্র ও আত্মীয়গণের প্রতি আমার মন স্নেহাসক্ত হচ্ছে।’

সমাধি বৈশ্যের জিজ্ঞাসায় রাজা সুরথ একই মনোভাব ব্যক্ত করেন। অতঃপর রাজা সুরথ ও বৈশ্য সমাধি উভয়েই শান্তি লাভের আশায় মেধস মুনির কাছে এসে বিনীতভাবে জিজ্ঞাসা করেন: ‘আমি ও বৈশ্য উভয়েই ধনলোভী নিষ্ঠুর স্বজনগণ ও ভৃত্যগণ কর্তৃক বিতাড়িত হয়েও আমাদের মন তাদের প্রতি স্নেহাসক্ত হচ্ছে কেন? বিষয়ে দোষ দেখেও সেই বিষয়ের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে আমরা দুজনেই অত্যন্ত দুঃখ পাচ্ছি। হে মুনিশ্রেষ্ঠ! এর হেতু কী? আমাদের শক্তি লাভের পথ কী?’

আর্ত ও জিজ্ঞাসু রাজা সুরথ ও বৈশ্য সমাধিকে সান্ত্বনা দিয়ে মেধস মুনি তাঁদের কাছে জগতের সব বিষয়ের অসারতা সম্বন্ধে উপদেশ দেন এবং দেবী আদ্যাশক্তির মহিমা কীর্তন করে বলেন, ‘তামুপৈছি মহারাজ শরণং পরমেশ্বরীম।

হে মহারাজ, তুমি সেই পরমেশ্বরীর শরণাপন্ন হও। তাঁকে ভক্তিপূর্বক আরাধনা করলে তিনিই ইহলোকে অভ্যুদয় এবং পরলোকে স্বর্গসুখ ও মুক্তি প্রদান করবেন।



মেধস মুনির উপদেশে রাজা সুরথ ও বৈশ্য সমাধি শ্রীশ্রীচণ্ডীস্বরূপা দুর্গাদেবীকে দর্শন এবং সকল প্রকার ভোগান্তি থেকে মুক্ত হতে বন মধ্যস্থিত নদীর তীরে দেবীর মৃন্ময়ী প্রতিমা গড়ে তিন বছরকাল উপবাস থেকে তন্মস্ক হয়ে ফুল-ফল, ধূপ-দীপ ও অগ্নি (হোম) দিয়ে দেবীর পূজা সাঙ্গ করলে দেবী দুর্গা-চণ্ডীকা সন্তুষ্ট হয়ে তাঁদের বর প্রদান করেন।

‘হে নরপতি, অতি অল্পদিনের মধ্যেই তুমি শত্রু নাশ করে নিজ রাজ্য পুনরায় লাভ করবে এবং মৃত্যুর পর তুমি পুনরায় সূর্যপত্নী সবর্ণার গর্ভে জন্মলাভ করে পৃথিবীতে সাবনি নামে অষ্টম মনু হবে। হে বৈশ্য শ্রেষ্ঠ, তুমি মুক্তিপ্রদ ব্রহ্মজ্ঞান লাভ করবে।

ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ মতে, রাজা সুরথ ও বৈশ্য সমাধি নদী তীরবর্তী মেধসাশ্রমে শ্রীশ্রীদুর্গাপূজা সমাপন করে দেবী প্রতিমা নদীগর্ভে বিসর্জন দিয়েছিলেন। এখানে প্রশ্ন, বন মধ্যস্থিত মেধস মুনির আশ্রমটি কোন দেশের কোন স্থানে?

মার্কণ্ডেয় পুরাণের ৮১ থেকে ৯৩ অধ্যায় পর্যন্ত ত্রয়োদশ অধ্যায়ের নামই চণ্ডী। চণ্ডীশাস্ত্রকে তন্ত্রশাস্ত্রের মধ্যমণি বলা হয়েছে। শক্তি মঙ্গল তন্ত্রানুসারে সুদূর অতীতে বিন্ধ্যাচল থেকে বাংলাদেশের চট্টলভূমি পর্যন্ত প্রদেশ বিষ্ণুক্রান্তা নামে বিখ্যাত ছিল। এই ক্রান্তায় সর্বমোট ৬৪ খানি তন্ত্র প্রচলিত ছিল। পাল রাজাদের সময়ে সমগ্র বাংলায় (পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ) তন্ত্রের বিপুল প্রভাব ছিল। তন্ত্রে উল্লেখ আছে, ‘গৌড়ে প্রকাশিত বিদ্যা’ গৌড়ে তন্ত্রবিদ্যায় উদ্ভব হয়।

পরে এই তন্ত্রবিদ্যা সারা ভারতে ছড়িয়ে পড়ে। ‘গৌড়ে প্রকাশিত বিদ্যা’ এ বাক্যটিই ইঙ্গিত করে, শ্রীশ্রীচণ্ডীর উৎপত্তি স্থান আমাদের প্রিয় বাংলাদেশে। আবার দেখা যায়, দেবীর একান্ন পীঠের অধিকসংখ্যক পীঠ পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশে পড়েছে। সংখ্যার দিক দিয়ে মোট আটটি দেবীপীঠ বাংলাদেশে অবস্থিত। তন্মধ্যে দুটি পীঠ চট্টলভূমিতে।

অতীতে বাংলাদেশের অধিকাংশ ভূভাগ দীর্ঘকাল জঙ্গলে পূর্ণ ছিল। এসব জঙ্গলের আদিম অধিবাসীদের ‘কিরাত’ বা শবর বলা হতো। কাদম্বরী, হরিবংশ, দশ কুমার চরিত, ভবিষোত্তর পুরাণ, কালিকা পুরাণ প্রভৃতি গ্রন্থের অভিমত এই যে শ্রীশ্রীচণ্ডী বর্ণিত দেবী দুর্গা ‘কিরাত’ বা শবরগণেরই উপাস্য দেবী ছিলেন। সুতরাং কিরাত দেশ তথা বাংলাদেশেই চণ্ডী দুর্গার আবির্ভাবস্থলরূপে বিবেচিত হয়।

উল্লিখিত মতের অনুকূলে আরেকটি যুক্তি উল্লেখ করা যেতে পারে, শ্রীশ্রীচণ্ডীর ত্রয়োদশ অধ্যায়ের দশম শ্লোকে বলা আছে:

‘সচ বৈশ্যস্তপস্তেপে দেবী সূক্তং পরং জপন। তৌতস্মিন পুলিনে দেব্যাঃ কৃত্তা মূর্তিং মহীময়ীম্।’

রাজা সুরথ ও সমাধি বৈশ্য জন্মাতর সম্যক দর্শন মানসে নদীতীরে অবস্থানপূর্বক শ্রীশ্রীদুর্গাদেবীর মৃন্ময়ী প্রতিমা নির্মাণ করে পুষ্প, ধূপ, দীপ ও নৈবেদ্যাদি দ্বারা দেবীর পূজা করলেন।

‘মহীময়ী’ মূর্তির মাধ্যমে পূজার প্রচলন বাংলাদেশেই আছে। ভারতের অন্য কোনো প্রদেশে মৃন্ময়ী প্রতিমায় দুর্গাপূজার প্রচলন নেই। আবার ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণের মতে, রাজা সুরথ ও বৈশ্য সমাধি নদীর তীরবর্তী মেধসাশ্রমে শ্রীশ্রীদুর্গাপূজা সমাপনান্তে দেবী প্রতিমা নদী (বেতসা) গর্ভে বিসর্জন দিয়েছিলেন। এই বিধি মতে, বাংলাদেশের সর্বত্র দশমীর দিনে বিজয়া উৎসব পালনের মাধ্যমে ঘটা করে শ্রীশ্রীদুর্গা প্রতিমা নদীতে বা কোনো জলাশয়ে বিসর্জন দেওয়া হয়। আবার কামাখ্যাতন্ত্রের ৩৫তম পটলে মেধসাশ্রমের ভৌগোলিক অবস্থান সম্পর্কে বলা আছে, ‘কর্ণফুলীং সমারভ্য যাবদ্ধক্ষিণে সাগরম। পুণ্যক্ষেত্রামিদং প্রোক্তং মুনিগণ সেবিতম। তত্রাস্তি বেতসানাম্রী দিব্যাপুণ্য তোয়ানদী। তত্রেবামীন্মুনি শ্রেষ্ঠ মেধসঃ ঋষিরাশ্রম।’

Tuesday, March 27, 2012

Kolkata Theater

kolkata theater jatra

Started in the 1940s, the group theatre of Kolkata started as a different way of theatrical production in contrast with the traditional entertainment oriented theatres. The aims and objectives of group theatre are different from the primarily moneymaking goal of commercial theatre. Group theatre activists use the proscenium stage to highlight some social message.

Sunday, March 25, 2012

Brigade Parade Ground


The Brigade Parade Ground is unparallel in the country with its vast stretch of green plains, mementos of old wars and the magnificent Victoria Memorial at the background. The sprawling meadows of the Brigade Parade Ground are the breeding grounds for thousands of sportsmen and women coming from all over the state. It is the place that provides practice ground for numerous clubs who cannot afford to rent a ground of their own.

Friday, March 23, 2012

দীঘা ও মন্দারমণি ভ্রমণ

পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র ব্রাইটন অফ দি ইস্ট-দীঘা বীচ। দিঘা আজকের নয় আবিস্কার ওয়ারেন হেস্টিংসের। ১৭৮০ বেঙ্গল গেজেটে বীরকুল উল্লেখিত দীঘায় নগর গড়ার উল্লেখ পাওয়া যায় ১৮২৩ নবরুপে আবিষ্কার করেন পথহারা এক ইংরেজ দীঘা বীচের। তবে অতীত বিনষ্ট হলেও অবস্থান ছিল তার সাগরবেলা থেকে ৮ কিমি. অরণ্য বন্দরে। আর ১৯৪৭ স্বাধীনাত্তোর কালে বালিয়াড়িতে বৃক্ষ রোপন করে গড়ে ওঠে আজকের দীঘা ড. বিধানচন্দ্র রায়ের হাতে।

যাত্রী চাহিদা মেটাতে নবরুপে প্রসার পাচ্ছে ওঢ়িশা সীমান্তবর্তী ৩কিমি. জুড়ে দীগা নগরী-নাম তার নিউ দিঘা। নতুনের আগমনের ভিড়ে টইটুম্বুর পুরাতন অর্থাৎ ওল্ড দীঘা আজ চটকহীন। খড়গপুরের দুরত্ব ১২৩, কন্টাই ৩১ কিমি. দীঘা থেকে। দীঘার সমুদ্র আজ বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। সপ্তাহান্তিক ছুটি কাটাবার মনোরম পরিবেশ। ২০০৮ এ ভারতের পূর্ব উপকূলের শ্রেষ্ঠ পর্যটন কেন্দ্রের শিরোপাও পেয়েছে দীঘা। এর শান্ত সমাহিত রুপটি ধীরে ধীরে উত্তাল হয়ে উঠেছে। সমুদ্র এগিয়ে এসেছে-গ্রাস করেছে নগরজীবন।

বড় বড় পাথরখন্ডে রোধ করা হয়ছে সামদ্রিক গ্রাস। তবে আজ ক্ষত বিক্ষত বীচে প্রলেপ পড়ে আছে কংক্রিটের। বীচের হুটোপটিও তাই কিছুটা বিঘ্নিত । তারই ফাক ফোকরে ঢেউয়ের তালে তালে দেহটা নাচিয়ে তুলে অতি সহজেই উপভোগ করা যায় সমুদ্র স্নান । বাজারের নিচু দিয়ে মাইলখানেক জুড়ে চলে স্নানের হুটোপুটি। জোয়ারের জলে স্নাত এই সাগরবেলা ভেসে ওঠে ভাটায়। তবে নতুন দীঘার বীচটি যথেষ্ট প্রসস্ত-বালির আধিক্য সমতল ও একসাথে। নতুন করে মাথা তুলেছে ঝাউবীথিকা আজ দীঘা বীচে। সঝের বেলায় বিজলী আলোয় সমুদ্রে চিকমিকানী হাসি পর্যটকদের ঘর থেকে টেনে আনে বেলাভূমিতে।

এমনকি বিদায়ী সূর্যের সোণালী দীপ্তি পশ্চিম আধাকে শ্বেতশুভ্র আর বাকি আধা সমুদ্রকে নিলাভ করে তোলে। বর্ণময় আলো- আধারীর ঐ বর্ণলী দীঘার এক অনন্য প্রাপ্তি। তেমনি আকর্ষণ দীঘার সূর্যোদয়ের অসীম নীলাকাশ আর সীমাহীন বারিধি-তারই পাড়ে লেক হয়েছে কানন গড়ে-সীমান্তের পথে কৃত্তিমতা দোষে দুষ্ট অমরাবতি। বোডিং-এরও ব্যবস্থা মেলে লেকের জলে। অমরাবতির কাজলা দীঘিতে দুর্বর সংগ্রহের সর্প উদ্যান গড়েছেন সর্পবিশারদ দীপক মিত্র। ফেব্রুয়ারি ৪, ২০০৩ এ দ্বারোদ্ঘাটন হয়েছে এশিয়ার বৃহত্তম মেরিন একোয়ারিয়াম নতুন আর পুরাতনের মাঝে হাসপাতালের বিপরিতে।

২৩ টি বিশাল কেশে সামদ্রিক প্রানী ও জীব জগৎকে দেখে নেওয়া যায় ১১-১৫ টায়। দীঘার আর এক আকর্ষণ ন্যাশনাল কাউন্সিল অব সাইন্স মিউজিয়ামের দীঘা বিজ্ঞান কেন্দ্র। নানান মডেলের কারিকুরিতে শিক্ষামূলক বিজ্ঞানকে মজাদার করে তোলা হয়েছে। ফান গ্লাস এ আপনিও মিলিযে নিন আপনার উচ্চতা ও কঙ্কালের সাঙ্গে সাইকেল রেস, ইগলুর মত ঘরে বসে তারামগুল দর্শন, আরও কত কি! চারপাশ ঘিরে সায়েন্সপার্কটিও মজায় ভরা। আর হয়েছে জুরাসিক পার্ক একই চত্বরে। কালিপুজা ও হলি ছাড়া ৩৬৩ দিন ৮- ২০ পর্যন্ত খোলা।

আবার দীঘাকে ঘিরে পর্যটক, বিশেষত বিদেশী পর্যকদের একগুচ্ছ পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে রাজ্য সরকার। পরিকল্পনার অঙ্গ হিসেবে এয়ার ট্রিপ, রোপওয়ে, জলক্রিড়া, পাচতারা হোটেল, দাদন পাত্রবাড়-জলদা-চাঁদপুরে বিলাসবহুল রিসোর্ট অচিরেই রুপ পেতে চলেছে। শংকরপুর দীঘা থেকে ১৩ কিমি. দূরে নতুন গড়ে তোলা মৎস প্রকল্পটিও বেড়িয়ে নেওয়া যায় বাসে। লোকাল বাস যাচ্ছে দীঘা-কলকাতা সড়কে ৮ কিমি. দূরের রামনগর পেরিয়ে আরও ১’শ কিমি দূরের ১৪ মাইল হয়ে। ১৪ মাইল থেকে ভ্যান রিক্সা যাচ্ছে চম্পাখালের বুক বেয়ে ৪ কিমি. দূরের শংকরপুরে। কলকাতা-দীঘা ১০.৩০ টার বাসটি সংকরপুর হয়ে দীঘা যাচ্ছে। আর ৯ টায় দীঘা ছেড়ে শংকরপুর হয়ে কলকাতায় আসছে সিএসটিসির একমাত্র বাস।

এ ছাড়াও সিএসটিসির বাস যাচ্ছে ৬ টা, ৭.৩০টা ও ১৬ টায় দীঘা ছেড়ে আধা ঘণ্টায় শংকরপুর পৌছে আধাঘণ্টার বিশ্রাম নিয়ে বাস ফেরে শংকরপুর থেকে দীঘায়। দীঘা থেকে শ’তিনেক টাকায় ট্যাক্সিতেও বেড়িয়ে ফেরা যায় শংকরপুর। ভ্যান স্টান্ডের ডাইনে শংকরপুর ফিশিং হারবার প্রজেক্ট। সিধে যেতে সাগরবেলা। দুয়ের মাঝে ব্যবধান ১ কিমি। দীঘা-শংকরপুর রোপওয়েও গড়তে চলছে। ঝাউ ও কেয়া ছাওয়া সবুজের বনানী ও মাইলের পর মাইল জুড়ে ঝাউ শুধু ঝাউ। তেমনি পরিত্যক্ত জাহাজ, রুপলী বালিয়াড়ি ধু ধু করছে চারপাশ।

সামনে দিগন্ত বিস্তৃত নীল আকাশের নীলে গোলা বঙ্গোবসাগরের সুনীল জলরাশি। নীরালা সাগর বেলায় ভারতের বৃহত্তম যেটি রয়েছে মৎস প্রকল্পের শংকরপুরে। ট্রলার ও জেলে নৌকার আনাগোনা কর্মযজ্ঞ চলছে মাছ নিয়ে তেমনি সাথী খোজে হারমিট ক্র্যাব অর্থাৎ সন্নাসী কাকড়ারা সারা বীচে। প্রশাস্ত বীচ, মাটি শক্ত; ঘন সন্নিবিষ্ট ঝাউ বিথীকা-উচু উচু বালিয়াড়ি। টাটা শিল্প সংস্থার তাজ হোটেল গ্রুপ দিয়ে চলেছে ট্যুরিস্ট ভিলেজ শংকরপুরে। আর গড়তে চলেছে সিংগাপুরের এক সংস্থা, রাজ্য পর্যটন উন্নয়ন নিগম ও ন্যাশনাল বিল্ডিং কনস্ট্রাকশনের উদ্যোগে ১২০ কোটি টাকা ব্যায়ে ১২ কিমি. ব্যাপ্ত পর্যটন নগরী সংকরপুরে।

পলি ব্যাগ ফ্রি-জোনদিঘা ও শংকরপুর। কলকাতার ধর্মতলা, বিরাটি, উল্টাডাঙ্গা থেকে নিয়মিত বাস রয়েছে। ট্রেনেও যাওয়া যায় হাওড়া থেকে দীঘা। তাম্রলিপ্ত সুঃ ফাস্ট ৬.৪০ ছেড়ে পৌছে ১০.৫কান্ডারী এক্সপ্রেস ২.১০ ছেড়ে পৌছায় ৫.৫ এ দুরন্ত এক্সপ্রেস সকাল ১১.১৫য় ছেড়ে পৌছে ২.১৫। থাকার জন্য ২০০-৫০০০এর অধিক মূল্যমানের হোটেল রুম পাওয়া যায়। খাওযার জন্য রয়েছে সমুদ্রের তাজা মাছসহ সবকিছই।সময় সূচি বর্তমান কালের দেখে নেবেন l

মন্দারমণি যায়নি এমন বাঙালী আজ আর পাওয়া মুশকিল । ভ্রমনপ্রেমীদের কাছে মন্দারমণি আজ এক দারুন উইক এন্ড স্পট। একদম সি বিচের উপর একের পর এক রিসর্ট। ঘর বা বারান্দাই বসে সারাদিন সমুদ্রের ঢেউ গোনার খেলা, নিরালা বিচে আপনজনের সাথে বহুদূর হেঁটে যাওয়া এক কথাই মন্দারমণি অসাধারণ।

digha Mandarmani bengal

কখন যাবেন :-

সারা বছর যখনই চান যেতে পারেন মন্দারমণি। বৃষ্টির দিনগুলোই তো মন্দারমণি অসাধারন। শীতের মরসুমেও বেশ ভিড়।

যাবেন কিভাবে :-

গাড়িতে বা বাসে দীঘার পথে কাঁথির পর চাউলখোলা, এখান থেকে বাঁদিকের রাস্তাটি ধরে সোজা মন্দারমণি। বাসে এলে চাউলখোলা থেকে গাড়ি, ট্রেকার বা মোটরভ্যান পাওয়া যায়। ট্রেনে এলে কাঁথি থেকে গাড়িতে মন্দারমণি চলে আসুন।

এবার মাথা গোঁজার ঠা৺ই :-

এসে তো পড়লেন, এবার একটা থাকার জায়গা তো চাই। পকেটের জোর বুঝে ঢুকে পড়ুন কোন এক রিসর্ট বা হোটেলে। আপনার পেট পূজোর দায়িত্বটাও তারাই নেবে। এবার মন খুলে কাটান অন্তত দুটো রাত। মন্দারমণি আপনাকে উজাড় করে দেবে, চেটে-পুটে নেবার দায়িত্ব কিন্ত আপনার।

Saturday, March 17, 2012

Kolkata Apartment

kolkata apartment

Apartment is defined as the minimum space architectural composed of one or more environments and systematically linked together independent and such as to enable the function of dwelling. The unit thus corresponds to a single dwelling, which may also correspond to the concept more anthropological home. In all primitive cultures unit was founded in prehistoric times, it is the first element that goes to make up the built environment, that environment that is equipped man in modification of the natural environment, to make better their quality of life and optimize the limit of the technological possibilities of the various periods of its activities.

Monday, March 12, 2012

Kolkata Suburban Railway

sealdah railway kolkata suburban local train.jpg

Kolkata Suburban Railway is huge and extensive and covers large areas in hinterland with Sealdah being an important suburban rail terminal. The suburban railway or urban or metropolitan is a type of transportation that uses rail lines eg the so-called loops for routing of convoys in order to ensure a fast moving mass of people in very large cities or fractionated in neighborhoods distant from each other or between them and the urban centers of the district.

Thursday, March 1, 2012

Kolaghat Thermal Power Plant

Kolaghat Thermal Power Plant

Located 50 km away from Kolkata, the Kolaghat Thermal Power Plant, has the highest power generation capacity among the State Sector Utilities of Bengal. The thermal energy can be transformed into other forms of energy, for example, is transformed into electricity in thermal power plants in geothermal power plants and solar power plants.