Friday, July 31, 2015

হাওড়া ব্রিজ - ছবি ও ইতিহাস

ভারতের কলকাতা শহর এবং হাওড়া শহরের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনকারী বিখ্যাত সেতু হলো হাওড়া ব্রিজ। এটি হুগলি নদীর ওপর অবস্থিত। হাওড়া ব্রিজ নামে বেশি পরিচিত হলেও ব্রিজটির বর্তমান নাম রবীন্দ্র সেতু। ১৮৭১ সালে ব্রিজটি নির্মাণের পরিকল্পনা করেন তৎকালীন ব্রিটিশ শাসকরা। এরপর ১৮৭৪ সালে হাওড়া ব্রিজের নির্মাণকাজ শেষ হয়। ব্রিজটি ছিল তৎকালীন ভারতবর্ষে সর্ববৃহৎ ভাসমান অবকাঠামো।

এই ব্রিজটির পরিকল্পনা, নকশা প্রণয়ন এবং তা বাস্তবায়নের দায়িত্ব পান ব্রিটিশ প্রকৌশলী স্যার ব্র্যাডফোর্ড লেসল। সে সময় ভারতে উন্নত প্রাযুক্তিক সুবিধার সীমাবদ্ধতার কারণে লেসল ইংল্যান্ডে সেতুর মূল কাঠামো নির্মাণ করেন। পরে জাহাজে করে মালামালগুলো কলকাতায় এনে সেতুটির জন্য নির্ধারিত জায়গায় বসিয়ে দেন। সেতুটির দুই দিকের স্তম্ভের মাঝখানের অংশের দৈর্ঘ্য ছিল ১৫২৮ ফুট।



সে সময়ই সেতুটির নির্মাণে ব্যয় হয়েছিল ৬০ লাখ রুপি। তবে সেতুটি নির্মাণের সময় ১৮৭৪ সালেই এক ঘূর্ণিঝড়ে একটি অংশ ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। পরে সেগুলো মেরামত করে যানবাহন চলাচলের উপযোগী করা হয়। ১৯৪৫ সালে পুরনো সেতুটির জায়গায় বর্তমানের ক্যান্টিলিভার সেতুটির উদ্বোধন করা হয়। বর্তমানের রবীন্দ্র সেতুটি শক্তিশালী ঝড়কেও মোকাবিলা করতে সক্ষম। বর্তমানে এই সেতু দিয়ে দৈনিক গড়ে প্রায় এক লাখ গাড়ি এবং ১০ লাখ পথচারী চলাচল করে।

নির্মাণের পর থেকেই সেতুটি প্রয়োজনীয়তা ও সৌন্দর্যের দিক থেকে ভারতবর্ষসহ বিশ্বব্যাপী মানুষের কাছে বিশেষ গুরুত্ব লাভ করে। এটির নির্মাণ কৌশল এবং ব্যবহৃত উপকরণ বিশেষভাবে সমাদৃত হয়।

Thursday, July 9, 2015

Guava

guava

The guava often referred to as the Spanish Guayaba is a small tree widely cultivated for the commercial value of its fruits. The place of origin of the guava is not certain, but is believed to be the area between Mexico and the southern Central America. It was then spread by humans, birds and other animals in all areas of warm-temperate America and in tropical West Indies from the XVI century. The guava was already known to the Aztecs, who called Xoxocotlan plum sand in later times the first historical date to the first decades of the sixteenth century to the work of Hernandez de Oviedo.

Thursday, July 2, 2015

সিঙ্গারা বানানোর রেসিপি - সিঙ্গারা ভাঁজ করার পদ্ধতি

বাঙ্গালীদের জাতীয় খাবার এর তালিকায় আমি সিঙ্গারাকেই সবার উপরে রাখব। দুপুরে লাঞ্চের আগে গরম গরম সিঙ্গারা আর পেয়াজ হলে কথাই নেই! সিঙ্গারার স্বাদ নির্ভর করে ভিতরের উপকরণ এর উপর। আর উপকরণ হিসেবে যদি আলু থাকে তাহলে স্বাদই থাকে আলাদা। মজার আলু সিঙ্গারার খোঁজে কলকাতার অলি-গলি চষে বেড়িয়েছি। পুরান কলকাতার সিঙ্গারা খেয়ে মন-পেট দুটোই ঠাণ্ডা হল।

সিঙ্গারার ভিতরটা সাধারণত ড্রাই হয় কিন্ত এদের সিঙ্গারা রসাল ছিল। প্রতি কামড়েই আলুর উপস্থিতি টের পাচ্ছিলাম। সিঙ্গারার সাথে তারা ঘন সস দেয়। সিঙ্গারার ভিতর আলু, আর পেয়াজের দারুন একটা মিলন ছিল! এত মজা লেগেছে যে বাসায় পার্সেলও করে নিয়ে এসেছি ।

Singara Bengali Style

উপকরণঃ

১. আলু -১/২ কেজি
২. মৌরি -১/২ চা চামচ
৩. জিরা -১/২ চা চামচ
৪. মেথি ১/২ চা চামচ
৫. পেঁয়াজ ২ টি
৬. কাঁচামরিচ ৪-৬ টি
৭. আদা ছেঁচা- ২ চা চামচ
৮. জিরা টালা এবং গুঁড়ো- ১ চা চামচ
৯. দারচিনি গুঁড়ো- ১ চা চামচ
১০. ময়দা ২ কাপ
১১. কালজিরা ১ চা চামচ

প্রণালী:

-আলু খোসা ছাড়িয়ে মটরের মত ছোট ছোট টুকরা করে নিতে হবে। কড়াইয়ে ৩ টেবিল চামচ তেল গরম করে মৌরি, জিরা ও মেথি একসাথে মিশিয়ে তেলে ফোড়ন দিন। পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ, আদা ও ১টি তেজপাতা দিয়ে ভাজুন ও আলু দিন।

- একটু ভাজা হলে ১ চা চামচ লবণ ও ৩ টেবিল চামচ পানি দিয়ে ঢেকে মৃদু আঁচে রান্না করুন। আলু সিদ্ধ হয়ে গেলে নেড়ে নেড়ে ভাজতে হবে যেন আলু ভাজা ভাজা হয় এবং একটু ভেঙ্গে ভেঙ্গে যায়। জিরা ও দারচিনির গুঁড়া দিয়ে নামিয়ে ঠাণ্ডা করতে হবে। ঠান্ডা হলে আলু ২৪ ভাগ করে হাতের মুঠায় ঠেসে গোল করে নিতে হবে। এতে খামিরে ভরতে সুবিধা হবে।

-ময়দায় ৪ টেবিল চামচ তেল দিয়ে ময়ান দিন। কালজিরা মেশান। আধা কাপ পানিতে ১ চা চামচ লবণ গুলে এই পানি আন্দাজমতো দিয়ে ময়দা মথে নিন। খামির শক্ত হবে। এক ঘণ্টা রেখে দিন।

-খামির ভালো করে মথে ১২ ভাগ করে নিন। একভাগ ডিম এর আকারে বেলে ছুরি দিয়ে কেটে দু’ভাগ করে নিন (লম্বায় না কেটে পাশে কাটলে ভালো)।
-একভাগ দু’হাতে ধরে কোণ বা পানের খিলির মত ভাঁজ করুন। ভিতরে ভর্তি করে ঠেসে আলুর পুর দিন। খোলামুখে পানি লাগিয়ে ভালভাবে এঁটে দাও দিন প্যকেটের মত। নীচের সুচালো অংশ একটু মুড়ে দিন। চওড়া মোড়ানো দিক উপরে দিয়ে সিঙ্গারা একটি থালায় সাজিয়ে রাখ। এভাবে সব সিঙ্গারা তৈরি করে নিন।

-কড়াইয়ে দেড় কাপ তেল মৃদু আঁচে অনেকটা সময় গরম করে নিন। আচ বেশি হলে সিঙ্গারার চেহারা নষ্ট হয়ে যাবে। অর্ধেক সিঙ্গারা একবারে তেলে ছাড়ুন। মৃদু আঁচে ১৫-২০ মিনিট ভাজুন। হালকা বাদামি ও মচমচে হলে নামিয়ে নিন। জিরা, তেঁতুলের চাটনী, মেয়েনেজ বা টমেটো সসের সাথে গরম সিঙ্গারা পরিবেশন করুন। ওপরে মাখন মাখিয়েও পরিবেশন করতে পারেন।