Saturday, November 30, 2013

Diamond Harbour

Diamond Harbour kolkata

Fifty miles south of downtown is the port of Calcutta, built in the colonial era where the river Hoogly flows into the Bay of Bengal. The road that leads to the Sanctuary of the Nature island of Lothian, go to Diamond Harbour. The modern port facilities are actually a little further south, on the opposite bank, dominated by massive oil refineries.

Sunday, November 24, 2013

Reserve Bank of India


Reserve Bank of India, the Central Bank of India was established on 1 April 1935 in Calcutta, during British rule, with the Reserve Bank of India Act of 1934 and nationalized in 1949. The general management of the Bank is exercised by the Central board of directors, composed of 20 members, the governor and four deputy governors, a government official of the Ministry of Finance, 10 directors appointed by the executive directors and 4 others, which represent the four local authorities based in Mumbai, Kolkata, Chennai and New Delhi.

Saturday, November 23, 2013

ইন্ডিয়ান বোটানিক্যাল গার্ডেন

ইন্ডিয়ান বোটানিক্যাল গার্ডেন কলকাতা শহর থেকে কয়েক পা দূরে। হাওড়ার শিবপুরে রয়েছে ঐতিহাসিক এই জাতীয় উদ্যানটি। কয়েকশো একর জায়গা জুড়ে অবস্থিত এই জাতীয় উদ্যানে ১৭,০০০ রেও বেশি একাধিক প্রজাতির গাছ রয়েছে। তবে বোটানিক্যাল গার্ডেনের অন্যতম আকর্ষণ গ্রেট ব্যানিয়ন ট্রি বা মহাবটবৃক্ষ।



বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বিস্তৃত বটগাছ এই মহাবটবৃক্ষ। বটগাছটি এতই বিশাল, যে দেখলে মনে হবে আস্ত একটা জঙ্গল। প্রায় ৩.৫ স্কোয়্যার একর জায়গা জুড়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে বটগাছটি। পৃথিবীর প্রাচীনতম গাছ। গ্রেট ব্যানিয়ন ট্রি বা এই মহাবটবৃক্ষের বয়স ২৫০ বছর। ১৮৮৪ ও ১৮৮৬ সালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়েও কোনও ক্ষতি হয়নি এই গাছটির। বটগাছটির প্রায় ৩,৩০০ গুড়ি বিস্তীর্ণ জায়গা জুড়ে রয়েছে।

ভারতের উদ্ভিজ্জ সম্পদ প্রচারের উদ্দেশ্যে ১৭৮৬ সালে কলকাতার বোটানিক্যাল গার্ডেন হুগলী নদীর পাশে শিবপুরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। বোটানিক্যাল গার্ডেন প্রায় ১১০ হেক্টর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এবং লুপ্তপ্রায় উদ্ভিদ ও গাছপালা নিয়ে গঠিত। এই উদ্যান প্রত্যহ সকাল ১০-টা থেকে সন্ধ্যা ৬-টা পর্যন্ত দর্শকদের জন্য খোলা থাকে।

Friday, November 22, 2013

Alipore Zoological Gardens


At Belvedere Road. Also known as the Alipore Zoo, is one of the major attractions of Calcutta. There was the only specimen of the giant tortoise Aldabra species now extinct. It is said that this specimen had completed its 250th birthday before expiring. There you can also see examples of deer of Manipur highly branched horns.

Thursday, November 21, 2013

World Environment Day


The World Environment Day is a public holiday proclaimed in  1972 by General Assembly of the United Nations and is celebrated every year on  June 5. Each edition has a theme as a common thread that binds all the global initiatives that take place in honor of the Environment. Last year the day was titled Think, Eat, Save.

Monday, November 18, 2013

Guru Nanak Jayanti


The Sikh community, settled in around the world, celebrate the birthday of his first guru in Sanskrit means disciple or learner in Punjabi language and means revealing, prophet. Guru Nanak was born in 1469, in Talwandi now Nankana Sahib, near Lahore since 1947, the year the division English, belongs to the Pakistani Punjab.

Sunday, November 17, 2013

Howrah Station


Situated on the west bank of the Hooghly River and linked to Kolkata by the Howrah Bridge, Howrah Railway Station is one of the largest railway terminals in the world and also the busiest and second oldest station and having one of the largest railway complexes in India. Initial plans for the first Howrah station were submitted by George Turnbull the Chief Engineer of the East Indian Railway Company on 17 June 1851 and completed by 1854.

Friday, November 15, 2013

কলকাতা ফুটবল লিগ

কলকাতা ফুটবল নিয়ে অনেক আলোচনা হয়, প্রায় প্রতিদিনই কোনো না কোনো বিষয়ে, ঘটি-বাঙ্গাল, ইতিহাস, ঐতিহ্য, ট্রফি এসব নিয়ে. আমি নিজেও লিখি বা অন্যরাও লেখেন, পড়ি, মতামত দেই. কিন্তু আজ স্কুলে বসে বসে ভাবছিলাম মোহনবাগানের একটি বিষয় নিয়ে সেই অর্থে আলোচনা প্রায় হয়নি. ঐতিঝ্যের নাম মোহনবাগান। কিছু না জানা তথ্য, যা বেশীর ভাগ মোহনবাগানীরাও জানেন না।

আপনারা জানেন ১৯১১ তে মোহনবাগান ইস্ট ইয়র্কশায়ার রেজিমেন্ট কে হারিয়েছিল। কিন্তু জানেন কি, এর ফলেই ব্রিটিশরা ১৯১১ তে রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লীতে সরিয়ে নেয়। বাঙাল-ঘটি যদি না থাকত তা হলে কলকাতার ফুটবল হয়ত এমন বাঁধনছেড়া উন্মাদনার জন্ম দিতে পারত না। এই সত্যকে সামনে রেখে যখন একটু সিরিয়াস আলোচনা করব ভাবছি তখনুই হঠাৎ মনে হল এই বহুপ্রচলিত শব্দদুটোর মানে কী, অথবা সত্যিই কোনও মানে আছে কিনা। হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বঙ্গীয় শব্দকোষ খুলে বাঙাল শব্দটা পাওয়া গেল, তার এক রকম মানেও পাওয়া গেল। জানা গেল বহু প্রাচীন একটা শব্দ।

ঘটি শব্দটা অবশ্যই পাওয়া গেল কিন্তু জলের পাত্র ছাড়া আর কোনও মানে পাওয়া গেল না। বাঙাল শব্দের অর্থ পূর্ববঙ্গের মানুষ, কেউ কেউ পূর্ববঙ্গের মুসলমান অর্থেও জানে। অর্থাৎ যে বাঙাল-ঘটি প্রসঙ্গ নিয়ে আমরা আলোচনা করতে চাইছি তাতে বাঙাল শব্দটা নিয়ে কোনও বিভ্রান্তি রইল না। কিন্তু ঘটি? ফুটবলকে কেন্দ্র করে যে ঘটি শব্দের জন্ম বা রচনা তার মানে তো আর ঘড়া বা জলের পাত্র নয়।

এই ঘটির মানে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ- মোর প্রিসাইসলি, মোহনবাগানের সমর্থক। অর্থাৎ বোঝা যাচ্ছে, যে ঘটি শব্দটা ফুটবলকে ঘিরে ব্যবহৃত হয় তার কোনও আভিধানিক অস্তিত্বই নেই। সেই কারণেই বোধহয় ঘটিনামা বলে কোনও কিছু অঙ্কুরিত হতে পারেনি। আর বাঙালনামা অঙ্কুরিত হয়েছে, বিকশিত হয়েছে, ক্রমে প্রসারিত হয়েছে শাখাপ্রশাখায় এবং সুরভি ছড়িয়ে দিচ্ছে সারা বাংলা জুড়ে।

স্বাধীনতা বা দেশভাগের আগে থেকেই বহু বাঙালি পূর্ববঙ্গ ছেড়ে এ বঙ্গে চলে আসা শুরু করেছিলেন। যাঁরা চলে এলেন বা আসছিলেন তাঁরা খুব আনন্দের সঙ্গে বা উন্নততর জীবনের খোঁজে আসছিলেন তা তো নয়। নানা কারণে নিজেদের ভিটেতে আর থাকা যাচ্ছিল না। জমিজমা, বসতবাড়ি তো আর সঙ্গে নিয়ে আনা যায় না। যাঁরা আসছিলেন তাঁরা সবকিছু ছেড়েই আসছিলেন। এ বঙ্গে যে তাঁদের জন্য সবকিছু প্রস্তুত ছিল তা-ও নয়। বরঞ্চ চূড়ান্ত অনিশ্চয়তার অন্ধকার কাটিয়ে নতুন করে সেটল করার, নতুন করে বাঁচার লড়াই শুরু করতে হয়েছিল ছিন্নমূল এই মানুষগুলোকে।

ওভাবে দেশভাগ করে দিলে সাধারণ মানুষের এমনটাই দশা হয়। কিন্তু সুখের কথা এই যে এই বঙ্গে এসে ছিন্নমূল মানুষরা নতুন করে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার লড়াই করতে গিয়ে তাঁদের মননশীলতা, সংস্কৃতিচেতনা আর ক্রীড়াপ্রেমকে অক্ষুণ্ণ রাখতে পেরেছিলেন। ফলে, এই বঙ্গে নতুন করে গতি পেয়েছিল বামপন্থার চর্চা, প্রাণ পেয়েছিল রবীন্দ্রসঙ্গীত চর্চা আর উৎসাহ পেয়েছিল ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকে সামনে রেখে ফুটবল খেলার উন্মাদনা। আমরা যদি পঞ্চাশ দশকের বাংলা সঙ্গীত আর তার পরের বাংলা সঙ্গীতের দিকে তাকাই তাহলে স্পষ্ট বোঝা যাবে যে পরবর্তী সময়ের বাংলা গানে রবীন্দ্রসঙ্গীতের প্রভাব কীভাবে পড়েছে। বাংলা আধুনিক গান বলতে যেটা বোঝায় সেই গানের কথায় এল পরিবর্তন এবং সুরেও এল সম্মোহনী ‘মেলডি’।

বামপন্থী আন্দোলন তরুণসমাজকে ছাত্রসমাজকে প্রভাবিত করতে শুরু করল। আর ফুটবল মাঠে এল পরিবর্তন। পঞ্চাশ দশকের আগে পর্যন্ত মোহনবাগান ভারতীয় ফুটবলের মুখ। ১৯১১ সালে ব্রিটিশ দলকে হারিয়ে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে ঝড় তুলেছিল মোহনবাগান। তার পর থেকে তারাই ভারতীয় ফুটবলের মূল প্রতিনিধি। তিরিশ দশকে মহামেডান স্পোর্টিং পর পর পাঁচবার লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়ে ইংরেজ দলগুলোর ওপর আধিপত্য বিস্তার করেছিল।



কিন্তু ইস্টবেঙ্গলের সেভাবে কোনও জোরালো প্রতিনিধিত্ব ছিল না। পঞ্চাশ দশকের তথাকথিত ‘বাঙাল’ সমর্থকরা ইস্টবেঙ্গল দলকে উৎসাহ দিতে মাঠে নেমে যেতে শুরু করল। দলের পাঁচ দুরন্ত খেলোয়াড় ভেঙ্কটেশ, আপ্পারাও, ধনরাজ, আমেদ আর সালে- পঞ্চপাণ্ডব নামে বিখ্যাত হয়ে উঠল। ধীরে ধীরে ইস্টবেঙ্গল ফুটবলে মোহনবাগানের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উজ্জ্বল হতে শুরু করল।

এভাবেই ষাটের দশক গড়িয়ে যেতে লাগল। কমিউনিস্ট পার্টি ভাগ হল, চারু মজুমদারের হাত ধরে নকশাল আন্দোলন দানা বাঁধল। দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের শাসনে থাকা কংগ্রেস ক্রমে বাংলায় ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছিল। কমিউনিস্ট পার্টির যে অংশের সঙ্গসদীয় গণতন্ত্রে আস্থা ছিল তাদের নেতা প্রমোদ দাশগুপ্ত ও জ্যোতি বসু নিজেদের শক্তি ও সংগঠনকে ক্রমে মজবুত করছিলেন। সব মিলিয়ে বাংলার রাজনৈতিক আবহাওয়া অস্থিরতার ঝড়ে টালমাটাল হয়ে উঠল। ছাত্রসমাজ ও তরুণসমাজের সামনে নেমে এল অনিশ্চয়তার অন্ধকার। এই অন্ধকারে বিভ্রান্তের মত ভেসে বেড়াচ্ছিল বাংলার তরুণসমাজ।

এই অনিশ্চয়তা আর বিভ্রান্তির অস্থিরতা কাটাতে তারা দিনের শেষে চলে আসত কলকাতা ময়দানে ফুটবল খেলা দেখতে। ইস্টবেঙ্গল বা মোহনবাগান বা মহামেডান স্পোর্টিং দলের রথে চেপে পছন্দের খেলোয়াড়ের সঙ্গে নিজেকে আইডেন্টিফাই করে জেতার স্বাদ, সাফল্যের আনন্দ পেতে চাইত তারা। সেটা সত্তর দশক। স্কুল-কলেজে পরীক্ষা হবে কিনা ঠিক নেই, ভবিষ্যতের কোনও স্থিরতা নেই, কখন পুলিশ ধরে নিয়ে যাবে জানা নেই- সারাদিন এই অনিশ্চয়তা ভারি করে তুলত তখনকার তরুণসমাজকে। ভেতরের জ্বালা জুড়োবার জন্য সাহিত্য, নাটকে ডুবে জেতে চাইত।

কিন্তু সেখানে তো সাফল্য বা ব্যর্থতার সঙ্গে নিজেকে মিশিয়ে ফেলা যায় না। তার জন্য খেলার মাঠটাই ছিল উপযুক্ত জায়গা। ছিন্নমূল পরিবারের বড়রা তো একধরণের অনিশ্চয়তা পার হয়ে এসেছে এবং সেই অনিশ্চয়তা পার হয়ে তারা প্রতিষ্ঠিতও হয়েছে বা হচ্ছে। তাদের পরবর্তী প্রজন্ম আবার সম্মুখীন হয়েছে অনিশ্চয়তার, সুদূরেও এমন কোণও আলোর ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছিলে না সত্তর দশকের গোড়ায় যার তাগিদে অন্ধকার পার হয়ে যাওয়া যায়। এমনই এক অনিশ্চিত, বিভ্রান্তিকর সময়ে খেলার মাঠ তাদের সাফল্যের স্বাদ দিত।

এই কারণেই বাংলায় তখন ফুটবল হয়ে উঠেছিল এর জনপ্রিয়।

Tuesday, November 12, 2013

স্পঞ্জ রসগোল্লা তৈরির পদ্ধতি ও রেসিপি

রসগোল্লা বানাবো ঘরে! আমরা অনেকেই এটা চিন্তাও করতে পারিনা। কিন্তু আপনি যদি জানেন এটা বানানো কতোটা সহজ তাহলে মিষ্টির দোকানে যাওয়ার আগে একবার হলেও ভাববেন। বিশেষ করে বাচ্চাদের কথা চিন্তা করে।

রসগোল্লা খেতে সবাই ভালোবাসেন এটা বলাই বাহুল্য। আজকাল অনেকেই বাড়িতে রসগোল্লা তৈরি করে থাকেন, রেসিপি অনেকেই জানেন। কিন্তু একটু লক্ষ্য করে দেখুন, বাড়িতে তৈরি বেশিরভাগ রসগোল্লাই কেমন যেন চ্যাপ্টা হয়ে যায় নিখুঁত গোল না হয়ে। কী সেই রহস্য? সে রহস্যের পর্দা উন্মোচন করতেই আমাদের এই বিশেষ লেখা। দেয়া হলো রসগোল্লা তৈরির সব চাইতে সহজ সেই সিক্রেট রেসিপি, যেটায় আপনার তৈরি রসগোল্লা হবে মিষ্টির দোকানের চাইতেও ভালো ও মজাদার। তাহলে জেনে নিই রসগোল্লা বানানোর সহজ রেসিপি

উপকরন:

ছানা-১ লিটার দুধের
ময়দা-১ কাপের ৪ ভাগের সামান্য কম বা ওই কাপের গলা কাপ
বেকিং সোডা- আধা চিমটি
চিনি- ২ কাপ
পানি - ১ কাপ
এলাচ বিচি গুড়া - ২ টা

প্রনালীঃ

১) প্রথমে ২ কাপ চিনি ও পানি ১ কাপ একটা ছড়ানো কিন্তু কিছু গভীর তলার পাতিলে নিয়ে জ্বাল দিবে নেড়ে নেড়ে, এই সিরাটা এমন হবে যে তর্জনি আঙ্গুল আর বুড়ো আঙ্গুলে সিরা নিয়ে আঙ্গুল সরিয়ে নিলে একটা সুতার মতো সিরা হবে দুই আঙ্গুলের মাঝে। এক তার সিরা বলে।

২)ছানা হাতের তালুতে ভালো করে ঘষে ঘষে মসৃন করে মাখবে, ১০-১৫ মিনিট, হাতে তেল আসলে আর দরকার নাই। এবার ময়দায় বেকিং সোডা দিয়ে ভালো করে মিশাও, এখন এই ময়দার মিক্স ও ১ চা চামচ চিনি দিয়ে মসৃন করে মাখানো ছানায় ভালো করে মিশাও, এবার ১০-১২ টা বা কম করে ছানা ভাগ করে ফাটা বিহীন বল করো যদি এলাচ বিচি গুড়া দাও তবে বলের ভেতর অল্প করে দিয়ে বল করবে, প্রয়োজনে সামান্য ঘি হাতে নিয়ে বল করতে পারো মসৃনতার জন্য।

৩) বল গুলো বলক তোলা সিরাতে ছেড়ে দাও, জ্বাল কম থাকতে পারে বা একটু বেশী থাকতে পারে তবে খেয়াল রাখো যেনো সিরার বলক থাকবে ও বলক এর ফেনা গুলো মিষ্টি গুলোকে ঢেকে রাখবে, ঢাকনা দিবে না, মিষ্টি আস্তে আস্তে ফুলতে থাকবে হাল্কা করে নেড়ে মিষ্টি গুলো মাঝামাঝি রাখার চেষ্টা করবে ৫ মিনিট পর বা মিষ্টি ডাবল পরিমানে ফুলে উঠলে এক কাপ ফুটানো গরম পানি দিবে। ১০ মিনিট পর মিষ্টি উল্টে দেবে ও আধা কাপ ফুটানো গরম পানি দিবে,আবার ৫ মিনিট পর আধা কাপ বা সিরাটা বেশী ঘন না হয় এর জন্য গরম পানি আধা কাপের মতো বা তার বেশী পানি প্রয়োজনে ঢালবে।

৪) মিষ্টি হতে ১৫-২০ মিনিট লাগবে, ১৫ মিনিটে ১ টা মিষ্টি তুলে মাঝে ভাগ করে যদি দেখো হয়ে গেছে তাহলে নামিয়ে ফেলবে। তবে নামানোর আগে সিরা যেনো ঘন না হয় নরমাল রসগোল্লার যেমন সিরা হয় তেমন রাখবে, সামান্য ঘন কিন্তু আঠালো হবে না।

৫) চুলা থেকে নামিয়ে ঢাকনা দিয়ে পাতিলের মিষ্টি ঠান্ডা হতে দেবে। ২-৩ ঘন্টা বা একটু বেশী সময় পর সার্ভ করবে।

৬)যদি রসগোল্লার মতো সফট করতে চাও তাহলে সিরাটা পাতলা রাখবে ২ কাপ চিনি ২ কাপ পানি দিয়ে চুলায় দিয়ে সামান্য ঘন হলে বলক আসা অবস্থায় মিষ্টি দিয়ে দিবে আর সিরা যেনো কমে না যায় তাই গরম পানি দিয়ে দিয়ে সিরাটা পাতলা রাখার চেষ্টা করবে।মানে আঠালো হতে দিবে না বা পানি বেশী টানবে না।

মিষ্টি জ্বাল দিতে দিতে বেশী ঘন করবে না মিষ্টি দেয়ার পর গরম পানি দিয়ে দিয়ে সিরাটা ঠিক রাখার চেষ্টা করবে। যদি নামানোর পর সিরা বেশী ঘন হয়ে যায় তাহলে ১ কাপ বা প্রোয়াজনমতো গরম পানি দিয়ে ১-২ মিনিট জ্বাল দিয়ে নামালে সিরা পাতলা হবে। সিরা বেশী ঘন হলে মিষ্টি শক্ত হয়ে যাবে যখন ঠান্ডা হবে।



ছানা তৈরী উপকরন

লিকুইড দুধ-১ লিটার
সিরকা/ ছেকে নেয়া লেবুর রস/ ছানার পানি (পুরোনো)- সিরকা ও লেবুর রস ২-৩ টেবিল চামচ সম পরিমান পানি দিয়ে মিশানো (লম্বা বড় লেবুর রস কখোনো বেশীও লাগতো পারে কারন সব লেবুতেই পর্যাপ্ত টক ভাব নাও থাকতে পারে)আর পুরোনো ছানার পানি যত লাগে ততটুকুই দিবে আধা কাপ করে একবারে ঢেলে ঢেলে।

প্রনালীঃ

১) ১ লিটার লিকুইড দুধ নেড়ে নেড়ে জ্বাল দাও, বলক উঠলে নামিয়ে রাখো, ৫-১০ মিনিট পর আধা চা চামচ করে করে সিরকা/ লেবুর রস দিবে আর আস্তে করে নাড়বে, যখন সবুজ পানি বের হবে তখন আর সিরকা দিতে হবে না, তবে যদি আরো লাগে তাহলে আরো দিবে সবুজ পানি আসা পর্যন্ত। দুধ কিন্তু আর চুলায় দিবেনা। ছানা হলে ১৫-২০ মিনিট পর ছানা ছাকবে।

২) একটা পাতলা নরম সুতি কাপড় যেটাতে রং উঠার সম্ভাবনা নাই সেটা একটা ঝাঝরির উপর নিয়ে, নিচে একটা পাতিল রেখে ছানার পানি ঝরাও, এই পানিটা ১ লিটার বোতলে রেখে ফ্রিজে রেখে দিতে পারো পরের বার ছানা বানাতে পারবে এটা দিয়ে।

৩) ছানার উপর কলের পানি ছেড়ে হাত দিয়ে নেড়ে নেড়ে ধুয়ে নাও তারপর পানি চেপে ফেলো, এভাবে দুবার করলে সিরকার বা লেবুর গন্ধ থাকবে না।

৪) এবার ছানা সহ কাপড় উঠিয়ে হাত দিয়ে চেপে চেপে পানি ঝরাও তবে এমন চাপ দিবে না যাতে ছানা বের হয়ে আসে, তারপর নরমাল বাতাস বয় এমন জায়গায় ঝুলিয়ে দাও কাপড়টা ১ ঘন্টার জন্য, আমি বারান্দাতে ঝুলিয়ে রাখি এতে বার বার পানি চিপতে হয় না ও সুন্দর পানি ঝরে যায়।

৫) ১ ঘন্টা পর হাত দিয়ে চেপে বাড়তি পানি বের করে ছানা বের করে নাও, ছানা থেকে কিছুটা ছানা এক হাতের তালুতে নিয়ে আরেক হাতের আঙ্গুল দিয়ে ৩-৪ সেকেন্ড ঘষে যদি একটা বল বানাতে পারো তাহলে বুঝবে ছানা রেডি ব্যবহারের জন্য। আর যদি হাতের সাথে লেগে যেতে চায় বুঝবে আরো পানি ঝরবে সেক্ষেত্রে ফ্যানের বাতাসে হাত দিয়ে নেড়ে নেড়ে আধা ঘন্টা রাখবে( হাত দিয়ে বার বার না নাড়লে ছানা শুকনা হয়ে যাবে) খেয়াল রেখো ছানা যেনো সফট থাকে। আর ছানা বেশী শুকনা লাগলে আধা বা ১ চা চামচ পানি দিয়ে মাখিয়ে নিতে পারো।

এরকম আরো মজাদার মিষ্টির রেসিপি পেতে আমাদের সাথেই থাকুন ।

Sunday, November 10, 2013

World No Tobacco Day


The World No Tobacco Day is an anniversary, celebrated annually on May 31, the purpose of which is to encourage people to abstain for at least 24 hours after the consumption of tobacco, inviting them to quit smoking permanently. It also serves to make the situation on the prevalence of tobacco use in the world and to bring the public about the negative effects that it brings on human health, reaching in extreme cases, death due to cancer, damage to the heart and movement, etc. In 2011, the World Health Organization has estimated that about six million people lose their lives each year due to smoking.

Saturday, November 9, 2013

Calcutta Tramways Company


The Kolkata tram is the oldest operating electric tram in Asia and the only city in India to have a tram network, which was the sole public transport until 1920. Started on 24th February 1873, Trams are light weight rail borne vehicles, running on tracks, primarily on the road. Trams were the brainchild of the then Viceroy of India, Lord Curzon.

Friday, November 8, 2013

Harvest Time


A paddy field on the outskirts of Bengal. Its the harvesting season now when the markets of Kolkata will be stocked with new rice grains, which is an essential food item here. In agriculture for harvest is the process of cutting and harvesting in the fields of ripe grain. Can be done by hand or with the aid of mechanical equipment. In the harvest hand tool used is the sickle .

Thursday, November 7, 2013

সিটি সেন্টার কলকাতা

কলকাতার সল্টলেকে গড়ে উঠেছে সিটি সেন্টার। একই ছাদের নিচে কেনাকাটা, আনন্দ-বিনোদন, খাবার-দাবারের বিশাল আয়োজন। প্রবাস জীবনে সৌদি আরবে এ ধরনের এলাহি কারবার দেখেছি। কলকাতায় মাত্র শুরু হয়েছে এ চর্চা। সিটি সেন্টারের স্থপতি চার্লস কোরিয়া। স্রেফ শপিং মল হিসেবে না-গড়ে সিটি সেন্টার পরিবার বা বন্ধুবান্ধব নিয়ে সময় কাটানোর বা আড্ডা দেওয়ার জায়গা হিসেবেই গড়ে উঠেছে।



Wednesday, November 6, 2013

Kolkata Port


In the 19th century Kolkata Port was the premier port which took over the responsibility in the wake of the aftermath of Second World War. It is situated on the left bank of the Hooghly River about 203 km (126 miles) upstream from the sea. The city of Kolkata, has a synergistic linkage with the port. Regular passenger ship services are also available to Port Blair for visiting the Andaman & Nicobar Islands which takes around 66 hours.

Tuesday, November 5, 2013

Kolkata Puppetry


Puppetry is that particular theatrical art that uses puppets, marionettes, shadows, objects such as stars of the theater and signs of a highly visual language and sensory. The term puppetry has emerged in the late 70s, as a generic term and summary, replacing puppet theater, often confused semantically with the theatrical animation and social development.

Saturday, November 2, 2013

Calcutta Metro Rail


After the expansion it will also be the first metro line in India to run under a river, which would cross the Hooghly river 32 metres below the water level. The term underground short now entered common usage of metro rail is a system of transportation fast mass type rail services for urban, thus characterized by a high frequency, and normally organized on the basis of fixed routes.