Monday, February 15, 2016

হাওড়া স্টেশন

ভারতের ব্যস্ততম রেল স্টেশন হল হাওড়া স্টেশন। বর্তমানে ভারতের সবচেয়ে বড় ও সবচেয়ে প্রাচীন স্টেশন হাওড়া ছিল ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়ান রেলওয়ে কোম্পানির মালিকানাধীন। ১৮৪৭ সালের জানুয়ারি মাসে, ইস্ট ইন্ডিয়ান রেলওয়ে কোম্পানি তৈরী হয়, ইস্ট ইন্ডিয়া রেলওয়ে কোম্পানি ও গ্রেট ওয়েস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে কোম্পানি কে একত্রিত করে।

১৭ই অগাস্ট ১৮৪৯ সালে, তৎকালীন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি, ইস্ট ইন্ডিয়ান রেলওয়ে কোম্পানির সাথে, কলকাতা থেকে বর্ধমান পর্যন্ত একটি পরীক্ষামূলক রেল লাইন বসানোর চুক্তি করে। যদিও এর আগেই ১৮৪৫ সালেই, ইস্ট ইন্ডিয়ান রেলওয়ে কোম্পানি প্রাথমিক পর্যবেক্ষণের পরে এই রেল লাইন চালুর আবেদন করেছিল।

ইস্ট ইন্ডিয়ান রেলওয়ে কোম্পানির তৎকালীন ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও চিফ ইঞ্জিনিয়ার জর্জ টার্নবুল ও কোম্পানির ইঞ্জিনিয়াররা, ৭ই মে ১৮৫০ সালে, হাওড়া থেকে বর্ধমান পর্যন্ত লাইন পরীক্ষা করে, ট্রেন চালানোর পক্ষে সবুজ সংকেত দেন। ১৮৫৪ সালের ১৫ই অগাস্ট, সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে হাওড়া স্টেশন থেকে হুগলির উদ্দেশ্যে প্রথম ট্রেনটি ছাড়ে। উল্লেখ্য যে, ২৪ মাইল যাত্রাপথের প্রথম ট্রেনের জন্য, রেল কোম্পানি প্রায় ৩ হাজার আবেদন পত্র পেয়েছিল।

ট্রেনটিতে ছিল, ৩টি প্রথম শ্রেণী, ২টি দ্বিতীয় শ্রেণী, তৃতীয় শ্রেণীর যাত্রীদের জন্য ৩টি 'ট্রাকস' এবং গার্ডের জন্য একটি ব্রেক ভ্যান। এগুলি সবই কলকাতায় তৈরী করা হয়েছিল। প্রথম যাত্রায়, হাওড়া থেকে হুগলী যেতে সময় লেগেছিল ৯১ মিনিট। হাওড়া-হুগলী যাত্রাপথের মাঝে, ট্রেন থামত, তিনটি স্টেশনে- বালি, শ্রীরামপুর ও চন্দননগরে। ট্রেনের প্রথম শ্রেণীর ভাড়া ছিল ৩ টাকা ও তৃতীয় শ্রেণীর ভাড়া ছিল ৭ আনা।

জর্জ টার্নবুল, ১৭ই জুন ১৮৫১ সালে, প্রথম হাওড়া স্টেশন বিল্ডিং এর জন্য প্ল্যান জমা দেন। যদিও, সরকারি আধিকারিকরা, হাওড়া স্টেশনের জন্য কোম্পানি যতটা জমি চেয়েছিল ততটা জমি দিতে রাজি ছিলেন না। যদিও, রেল কোম্পানির ক্রমাগত বর্ধিত হতে থাকা লাভের অংক দেখে, পরে তাদের মত পরিবর্তন ঘটে।

Howrah Station

১৮৫২ সালের জুন মাসে, জর্জ টার্নবুল, পুনরায় হাওড়া রেল স্টেশনের সম্পুর্ন ও পরিমার্জিত প্ল্যান জমা দেন। এবারে, সেই প্ল্যান গৃহীত হয় ও স্টেশন তৈরীর জন্য টেন্ডার ডাকা হয়। ১৮৫২ সালের অক্টোবর মাস পর্যন্ত, ৪টি টেন্ডার জমা পড়ে। তখনকার দিনে জমা পড়া ৪টি টেন্ডারের দর ছিল ১লক্ষ ৯০ হাজার টাকা থেকে ২লক্ষ ৭৪ হাজার ৫২৬ টাকার মধ্যে। হাওড়া স্টেশন তৈরীর জন্য, রেল কোম্পানি আনুমানিক খরচের হিসাব ছিল ২লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।

রেল কোম্পানি, বর্তমান হাওড়া রেল স্টেশনের জমি অধিগ্রহণ করার আগে, সেই জমিটি ছিল একজন পর্তুগিজ ব্যক্তির, যিনি সেখানে একটি অনাথ আশ্রম চালাতেন ও এর সাথে একটি চার্চ ছিল। কোম্পানি তাঁর কাছ থেকে জমিটি ক্রয় করে, তার অনাথ আশ্রম ও চার্চটিকে কলকাতায় সরিয়ে নিয়ে যাবার ব্যাবস্থা করে দেয়।

যেহেতু তখন হাওড়া সেতু ছিলনা, তাই হাওড়া স্টেশনে যেতে হত নৌকা দিয়ে হুগলী নদী পার করে। আর হাওড়া স্টেশনের দিকে কোন ঘাট না থাকার জন্য, যাত্রীদের আর্মেনিয়ান ঘাটে নেমে, সেখানে থাকা রেল কোম্পানির টিকিট কাউন্টারে ট্রেনের টিকিট কাটতে হত। ট্রেনের টিকিটের সাথে, নদী পারাপার হবার ভাড়াও জুড়ে দেওয়া থাকত। ১৮৮৬ সালে, হাওড়া পন্টন ব্রীজ তৈরী হবার পরে, এই পদ্ধতি বন্ধ হয়।

১৮৬০ সালে বর্তমানের লাল ইঁট দিয়ে তৈরী হাওড়া স্টেশন নির্মাণের কাজ শুরু হয়। ১৮৬৫ সালের আগে পর্যন্ত হাওড়া স্টেশনে একটি মাত্র প্লাটফর্ম ছিল। ১৮৬৫ সালে, ট্রেন আসা ও যাওয়ার জন্য, দুটি আলাদা প্লাটফর্ম তৈরী করা হয়। ১৮৯৫ সালে, আরো একটি নতুন প্লাটফর্ম বানানো হয় ও হাওড়ায় মোট প্লাটফর্মের সংখ্যা হয় ৩টি। এই প্লাটফর্মগুলি দৈর্ঘ্যে এমনকিছু বড় ছিল না। এর জন্য ট্রেনের প্রায় ৫টি বগি প্লাটফর্মের বাইরেই থাকত। প্রথমের কোচগুলো ছিল ৪ চাকার। ৮ চাকার কোচ, ১৯০৩ সাল থেকে চালু হয়।

হাওড়ার ওপরে, ক্রমাগত যাত্রীর চাপ বাড়ার জন্য, ১৯০১ সালে, নতুন করে হাওড়া স্টেশনকে গড়ে তোলার প্রস্তাব দেওয়া হয়। নতুন হাওড়া স্টেশনের নকশা করেন ব্রিটিশ স্থপতি হেলসেই রিকার্ডো। ১৯০৫ সালে, নতুন ৬ প্লাটফর্মের (সাথে আরো ৪টি নতুন প্লাটফর্ম তৈরী করার জায়গা সমেত) হাওড়া স্টেশন সম্পূর্ণ হয় এবং এর উদ্বোধন হয় ১৯০৬ সালে।

Sunday, February 14, 2016

Kolkata Valentine Day


San Valentino, also known as Saint Valentine in Terni or Valentine from Interamna, was a Roman, martyr bishop. Venerated as a saint by the Catholic Church, by the Orthodox and later by the Anglican Church, is considered the patron saint of lovers and protector of epileptics.

Saturday, February 13, 2016

১৪ ফেব্রুয়ারী ভ্যালেন্টাইন ডে - ভালবাসা দিবসের কবিতা, এসএমএস, উপহার, ইতিহাস

ষোড়শ শতাব্দী থেকে শুরু হয় আধুনিক ভ্যালেন্টাইন ডে রীতি। বিশ্ব ভালোবাসা দিবসের একটি নাম ভ্যালেনটাইনেস ডে। ভালোবাসা দিবসের উৎপত্তি নিয়ে অনেকের মধ্যে বিরোধ আছে। যে কাহিনীই শুনি, সেইটাকেই সত্য বলে মনে হয়। তরুণ-তরুণীরা মনের মানুষের কাছে চিঠি, এসএমএস, ভিডিও বার্তায় ভালোবাসার নিমন্ত্রণ পাঠায়। ১৯৩৬ সালের পূর্বে কাগজের কার্ডের পরিবর্তে তামার পাত বা কাঠের ফলকে খোদাই করে মনের কথা পাঠানো হতো। ইউরোপে ১৪ ফেব্রুয়ারি আসার এক সপ্তাহ পূর্ব থেকেই উৎসব শুরু হয়ে যায়।

পাশ্চাত্যের দেশগুলোতে এ দিবস ঘটা করেই পালন করা হয়। শিশুরা স্কুলে ‘ভ্যালেন্টাইন ডে’ সঙ্গীত পরিবেশন করে। বিশেষ খাবারের আয়োজন করে ইতালির অধিবাসীরা। আর কাগজের তৈরি লাল ফুল বিনিময় করে ডেনমার্কবাসী। পিছিয়ে নেই বাংলাদেশও। রয়েছে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উদযাপন পরিষদ, ‘যৌতুক নয় ভালোবাসায় জীবন গড়ি’ স্লোগান নিয়ে ১৯৯৮ সালে এ দেশে তাদের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।

গত কয়েক বছর ধরে অনেক দেশে এই দিবস পালনের রীতি চালু হয়েছে। রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন হোক বা না হোক দিবস পালনের নিষেধাজ্ঞা চোখে পড়ে না। বরং কিছু কিছু মিডিয়া এমনভাবে অনুষ্ঠান প্রচার ও লেখালেখি করে যাতে অর্ধ-মৃত মানুষেরও ঘুম ভেঙে যায় এই দিবস পালনের তাড়নায়। কারো কারো কাছে এ দিবস যেন অর্থ উপার্জনের হাতিয়ার। তারা নানাভাবে উপার্জনে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।

এ শুরুর ইতিহাস হিসেবে একাধিক ঘটনা জানা যায়। কোনটি সঠিক বলা মুশকিল। প্রত্যেকেই তার নিজের মতো করে ব্যাখ্যা দেয়ার চেষ্টা করেন। প্রাচীন রোমবাসী কুমারী মেয়েরা ১৪ ফেব্রুয়ারি দিনে ভালোবাসার কাব্য লিখে মাটির পাত্রে জমা করত আর যুবকরা পাত্র থেকে একটি লেখা তুলে নিতো। যুবকের হাতে যার লেখা উঠে আসতো সেই মেয়েটিকেই সে ভালোবাসতো। (বিশ্ব দিবস)।

Valentine's Day Kolkata images

অপর একটি বর্ণনায় পাওয়া যায়, রোমান সা¤্রাজ্যে খ্রিস্টান ধর্ম প্রচার নিষিদ্ধ হওয়ার পর ধর্ম প্রচারের অভিযোগে ইতালির সেন্ট ভ্যালেন্টাইন নামক একজন চিকিৎসক খ্রিস্টান পাদ্রিকে তৎকালীন রোমান স¤্রাট দ্বিতীয় ক্রাডিয়াস বন্দি করেন। বন্দি অবস্থায় কারারক্ষীর দৃষ্টিহীন মেয়েকে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে তোলার ফলে তার সুনাম ছড়িয়ে পড়ে। মেয়েটির সঙ্গে ভ্যালেন্টাইন ভালোবাসার সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। কারাবন্দি অবস্থায় সে ভালোবাসায় জড়িয়ে পড়লে রাজা তাকে মৃত্যুদ- দেন (১৪ ফেব্রুয়ারি)। এরপর থেকেই খ্রিস্টান সম্প্রদায় ভ্যালেন্টাইনের প্রতি শ্রদ্ধার নিদর্শন হিসেবে এ দিবসটি নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালন করতে থাকে।

ভ্যালেন্টাই দিবসের মতো খ্রিস্টানরা আরো অনেক দিবস পালন করে থাকে। যেমন- সেন্ট এন্ডু ডে (৩০ নভেম্বর), সেন্ট মার্টিন ডে (১১ নভেম্বর), সেন্ট বার্থেলোমিজম ডে (২৪ আগস্ট), সেন্ট জর্জ ডে (২৩ এপ্রিল), সেন্ট পথাট্রিক ডে (১৭ মার্চ)। কিন্তু উৎসবের প্রকাশভঙ্গি গির্জার চেতনাবিরোধী হয়ে পড়ায় ১৭৭৬ সালে ফ্রান্স সরকার কর্তৃক ভ্যালেন্টাইন উৎসব নিষিদ্ধ হয়।

আজকাল ১৪ ফেব্রুয়ারি এলেই এক শ্রেণীর প্রেমিক-প্রেমিক দু’জন দু’জনকে একান্তে পাওয়ার ইচ্ছায় নানা কিছু করে। কার্ড, ফুল, চকলেট, লটারি, বিনোদন, ডেটিং, বৈশিষ্ট্যের পার্টিতে যোগদান, নানা কিছু উপহার দেয়া, মন বিনিময়, মত বিনিময় এ দিবসের মূল লক্ষ্য। উপহারকে যে যত বেশি আকর্ষণীয় করতে পারে তার ভালোবাসা যেন ততই পূর্ণতা লাভ করে। কেউবা তার প্রেমিকাকে এভাবে বলে, পৃথিবীর সকল উপহারই তোমার কাছে তুচ্ছ। তাই তোমার জন্য আমি নিজেই জীবন্ত উপহারের উপকরণ।

Wednesday, February 10, 2016

Kolkata Disco Nightclub

park street nightclub pub disco

Kolkata nightclub is characterized by a atmosphere and soft music generally live. Usually you can consume alcoholic beverages, and you can dance. The difference with the bar and the pub is the presence of live music or a disc jockey and a dance floor. Some nightclubs also have other types of attractions, including dancers pole dance, lap dance, cubist or strippers. In these cases, the difference with the strip club is very labile. In fact, usually, only the adults can enter.

Tuesday, February 9, 2016

South City Mall

South City mall kolkata jadavpur

South City Mall shopping center is a homogeneous building complex specially designed and built to accommodate a number of businesses stores of large retail chains, stores specialized retail, wholesale or temporary, retail chains in franchising, cinemas, restaurants, banks and other services to person as hairdressers gyms and more.

Wednesday, February 3, 2016

Joynagarer Moa


Joynagarer moa is one of popular sweets in Bengal. This Bengali sweet available during winter season is a famous but rustic sweet and a must taste during winters which is sweet, round and quintessentially Bengali made from khoi, kheer and nolen gur, and is only a winter treat.