Monday, December 22, 2014

কলকাতা হাই কোর্ট

কলিকাতা উচ্চ আদালত বা কলকাতা হাই কোর্ট ভারতের প্রথম এবং প্রাচীনতম হাইকোর্ট। ১৮৬১ সালের হাইকোর্ট আইন বলে ১৮৬২ সালের ১ জুলাই কলকাতা হাইকোর্ট স্থাপিত হয়। সেই সময় এই হাইকোর্টের নাম ছিল হাই কোর্ট অফ জুডিকেচার অ্যাট ফোর্ট উইলিয়াম। বর্তমানে সমগ্র পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ কলকাতা হাইকোর্টের অধিকারক্ষেত্রের অন্তর্গত। আন্দামান ও নিকোবরের রাজধানী পোর্ট ব্লেয়ারে কলকাতা হাইকোর্টের একটি সার্কিট বেঞ্চ আছে।



হাইকোর্ট ভবনটি বেলজিয়ামের ইপ্রেসের ক্লথ হলের আদলে নির্মিত। উল্লেখ্য, প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ক্লথ হল ক্ষতিগ্রস্থ হলে সেটি পুনর্নিমাণের জন্য ওই শহরের মেয়র কলকাতা থেকে এক সেট প্ল্যান চেয়ে পাঠিয়েছিলেন। ১৮৬৪ সালের মার্চ মাসে ভবনটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়। নির্মাণকার্য শেষ হতে সময় লেগেছিল আট বছর। এই ভবনে একটি ১৮০ ফুট উঁচু টাওয়ার আছে। হাইকোর্ট ভবনের নকশাটি বেশ জটিল।

১৮৭২ সালে স্যার বার্নেস পিকক কলকাতা হাইকোর্টের প্রথম প্রধান বিচারপতি নিযুক্ত হন। হাইকোর্টের প্রথম ভারতীয় বিচারক ছিলেন শম্ভুনাথ পণ্ডিত। হাইকোর্টের প্রথম ভারতীয় প্রধান বিচারপতি ছিলেন রমেশচন্দ্র মিত্র এবং প্রথম পূর্ণ মেয়াদের ভারতীয় প্রধান বিচারপতি ছিলেন ফণীভূষণ চক্রবর্তী। হাইকোর্টের দীর্ঘতম মেয়াদের প্রধান বিচারপতি ছিলেন শংকরপ্রসাদ মিত্র।

Friday, December 19, 2014

TATA Centre


Tata Centre is one of the largest industrial groups in India with a long history in various industrial sectors. The Tata Group was founded by Jamshedji Tata and from the foundation of a member of the Tata family has almost always been at the helm of the group. Currently the chairman is Ratan Tata who succeeded JRD Tata in the nineties . The group consists of 93 companies in seven business sectors that employs about 220,000 employees. About 65% of the ownership of Tata Group is controlled by the Foundation.

Tuesday, December 16, 2014

Hooghly River


Hugli, often referred to in its transliteration English Hooghly, is a river of India of 250 km, branch west of the delta of the Ganges. It forms a Santipur near the town of Baharampur, flows in the state of West Bengal, passing between the twin cities of Howrah and Kolkata and empties into the Bay of Bengal near Diamond Harbor. Its two main tributaries are the Damodar and the Rupnarayan.

Monday, December 15, 2014

পূর্ণিমা রাত কবে - চাঁদ, তিথি

ভরা পূর্ণিমা রাতে আকাশের চাঁদ উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর হয়। মায়াবী তারার দল তাদের অনুপম সৌন্দর্য মেলে ধরে। এই রাতে চাঁদ-তারাদের ঝলকানিতে মানুষ বিমোহিত হয়। চন্দ্র-তারারা পূর্ণিমা রাতে পৃথিবীকে এতটাই আলোকিত করে যে মানুষের তৈরি বৈদ্যুতিক আলো সেই আলোর কাছে তুচ্ছ হয়ে নতি স্বীকার করে। এই রাতে যদি লক্ষ ওয়াটের বৈদ্যুতিক বাল্ব দিয়েও আলো জ্বালানো হয়, তবুও সেই আলো জোনাকির আলোর মতো ক্ষুদ্র হয়ে মানুষের চোখে ধরা পড়ে।

অন্যদিকে, অমাবস্যা রাতে থাকে ঘুটঘুটে অন্ধকার। এই ঘুটঘুটে অন্ধকারের মাঝে নিজের হাতের আঙ্গুলগুলোও ঠিকমতো দেখা যায় না। এই অন্ধকারের মাঝে যদি ছোট্ট একটা মোমবাতিও জ্বালানো হয়, তাহলে সেই মোমবাতির আলো বিরাট কিছু হয়ে আমাদের চোখে ধরা পড়ে। মনে হয় যেন ছোট্ট মোমবাতির আলো সমগ্র অন্ধকারকে দূরীভূত করতে সক্ষম।



একাদশী, অমাবস্যা, পূর্ণিমা তিথিতে জোয়ার ভাটার কারনে দেহে জলীয় পদার্থের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। এই সময় অন্নাদি শাকপাতা ভোজোনে শরীর অলস হয়ে পড়ে । এই সময় আহার সংযম প্রয়োজন। এই জন্য বাত রোগী অমাবস্যায়, পূর্ণিমায় নিশিপালন করেন ।



Sunday, December 14, 2014

নিক্কো পার্ক - কলকাতার দর্শনীয় স্থান

নিক্কো পার্ককে প্রায়ই পশ্চিমবঙ্গের ডিজনিল্যান্ড নামে অভিহিত করা হয়। এটির ধারণা ও উদ্দীপনার জন্যই তাকে বিশ্ব বিখ্যাত থিম পার্ক হিসাবে পরিমাপ করার বাস্তব কারণ নয়, বরঞ্চ এর অনুপ্রেরণার আরোও বড় কারণ হল উদ্যানটি তৈরি করার পিছনে চিন্তাধারা। রাজীব কৌলের মস্তিষ্কপ্রসূত নিক্কো পার্কটি গড়ে তোলার পিছনে ছিল তাঁর অনুপ্রেরণার মুহুর্ত, একবার তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডিজনিল্যান্ডের একটি সফরে গিয়েছিলেন এবং সেটির শ্রেষ্ঠ সৃজনশীল চিত্রকল্প দেখেন।

ফিরে আসার পর তিনি নিক্কো পার্ক তৈরির পরিকল্পনা করেন ও গড়ে তোলেন এবং আজকের দিনে এটি 40 একর জুড়ে বিস্তৃত এক উদ্যান এবং তার আকর্ষণ 2 কোটি 40 লক্ষেরও বেশি অতিথিদের দ্বারা পরিদর্শিত হয়েছে।

এই উদ্যানটি ভূমি, জল ও বায়ু রাইডের প্রস্তাব দেয় যা ভারতের শ্রেষ্ঠত্বের মধ্যে মর্যাদা পায়। সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সঞ্জিবনী রাইড হল ওয়্যাটার ছুট। জলের ছুট-এ স্লাইডিং-য়ের সময় আপনি আপনার চিৎকার নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না এবং পুনরায় দ্বিতীয় দফার জন্য সিঁড়িতে ওঠার অপেক্ষাও করতে পারবেন না। তারপর এখানে ট্যুইস্ট-আ্যন্ড-টার্ন রাইড রয়েছে যেখানে আপনার পুরো পরিবারকে একটি হতবুদ্ধিকর আবর্তিত গাড়ীর মধ্যে ঢোকানো হয়।

যারা উপর থেকে রাইডগুলিকে নিরীক্ষণ করতে চান, তার জন্য সেখানে কেবেল কার রয়েছে, যা 5 মিনিটের একটি অন্তরীক্ষ দৃশ্য প্রদর্শন করায়। ভীরুদের জন্য সেখানে খাড়াই অবনমনগুলি বাদ দিয়ে মুন-বেকার নামে একটি ছোট বেলনাকার বাহন রয়েছে। একটি বাস্তবিক ভিক্টোরিয়া যুগের আনন্দ উপভোগের অনুভূতির জন্য আপনার ক্যারৌসোল-এ খেলনা ঘোড়ার পিঠে বসে লাফানোর প্রয়োজন। আপনার সমগ্র দল তাদের পছন্দমত একটি ঘোড়া নিতে পারেন এবং চমৎকারভাবে লাফাতে লাফাতে উপরে যেতে পারেন। দ্য সাইক্লোন - ভারতের সবচেয়ে বড় কাঠের বেলনাকার যান – এখানকার জ্যোর্তিময় আকর্ষণ।

এই যানটির চলার সময় কর্কশ শব্দ শুনে আপনার গলা শুকিয়ে যাবে, তখন কি করবেন তা আন্দাজ করতে পারবেন না। সাইক্লোনের ট্র্যাক ধরে নীচে নামার সময় গর্জনে দীর্ঘ কয়েক মুহুর্ত নিছক “পাগল”-এর ন্যায় চিৎকার করে। তার উপর সেখানে আবার ছোট শিশুদের জন্য ওয়াটার- মেরী- গো-রাউণ্ড আছে এবং প্রকৃত আইফেল টাওয়ারের প্রতিকৃতিতে নির্মিত আইফেল টাওয়ার রয়েছে যা সমগ্র ধারণাটির মধ্যে আলতো ফরাসি ছোঁয়া এনেছে।

নিক্কো পার্কে ওয়েট-ও-ওয়াইল্ড পার্ক নামে অভিহিত একটি উদ্যানও রয়েছে যা একান্তভাবে জলজ আকর্ষণের কেন্দ্রস্থল; যেমন – ওয়েভ পুল (তরঙ্গায়িতজলনিধি), জায়ান্ট ওয়াটারফল (দৈত্যাকার জলপ্রপাত) ও কিড’স পুল (শিশু জলনিধি)।

নিক্কো পার্কের জনপ্রিয়তা শুধুমাত্র তার রাইডগুলির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এই থিম উদ্যানটি ব্যাক্তিগত ও সংস্থাবদ্ধ বিনোদনের জন্যও প্রিয় স্থান। রাজ্যিক উৎসব, পণ্যের উদ্ঘাটন, শিল্পপতিদের রাত্রির খাবারের বিনোদন, জাতীয় সংবেদনশীল সঙ্গীতবিদদের দ্বারা পরিবেশিত সঙ্গীত রজনী – সমস্ত কিছুই উদ্যানে লক্ষ্য করা যায়।

উদ্যানটিতে অনেক স্থান রয়েছে; যেমন ওয়্যাটারসাইড হল, ওয়েট-ও-ওয়াইল্ড ওয়াটার পার্ক, অন্তরঙ্গন বিনোদন কেন্দ্র, প্লাজা এবং সভাগৃহ – এই সবগুলিই বিভিন্ন অতিথি বিভাগের পরিবেশন করার জন্য নকশায়িত করা আছে। রান্নাঘর, কার পার্কিং, শৌচালয়, গৃহস্থলীর কর্মী ও আপদকালীন জরুরী পদ্ধতির সমন্বয়ে সম্পূর্ণরূপে সুসজ্জিত – উদ্যানটি কার্যক্রমের আয়োজনের জন্য এক যথার্থ স্থান।

বোলিং আ্যল্যে-র কাছে অবস্থিত, দ্য বোলার’স ডেন রেস্তোঁরা, নিকো পার্কের পরের দরজাতেই বর্তমান রয়েছে। এখানে বিভিন্ন প্রকারের সু্স্বাদু চীনা, থাই, উত্তর ভারতীয় ও মহাদেশীয় খাবার পরিবেশিত হয়। যদিও নামটি অসার্থক কারণ নিক্কো পার্কে আর একটিও বোলিং আ্যল্যে উপলব্ধ নেই।



নিক্কো পার্কের স্তর বিশ্ব মানের মর্যাদা স্থির করেছে। নিক্কো পার্ক শুধুমাত্র তার রাইডগুলির জন্যই প্রসিদ্ধ নয়। এটি তার সাবলীল বিচক্ষণতার জন্যও সুপ্রসিদ্ধ রয়েছে যা উদ্যানটিকে চালনা করে চলেছে এবং উদ্যানটিকে কোথা থেকে আজকের দিনের এই উদ্যানে নিয়ে এসেছে। উদ্যানটির বিশ্বস্তরের মান ও অভ্যন্তরীণ রাইডগুলি বিদেশে ভালোভাবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্ল্যাকপুল প্ল্যাজার বীচ, সেখানে তাদের দুটি রাইডের উন্নতির কাজের জন্য নিক্কো পার্ক থেকে ইঞ্জিনীয়ারদের ন্যস্ত করেছেন – তাদের অন্তর্দৃষ্টি চেনার জন্য এর চেয়ে ভালো উপায় আর কি হতে পারে? নিক্কো পার্ক দল প্রকল্প সংক্রান্ত পরামর্শ পরিষেবা প্রদান করে।

দলের জ্ঞান-চালিত কেন্দ্রবিন্দু হল রাইডগুলির সামনের চিত্রণ থেকে পর্যাপ্তভাবে ব্যাখ্যা করা যা রাইডগুলির পিছনে বৈজ্ঞানিক যুক্তির ব্যাখ্যা দেয়। নিক্কো পার্ক, 1991 সালের 13-ই অক্টোবর সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হয়। উদ্যানটি প্রথমে কেবলমাত্র 13-টি রাইড ও একটি টয় ট্রেন নিয়ে চালু করা হয়েছিল। উদ্যানটি পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং নিক্কো কর্পোরেশনের মধ্যে একটি যৌথ উদ্যোগ। উদ্যানটি, 2012 সালে একটি দুর্ঘটনার পর সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়, এই দুর্ঘটনায় 17-টি শিশু আহত হয়।

নিক্কো পার্ক পরিদর্শনের সেরা শীতকালের সময়, নভেম্বর থেকে ফ্রেব্রুয়ারী নিক্কো পার্ক পরিদর্শনের সেরা সময় হিসাবে বিবেচিত হয়। নিক্কো পার্কে পৌঁছানোর নিকটবর্তী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হল নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। বিমানবন্দর থেকে ক্যাবের মাধ্যমে ভায়া ভি.আই.পি. রোড হয়ে নিক্কো পার্কে পৌঁছাতে প্রায় 30 মিনিট সময় লাগে।

রেল মাধ্যমে শিয়ালদহ রেলওয়ে স্টেশন থেকে ক্যাবের মাধ্যমে ভায়া সাউথ ক্যানেল রোড ও সল্টলেক বাইপাস হয়ে নিক্কো পার্কে পৌঁছাতে প্রায় 15 মিনিট সময় লাগে। হাওড়া রেলওয়ে স্টেশন থেকে ক্যাব ধরে নিক্কো পার্কে পৌঁছাতে প্রায় 30 মিনিট সময় লাগে।

নিক্কো পার্কের কাছাকাছি কিছু আকর্ষণ নলবন বোটিং কমপ্লেক্স, সল্টলেক স্টেডিয়াম, সুভাষ সরোবর।

Saturday, December 13, 2014

গাজরের সন্দেশ রেসিপি

উপকরণ

গাজর-১ কেজি।
কন্ডেন্স মিল্ক-১ টিন।
দুধ-১ লিটার।
ডিম-৬ টা।
চিনি-১ টেবিল চামচ।
ঘি-১/২ কাপ।
গুড়া দুধ-১/২ কাপ।
ময়দা-১ টেবিল চামচ।
এলাচ গুড়া-১/৪ চা চামচ।

রেসিপি প্রনালি

প্রথমে গাজরকে কেটে সিদ্ব করে চটকে অথবা ব্লেন্ড করে নিতে হবে।এবার প্যানে ঘি দিয়ে গাজরের পেষ্ট দিয়ে ভুনে চিনি দিতে হবে।

১ লিটার দুধ কে জ্বাল দিয়ে আগেই ১/২ লিটার করে নিব। এবার এই দুধের সাথে ছয়টা ডিম ভাল করে মিশিয়ে নিব।এখান থেকে এক কাপ আলাদা করে সরিয়ে রেখে তার মধ্যে দুই টেবিল চামচ কন্ডেন্স মিল্ক দিয়ে রাখব। এবার বাকি দুধ ও কন্ডেন্স মিল্ক গাজরের মধ্যে দিয়ে ঘন ঘন নাড়তে থাকব।কিছুক্ষণ পর গুড়ো দুধ দিয়ে আবার ভাল করে নেড়ে যখন গাজর প্যান থেকে দলা পাকিয়ে পুরোটা উঠে আসবে তখন এলাচ গুড়া ছিটিয়ে দিয়ে নামিয়ে ডিশে ঢালব। ডিশে আগেই ঘি মাখিয়ে রাখব। চামচ দিয়ে সমান করে নিব। চামচের তলায় একটু ঘি মেখে নিলে সুন্দর ভাবে সমান হয়।

এবার অন্য আর একটি ননষ্টিক পাতিলে আলাদা করে রাখা এক কাপ দুধ ও দুই টেবিল চামচ কন্ডেন্স মিল্কের সাথে এক টেবিল চামচ ময়দা মিশিয়ে ভাল করে নেড়ে জ্বাল দিব। খুব দ্রুত নেড়ে যখন ঘন হয়ে আসবে তখন নামিয়ে ডিশে রাখা গাজরের উপর ঢেলে সমান ভাবে বিছিয়ে দিব।

ঠাণ্ডা হলে পছন্দ অনুযায়ী সেপে কেটে পরিবেশন করুন দারুন স্বাদের গাজরের সন্দেশ। কথা দিলাম সবাই খেয়ে আপনার প্রশংসা করতে ভুলবে না।

Sandesh



Thursday, December 11, 2014

ভোগের খিচুড়ি রেসিপি

খিচুড়ি স্বাস্থ্যকর ও উপাদেয় খাদ্য। প্রোটিন এ ভরপুর, কোলেস্টেরল মুক্ত। আমাদের হাড়, ব্রেন, ত্বক ভাল রাখে । হজমের পক্ষেও উপকারী। অল্প পরিমাণে ক্যালরি থাকায় ওজন কমাতেও বেশ কার্যকরী।

উপকরণ :-

গোবিন্দভোগ আতপ চাল 300 গ্রাম
সোনা মুগ- ডাল 250 গ্রাম
আলু মাঝারি আকারের 3 টি আধখানা করে কাটা
গাজর 1 টি মাঝারি আকারের ডুমো করে কাটা
বাঁধাকপি কুচানো 1-2 কাপ
কাঁচালঙ্কা চেরা 5টি
ছাড়ানো মটর শুঁটি এক কাপ
আদাবাটা 2 চা চামচ
তেজপাতা, গোটা জিরে, শুকনো লঙ্কা, নুন, চিনি আন্দাজ মতো।
থেঁতো করা দারচিনি 2.5 সেমি ও ছোট এলাচ 5টি
গাওয়া ঘি 2 - 3 টেবিল চামচ
জলের পরিমাণ 10-12 কাপ মতো।

রেসিপি প্রণালী:-

চাল জলে ভিজিয়ে রাখুন 1 ঘন্টা মতো ।

মুগ ডাল সামান্য তেলে ভেজে তুলে ধুয়ে রাখুন।

পুরো জলটা গরম করে রাখুন। প্রেসার কুকারে 5 কাপ মতো জল দিয়ে ফুটে উঠলে ভেজে রাখা মুগ ডাল দিয়ে দিন। নাড়াচাড়া করে নিন।এবার গাজর, আলু,বাঁধাকপি কুচানো,দিয়ে নেড়ে নিন। 5 মিনিট ফুটতে দিন।

এবার ভিজিয়ে রাখা চাল দিয়ে দিন।একই সঙ্গে নুন, চিনি, হলুদ,মটর শুঁটি,কাঁচালঙ্কা চেরা ও আদাবাটা দিয়ে নাড়াচাড়া করুন।এবার গরম করে রাখা বাকি জল দিয়ে দিন এবং 2 মিনিট ফুটতে দিন।এবার প্রেসার কুকারের ঢাকা বন্ধ করে দিন।

সিটি পড়ার বেশ কিছুক্ষণ আগেই গ্যাস নিভিয়ে দিন।

কিছুক্ষণ সিটি বসে গেলে সিটি আলগা করে বাতাস বের করে দিন ও ঢাকনা সামান্য আলগা করে রাখুন।

এবার কড়াইতে ঘি দিন। গরম হলে একে একে তেজপাতা, থেঁতোকরা দারচিনি ও ছোটএলাচ, শুকনো লঙ্কা ও গোটা জিরে ফোড়ং দিন এবং খিচুড়িতে মিশিয়ে নিন।

প্রয়োজন হলে ফোড়নের মধ্যে প্রয়োজন মতো জল দিয়ে ফুটিয়ে খিচুড়িতে দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।

খাওয়ার সময় খিচুড়ির ওপর গাওয়া ঘি ছড়িয়ে নিন।

khichuri recipe

Saturday, December 6, 2014

Mani Square


Mani Square, which opened on June 2008, is one of the leading shopping centers in Kolkata. With over five years of experience and more than fifteen million visitors has always been a reference point for shopping in the east of Kolkata, near Salt Lake. The Mall is frequented not only by the inhabitants of this beautiful place, but also by the many tourists and travelers who have the pleasure to stop for a relaxing break from shopping or dining.

Friday, December 5, 2014

শাহী জিলাপি বানানোর রেসিপি আর পদ্ধতি

খালি বোতল বা কেক সাজানো পাইপিং ব্যাগ অথবা প্লাস্টিকের দুধের প্যাকেট করে জিলাপি বানাতে পারেন ৷ প্লাস্টিকের ব্যাগ বানালে প্যচ দেওয়ার সময় হাত উপর রাখলে সুন্দর প্যচ জিলাপি হবে ৷

উপকরন :

ময়দা ২ কাপ
টক দই ৫ টেবিল চামচ
ইস্ট দেড় চা চামচ
কর্নফ্লাওয়ার ৪ টেবিল চামচ
চিনি ১ চা চামচ
লবন ১ চা চামচ (হাফ)
তেল ৪ টেবিল চামচ
২ কাপ পানি হালকা গরম
তেল ৩ কাপ ভাজার জন্য

সিরা জন্য

৩ কাপ পানি
৩ কাপ চিনি
১ টেবিল চামচ ঘি
১ চা চামচ গোলাপজল
৩ এলাচি
লেবুর রস একটু

ময়দা সাথে কর্নফ্লাওয়ার, চিনি, তেল, লবন, দই, ইস্ট মিশিয়ে নিয়ে পানি দিয়ে খামির করে নিন ৷ খামির হাত দিয়ে তুললে আঙুল বেয়ে তারের মতো পড়ে বুঝতে হবে খামির ঠিক আছে ৷ ১ ঘন্টা ঢেকে রাখতে হবে ৷

সিরা উপকরন সব উপকরন হাড়িতে নিয়ে ঝ্বাল দিয়ে সিরা করে নিতে হবে ৷ সিরা ৬/৭ ফুটে উঠলে চুলা বন্ধ করে দিতে হবে ৷ সিরা বেশি ঝ্বাল দিলে জমে যাবে

কড়াইতে ডুবো তেল দিয়ে চুলার আচঁ একদম কমায় দিয়ে এবং তেল অনেক গরম হওয়ার আগেই প্রথমে একবার হাত ঘুরিয়ে গোল করে খামির তেলে ফেলুন ,খামির চারপাশে লাগিয়ে আর একবার ঘুরান,তৃতীয়বারে জিলাপীর মাঝখানে খামির দিয়ে হাত সামনের দিকে নিয়ে আসে উঠিয়ে নাও ৷

তেল গরম হয়ে উঠলেই খামির সরে যায় তাই প্যাচ দেওয়া যায় না। হালকা গরম তেলে প্যাচ দিতে হয় ৷এই নিয়ম মানতে পারলে জিলাপীর প্যাচ জটিল না এভাবে জিলাপি বানিয়ে মচমচে করে ভেজে তেল থেকে তুলে গরম সিরা মাঝে ডুবিয়ে ১ মিনিট মত জিলাপি উল্টে পাল্টে সিরা থেকে তুলে সাজিয়ে রাখ ৷ জিলাপী ১ দিন পযন্ত মচমচে থাকবে ৷

দ্বিতীয় আবার জিলাপি দেওয়ার আগে চুলা বন্দ করে তেল কিছুটা ঠান্ডা করে আবার বানাতে হবে ৷


[jalebi[2].jpg]