শীত এলেই মনে পড়ে যায় পিঠার কথা

শীতকাল এসে গেলে এখনও বড় হইচই করে এই শহর। পাবে, বারে, নাইটক্লাবে, চিড়িয়াখানায়, বইমেলায়, পার্কস্ট্রিটে সে এক অনন্ত উত্সব। ডিসেম্বর এলেই মনে হয় গতজন্ম আর ফিরে আসবে না। নতুন একটা বছর গটগট করে হেঁটে বেড়াবে জীবন জুড়ে। আলটিমেটলি স্মৃতি হয়ে যাবে। তবু সেই স্মৃতির স্মরণসভা নিয়ে কী মাতলামিই! মাতলামি, আঁতলামি,আস্তে লেডিস, জোট, মিছিল, গণতন্ত্র, হিংসা, দেখে নেব, ছোড়েঙ্গে নেহি, মার শালাকে—কলকাত্তাইয়া ভিড়ের সর্বনাম।

শীত এলেই মনে পড়ে যায় শীতের পিঠার কথা। পিঠা ছাড়া বাঙ্গালীর জীবনে শীত যেন পরিপূর্ণ হয় না। শীতের সকালে কাঁপতে কাঁপতে মায়ের উনুনের পাশে বসে পিঠা খাওয়া গ্রামের অতি পরিচিত দৃশ্য। সকাল-সন্ধ্যায় গায়ে গরম কাপড় জড়িয়ে ধোঁয়া উঠা ভাপা পিঠা, চিতই (কাঁপিপোড়া) পিঠা সাথে খেজুরের গুড়ের স্বাদ পেতে ভালবাসে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। সুস্বাদু ও মুখরোচক ভাপা পিঠা ও চিতই (কাঁপিপোড়া) পিঠা গ্রাম-বাংলার একটি ঐতিহ্যবাহী খাবার।



এ্যান্টার্কটিকার ভস্টোক স্টেশনে সর্বকালের সবচেয়ে ঠান্ডা তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিলো। দিনটা ছিলো ১৯৮৩ সালের ২১শে জুলাই। তাপমাত্রা ছিলো -৯৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস! এ্যান্টার্কটিকা বাদে অন্যান্য শীতপ্রবন এলাকা হলো সাইবেরিয়া, ফিনল্যান্ড এবং মঙ্গোলিয়া। উত্তর গোলার্ধে ডিসেম্বার-ফেব্রুয়ারি মাসে সবচেয়ে বেশি শীত পড়ে। দক্ষিণ গোলার্ধে মূলত বছরের মাঝামাঝি সময়ে বেশি শীত পড়ে। যেমন অস্ট্রেলিয়ায় সবচেয়ে বেশি শীত পড়ে জুনে। শীতের সময় ব্ল্যাক বিয়ার শীতনিদ্রায় চলে যায়। এসময় তাদের হার্টবিট মিনিটে ৮ বিট হ্রাস পায়, এবং ১০০ দিন তারা না খেয়ে থাকতে পারে। এস্কিমোরা বরফের রাজ্যে থাকলেও খাদ্য সংরক্ষণের জন্যে তারা রেফ্রিজারেটর ব্যবহার করে!