Wednesday, January 30, 2013

Vidyasagar Setu at Night


Vidyasagar Setu. A cable stayed bridge is a bridge type suspended in which the deck is supported by a series of cables the head stays anchored to pylons or towers support. Compared to a suspension bridge of conventional type, in which the deck is in fact suspended by hangers to the vertical load-bearing cables that take the form very similar to a parabola, the stays of cable-stayed bridge connecting directly to the floor of the deck to the towers and assume a form apparently rectilinear.

Sunday, January 27, 2013

সল্ট লেক স্টেডিয়াম

সল্ট লেক স্টেডিয়াম কলকাতাতে অবস্থিত। এর অন্য নাম হল যুব ভারতী ক্রীড়াঙ্গন। এটি নির্মাণ করা হয় ১৯৮৪ সালে। মুলত ফুটবল এই স্টেডিয়াম এর মুল খেলা হলেও এটা অন্যান্য খেলার জন্য ব্যাবহার করা হয়। এটি কলকাতার ইস্ট বেঙ্গল, মোহনবাগান ক্লাব গুলার হোম ভেনু, সম্প্রতি আর্জেন্টিনা ও ভেনিজুয়েলা ম্যাচ টি এখানে অনুষ্ঠিত হয়। জার্মান কিংবদন্তী অলিভার কান তার জীবনের শেষ খেলাও এখানেই খেলেন। প্রথম খেলা ১৯৮৪ সালের নেহেরু কাপের ফাইনাল।


Saturday, January 26, 2013

Howrah Taxi


Howrah Station Taxi Stand Prepaid and Postpaid taxi services. The taxi is a car that performs a service carrying passengers on the public square for a fee, or on parking in designated public areas, specifically in a city with a guide to the driver, described as taxi or taxi driver.

Wednesday, January 23, 2013

দমদম বিমানবন্দর

দমদম এয়ারপোর্ট এর ইতিহাস এর শুরু ১৯২০ এর দশক থেকে। তখন অবশ্য সারা পৃথিবীতেই বিমান চলাচলের প্রথম যুগ । দমদম এ ১৯২০ এর দশক থেকে প্লেন ওঠা নামা শুরু হয়ে গিয়েছিল । অবশ্য দমদম পাকা পাকি বিমানবন্দর হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে আরো পরে। প্রথমের ১৯২০ এর দশকে দমদম ছিল প্রায় একটা মাঠ। সেই সময় রাডার দমদম এ এসেছিল বলে মনে হই না।

আকাশ থেকে দমদম এর এয়ার স্ট্রিপ দেখা বেশ কষ্টকর আর সেই অচেনা মাঠের ভিতর নামা টাও বিপদ্জন্নক ছিল। তাই কলকাতাতে নামতে আসা বিমান বেশির বেশিরভাগ বিমান দম দম এর বদলে ময়দানে নামার চেস্টা করতো। আকাশ থেকে ময়দান সহজে দেখাও যেত তাই ময়দানে নামা সহজও ছিল। নিচের ছবিটা ১৯২৫ সালের ময়দানে নামা সেই থেকে শুরু হলো কলকাতা তে বিমান চলাচলের ইতিহাস। এবার ১৯২৯ এর ঘটনা। কলকাতার আকাশে প্লেন দেখা গেছে সেটাও একটা খবর।

ইম্পেরিয়াল এয়ারওয়েস আজকের ব্রিটিশ এয়ারওয়েস ১ জুলাই ১৯৩৩ এ লন্ডন কলকাতা রুট সুরু করে দিল। রুট তা ছিল এই রকম - করাচি, যোধপুর, দিল্লি, কানপুর, এলাহাবাদ, কলকাতা। সেই বছরের ৯ ডিসেম্বর রুট চলে এলো সিঙ্গাপুর পর্যন্ত। তবে এই সব গুলি ছিল ডাক এর জন্য।

২য় বিশ্বযুদ্ধ এর সময়। দমদম এর ইতিহাস আর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এক নির্লিপ্ত যোগ। যুদ্ধ এর সময় দমদম এর গুরুত্ব খুব বেড়ে গিয়েছিল। তখন সুদুর প্রাচ্য এর লড়াই জোর কদমে চলছে। সিঙ্গাপুর জাপানীদের হাতে চলে গিয়েছে। জাপানী সৈন্য চলে এসেছে ভারতের পূর্ব সীমান্ত পর্যন্ত। পুরো ব্রিটিশ সাম্রাজ্য এর পূর্ব দিকের শেষ বড় শহর হলো কলকাতা। পূর্বদিকে মিলিটারি সাপ্লাই লাইন এর সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ দুটো কেন্দ্র ছিল কলকাতার বন্দর আর দমদম বিমানবন্দর ।

২য় বিশ্বযুদ্ধ এর সময় জাপানি প্লেন আক্রমণ এর ভয় ছিল। রেড রোড হয়ে গিয়েছিল কিছু দিনের রানওয়ে। সেই রেড রোড রানওয়ে যখন আবার সাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হলো তখন সেই খবর কিন্তু পৃথিবীর অনেক নিউসপেপারই ছাপিয়েছিল। সত্যিই তো। এটা একটা স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসার খবর। যুদ্ধ এর সময় তার গুরুত্ব কম ছিল না। জাপানি হানার ফলে দমদম এর গুরুত্ব আরো বেড়ে গেল। পাল্টা হানার মূল কেন্দ্র হলো দমদম। আমেরিকার বিখ্যাত ১২ এয়ার ফোর্স এর ঘাটি হলো খড়গপুর। আরো ৩-৪ নতুন এয়ার স্ট্রিপ খোলা হলো। মিলিটারি অভিযানে দমদম এর উপরে নির্ভরতা কমল। তবে যুদ্ধ ও তো শেষ হয়ে আসছিল।



যুদ্ধ এক সময় শেষ হলো। যুদ্ধ শেষ হবার পরেও দমদম এর দরকার শেষ হোলো না । দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধতে যদি ভালো কিছু হয়ে থাকে তা হলো বিমান ব্যবস্থার উন্নতি। বিশ্বযুদ্ধ শেষ এর পরেই জোয়ার এলো যাত্রীবাহী বিমান পরিবহণের। দমদম আস্তে আস্তে হয়ে উঠলো যাত্রীবাহী বিমান পরিবহণের গুরুত্ত্বপূর্ণ একটা বিমানবন্দর। প্যান এম, ব্রিটিশ এয়ার আরো কত আন্তর্জাতিক বিমান উড়ত তখন দমদম থেকে।

ইউরোপ আর পূর্ব এশিয়া এর ভিতর যোগাযোগ পথের ওপরে থাকার জন্য দমদমে প্লেন আসার বিরাম হয়নি। প্লেনকে তেল ভরতে আজকের থেকে অনেক বেশি। বিমানের গতিও ছিল কম। তা ছাড়া বিমান খুব বেশি উচু দিয়ে যেতে পারত না। তাই সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ব্যাংকক, অস্ট্রেলিয়া এই সব জায়গা থেকে ইউরোপ এ যেতে গেলে কলকাতাতে নামার দরকার হত। তা ছাড়া কলকাতা তখন ছিল ভারত এর প্রধান বাণিজ্য কেন্দ্র। মোটা টাকার টিকিট কেটে যাবার মতো লোক ছিল। পরে পরিস্থিতি পাল্টে গেল।

Tuesday, January 22, 2013

Date Palm


The date palm is a plant belonging to the family Arecaceae. It was known since antiquity among the Egyptians, the Carthaginians, the Greeks, the Romans, the Berbers for its edible fruits called dates. Because of the antiquity of cultivation, its native range can not be determined with certainty, considering that it was already cultivated in 4000 BC in Babylon.

Monday, January 21, 2013

অ্যাম্বাসেডর গাড়ি

হিন্দুস্তান মটরসের অ্যাম্বাসেডর গাড়ি ভারতে একসময় বেশ জনপ্রিয় ছিল। গঙ্গার পশ্চিম পাড়ে অবস্থিত ছোট শহর হিন্দমোটর। স্বাধীনাতর মাত্র এক বছর পড়েই সুদূর গুজরাটের পোর্ট ওখা থেকে পশ্চিম বাংলার এই অনামী শহরেই শিল্পপতি বিড়লা র উদ্দ্যোগে অ্যাম্বাসেডর অভিযান শুরু করেছিল হিন্দুস্থান মোটোর্স্। হিন্দুস্থান মোটোর্স্ই ভারতের গাড়ি শিল্পের পথিকৃত।

১৯৪৮ সালে ভারতের তৎকালীন সর্ববৃহৎ গাড়ি কারখানা যে অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল সেই জায়গার নামও স্বাভাবিক ভাবেই হিন্দুস্থান মোটোর্স্ এর সাথে সাযুজ্য রেখে হয়ে ওঠে হিন্দমোটর। এই অঞ্চলের ক্ষ্যতিও হিন্দুস্থান মোটোর্স্ কে ঘিরেই। হিন্দমটরের কারখানায় তৈরী হত ট্যাক্সি। অ্যাম্বাসেডরকে মূলত ট্যাক্সি নামেই পশ্চিম বাংলার আপামোড় জনতা চেনেন। যদিও সরকারি গাড়ি হিসাবে এর পরিচিতিও যথেষ্ট। তবে মরিস অক্সফোর্ড এর আদলে তৈরী হওয়া আশির দশক পর্যন্ত সর্বাধিক বিক্রিত ভারতীয় গাড়ি অ্যাম্বাসেডর ট্যাক্সি নাম যেমন পরিচিত তেমনটা আর কোনো নাম নয়।



১৯৪২ থেকে ১৯৮০ প্রায় প্রতিদ্বন্দী শূন্য ভারতীয় বাজার দখল করে ছিল অ্যাম্বাসেডর। কিন্তু ১৯৮১ সালে মারুতি-সুজুকির গোড়াপত্তনের পর থেকে ধীরে ধীরে রুগ্ন হতে থাকে হিন্দুস্থান মোটোর্স্। কোম্পানিকে খাদের কিনার থেকে তুলে কর্মী সংকোচন থেকে শুরু করে জাপানি বহুজাতিক মিত্সুভিশির সাথে যৌথ উদ্দ্যোগে সামিল হওয়া সব রাস্তাতেই হেটেছিল কোম্পানি কতৃপক্ষ। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না।



Sunday, January 20, 2013

Kolkata Ferry Service


The Ferry service connects Kolkata to Howrah and provides a cheap alternative route to the Howrah rail terminus. A ferry is a means of transport that allows crossing a water obstacle encountered along a path, usually over a relatively short distance, and with a service implemented regularly. The ferry can also take place through a vessel that carries passengers at the same time with their cars or commercial vehicles and rail cars this usually ship is equipped with special ramps and movable bridges to facilitate the boarding of vehicles and is called Roll-on or Roll-off .

Saturday, January 19, 2013

Acharya Jagadish Chandra Bose


Jagadish Chandra Bose was a physicist and botanist Indian, pioneer of radio. Born in Bengal now Bangladesh during the British government, was the son of a magistrate. At nine years old he was sent to study in Calcutta. He had as teachers Jesuit Father Eugene Lafont, who played an important role to develop his interest in the natural sciences, and the son of Charles Darwin, Francis Darwin.

Friday, January 18, 2013

Red Road


Red Road. Prominent occupy in road design considerations geological, since problems relating to this field can in some cases push the designer to radically alter the path chosen initially because of even serious problems of this nature. For this reason it is also necessary during the design, check with a geological and geotechnical feasibility of the work.

Thursday, January 17, 2013

Malda Mango


Popularly called the Mango City, Malda, is the fifth largest city of Bengal. The mango, is a tree belonging to the family of Anacardiaceae, native of India and cultivated in all areas tropical. The word mango is derived from the word Portuguese manga. The first attestation of the word in a European language is found in 1510 in a text by Ludovico de Varthema in Italian as Manga.

Sunday, January 13, 2013

ফুচকা কিভাবে বানায় - ফুচকা বানানোর পদ্ধতি ও রেসিপি

ফুচকা ভারতের একটি অতি জনপ্রিয় সুস্বাদু খাদ্যবিশেষ। ভারতের শহরাঞ্চলে প্রায় সর্বত্রই এই খাদ্যটির প্রচলন রয়েছে। অঞ্চলভেদে এটি বিভিন্ন নামে পরিচিত। বাংলায় এর নাম ফুচকা; উত্তর ভারতে এটির পরিচিতি গোল-গাপ্পা হিসেবে, আবার পশ্চিম ভারতে, যেমন মহারাষ্ট্রে, এই খাবারটির নামই পানি-পুরি।



উপকরণঃ

সুজি - ১ কাপ
ময়দা - ৩ টেবিলচামচ
বেকিং সোডা - ১/৪ চা চামচ
লবন - স্বাদমত
পানি
ডুবো তেলে ভাজার জন্য তেল

যেভাবে বানাবেনঃ

১। একটি বড় পাত্রে সব শুকনো উপকরণ গুলো মিশিয়ে নিন। এবার অল্প অল্প করে পানি মিশিয়ে খামির বানান, খুব বেশি নরম না শক্ত খামির বানান।

২। একটুকরো ভেজা কাপড় দিয়ে এই খামির ঢেকে রাখুন ২০-৩০ মিনিট।

৩। ২০-৩০ মিনিট পর, ভেজা কাপড়টি সরিয়ে খামির আবার ভালোভাবে মাখুন। খামিরটি ২/৩ ভাগ করে নিন। এবার রুটি বেলার মতো করে পাতলা বড় রুটি বেলুন এক একটি ভাগ দিয়ে। খেয়াল রাখবেন রুটি মোটা যেন না হয়ে যায়। এবার বিস্কুট কাটার বা গোল কোন ঢাকনি অথবা ছোট গোল বাটি দিয়ে এই বড় রুটি থেকে গোল গোল করে ফুচকা কেটে নিন। আপনি ইচ্ছে হলে বড় রুটি না বেলে, ছোট ছোট করে আলাদা আলাদা ফুচকা বেলে নিতে পারেন, তবে আমার কাছে বড় রুটির মতো বেলে নিয়ে তা থেকে গোল করে কেটে নেয়াটাই সহজ মনে হয়।

৪। একটি ট্রেতে ফুচকা গুলো পাশাপাশি রাখুন, আবারো ভিজে কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখুন। (এভাবে ঢেকে না রাখলে ফুচকা ফুলবে না, মুচমুচেও হবে না, তাই শুধু মাত্র ভাজার সময় ভেজা কাপড়টি সরাতে হবে)। চুলায় কড়াই বা প্যানে তেল গরম করতে দিন।

৫। তেল গরম হলে একটি ফুচকা ছেড়ে দেখুন আগে তেলের তাপমাত্রা ঠিক মতো হয়েছে কিনা, তাপমাত্রা ঠিক হলে ফুচকা ছাড়া মাত্রই ফুলে উঠবে কয়েক সেকেন্ড অপেক্ষা করে চামচ দিয়ে সাবধানে ফুচকা উল্টে দিন যাতে অপর পাশেও ভাজা হয়, এসময় চুলার আচঁ কমিয়ে দিন। আর, তেল বেশি গরম হলে ফুচকা পুড়ে কালো হয়ে যাবে, আবার ঠিক মতো ফুলবে না, নরম হয়ে যাবে ফুচকা যদি না তেল ঠিক মতো গরম হয়। সুতরাং প্রথমে একটি দুটি ফুচকা ভেজে আগে তেলের গরমটা বুঝে নিন।

৬। সোনালি, মুচমুচে করে ফুচকা ভেজে তুলুন, কড়াই বা প্যান বড় হলে একবারে ২/৩টি করে ফুচকা ভাজতে পারেন, ছোট হলে একবারে একটি দিন। নাহলে ফুচকা মুচমুচে হয়ে ফুলবে না।

৭। ভাজা ফুচকা পেপার টাওয়েলের ওপর রাখুন বাড়তি তেল শুষে নেয়ার জন্য।

ব্যাস, হয়ে গেল সহজেই ফুচকা তৈরি!

Friday, January 11, 2013

মুর্শিদাবাদ জেলার ইতিহাস ভ্রমণ

মুর্শিদাবাদ নগরী। এক করুণ-রঙ্গিন ইতিহাস লগ্ন হয়ে আছে সে নগরীর পরতে পরতে। নবাব মুর্শিদকুলি খান ১৭০৪ সালে এই নগরীর পত্তন করেন। সে হিসেবে এ বছর, ২০০৪ সালে, মুর্শিদাবাদের তিনশো বছর পূর্ণ হল। এ উপলক্ষেই বর্তমান গ্রন্থের অবতারণা। মুর্শিদাবাদ সংক্রান্ত বেশির ভাগ প্রামাণিক গ্রন্থই একশো বছর বা তার আগে লেখা। গত কয়েক দশকেও এই নগরী নিয়ে বেশ কিছু বই ও কয়েকটি প্রবন্ধও প্রকাশিত হয়েছে।

কিন্তু তার সবগুলিতেই মুর্শিদাবাদের খণ্ড খণ্ড চিত্র, সামগ্রিক ভিতর ঠিক কোথাও পাওয়া যায় না। মুর্শিদাবাদের তিনশো বছর পূর্তি উপলক্ষে এর ইতিহাসের প্রতি, বিশেষ করে স্বাধীন নবাবি আমলে এই শহরের প্রসঙ্গে, নতুন ভাবে দৃষ্টিপাত করার প্রয়োজন আছে। নবাবি আমলই মুর্শিদাবাদের স্বর্ণযুগ। মুর্শিদাবাদে তিন বণিকরাজার কার্যকলাপ, পলাশির ষড়যন্ত্র ও বিপ্লব কেন হল, এ নগরীর বেগমদের সম্বন্ধে আকর্ষণীয় বিবরণ এবং মুর্শিদাবাদের শিল্প, বাণিজ্য, সমাজ, অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও স্থাপত্যের আকর্ষণ।

বাংলার ইতিহাসের সবচেয়ে আলোচিত অধ্যায় হলো পলাশী যুদ্ধ। পলাশী যুদ্ধে নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার পরাজয় মানে বাংলার স্বাধীনতা হারানো। শুধু কী বাংলার স্বাধীনতা বিনষ্ট হওয়া? এর ফলে বাংলা, বিহার ও উরিষ্যার স্বাধীনতা বিনষ্ট হয়। এরপর ক্রমান্বয়ে সমগ্র ভারতবর্ষই স্বাধীনতা হারায়।

১৭৫৭ সালের ২৩ জুন বাংলা, বিহার ও উরিষ্যার স্বাধীন নবাব সিরাজ-উ-দৌলা ইংরেজদের সাথে দেশ রক্ষার যুদ্ধে লিপ্ত হন। কিন্তু ক্ষমতার লোভে এদেশীয় মীর জাফর, রাজবল্লভ, রায় দুর্লভ, উর্মি চাঁদ, জগৎশেঠেরা প্রতারণা করে সিরাজকে পরাজিত করে। আর নিষ্ঠুর ইংরেজদের নির্দেশে এবং মিরনের আদেশে মোহম্মদী বেগ, বাংলার মহানায়ক সিরাজকে শহীদ করে ২ জুলাই ১৭৫৭। শুধু সিরাজকে শহীদ করেই ক্ষান্ত হয়নি এ নিষ্ঠুর চক্রটি। তারা সিরাজ পরিবারটিকেই তছনছ করে ফেলে। ইতিহাস গ্রন্থে, প্রবন্ধে নবাব সিরাজ-উদ-দৌলাকে নিয়ে বহু লেখালেখি হয়েছে। কিন্তু তার পরিবার নিয়ে তেমন কোন লেখালেখি হয়নি। যাও কিছু লেখা হয়েছে তাও যৎ কিঞ্চিত।

আমাদের এবার একটু ভেবে দেখা দরকার ইংরেজ ও তার দোসর মীরজাফর কী অবস্থায় রাখে বাংলার স্বাধীন নবাব সিরাজের পরিবারকে। নবাব সিরাজের ছোট ভাই মির্জা মেহেদী। তখন বয়স মাত্র ১৫ বছর। সিরাজ হত্যার পর মির্জা মেহেদীকেও হত্যা করা হয় নিষ্ঠুরভাবে। কথিত আছে, মির্জা মেহেদীকে তক্তা বা কাঠ চাপা দিয়ে নির্মমভাবে শহীদ করে মিরনের দোসররা।

ইংরেজ দোসর মীরজাফর, জগৎশেঠরা কারাগারে প্রেরণ করেন সিরাজ মাতা আমিনা বেগমকে, নানী সরফুন নেসা, নবাব স্ত্রী লুৎফুননেসা ও সিরাজের চার বছরের শিশু কন্যাকে। সিরাজের খালা ঘসেটি বেগম যিনি সিরাজ উৎখাত ও হত্যায় জড়িত ছিলেন তাকেও কারাগারে প্রেরণ করে মীর জাফর। লর্ড ক্লাইভ ও মীর জাফর গংরা আমিনা বেগম, সরফুন নেসা, লুৎফুন নেসা, ঘসেটি বেগম ও সিরাজের চার বছরের শিশু কন্যাকে মুর্শিদাবাদ কারাগারে না রেখে ঢাকার জিঞ্জিরায় নির্বাসনে পাঠায়।

ইংরেজদের ভয় ছিল নবাব পরিবার মুর্শিদাবাদ থাকলে হয়তো দেশীয় সৈন্যরা বিপ্লব ঘটাতে পারে। এ ভায়েই নবাব পরিবারকে ঢাকার জিঞ্জিরায় প্রেরণ করা হয়েছিল। নবাব স্ত্রী লুৎফুন নেসাকে ক্লাইভের নির্দেশে ঢাকা হতে মুর্শিদাবাদ আনা হয়। কিন্তু মুর্শিদাবাদ আনা হয়নি আমিনা বেগম ও ঘসেটি বেগমকে। তাদের ঢাকায়ই রাখা হয়। ১৭৮০ সালের কথা। পুত্র মিরনের সাথে আলাপ আলোচনা ও পরামর্শ করে মীরজাফর কয়েকজন অনুচরকে পাঠালেন ঢাকার জিঞ্জিরায়। মুর্শিদাবাদ নেয়ার নামে দু’বোনকে নৌকায় তোলা হয়।

সিরাজ মাতা আমিনা বেগম ও খালা ঘসেটি বেগমকে ধলেশ্বরী নদীতে নৌকা ডুবিয়ে সলীল সমাধী ঘটানো হয়। কতটা পাষ- ও নির্মম অত্যাচার করা হয় সিরাজের পরিবারের উপর। লর্ড ক্লাইভ ও মীর জাফররা একের পর এক হত্যা, লুণ্ঠন চালায় নবাব সিরাজ-উ-দৌলার পরিবারের উপর। ২ জুলাই ১৭৫৭ সালে সিরাজ হত্যার পর স্ত্রী লুৎফুন নেসার জীবনে নেমে আসে চরম বিপর্যয়। ১৭৫৮ সালে একটি সাধারণ নৌকায় তুলে ঢাকার উদ্দেশ্যে পাঠানো হয় সিরাজ পরিবারকে। জিঞ্জিরা প্রাসাদে খাওয়া-দাওয়ার জন্য ইংরেজ সরকার সামান্য অর্থ বরাদ্দ দেয়। আর এ টাকা আসতো অনিয়মিতভাবে।

১৭৬৩ সালে রেজা খান ঢাকার সুবেদার নিযুক্ত হলেন। তিনি নবাব পরিবারের নারীদের জন্য সামান্য সম্মনী বরাদ্দ করেন। তবে ক্লাইভের নির্দেশে ১৭৬৫ সালের ডিসেম্বর মাসে জিঞ্জিরা বন্দিদশা থেকে নবাব সিরাজের স্ত্রী লুৎফুন নেসা, সিরাজের শিশু কন্যা ও আলী বর্দীখার স্ত্রী সিরাজ নানী সরফুন নেসাকে মুক্তি দেয়া হয়। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি লুৎফুন নেসা ও তার কন্যার ভরণ-পোষণের জন্য ৬শ’ টাকা ভাতা বরাদ্দ করলো। নবাব সিরাজের কন্যার বিয়ে হয় মীর আসাদ আলী খাঁর সাথে। সিরাজের কন্যার ৪টি মেয়ে হলো।

তাদের নাম ছিল সরফুন নিসা, আমাতুন নিসা, সাকিনা ও আমাতুল। এরই মাঝে সিরাজের মেয়ের জামাই মীর আসাদ আলী হঠাৎ মারা যান। ১৭৭৪ সালে সিরাজের কন্যাও মারা যান। চার চারটি এতিম শিশু নিয়ে ৬শ’ টাকায় চলে না সিরাজ স্ত্রীর। বাধ্য হয়ে ১৭৮৭ সালে কর্নওয়েলিশের নিকট ভাতা বৃদ্ধির আবেদন করেন লুৎফা। লুৎফার আবেদন নাকচ করে দেয় কর্নওয়েলিশ।

ওই ভাতা ছাড়াও মাসে আরো ৩০৫ টাকা ভাতা দেয়া হতো আলীবর্দী খাঁ ও নবাব সিরাজের মাজার দেখাশোনার জন্য। ভাগ্য বিড়ম্বিত, ঝঞ্চাতাড়িত ও চির দুঃখী লুৎফুন নেসা ১৭৯০ সালের নভেম্বর মাসে নামাজরত অবস্থায় স্বামীর কবরের পাশে মারা যান। নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার কবরের পাশেই লুৎফাকে সমাহিত করা হয়। সিরাজ পরিবারের ইতিহাস এখানে এসেই থেমে যায়।



নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার কন্যার কোন খোঁজ দিতে পারেনি বাংলার ইতিহাস এমনকি ভারতীয় ইতিহাস। তবে ইদানীং গবেষণা চালিয়ে সিরাজ কন্যার নাম উদ্ধার সম্ভব হয়েছে। সিরাজ কন্যার নাম উম্মে জোহরা। এমনকি উম্মে জোহরার চার কন্যা ও এক পুত্র সন্তানের নাম পাওয়া যায়, তার পুত্র লুৎফে আলী খান। লুৎফে আলী খানের কন্যা ফাতিমা (সিরাজ-উদ-দৌলা মুর্শিদাবাদ-আব্দুল হাই শিকদার)।

সিরাজের পরবর্তী বংশ ধারা পাকিস্তান ও বাংলাদেশে চলে আসে বলে জনশ্রুতি রয়েছে। বাংলাদেশের খুলনা ও ঢাকায় নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার বংশধরগণ বসবাস করেন বলে আব্দুল হাই শিকদার নবাব সলিমুল্লার একটি চিঠি প্রমাণ হিসেবে দাঁড় করিয়েছেন তাঁর গ্রন্থে। স্যার সলিমুল্লাহ নবাব পরিবারের নিম্নতর বংশধরদের চাকরি ও ভাতার ব্যবস্থা করার জন্য ইংরেজদের অনুরোধ জানিয়ে পত্র দেন। তবে ১৭৯০ সালের পর সিরাজ পরিবারের ধারাবাহিক ইতিহাস সংরক্ষণ করা যায়নি। অর্থাৎ নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার স্ত্রী ইন্তেকালের পর সিরাজ পরিবারের ধারাবাহিক ইতিহাস সংরক্ষণ হয়নি।

হয়ে থাকলেও ইংরেজ, মীজাফর, রাজবল্লভ, রায়দুর্লভ, সিরাজ-উদ-দৌলাসহ সমকালীন ইতহাস বিনষ্ট করে দেয়। মুর্শিদাবাদের পলাশীতে (বর্তমান নদীয়া জেলার কালিগঞ্জ থানা) সিরাজ-উদ-দৌলার সাথে যুদ্ধ হয়নি ইংরেজদের। হয়েছিল প্রহসন ও বিশ্বাস ঘাতকতা। যেখানে লর্ড ক্লাইভ মাত্র ৩ হাজার সিপাহী (২ হাজার ২শ’ সিপাহী ৮শ’ পদাতিক সৈন্য) নিয়ে নবাবকে আক্রমণ করে। এর বিপরীতে নবাবের ৫০ হাজার সৈন্য (৩৫ হাজার পদাতিক, ১৫ হাজার অশ্বারোহী, ৫৩টি কামান) পরাজিত হয়। যে যুদ্ধ কল্পনাকেও হার মানায়।

বাংলা, বিহার, উরিষ্যার, শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা ১৭৩৩ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন। নানা আলীবর্দী খানের মৃত্যু হলে ১৭৫৬ সালের ১০ এপ্রিল মসনদ লাভ করেন। তখন তার বয়স সবে মাত্র ২৩ বছর। পলাশী যুদ্ধের সময় সুদর্শন এ নবাবের বয়স হয়েছিল মাত্র ২৪ বছর। নবাব সিরাজ-উদ-দৌলাকে জাফরগঞ্জ প্রাসাদে নির্দয় ও নিষ্ঠুরভাবে শহীদ করার পর তার ছিন্ন ভিন্ন লাশ হাতির উপর নিয়ে শহর প্রদক্ষিণ করায়।

পরে সিরাজের মৃতদেহ কাপুরুষ ও অমানুষ মীর জাফর রাস্তার পাশে ফেলে রাখে। তাকে কবর দেয়নি পাষ-রা। একজন সিরাজ প্রেমিক অনুমতি সাপেক্ষে নবাবের লাশ অতিযত সহকারে কোলে তুলে নেন। ধুয়ে মুছে অর্থাৎ মুসলমান রীতিতে গোসল করিয়ে খোশবাগে রাতের আঁধারে কবর দেন সিরাজ-উদ-দৌলার লাশ। যিনি সিরাজ-উদ-দৌলাকে কবর দেন তার নাম মির্জা জয়নুল আবেদীন।

খোশবাগ কবরস্থান ৯ একর জমির উপর সেই কবরস্থান। প্রাচীর বেষ্টিত এ কবর এলাকাটা খোশবাগ হিসেবে নবাব আলীবার্দী খান স্থাপন করেন। এখানে রয়েছে নবাব আলীবর্দী খানের সমাধী, এটির পূর্ব পাশে নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার সমাধী, একটির পূর্ব পাশে সিরাজের ছোট ভাই মেহেদীর সমাধী। সিরাজ সমাধীর ঠিক পায়ের নিচে স্ত্রী লুৎফার সমাধী। খোশবাগে জেনানা কবরস্থানে সরফুন নেসা, সিরাজ মাতা আমিনা বেগম ও খালা ঘসেটি বেগমের সমাধীও রয়েছে। প্রাচীরের বাইরে একাধারে ১৭টি কবর রয়েছে। তারা আশরাফু দৌলার নেতৃত্বে সিরাজের কবর জিয়ারতে বিহার থেকে এসেছিল।

মিরন তাদের হত্যা করে। এখানেই তাদের কবরস্থ করা হয়। বাংলার স্বাধীনতার মহাবীর, বাংলার ইতিহাসের মহানায়ক নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা চির নিদ্রায় শায়িত আছেন মুর্শিদাবাদের খোশবাগে। নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার পতনের মধ্যে দিয়ে ভারতীয় উপমহাদেশের মধ্য যুগের অবসান ঘটে। আর শুরু হয় দু’শ’ বছরের গোলামীর জীবন।

Thursday, January 10, 2013

Damodar River

Damodar river

Damodar River is a river flowing across Bengal and flows 368 miles to reach the south western fringes of Kolkata to join the river Hooghly. Rich in mineral resources, the valley is home to large-scale mining and industrial activity. The two minerals that are widely available in the land beneath and around this river are coal and mica. As per the history of Damodar River, it used to flow from west to east in Bengal and joined Hooghly River near Kalna. But later on, it changed its travel route.

Wednesday, January 9, 2013

ইলিশ মাছ রান্না


ইলিশ মাছ দিয়ে তৈরি কত রকমের মুখরোচক খাবারই না তৈরি হয়। ইলিশ মাছের কত পদই তো রাঁধতে জানেন আপনি। ইলিশ ঝাল-ঝোল, ইলিশের পোলাও, ইলিশ কোরমা, ইলিশের দোপেয়াজা ইত্যাদি আরও কত কি। আজ আমরা নিয়ে এসেছি এমন একটি রেসিপি, যেটা হয়তো আপনি আগে কখনোই খান নি। রেসিপিটি হচ্ছে আস্ত রসুন দিয়ে ইলিশ। এই মাছটির সাথে রসুন অনেকেই খান না, কিন্তু একবার রান্না করে খেয়েই দেখুন। এমন দারুণ সুস্বাদ ইলিশে আগে কখনো চেখে দেখেন নি নিশ্চিত।

ইলিশ পোলাও

উপকরণ :
১. পোলাওয়ের চাল ২ কাপ, ২. ইলিশের টুকরা ৬-৭টি (বড় ইলিশ), ৩. টকদই আধা কাপ, ৪. আদাবাটা ১ টেবিল-চামচ, ৫. কাঁচা মরিচ ৬-৭টি, ৬. তেল ২ টেবিল-চামচ, ৬. ঘি আধা কাপ , ৭. পেঁয়াজ বেরেস্তা ১ কাপ, ৮. লবণ পরিমাণমতো, ৯. পেঁয়াজকুচি কোয়ার্টার কাপ, ১০. পেঁয়াজবাটা কোয়ার্টার কাপ, ১১. দুধ আধা কাপ, ১২. লেবুর রস ২ টেবিল-চামচ।

প্রণালি :

কড়াইতে তেল গরম করে পেঁয়াজকুচি হালকা ভেজে নিন। এবারে আদা, দই, পেঁয়াজবাটা ও পরিমাণমতো লবণ দিয়ে কষিয়ে ইলিশ মাছ ও লেবুর রস দিয়ে মৃদু আঁচে ঢেকে দিন। ১০ মিনিট পর মাছের টুকরাগুলো ঝোল রেখে তুলে নিন। ঝোলের কড়াইতে ঘি এবং অর্ধেক বেরেস্তা দিয়ে একটু রান্না করে চাল দিয়ে কষিয়ে গরম পানি (৪ কাপ) ও কাঁচা মরিচ দিয়ে ঢেকে দিন। পানি শুকিয়ে এলে কিছু পোলাও উঠিয়ে নিন। মাছের টুকরোগুলো পোলাওয়ের উপর বিছিয়ে দিন। এবার তুলে নেওয়া পোলাও, মাছের উপর দিয়ে বাকি বেরেস্তা ও দুধ দিয়ে ঢেকে দমে দিন। ১৫-২০ পর হয়ে গেলে নামিয়ে পরিবেশন করুন।

অরেঞ্জ ইলিশ

উপকরণ :

১. ইলিশ মাছ ৮ টুকরা, ২. কমলা লেবুর রস ৩ কাপ, ৩. পেঁয়াজবাটা ২ টেবিল-চামচ, ৪. তেল কোয়ার্টার কাপ, ৫. লবণ পরিমাণমতো, ৬. চিনি আধা চা-চামচ, ৭. মরিচগুঁড়া আধা চা-চামচ, ৮. হলুদগুঁড়া সামান্য, ৯. কমলার খোসা (গ্রেট করা) ১ টেবিল-চামচ

প্রণালি :

বাটিতে পরিমাণমতো লবণ ও সামান্য হলুদ, মরিচগুঁড়া মাখিয়ে মাছের টুকরোগুলো ১৫ মিনিট রেখে দিন। কড়াইতে তেল গরম করে মাছগুলো হালকা ভেজে তুলে নিন। এবার ভাজা তেলে একে একে সব মসলা দিয়ে একটু ভুনে নিন। এবারে কমলার রস ও কমলার খোসা দিয়ে ভালোভাবে ফুটিয়ে মাছ দিয়ে অল্প আঁচে ঢেকে দিন। ১৫-২০ মিনিট পর নামিয়ে নিন।

সরষে ইলিশ

উপকরণ :

১. ইলিশ মাছ বড় ১টি, ২. সরিষা বাটা কোয়ার্টার কাপ, ৩. সরিষার তেল আধা কাপ, ৪. হলুদ সামান্য, ৫. মরিচগুঁড়া আধা চা-চামচ, ৬. আস্ত কাঁচা মরিচ ফালি ৫-৬টি, ৭. লবণ পরিমাণমতো, ৮. লেবুর রস ২ টেবিল-চামচ

প্রণালি :

সব উপকরণ একসঙ্গে মাখিয়ে নিন। এবারে আধা কাপ পানি মিশিয়ে চুলায় মৃদু আঁচে বসিয়ে ঢেকে দিন। মাখা মাখা হলে নামিয়ে নিন।

ময়ানে ভাজা ইলিশ

উপকরণ :

১. ইলিশ মাছের টুকরা ৬টি, ২. ময়দা ২ টেবিল-চামচ, ৩. মরিচগুঁড়া আধা চা-চামচ, ৪. কাঁচা মরিচবাটা আধা চা-চামচ, ৫. লবণ পরিমাণমতো, ৬. লেবুর রস ১ চা-চামচ, ৭. হলুদগুঁড়া সামান্য, ৮. ডিম ১টি, ৯. ব্রেড ক্রাম আধা কাপ, ১০. ভাজার জন্য তেল পরিমাণমতো

প্রণালি :

ব্রেড ক্র্যাম ও ডিম বাদে সব মাখিয়ে মাছের টুকরোগুলো ১ ঘণ্টা রেখে দিন। কড়াইতে তেল গরম করুন। ডিম ফেটে নিয়ে, মাছের টুকরোগুলো ডিমে ডুবিয়ে, ব্রেড ক্রাম গড়িয়ে ডুবো তেলে সোনালি রঙ করে ভেজে নিন।

ইলিশ কোফ্তা কারি

উপকরণ :

ধাপ -১

১. ইলিশ মাছের সেদ্ধ কিমা ২ কাপ, ২. ডিম ফেটানো ১টি, ৩. পেঁয়াজ বেরেস্তা আধা কাপ, ৪. কাঁচা মরিচকুচি ১ টেবিল-চামচ, ৫. লবণ পরিমাণমতো, ৬. লেবুর রস ১ টেবিল-চামচ, ৭. ধনেপাতাকুচি ২ টেবিল-চামচ, ৮. টমেটো সস ১ টেবিল-চামচ, ৯. টোস্টের গুঁড়া আধা কাপ, ১০. পাউরুটির (সাদা অংশ) ১ পিস, ১১. ভাজার জন্য তেল পরিমাণমতো

ধাপ -২

১. পেঁয়াজবাটা পৌনে এক কাপ, ২. টকদই ২ টেবিল-চামচ, ৩. মরিচগুঁড়া ১ চা-চামচ, ৪. জিরাগুঁড়া আধা চা-চামচ, ৫. আদাবাটা আধা চা-চামচ, ৬. টমেটো সস ১ টেবিল-চামচ, ৭. লবণ পরিমাণমতো, ৮. চিনি ১ চিমটি, ৯. তেল কোয়ার্টার কাপ,

প্রণালি :

> ধাপ -১

একটি পাত্রে সব উপকরণ ভালোভাবে মাখিয়ে নিন। মাখানো উপকরণ ৮-১০ ভাগ করে গোলকার করে কোফ্তা বানিয়ে নিন। কড়াইতে তেল গরম করে কোফ্তা বাদামি করে ভেজে নিন।

> ধাপ -২

কড়াইতে তেল গরম করে সব মসলা কষিয়ে নেয়ার পর দই, সস ও সামান্য দিয়ে নেড়ে দিন। এবারে কোফ্তাগুলো দিয়ে হালকা আঁচে ঢেকে দিন। ঝোল মাখা মাখা হলে চিনি দিয়ে নেড়ে নামিয়ে পরিবেশন করুন।

ভাতে ভাপা ইলিশ

উপকরণ :

১. বড় ইলিশ মাছের ৬-৮ টুকরা, ২. কাঁচা মরিচকুচি ৫-৬টি, ৩. সরিষার তেল ৩ টেবিল-চামচ, ৪. লবণ পরিমাণমতো, ৫. হলুদগুঁড়া সামান্য, ৬. পেঁয়াজ মিহি কুচি আধা কাপ, ৭. লেবুর রস ১ টেবিল-চামচ, ৮. লাউপাতা ৬টি

প্রণালি :

সব উপকরণ মাখিয়ে মাছের টুকরোগুলো ৩০ মিনিট রেখে দিন। লাউপাতায় মধ্যে মাখানো মাছের একটি টুকরো রেখে পাতাটি ভাঁজ করে উল্টিয়ে রাখুন, যাতে খুলে না যায়। এভাবে সবগুলো তৈরি করে নিন। এবারে মাড় গলানো গরম ভাতের হাঁড়ি মৃদু আঁচে চুলায় বসিয়ে রাখুন। হাঁড়ির মাঝখান থেকে কিছু ভাত সরিয়ে, লাউপাতায় মোড়ানো মাছগুলো বিছিয়ে রাখুন। উপরে তুলে নেওয়া ভাতগুলো দিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে ২০ মিনিট রেখে দিন। ভাত সরিয়ে মাছগুলো সাবধানে তুলে পাতাসহ পরিবেশন করুন।

লেবু ইলিশ

উপকরণ :

১. ইলিশ মাছ ৬-৭ টুকরা, ২. পেঁয়াজবাটা ১ কাপ, ৩. তেল আধা কাপ, ৪. হলুদ সামান্য, ৬. আস্ত কাঁচা মরিচ ফালি ৪-৫টি, ৭. লবণ পরিমাণমতো, ৮. লেবুর রস কোয়ার্টার কাপ, ৯. আদাবাটা ১ চা-চামচ, ১০. লেবুর খোসা (গ্রেট করা) আধা চা-চামচ

প্রণালি :

লেবুর খোসা বাদে সব উপকরণ মাখিয়ে মাছের টুকরোগুলো ৩০ মিনিট রেখে দিন। মেরিনেট করা মাছ মৃদু আঁচে চুলায় বসিয়ে ঢেকে দিন। ৭-৮ মিনিট পর মাছগুলো উল্টে দিয়ে আবার ঢেকে দিন। মাখা মাখা হলে লেবুর খোসা ছড়িয়ে নামিয়ে নিন।

আস্ত বেকড ইলিশ

উপকরণ :

১. ইলিশ মাছ ১টা, ২. লাল মরিচগুঁড়া ১ টেবিল-চামচ, ৩. পেঁয়াজবাটা ২ টেবিল-চামচ, ৪. টকদই ২ টেবিল-চামচ, ৬. লেবুর রস ১ টেবিল-চামচ, ৭. ভিনেগার ১ টেবিল-চামচ, ৮. সরিষার তেল ৩-৪ টেবিল-চামচ, ৯. লবণ পরিমাণমতো, ১০. কাঁচা মরিচ (চপ করা) ৩-৪টি, ১১. আদার রস ১ টেবিল-চামচ, ১২. তন্দুরি মসলা ১ চা-চামচ, ১৩. অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল

প্রণালি :

আস্ত মাছকে ছুরি দিয়ে চিরে দিন, যাতে মসলা ভেতরে যেতে পারে। এবার লবণ মাখিয়ে এক ঘণ্টা রেখে দিন। বাটিতে সব মসলা মাখিয়ে নিন। মাখানো মসলা মাছের দুই পাশে ভালোভাবে লাগিয়ে ফয়েলের উপর রেখে ফয়েলটি মুড়িয়ে নিন। আভেন ফ্রি হিট করে ১৮০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় ৩০-৪০ মিনিট বেক করে নামিয়ে নিন। লেবু চাক চাক করে কেটে, মাছের চিড়ে নেওয়া জায়গাগুলোতে ঢুকিয়ে পরিবেশন করুন।

ইলিশ কাসুন্দি

উপকরণ :

১. ইলিশ মাছ ৬ টুকরা, ২. কাসুন্দি আধা কাপ, ৩. হলুদগুঁড়া কোয়ার্টার চা-চামট, ৪. মরিচগুঁড়া আধা চা-চামচ, ৫. লবণ পরিমাণমতো, ৬. কাঁচা মরিচ ৪-৫টি, ৭. তেল কোয়ার্টার কাপ

প্রণালি :

কড়াইতে সব উপকরণ দিয়ে মাখিয়ে মাছ টুকরোগুলো ১৫-২০ মিনিট রেখে দিন। এবার চুলা জ্বালিয়ে উপরে মাখানো মাছের কড়াইটি দিয়ে মৃদু আঁচে ঢেকে দিন। ১৫ মিনিট পর মাছ সেদ্ধ হলে নামিয়ে নিন।

ইলিশ পাতুরি

উপকরণ :

১. ইলিশ মাছ ৬ টুকরো, ২. সাদা সরষেবাটা ১ টেবিল-চামচ, ৩. কাঁচা মরিচবাটা ১ চা-চামচ, ৪. আস্ত কাঁচা মরিচ ৩-৪টি (লম্বা ফালি করা), ৫. হলুদগুঁড়া কোয়ার্টার চা-চামচ, ৬. লবণ স্বাদমতো, ৭. কলাপাতা, ৮. সুতা, ৯. সরিষার তেল ৩ টেবিল-চামচ, ১০. সরিষার তেল পরিমাণমতো শ্যালো ফ্রাইয়ের জন্য

প্রণালি :

মাছের সঙ্গে সব মসলা মাখিয়ে ৩০ মিনিট রেখে দিন। মাখানো মাছ কলাপাতায় মুড়ে সুতা দিয়ে বেঁধে দিন। মুড়ানোর সময় একটি কাঁচা মরিচ ফালি দিয়ে দিন। প্যানে তেল গরম করে অল্প আঁচে এপিঠ-ওপিঠ করে ভেজে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। পাতা পোড়া পোড়া হলে নামিয়ে নিন।

কাঁটা গলানো ইলিশ

উপকরণ :

১. ইলিশ মাছের টুকরা ৬-৮টি, ২. হলুদগুঁড়া সামান্য, ৩. মরিচগুঁড়া ১ চা-চামচ, ৪. লবণ পরিমাণমতো, ৫. টকদই ২ টেবিল-চামচ, ৬. আদাবাটা কোয়ার্টার চা-চামচ, ৭. কাঁচা মরিচ ৬-৭টি, ৮. তেল কোয়ার্টার কাপ, ৯. পানি ১ কাপ

প্রণালি :

বাটিতে মাছের সঙ্গে সব উপকরণ মাখিয়ে ২-৩ ঘণ্টা রেখে দিন (পানি বাদ দিয়ে)। চুলার উপর প্রেশারকুকার বসিয়ে মেরিনেট করা মাছ ও পানি দিয়ে মৃদু আঁচে কুকারের ঢাকনা লাগিয়ে ২৫ মিনিট রেখে দিন। ২৫ মিনিট পর মাছের কাঁটাগুলো নরম হয়ে যাবে। কুকার থেকে মাছের টুকরোগুলো না ভেঙে সাবধানে তুলে নিয়ে পরিবেশন করুন। সাধারণ হাঁড়িতে ১ ঘণ্টা রান্না করতে হবে।

টক মিষ্টি ইলিশ

উপকরণ :

১. ইলিশ মাছ ৬-৭ টুকরা, ২. পেঁয়াজবাটা আধা কাপ, ৩. পেঁয়াজকুচি কোয়ার্টার কাপ, ৪. তেল ১/৩ কাপ, ৫. হলুদগুঁড়া আধা চা-চামচ, ৬. মরিচগুঁড়া ১ টেবিল-চামচ, ৭. আস্ত কাঁচা মরিচ ফালি ৪-৫টি, ৮. লবণ পরিমাণমতো, ৯. তেঁতুলের মাড় কোয়ার্টার কাপ, ১০. আদাবাটা ১ চা-চামচ, ১১. চিনি কোয়ার্টার কাপ, ১২. পাঁচফোড়ন (ভাজা গুঁড়া করা) কোয়ার্টার চা-চামচ, ১৩. কালিজিরা কোয়ার্টার চা-চামচ

প্রণালি :

মাছের টুকরোগুলো সামান্য হলুদ, মরিচগুঁড়া ও লবণ, মাখিয়ে হালকা করে ভেজে নিন। কড়াইতে তেল গরম করে পেঁয়াজকুচি বাদামি করে ভেজে নিন। তেঁতুলের মাড় কাঁচা মরিচ ও চিনি বাদে একে একে সব উপকরণ দিয়ে কষিয়ে মাছের টুকরোগুলো দিয়ে ভুনে নিন। এবার বাকি উপকরণ দিয়ে অল্প আঁচে ঢেকে রাখুন ১৫-২০ মিনিট। নামিয়ে পরিবেশন করুন।

স্মোকড ইলিশ

উপকরণ :

১. ইলিশ মাছের টুকরা ৬-৮টি, ২. হলুদগুঁড়া সামান্য, ৩. মরিচগুঁড়া আধা চা-চামচ, ৪. লবণ পরিমাণমতো, ৫. টমেটো সস ১ চা-চামচ, ৬. ভিনেগার ১ চা-চামচ, ৭. আদাবাটা ১ চা-চামচ, ৮. পেঁয়াজবাটা ২ টেবিল-চামচ, ৯. তেল কোয়ার্টার কাপ, ১০. কাঠকয়লা ও ফয়েল

প্রণালি :

একটি কড়াইতে মাছের সঙ্গে সব উপকরণ মাখিয়ে ২-৩ ঘণ্টা রেখে দিন। কড়াইটি চুলার উপর বসিয়ে মৃদু আঁচে ঢেকে দিন ১ ঘণ্টা। ঝোল শুকিয়ে একটু পোড়া ভাব হলে নামিয়ে নিন। মাছের টুকরোগুলো আলতো করে তুলে (ঝোলসহ) কাচের ঢাকনাসহ বাটিতে রাখুন। এবার ফয়েলের বাটি বানিয়ে কাচের বাটিতে (মাছের উপর) রেখে, কয়লা চুলার উপর দিয়ে লাল করে ফয়েলের বাটির উপর রাখুন। এবারে সামান্য ঘি, লাল করা কয়লার উপর দিয়ে স্মোক করে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। কয়েক মিনিট রেখে ঢাকনা খুলে কাঠকয়লা ও ফয়েল ফেলে পরিবেশন করুন।

ইলিশ কোরমা

উপকরণ :

১. ইলিশ মাছ ৬ টুকরা, ২. পেঁয়াজকুচি আধা কাপ, ৩. আদাবাটা ১ চা-চামচ, ৪. চিনি স্বাদমতো, ৫. বাদামবাটা ১ টেবিল-চামচ, ৬. কাঁচা মরিচ ৪-৫টি, ৭. লবণ স্বাদমতো, ৮. তেল কোয়ার্টার কাপ, ৯. লেবুর রস ১ টেবিল-চামচ, ১০. গুঁড়া দুধ ১ টেবিল-চামচ

প্রণালি :

কড়াইয়ে তেল গরম করে পেঁয়াজ হালকা ভেজে নিন। সামান্য পানি দিয়ে কিছুক্ষণ কষিয়ে নিন। লবণ, চিনি, বাদামবাটা, গুঁড়া দুধ দিয়ে একটু নেড়ে, কাঁচা মরিচ ও ইলিশ মাছ দিয়ে মৃদু আঁচে ঢেকে দিন। ১০-১৫ মিনিট রান্না করে নামিয়ে নিন।


ইলিশে কাবাব

উপকরণ :

১. ইলিশ মাছ আস্ত ১টি, ২. গোলমরিচগুঁড়া ১ টেবিল-চামচ, ৩. পেঁয়াজকুচি আধা কাপ, ৪. কাঁচা মরিচকুচি ১ টেবিল-চামচ, ৫. টমেটো সস ২ টেবিল-চামচ, ৬. আলু ম্যাশড্ ১ কাপ, ৭. ধনেপাতাকুচি ২ টেবিল-চামচ, ৮. রসুন ২ কোয়া (কুচি), ৯. লেবুর রস ১ টেবিল-চামচ, ১০. লবণ স্বাদমতো, ১১. তেল আধা কাপ, ১২. পেঁয়াজ বেরেস্তা আধা কাপ, ১৩. লেবুর খোসা (গ্রেট করা) কোয়ার্টার চা-চামচ,
টোস্ট বিস্কুটের গুঁড়া ১ কাপ

প্রণালি :

> মাছের মাথা ও লেজ কেটে আলাদা করুন। সামান্য হলুদ, মরিচগুঁড়া ও পরিমাণমতো লবণ মাখিয়ে মাথা ও লেজ হালকা ভেজে নিন। এবার বাকি মাছ লবণ, লেবুর রস ও সামান্য পানি দিয়ে সেদ্ধ করে কাঁটা বেছে নিন।

> কড়াইতে তেল গরম করে রসুন ও পেঁয়াজকুচি হালকা ভেজে মাছের কিমা দিয়ে নাড়তে থাকুন। দু-এক মিনিট পর সেদ্ধ আলু দিয়ে কিছুক্ষণ রান্না করে, একে একে গোলমরিচগুঁড়া, কাঁচা মরিচকুচি, স্বাদমতো লবণ, টমেটো সস দিয়ে রান্না করে নামিয়ে ঠা-া করে নিন। অন্য একটি প্যানে সামান্য তেল দিয়ে বিস্কুটের গুঁড়া বাদামী করে ভেজে নিন। এবারে রান্না করা কিমার সঙ্গে ধনেপাতাকুচি, লেবুর খোসা ও বেরেস্তা ভেঙে আলতো করে মাখিয়ে নিন। সার্ভিং ডিশে দুই পাশে ভাজা লেজ ও মাথা রেখে, মাঝখানে মাখানো কিমা সাজিয়ে আস্ত মাছের মতো বানিয়ে নিন। সাজানো কিমার ওপর ভাজা বিস্কুটের গুঁড়া ছড়িয়ে চেপে দিন। কিমার উপর চা-চামচ দিয়ে মাছের আঁশের মতো বানিয়ে পরিবেশন করুন।

দই ইলিশ
উপকরণ :
১. ইলিশ ৬ টুকরা (মাছের টুকরোগুলো লবণ মাখিয়ে ধুয়ে রাখুন), ২. তেল কোয়ার্টার কাপ, ৩. পেঁয়াজবাটা আধা কাপ, ৪. হলুদগুঁড়া ১ চিমটি, ৫. কাঁচা মরিচবাটা ১ চা-চামচ, ৬. টকদই ২ কাপ, ৭. আদাবাটা আধা চা-চামচ, ৮. লবণ পরিমাণমতো, ৯. চিনি আধা চা-চামচ (বা প্রয়োজনমতো)

প্রণালি :
কড়াইয়ে তেল গরম করে সব মসলা দিয়ে কষিয়ে নিন। এবার দই দিয়ে নেড়ে মাছের টুকরোগুলো দিন। চুলার আঁচ একেবারে কমিয়ে ঢেকে দিন। ১৫-২০ মিনিট পর তেল ভেসে উঠলে চিনি দিয়ে নামিয়ে নিন।

নোনা ইলিশ ভুনা

উপকরণ :
১. নোনা ইলিশ ১টি, ২. পেঁয়াজকুচি আধা কাপ, ৩. কাঁচা মরিচ ৫-৬টি, ৪. হলুদের গুঁড়া ১ চা-চামচ, ৫. মরিচের গুঁড়া ১ চা-চামচ, ৬. আদাবাটা আধা চা-চামচ, ৭. জিরাবাটা ১ চা-চামচ, ৮. পেঁয়াজবাটা ১ টেবিল-চামচ, ৯. মেথি ৫-৬টি, ১০. লেবুর রস ১ টেবিল-চামচ

প্রণালি :
নোনা ইলিশের টুকরোগুলো প্রথমে পানিতে ধুয়ে লবণ সরিয়ে নিন। এবার কুসুম গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন ১ ঘণ্টা। কড়াইতে তেল গরম করে তাতে মেথি দিয়ে নেড়েচেড়ে মেথিগুলো ছাঁকনি তুলে নিন। এতে মেথির ফ্লেভার আসবে। এবারে পেঁয়াজকুচি হালকা ভেজে, একে একে সব উপকরণ দিয়ে (লেবুর রস বাদে) কষিয়ে নিন। মাছের টুকরোগুলো ভালোভাবে পানি ঝরিয়ে কড়াইতে দিয়ে ভুনতে থাকুন। প্রয়োজনে সামান্য পানি দিন, যাতে কড়াইতে লেগে না যায়। তেল ভেসে উঠলে লেবুর রস দিয়ে নামিয়ে পরিবেশন করুন।


ইলিশ মালাইকারি

উপকরণ :
১. ইলিশ ৬-৮ টুকরা , ২. পেঁয়াজবাটা ১ কাপ, ৩. আদাবাটা ১ চা-চামচ, ৪. পোস্তবাটা ১ টেবিল-চামচ, ৫. শুকনো মরিচগুঁড়া আধা চা-চামচ, ৬. কাঁচা মরিচ ৩-৪টি, ৭. লবণ পরিমাণমতো, ৮. তেল ১ কাপ, ৯. নারকেলের দুধ ২ কাপ, ১০. চিনি স্বাদমতো, ১১. মালাই ৪ টেবিল-চামচ

প্রণালি :
মাছ ধুয়ে, মাছে সামান্য লবণ মাখিয়ে রাখুন। এবার কড়াইয়ে তেল গরম করে একে একে পেঁয়াজবাটা, আদাবাটা, পোস্ত, মরিচগুঁড়া ও পরিমাণমতো লবণ দিয়ে কষিয়ে নারকেল দুধ ফুটিয়ে নিন। এবার মাছের টুকরো দিয়ে কাঁচা মরিচ ও চিনি ছড়িয়ে ঢেকে দিন। ৫-৭ মিনিট পর মাছের টুকরোগুলো উল্টিয়ে দিয়ে আবারও ঢেকে দিন। ঝোল মাখা মাখা হলে উপরে মালাই দিয়ে নামিয়ে ফেলুন।

আনারস ইলিশ

উপকরণ :
১. ইলিশ মাছ ১টা (৮ টুকরা), ২. আনারস দেড় কাপ (গ্রেট করা), ৩. পেঁয়াজকুচি কোয়ার্টার কাপ, ৪. কাঁচা মরিচ ফালি ৪-৫টা, ৫. হলুদগুঁড়া আধা চা-চামচ, ৬. মরিচগুঁড়া ১ চা-চামচ, ৭. আদাবাটা ১ চা-চামচ , ৮. চিনি আধা চা-চামচ (বা প্রয়োজনমতো), ৯. তেল আধা কাপ, ১০. লবণ পরিমাণমতো

প্রণালি :
মাছের টুকরোগুলো লবণ ও লেবুর রস দিয়ে মাখিয়ে ১০-১৫ মিনিট রেখে দিন। কড়াইয়ে তেল গরম করে পেঁয়াজকুচি নরম করে ভাজুন। এবার হলুদগুঁড়া, আদাবাটা, লবণ ও কাঁচা মরিচ দিয়ে কষান। গ্রেট করা আনারস দিয়ে নেড়ে ভালো করে কষিয়ে সামান্য পানি দিন। ফুটে উঠলে মাছগুলো দিয়ে মৃদু আঁচে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। পানি শুকিয়ে মাখা মাখা হলে চিনি দিয়ে নেড়ে নামিয়ে নিন।


আস্ত ইলিশ রোস্ট

উপকরণ :

ধাপ -১
১. আস্ত ইলিশ ১টি, ২. লবণ পরিমাণমতো, ৩. মরিচগুঁড়া ১ চা-চামচ, ৪. ময়দা ১ টেবিল-চামচ, ৫. কর্নফ্লাওয়ার ১ টেবিল-চামচ, ৬. লেবুর রস ১ টেবিল-চামচ, ৭. ভাজার জন্য তেল পরিমাণমতো

ধাপ- ২, ১. টমেটোকুচি আধা কাপ, ২. পেঁয়াজকুচি আধা কাপ, ৩. পেঁয়াজবাটা কোয়ার্টার কাপ, ৪. লবণ পরিমাণমতো, ৫. টমেটো সস কোয়ার্টার কাপ, ৬. আদাবাটা ১ চা-চামচ, ৭. টকদই ১ টেবিল-চামচ, ৮. মরিচগুঁড়া আধা চা-চামচ, ৯. তেল ১/৩ কাপ, ১০. হলুদগুঁড়া সামান্য, ১১. কাঁচা মরিচ ৪-৫টি

প্রণালি :

> ধাপ -১

মাছটিকে ছুরি দিয়ে চিড়ে দিন, যাতে মসলা ভেতরে যেতে পারে। লবণ মরিচগুঁড়া, লেবুর রস মিশিয়ে মাছটি ১ ঘণ্টা রেখে দিন। কড়াইতে তেল গরম করুন। শুকনা ময়দা ও কর্নফ্লাওয়ার একসঙ্গে মিশিয়ে নিয়ে, মেরিনেট করা মাছটির দুই পাশে লাগিয়ে ডুবো তেলে বাদামি করে ভেজে নিন।

> ধাপ -২,
প্যানে তেল গরম করে পেঁয়াজকুচি হালকা ভেজে, একে একে সব মসলা দিয়ে কষিয়ে (প্রয়োজনে সামান্য পানি দিন), টমেটোকুচি দিয়ে ভুনে নিন। এবারে কাঁচা মরিচ ও টমেটো সস দিয়ে গ্রেভি করে নামিয়ে নিন। রোস্ট ইলিসের ওপর গ্রেভি দিয়ে পরিবেশন করুন।

রেসিপি : মাসুমা আলী রেখা, ছবি : মর্তুজা আলম, ক্যানভাস

ইলিশ ভিন্দালু

উপকরণ :
১. ৪৫০ গ্রাম ইলিশ স্টেক, ২. সিকি কাপ কুচি পেঁয়াজ, ৩. ১ চা-চামচ হলুদ গুঁড়া, ৪. আধা চা-চামচ লাল মরিচের গুঁড়া, ৫. ১ চা-চামচ ধনে গুঁড়া, ৬. ২টি কাঁচা মরিচ, ৭. সিকি কাপ রান্নার তেল, ৮. লবণ স্বাদমতো।

প্রণালি :
সব গুঁড়া মসলা আধা কাপ পানিতে মেশান। গরম তেলে পেঁয়াজ দিন। এবার পানিতে গোলানো মসলা দিয়ে ২ মিনিট রান্না করুন। এবার এতে ৩ কাপ পানি, লবণ ও মাছ দিয়ে ঢেকে দিন। ফোটানো পানি না কমে আসা পর্যন্ত¯ রাখুন। আগুনের আঁচ থেকে নামানোর ৮ মিনিট আগে কাঁচা মরিচ দিয়ে দিন।

লবণে বেকড ইলিশ

উপকরণ :

১. ১টি আস্ত ইলিশ, ২. ৩০ মিলিলিটার জলপাই তেল, ২. অল্প পরিমাণ ওরেগানো, ৩. রোজমেরি, ৪. জোয়ান, ৫. মৌরি, ৬. ১টি লেবু, ৭. পাতাসহ অর্ধেকটি পেঁয়াজকলি

লবণ ক্রাস্টের জন্য উপকরণ :
১. ৩ কেজি সাদা লবণ, ২. ৩ কেজি সামুদ্রিক লবণ, ৩. ৬টি ফেটানো ডিমের সাদা অংশ, ৪. সিকি লিটার পানি

লবণ ক্রাস্ট বানানোর প্রণালি :

ডিমের সাদা অংশ, লবণ ও পানি একসঙ্গে মিশিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করুন।

প্রণালি :

না কেটে ও আকার পরিবর্তন না করে মাছটির ভেতরে ও বাইরের অংশ ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিন। ওরেগানো, রোসমেরি, জোয়ান, মৌরি, অর্ধেকটি লেবু ও পেঁয়াজকলি মাছের ভেতরে ঢুকিয়ে দিন। অর্ধেক লবণ ক্রাস্ট নিয়ে সোয়া সেন্টিমিটার পুরু করে ইলিশের ওপর দিয়ে দিন। জলপাই তেল ব্রাশ দিয়ে এর ওপরে লাগান। এবার বাকি লবণটুকু এর ওপরে দিয়ে দিন। এবার মাছের আঁশ ও কানকো পরিষ্কার করে নিন। ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে প্রিহিট করা ওভেনে ২ ঘণ্টা বেক করুন। নামিয়ে পরিবেশন করুন।

Hilsa Fish ilish khoka

Tuesday, January 8, 2013

লুচি বানানোর রেসিপি

লুচি আমরা কে না চিনি? শত শত বছর যাবত আমাদের দেশীয় খাবারের সংস্কৃতিতে শক্তপোক্ত স্থান দখল করে আছে এই লুচি। লুচি-সবজি কিংবা লুচি-মাংস... বাঙালি মাত্রই এই খাবার গুলোর সাথে পরিচিত। কেবল নিত্য দিনের খাবারে নয়, এদেশের পূজা পার্বণেও লুচির একটা ভীষণ কদর রয়েছে। লুচির সাথে মোহনভোগ হালুয়া কিংবা গরম রসগোল্লার নাম শোনা মাত্রই জিবে পানি আসতে বাধ্য ভোজন রসিক বাঙ্গালির। আর গরম গরম ফুলকো লুচির সাথে যদি ঝাল ঝাল আলুর দম হয়, তাহলে তো কথাই নেই!

আসুন, আজ জেনে নেয়া যাক ফুলকো লুচি আর আলুর দম বানাবার রেসিপি। যতটা ঝঞ্ঝাট মনে হচ্ছে, ততটা কিন্তু মোটেও নয়। বরং আগের রাতে একটু গুছিয়ে রাখলে সকালে লুচি- আলুর দম করতে পারবেন কর্মজীবী যে কেউ। আবার লাঞ্চ বক্সে কিংবা বাচ্চাদের টিফিনেও মানাবে বেশ।

লুচি ভাজতে হয় গরম তেলে।ফুলে উঠলেই আরেক পিঠ উলটে কয়েক সেকেন্ড পর নামিয়ে ফেলুন। সাদা থাকতেই। না হয় মচমচে হয়ে শক্ত হয়ে যাবে। যে লুচি চুলা থেকে নামানোর পর দুই আঙুল দিয়ে ছিড়ে খাওয়া যায় সেটাই পারফেক্ট লুচি। আটা মধ্যম খামির হবে। খুব পাতলা বা শক্ত খামির হবে না।

সুজি না দিলেও সমস্যা নেই। বেলার সময় ময়দা ব্যাবহার না করে তেল ব্যাবহার করব।কারন ময়দা ভাজার সময় তেলে জমে লুচি কালো হয়ে যাবে।

ফুলকো লুচি বেলতে অনেকেই মনে করেন লুচির ময়দায় বেশি করে তেল বা ঘি এর খামির দিলে লুচি ফুলবে ভালো। অনেকেই ভাবেন খামিরকে বুঝি আধ ঘণ্টা ভেজা কাপড়ে ঢেকে রাখলে লুচি ফুলকো হবে। সত্যি বলতে কি, করতে হবে না এই সব কিছুই। আপনার চট করে বানানো লুচিই হবে ফুলকো আর নরম। কেবল অনুসরণ করুন এই পদ্ধতি।

Radha Ballavi kachori puri luchi

উপকরণ

ময়দা-১ কাপ।
তেল বা ঘি -২ টেবিল চামচ।
লবণ -১/২ চা চামচ।
পানি- প্রয়জনমত।
সুজি-১ চা চামচ( ইচ্ছা)।

প্রস্তুত প্রণালি

প্রথমে ময়দা ও সুজি তেল/ঘি দিয়ে ময়ান দাও।তারপর লবন দিয়ে মেখে আস্তে আস্তে পানি দিয়ে ভাল করে মথে খামির করতে হবে।খামির টা কে ২০/৩০ মিনিট একটি ভিজা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে।তা হলে লুচি ফুলবে ভাল।

পুরো খামিরটাকে ১০/১২ ভাগ করুন। পিঁড়িতে তেল মাখিয়ে লুচি বেলে গরম ডুবোতেলে ভাজতে হবে। ফুলে উঠলে উল্টিয়ে নামিয়ে ফেলুন। পরিবেশন করুন ল্যাবড়া, ভুনা ডাল, মিক্সড সবজি, মাংস ভুনা, চাটনি, সালাদের সাথে।

Monday, January 7, 2013

ছানার রসমালাই রেসিপি ও নিয়ম

রসমালাই নাম শুনলেই জিভে জল আসে। সুস্বাদু এই মিষ্টান্নের খ্যাতি দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বহির্বিশ্বেও। রসমালাইয়ের নাম বলতেই সবার আগে মনে হয় বাংলার নাম। কারণ দেশের বিভিন্ন স্থানে রসমালাই তৈরি হলেও বাংলার রসমালাইয়ের স্বাদের তুলনা নেই।

স্বাধীনতা পূর্ব সময় থেকেই বাংলার রসমলাই, দই, মিষ্টির সুনাম বাংলার সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে গত ৩০ বছর ধরে বাংলার রসমলাইয়ের চাহিদা দেশ ছাড়িয়ে বিদেশ পর্যন্ত গড়িয়েছে।

বাংলার আনাচে কানাচে রসমালাইয়ের এসব দোকানগুলোতে নেই কোন চাকচিক্য। বেশিরভাগ দোকানে বসার ব্যবস্থাও নেই। তবে ২/১ টি দোকানে বসে খাওয়ার জন্য আছে ৫/৬ টি আসন।

বাংলার রসমলাইয়ের দোকানগুলোর মধ্যে প্রতিদিন গড়ে ৫/৬ মণ রসমলাই তৈরি করা হয়। প্রতিদিন ভোরে ও বিকেলে ৫-৬ জন দুধ ব্যবসায়ি প্রায় ১০-১৫ মণ দুধ সরবরাহ করে থাকে। এদের প্রত্যেকে ৮০-১০০ কেজির উর্ধ্বে দুধ সরবরাহ করে থাকেন।

প্রতিদিন ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত দিন মজুর থেকে শুরু করে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ ভিড় জমায় রসমলাই কেনার জন্য। ক্রেতাদের মধ্যে এক প্রকার প্রতিযোগিতা দেখা যায় গরম রসমলাই কার আগে কে কিনবে। ক্রেতাদের ভিড় সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় দোকানের কর্মচারীদের। কেউ বাড়ির ছেলে-মেয়ে, স্ত্রীর জন্য, কেউবা মেহমানদের আপ্যায়ন করার জন্য, কেউবা আত্মীয়স্বজনদের জন্য, নতুন সর্ম্পক হচ্ছে এমন বাড়িতে নেয়ার জন্য এবং কেউবা অফিসের বসদের উপহার দেয়ার জন্য নিয়ে যান এই রসমালাই।

বাংলার ঘুরতে আসা বিদেশি পর্যটকরাও বেড়াতে এসে কিনে নিয়ে যান কুমিল্লার রসমলাই। রসমালাই! নাম শুনলেই মনে ভাসে রসে ডুবান ছোট ছোট নরম মিষ্টি, মুখে দিলেই তুলার মতন গলে যাবে। ঘরে বসেই বানানো যেতে পারে রসমালাই, যদি সাথে থাকে এই রেসিপি।

Rasmalai sweet

উপকরণঃ

ডিম – ১টি
বেকিং পাউডার – ১ চা চামচ
গুড়ো দুধ – ১ কাপ
ময়দা – ১ চা চামচ
তরল দুধ – ১ লিটার
চিনি – স্বাদমত (আমি সাধারনত ৩ টেবিল চামচ দেই)
এলাচদানা, গুড়ো করা – ১ টি এলাচ
ভ্যানিলা এসেন্স – ১/২ চা চামচ (গোলাপজল দিতে পারেন পরিবর্তে)
পেস্তা বাদাম কুচি সাজানোর জন্য

যেভাবে বানাবেনঃ

১। তলা ভারী এমন বড় একটি পাত্রে চিনি আর তরল দুধ মিশিয়ে ফুটাতে দিন, এলাচদানা গুড়োটাও দিয়ে দিন। আচঁ খুব কম রাখুন।

২। এবার আরেকটি পাত্রে গুড়ো দুধ, ময়দা, বেকিং পাউডার মিশিয়ে নিন, ডিমটি ফেটিয়ে এই মিস্রনে মেশান। ভ্যানিলা অথবা গোলাপজল দিয়ে দিন।

৩। সব একসাথে সুন্দর করে মিশিয়ে খামির বানান, খুব বেশি মাখবেন না…সব মিশে গেলেই হলো। প্রথমে খামিরটা হাতের সাথে আটকে আটকে যাবে আঠালো হয়ে…কিন্তু ৩/৪ মিনিট রেখে দিলেই দেখবেন সুন্দর খামির হয়ে গেছে , হাতের সাথে আর আটকাচ্ছে না।

৪। এখান থেকে এবার ছোট ছোট বল বানান। বেশি বড় বানাবেন না, মার্বেলের মতো বড় বানালেই দেখবেন দুধে দেবার পর বলগুলো ফুলে দ্বিগুন হয়ে যাচ্ছে…তাই ছোট বল বানান।

৫। এতোক্ষনে চুলায় দুধ ফুটে গিয়েছে, এই বল গুলো সাবধানে ফুটন্ত দুধের মাঝে ছেড়ে দিন। চামচ বা কিছু দিয়ে নাড়বেন না, ফুটতে দিন আরো কয়েক মিনিট। দেখবেন বলগুলো ফুলে উঠেছে। আচঁ আরো কমিয়ে দিন এখন, সর্বনিন্ম আচেঁ রাখুন।

৬। দশ মিনিট এভাবে কম আচেঁ রান্না করুন, মাঝে মাঝে পাত্রটি সাবধানে ধরে ঝাকিয়ে দিন, যাতে তলায় ধরে না যায়।

৭। দশ মিনিট পরে একটি মিষ্টি তুলে দেখুন ভিতরে সেদ্ধ হয়েছে কিনা। বেশি কাচাঁ থাকলে কম আচেঁ আরো কিছুক্ষন রান্না করূন, যদি সামান্য একটু কাচাঁভাব থাকে মিষ্টির ভিতরে তাহলে চুলা নিভিয়ে পাত্র ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন, ভেতরের তাপেই আরো ভালোভাবে সেদ্ধ হয়ে যাবে।

৮। মালাই আরেকটু ঘন করতে চাইলে আরো কিছুক্ষন কম আচেঁ চুলায় রাখতে পারেন, শুধু মাঝে মাঝে পাত্রটি একটু ঝাকিয়ে দিন যাতে তলায় ধরে না যায়।

৯। ঠান্ডা করে পরিবেশন করূন রসমালাই, পরিবেশনের পূর্বে পেস্তা বাদাম কুচি ছড়িয়ে দিন মিষ্টির ওপরে

Sunday, January 6, 2013

Malgudi Junction

Malgudi Junction kolkata

Malgudi Junction is a small eatery on Camac Street serving pure vegetarian, South Indian food. As the name suggests this place is inspired by the railway station, celebrated in the sketches of R K Narayan. Rasipuram Krishnaswami Narayan is one of the great fathers of Indian literature of the twentieth century. He is the author of numerous novels, many of them set in Malgudi, fictional village in southern India.

Friday, January 4, 2013

22 Camac Street

22 Camac Street kolkata

22 Camac Street is a high end shopping destination running in the central business district a major thoroughfare in Kolkata. Located in the heart of Kolkata, is home to the first permanent home of the high end shopping destinations. Is still the center of the shopping district of Kolkata, so much so that the term Camac Street indicates, for par excellence.

Thursday, January 3, 2013

Shakespeare Sarani

Shakespeare Sarani Theater Road

Shakespeare Sarani earlier Theater Road is a street running in the central business district of Kolkata from Park Circus to Chowringhee Road. Shakespeare lived between the sixteenth and the seventeenth century, a period when the company was making the transition from medieval to the modern world. In 1558 the throne of the kingdom had risen Elizabeth I of England, ushering in a period of artistic and cultural flowering that she took the name.

Wednesday, January 2, 2013

St Xavier's College

St Xavier's College

St. Xavier's College is a master's college founded in 1860, named after St. Francis Xavier, a Jesuit saint of the 16th century, who travelled to India. This college accommodates approximately 5000 students from across India and around the world in its programs in art, science, Commerce, information systems and application programs.