Friday, February 24, 2012

Losar New Year Festival

darjeeling losar tibet buddhist butter lamps

Losar is the New Year and one of the most interesting festivals of the Buddhists. The trip takes in the Kathmandu valley during the celebrations of Losar, the Tibetan New Year, offering the opportunity to come into contact with a strong fascinating cultural world. In the Kathmandu valley lies a large community of Buddhists, including a large group of Tibetan refugees, who for the Losar organized countless celebrations and interesting events to which it is easy to participate and be welcome, fully enjoying the joviality and benevolence expressed by these people.

Thursday, February 23, 2012

রাধাচূড়া ফুলের ছবি

রাধাচূড়া সম্ভবত ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রজাতি। ২-৩ মিটার উচু গাছ, কাঁটাভরা, অনেক ডালপালা। যৌগপত্র ২-পক্ষল, ২০-৩০ সেমি লম্বা, প্রতিটি পত্রে ৮-১২ জোড়া আয়তাকার পত্রিকা, ১.৫-২ সেমি লম্বা। সারাবছরই কয়েকবার ফুল ফোটে। ডালের আগায় ২০-৩০ সেমি লম্বা ডাটায় নিচ থেকে উপরের দিকে ফুল ফোটে। আমাদের দেশে দুটি ভ্যারাইটি চোখে পড়ে- একটির ফুল লাল-কমলা, অন্যটি হলুদ।



ফুল প্রায় ৩ সেমি চওড়া, পাপড়ির মাঝখানে উঠানো পুংকেশর। বীজ চ্যাপ্টা। বীজে চাষ। বসন্তে ছাটা আবশ্যক। গাছের গঠন আমাদের চেনা কৃষ্ণচূড়ার মতোই। মাদাগাস্কারের প্রজাতি। মধ্যম গাছ, মাথা ছড়ানো, পত্রমোচী। শীতে গাছের পাতা ঝরে যায়। বসন্তের শেষ থেকে গ্রীষ্মের শুরুতে ফুল ফুটতে শুরু করে। ফুল শেষে শুটি, তাতে থাকে বীজ।

রাধাচূড়া ফুলের গাছ ছোট আকারের হয়, আর রং হয় হলুদ, লাল... অনেক সময় একই গাছে লাল হলুদ দুই রঙের ফুলই দেখা যায়... অন্য দিকে কৃষ্ণচূড়া ফুলের গাছ অনেক বড় আকারের হয়... ফুলের রংটাও হয় টকটকে লাল, আর এক সাথে সমস্ত গাছে অনেক ফুল আসে... রাধাচূড়া গাছে ফুল আসে অনেক কম।

Wednesday, February 22, 2012

কৃষ্ণচূড়া ফুলের ছবি

কৃষ্ণচূড়ার রাঙা মঞ্জুরি কর্ণে আমি ভুবন ভুলাতে আসি গন্ধে ও বর্ণে। প্রকৃতি যখন প্রখর রৌদ্রে পুড়ছে ঠিক তখনই প্রকৃতিকে রাঙিয়ে দিতে নিজের সবটুকু রং ছড়াতে শুরু করে কৃষ্ণচূড়া। ধরিত্রী যেন পায় প্রাণ। বসন্ত রাঙিয়ে ওঠে কৃষ্ণচূড়ার রংয়েই। নীল আকাশের ক্যানভাসে দিগন্তে যেন আগুন জ্বলে। বনে বনে কৃষ্ণচূড়ার লাল রঙ মনে জ্বালিয়ে দেয় বিদ্রোহের আগুন, বিপ্লবের আগুন, প্রেমের আগুন।

কেবল আনন্দানুভূতির সঙ্গেই নয়, কৃষ্ণচূড়া কখন যেন জড়িয়ে গেছে আমাদের চেতনার অনুষঙ্গে। ফুলটিকে তাই বিদেশি বলে ভাবতেই বরং বিস্ময় জাগে। গাছটি আমাদের দেশে সহজপ্রাপ্য হলেও আদি নিবাস আফ্রিকার মাদাগাস্কার। কৃষ্ণচূডা মাদাগাস্কারের শুষ্ক পত্রঝরা বৃক্ষের জঙ্গলে পাওয়া যায়। ১৮২৪ সালে সেখান থেকে প্রথম মরিশাস, পরে ইংল্যান্ড এবং শেষাবধি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বিস্তার ঘটে।

বর্তমানে ক্যারাবিয়ান অঞ্চল, আফ্রিকা, হংকং, তাইওয়ান, দক্ষিণ চীন, বাংলাদেশ, ভারত সহ বিশ্বের অনেক দেশে এটি জন্মে থাকে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণচূড়া শুধু মাত্র দক্ষিণ ফ্লোরিডা, দক্ষিণ পশ্চিম ফ্লোরিডা, টেক্সাসের রিও গ্রান্ড উপত্যকায় পাওয়া যায়। কৃষ্ণচূড়ার বৈজ্ঞানিক নাম ডেলোনিক্স রেজিয়া। ডেলোনিক্স গ্রিক শব্দ, অর্থ দৃশ্যমান থাবার মতো। সম্ভবত কৃষ্ণচূড়া ফুলের পাপড়ির বৈশিষ্ট্যেই নামটি অর্থবহ। ‘রিজিয়া’ অর্থ রাজকীয়। নামের এ অংশে কৃষ্ণচূড়ার ঐশ্বর্য পরিস্ফুট।

কৃষ্ণচুড়া মাঝারি আকৃতির শাখা-প্রশাখাবিশিষ্ট ছাতাকৃতির বৃক্ষ জাতীয় পর্ণমোচী উদ্ভিদ। কৃষ্ণচূড়া গাছ উচ্চতায় কম হলেও শাখা-পল্লবে এটি বেশি অঞ্চলব্যাপী ছড়ায়। শাখা প্রশাখার অগ্রভাগ নিম্নমুখি এবং নরম প্রকৃতির। ঝড়ে এ বৃক্ষের ক্ষতিসাধন হয়ে থাকে। এ বৃক্ষের কান্ডের রং কিছুটা ধুসর বর্ণের। সৌন্দর্যবর্ধক গুণ ছাড়াও, এই গাছ উষ্ণ আবহাওয়ায় ছায়া দিতে বিশেষভাবে উপযুক্ত। কৃষ্ণচূড়ার জন্মানোর জন্য উষ্ণ বা প্রায়-উষ্ণ আবহাওয়ার দরকার। এই বৃক্ষ শুষ্ক ও লবণাক্ত অবস্থা সহ্য করতে পারে।



শুধু ফুল নয়, পাতার ঐশ্বর্যেও কৃষ্ণচূড়া অনন্য। এই পাতার কচি সবুজ রঙ এবং সূক্ষ্ম কারুকর্ম আকর্ষণীয়। নম্র, নমনীয় পাতাদের আন্দোলন দৃষ্টিশোভন। এ গাছে পাতার নিবিড়তা নেই, তবু রৌদ্রশাসনে সক্ষম। কৃষ্ণচুড়া জটিল পত্রবিশিষ্ট এবং উজ্জ্বল সবুজ। পাতা দ্বিপক্ষল, ৩০-৬০ সে মি পর্যন্ত লম্বা, ২০-৪০ টি উপপত্র বিশিষ্ট। পত্রকগুলি ক্ষুদ্র, ১ সে মি লম্বা। দেশে শীত-গ্রীষ্মে কৃষ্ণচূড়ার পাতা ঝরে যায় অনেকটাই। প্রায় পত্রহীন গাছে গাছে বড় বড় থোকায় থোকায় জাপটে আসে কৃষ্ণচূড়ার লাল ফুল। তখন গাছে অল্প পরিমাণই পাতা থাকে। কিন্তু লাল ফুলের মাঝে পাতাগুলো মিলিয়ে যায়। শুষ্ক অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে কৃষ্ণচূড়ার পাতা ঝরে গেলেও, নাতিষীতোষ্ণ অঞ্চলে এটি চিরসবুজ।

গ্রীষ্মের খরাদীর্ণ আকাশের নিচে প্রচণ্ড তাপ ও রুক্ষতায় কৃষ্ণচূড়ার আশ্চর্য প্রস্ফুটনের তুলনা নেই। নিষ্পত্র শাখায় প্রথম মুকুল ধরার অল্প দিনের মধ্যেই সারা গাছ ফুলে ফুলে ভরে যায়। এত উজ্জ্বল রঙ, এত অক্লান্ত প্রস্ফুটন তরুরাজ্যে দুর্লভ। কৃষ্ণচূড়া ফুলের রং উজ্জ্বল লাল। কিন্তু কৃষ্ণচূড়ার প্রজাতিভেদে ফুল লাল, কমলা, হলুদ হয়ে থাকে। আমাদের দেশে বসন্ত কালে এ ফুল ফোটে এবং তার রেশ চলতে থাকে বর্ষার শেষ পর্যন্ত। তবে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কৃষ্ণচূড়ার ফুল ফোটার সময় বিভিন্ন। কৃষ্ণচূড়ার প্রস্ফুটিত ফুলের ব্যাস ২ থেকে ৩ ইঞ্চি। বৃতির বহিরাংশ সবুজ। ভেতরের অংশ রক্তিম। বৃত্যাংশের সংখ্যা ৫টি।

কৃষ্ণচূড়ার ফুলগুলো ৫টি পাপড়িযুক্ত। ৫ পাপড়ির একটি বড় ও তাতে হলুদ বা সাদা দাগ। পাপড়ি প্রায় ৮ সেন্টিমিটারের মতো লম্বা হয়ে থাকে। ভেতরে একটি হলুদ গর্ভকেশরকে ঘিরে থাকে ১০টি গাঢ় লাল পুংকেশর। একটু খেয়াল করলেই চোখে পড়বে, কৃষ্ণের মাথায় চুলের চূড়া বাঁধার ধরনটির সঙ্গে ফুলটির বেশ মিল। সেখান থেকেই হয়ত কৃষ্ণচূড়া নামকরন। তবে নাম যাই হোক না কেন কৃষ্ণচূড়ার ফুলের বর্ণনা লেখায় দেয়া সম্ভব নয়।

সত্যিকার সৌন্দর্য কৃষ্ণচূড়ার ফুলের কাছে গেলে কিছুটা হলেও উপলব্ধি করা সম্ভব। কে জানতো দেখতে লাল লাল কৃষ্ণচূড়ার পাপড়ির উপরেও প্রকৃতি পরম মমতায় কি সুন্দর নকশা করে রেখেছে! এক অলস বিকেলে হয়তো কোনো পথিক তুলে নেবে, দেখবে, মুগ্ধ হবে - এই তার পরম তৃপ্তি, এই সামান্য মুদ্ধতার জন্য প্রকৃতির কত না অসামান্য আয়োজন! কৃষ্ণচূড়ার ফুল ফোটার আগে কলি দেখতে মোহরের মতো দেখায় তাই হিন্দিতে এই ফুলকে বলা হয় গুলমোহর।

কৃষ্ণচূড়া শিম জাতীয় উদ্ভিদের গোত্রভুক্ত, তাই ফলের সঙ্গে চ্যাপ্টা শিমের সাদৃশ্য স্পষ্ট। অবশ্য ফলগুলি আকারে শিমের চেয়ে বহুগুণ বড়, ৪০-৬০ সে মি লম্বা এবং ৫ সে মি চওড়া। কৃষ্ণচূড়ার কচি ফলগুলি সবুজ, তাই পাতার ভিড়ে সহজে দেখা যায় না। শীতের হাওয়ায় পাতা ঝরে গেলেই ফল চোখে পড়ে। পাকা ফল গাঢ় ধূসর ও কাষ্ঠকঠিন। প্রতিটি ফলে প্রায় ১৫-৫০টি ২ সে মি লম্বা বাদামী রঙের বীজ থাকে।

নিষ্পত্র কৃষ্ণচূড়ার শাখায় যখন ফল ছাড়া আর কিছুই থাকে না তখন তাকে শ্রীহীন দেখায়। বসন্ত শেষে কৃষ্ণচূড়ার দিন ফেরে, একে একে ফিরে আসে পাতার সবুজ, প্রস্ফুটনের বহুবর্ণ দীপ্তি, নিঃশব্দে ঝরে পড়ে বিবর্ণ ফলগুলি।

অর্থনৈতিক দিক থেকে এ গাছ তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। তবে এ গাছ দ্রুত বর্ধনশীল হওয়ায় জ্বালানী কাঠ হিসেবে অধিক ব্যবহূত হয়। এছাড়াও ছায়াপ্রদানকারী গাছ হিসেবে ও শোভাবর্ধনকারী গাছ হিসেবে এর বহুল ব্যবহার রয়েছে। এর বীজ থেকে প্রাপ্ত আঠা ওষুধ শিল্পে বাইন্ডার রূপে ব্যবহার করা হয়। ফল থেকে নানাপ্রকার শৌখিন দ্রব্য প্রস্তুত হয়। বীজ গয়না শিল্পে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

Tuesday, February 21, 2012

হুগলী নদী

এলাহাবাদ থেকে পশ্চিমবঙ্গের মালদহ পর্যন্ত গঙ্গা বারাণসী, পাটনা, গাজীপুর, ভাগলপুর, মির্জাপুর, বালিয়া, বক্সার, সৈয়দপুর ও চুনার শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। ভাগলপুরে নদী দক্ষিণ-দক্ষিণপূর্ব দিকে বইতে শুরু করেছে। পাকুরের কাছে গঙ্গার ঘর্ষণক্ষয় শুরু হয়েছে। এরপর গঙ্গার প্রথম শাখানদী ভাগীরথী-হুগলির জন্ম, যেটি দক্ষিণবঙ্গে গিয়ে হয়েছে হুগলি নদী।

Hooghly river

বাংলাদেশ সীমান্ত পেরোনোর কিছু আগে হুগলি নদীতে গড়ে তোলা হয়েছে ফারাক্কা বাঁধ। এই বাঁধ ও ফিডার খালের মাধ্যমে জলপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে হুগলি নদীকে আপেক্ষিকভাবে পলিমুক্ত রাখা হয়। ভাগীরথী ও জলঙ্গী নদীর সঙ্গমের পর হুগলি নদীর উৎপত্তি। এই নদীর বহু উপনদী রয়েছে। তার মধ্যে সবচেয়ে বড় উপনদীটি হল দামোদর নদ। হুগলি নদী সাগর দ্বীপের কাছে বঙ্গোপসাগরে মিশেছে।

Monday, February 20, 2012

মিলেনিয়াম পার্ক

কলকাতার মিলেনিয়াম পার্ক, হুগলী নদীর তীরে বিবাদী বাগের কাছাকাছি স্ট্র্যান্ড রোডে অবস্থিত। ২০০০ সালের ১-লা জানুয়ারী মিলেনিয়াম পার্ক নির্মিত হয়েছিল এবং এটি কলকাতায় প্রথম এই ধরনের উদ্যান। এটি সমস্ত বয়সের ব্যাক্তিদের জন্য এক মনোরঞ্জক উদ্যান।

কলকাতা মহানগরী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের এক মস্তিস্কপ্রসুত উদ্ভাবন কলকাতার মিলেনিয়াম পার্ক।কলকাতা পোর্ট ট্রাস্টের জমির উপর এই মিলেনিয়াম পার্ক গড়ে উঠেছে। কলকাতার মিলেনিয়াম পার্কটি স্থাপনের পিছনে মূল উদ্দেশ্য ছিল পর্যটনকে উন্নীত করা এবং কিছু প্রশংসনীয় সৌন্দর্যের সঙ্গে নদীর তীরকে লাবণ্যময় করে তোলা।

মিলেনিয়াম পার্কের প্রধান আকর্ষণ হল নদীর নৈকট্যতা। শত-শত দর্শক সারাদিন ধরে এই উদ্যানে ভিড় করে। উদ্যানটির চারিপাশ সবুজ গাছপালায় আচ্ছাদিত। মিলেনিয়াম পার্কের মহানুভব এবং মার্জিত সৌন্দর্যের অভ্যন্তরে আরাম করে বসার জন্য অনেক বেঞ্চ রয়েছে।



প্রধান উদ্যানের পাশে শিশুদের জন্য একটি স্বতন্ত্র ছোট পার্ক রয়েছে যেখানে তারা নাগরদোলা, স্লাইডস, দোলনা ইত্যাদিতে চড়তে পারে। এছাড়াও মিলেনিয়াম পার্কের ভিতরে একটি খাদ্য-সংযোগ রয়েছে যেখানে আপনি কলকাতার সুস্বাদু স্ন্যাকস এবং খাবারের স্বাদ গ্রহণ করতে পারেন। যারা ছায়ার নীচে বসতে চান তাদের জন্য এখানে কুঁড়েঘর আকৃতির আশ্রয়স্থল রয়েছে।

কলকাতার মিলেনিয়াম পার্কে ঘুরতে যাওয়ার শ্রেষ্ঠ সময় হল সন্ধ্যাবেলা যখন মিলেনিয়াম পার্ককে অন্ধকার আকাশের নীচে রঙিন আলোয় বিস্ময়কর মনে হয়। এই সময় আপনি পার্কের মধ্যে বসতে পারেন এবং কলকাতার মিলেনিয়াম পার্কের মহৎ সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন।

Sunday, February 19, 2012

Palash Flower: Flame of the Forest

http://3.bp.blogspot.com/-JDFV4DiHRRU/TV_kyQIsJdI/AAAAAAAAAgI/i78PmUHJyec/s1600/Photo0991.jpg

Palash flower or Parrot flower also known by the name flame of the forest starts blooming at the end of January and around mid March it is in full bloom and is the most attractive flower of the season.
The jungles of Bengal are full of these and the petals feels like velvet and has become an indispensable part of the celebration of spring.

Saturday, February 18, 2012

Kolkata Spring


Surely in the Spring myth was chosen to reflect moral truths, adopting an ancient theme, so universal, in a completely modern language. Spring, symbol of nature not so much intended as a season of the year as the universal force cyclical and regenerative power. The days start to get warm, the sun is again peeps , and the air is filled with the scent of nature that regenerates itself.

Sunday, February 5, 2012

আমের টক ঝাল মিষ্টি আচার, কাশ্মীরি আচার ও মোরব্বা রেসিপি

বাজারে এখন কাঁচা আম অনেক পাওয়া যাচ্ছে। তাই কাঁচা আম দিয়ে ঝটপট তৈরি করে ফেলুন মজাদার ১০ টি আমের আঁচার রেসিপি।

Pickles

১) টক-ঝাল-মিষ্টি আমের আচার

উপকরণঃ কাঁচা আম ১ কেজি, সিরকা আধা কাপ। সরিষার তেল এক কাপ, রসুনবাটা দুই চা-চামচ, আদাবাটা দুই চা-চামচ, হলুদ্গুড়া দুই চা-চামচ
চিনি তিন টেবিল-চামচ, লবণ পরিমাণ মতো। মেথি গুঁড়া এক চা-চামচ, জিরা গুঁড়া দুই চা-চামচ, মৌরি গুঁড়া এক চা-চামচ, রাঁধুনি গুঁড়া দুই চা-চামচ,
সরষেবাটা তিন টেবিল-চামচ, শুকনা মরিচ গুঁড়া দুই টেবিল-চামচ, কালো জিরা গুঁড়া এক চা-চামচ।

প্রণালিঃ খোসাসহ কাঁচা আম টুকরো করে লবণ দিয়ে মেখে একরাত রেখে দিতে হবে। পরের দিন ধুয়ে আদা, হলুদ, রসুন মাখিয়ে কিছুক্ষণ রোদে রাখুন। এরপর সসপ্যানে আধা কাপ তেল দিয়ে আমগুলো নাড়া-চাড়া করতে থাকুন, গলে গেলে নামিয়ে ফেলুন। অন্য একটি সসপ্যানে বাকি তেল দিয়ে চিনিটা গলিয়ে ফেলুন। কম আঁচে চিনি গলে গেলে সব মসলা দিয়ে (মৌরি,মেথি গুঁড়া ছাড়া) আম কষিয়ে নিতে হবে। আম গলে গেলে মৌরি গুঁড়া, মেথি গুঁড়া দিয়ে নামিয়ে ফেলতে হবে।

২) আম-রসুনের আচার

উপকরণঃ খোসা ছাড়া কাঁচা আমের টুকরা দুই কাপ, সরিষার তেল এক কাপ, রসুনছেঁচা এক কাপ, মেথি এক টেবিল-চামচ, মৌরি এক টেবিল-চামচ, জিরা এক টেবিল-চামচ, কালো জিরা দুই চা-চামচ, সিরকা আধা কাপ, হলুদগুঁড়া দুই চা-চামচ, শুকনা মরিচ ১০-১২টি, চিনি দুই টেবিল-চামচ, লবণ পরিমাণমতো।

প্রণালীঃ আমের টুকরো গুলোতে লবণ মাখিয়ে একরাত রেখে দিতে হবে। পরের দিন ধুয়ে কয়েক ঘণ্টা রোদে দিতে হবে। রেসিপির সব মসলা মিহি করে বেটে নিতে হবে। এরপর চুলায় সসপ্যানে তেল দিয়ে বসাতে হবে। তেল গরম হলে রসুন দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়িয়ে, তারপর বাটা মসলা দিয়ে নাড়তে হবে। তারপর আম দিয়ে নাড়িয়ে নিতে হবে। কিছুক্ষণ রান্না করার পর আম নরম হলে, চিনি দিয়ে নাড়িয়ে নামাতে হবে। এরপর আচার ঠাণ্ডা হলে বোতলে ভরে, বোতলের মুখ পর্যন্ত তেল দিয়ে ঢাকতে হবে। এরপর কয়েকদিন রোদে দিতে হবে।

৩) আম-পেঁয়াজের ঝুরি আচার

উপকরণঃ কাঁচা আমের ঝুরি এক কাপ, পেঁয়াজ কুচি এক কাপ, জিরাগুঁড়া দুই চা-চামচ, কালো জিরাগুঁড়া আধা চা-চামচম, সরষেগুঁড়া এক টেবিল-চামচ, মরিচগুঁড়া দুই চা-চামচ, সরিষার তেল আধা কাপ, লবণ পরিমাণ মতো।

প্রণালীঃ আমের ঝুরি এবং পেঁয়াজের কুচি আলাদাভাবে একদিন রোদে ভালোভাবে শুঁকিয়ে নিতে হবে। তারপরের দিন বাকি সব উপকরণগুলি দিয়ে, ভালোভাবে হাত দিয়ে মাখিয়ে বোতলে ভরে কয়েক দিন রোদে দিতে হবে।

৪)আমের নোনতা আচার

উপকরণঃ আমের টুকরো ৪ কাপ, লবণ ২ চামচ, কালোজিরার গুঁড়া ১ চা-চামচ, শুকনা মরিচ ৩টা, মৌরি গুঁড়া আধা চা-চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা-চামচ, পাঁচফোড়ন ১ চা- চামচ, সরষের তেল ২ কাপ।

প্রণালিঃ আমের খোসা ফেলে লম্বা টুকরো করে লবণ পানিতে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। এরপর পানি ঝরিয়ে এতে হলুদ ও প্রয়োজনমতো লবণ দিয়ে কড়া রোদে কয়েক ঘণ্টা রেখে মৌরি গুঁড়া ও কালোজিরার গুঁড়া দিয়ে আবার রোদে দিন।

শুকনা নরম আম বোতলে ঢুকিয়ে নিন। গরম তেলে পাঁচফোড়ন ভেজে তেল ও পাঁচফোড়ন আমের বোতলে ঢেলে দিয়ে কয়েক দিন বোতলের মুখে পাতলা কাপড়ে বেঁধে রোদে দিন।

৫) খোসাসহ আমের আচার

উপকরণঃ আম ১০টা, সরষে বাটা ২ চামচ, পাঁচফোড়ন বাটা ১ চামচ, সিরকা আধা কাপ, হলুদ গুঁড়া ১ চা-চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, চিনি ১ কাপ, তেজপাতা ২টা, শুকনা মরিচ ৩টা, সরষের তেল ১ কাপ।

প্রণালিঃ আম খোসাসহ টুকরো করে হলুদ ও লবণ মাখিয়ে ৮-১০ ঘণ্টা রোদে দিন। এবার হলুদ, মরিচ, সরষে, পাঁচফোড়ন ও অর্ধেক সিরকা আমের সঙ্গে মিশিয়ে আবার রোদে দিন।

শুকিয়ে এলে বাকি সিরকা, চিনি, তেজপাতা ও শুকনা মরিচ দিয়ে বোতলে ঢুকিয়ে রোদে দিন। তেল ভালোভাবে গরম করে ঠান্ডা হলে আচারের বোতলে ঢেলে কয়েক সপ্তাহ রোদে দিন।

৬) আমের মোরব্বা

উপকরণঃ আম ১০টা, চিনি ২ কাপ, পানি ১ কাপ, লবণ আধা চা-চামচ, এলাচ ৩টা, দারচিনি ২ টুকরো, তেজপাতা ২টা, চুন ১ চা-চামচ।

প্রণালি:

আমের খোসা ফেলে দুই টুকরো করে নিন। এবার টুথপিক দিয়ে আমের টুকরো ভালোভাবে ছিদ্র করে নিন। চুনের পানিতে আম ৭-৮ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। আম তুলে পরিষ্কার পানিতে কয়েকবার ধুয়ে নিন।

এবার চিনির সিরায় সব উপকরণ দিয়ে ফুটে উঠলে আম ছেড়ে দিন। অল্প আঁচে রাখুন। আম নরম হলে চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করে বোতলে ঢুকিয়ে রাখুন।

৭)আমের ঝাল আঁচার:

উপকরণঃ আম ১ কেজি, সিরকা ১ কাপ, সরিষার তেল দেড় কাপ, সরিষা বাটা ১ টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়ো ১ চা চামচ, মরিচ বাটা ১ টেবিল চামচ, আদা কুচি ১ টেবিল চামচ, পাঁচফোড়ন গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ, আস্ত পাঁচফোড়ন আধা চা চামচ, লবণ ১ টেবিল চামচ, চিনি ১ টে চামচ, রসুন কোয়া ১৬টি, কাঁচামরিচ ১০টি, রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ।

কিভাবে তৈরি করবেন:

আম খোসাসহ ছোট ছোট টুকরা করে কেটে ১ টেবিল চামচ লবণ মাখিয়ে ভালো করে ধুয়ে পানি নিংড়ে নিতে হবে।অল্প হলুদ, লবণ মাখিয়ে এক দিন রোদে দিতে হবে। কড়াইতে তেল গরম হলে আস্ত পাঁচফোড়ন ছাড়তে হবে। পাঁচফোড়ন ভাজা সুগন্ধ বের হলে রসুন বাটা, আদা কুচি দিয়ে ১ মিনিট নাড়তে হবে। মরিচ, হলুদ, লবণ ও সামান্য সিরকা দিয়ে ভালো করে কষিয়ে আম দিয়ে নাড়তে হবে। আম আধা সেদ্ধ হলে বাকি সিরকা, চিনি, সরিষা বাটা, কাঁচা মরিচ, রসুন কোয়া দিয়ে আরও ১৫ মিনিট অল্প আঁচে নাড়তে হবে।ভাজা পাঁচফোড়ন গুঁড়ো দিয়ে ২ মিনিট নেড়ে আচার চুলা থেকে নামাতে হবে। আচার ঠান্ডা হলে কাচের বয়ামে রেখে দিন।

৮) রেসিপি - কাশ্মিরি আচার

উপকরণ: আম ৫ কেজি। চিনি ৩ কেজি। ভিনিগার ১ বোতল (৬৫০ মি.লি.)। শুকনামরিচ ২৪, ২৫টি। আদাকুচি ৬ টেবিল-চামচ। লবণ স্বাদ মতো।

পদ্ধতি: আম ছিলে ধুয়ে কিছুক্ষণ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর কিউব করে কেটে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। শুকনামরিচ কাঁচি দিয়ে চিকন করে কেটে দানা বাদ দিন। আদা চিকন করে কুচি করুন। তারপর চুলায় হাঁড়িতে চিনি ও ভিনিগার দিয়ে সব বসান।

যদি আচারে লাল লাল ভাব আনতে চান তবে চিনি কিছুটা কমিয়ে খেজুরের গুড় দিতে পারেন। এরপর শুকনা মরিচ, আদা ও লবণ দিতে হবে।
জ্বাল দিয়ে ঘন হয়ে আসলে, তাতে আমের টুকরা দিয়ে দিন। সিরা ঘন হয়ে আসলে চুলার আঁচ কিছুক্ষণ কমিয়ে রাখতে হবে। আম সিদ্ধ হয়ে গলে যাওয়ার আগেই নামিয়ে কাচের বোতলে ভরে রাখুন। ঠাণ্ডা হলে বোতলের মুখ বন্ধ করে রেখে দিন।

৯) আচার ও চাটনি - কাঁচা আমের আচার

উপকরণ

কাঁচা আম আধা কেজি। দেশি পেঁয়াজ-কুচি ৪। কালোজিরা ১ চা-চামচ। শুকনা মরিচ ৮টি। তেঁতুল ১ টেবিল-চামচ। চিনি ৪ টেবিল-চামচ। রসুনের কোয়া ১০টি। লবণ স্বাদমতো। সরিষার তেল পরিমাণমতো। কাঁচের বোতল আচার রাখার জন্য।

পদ্ধতি

পেঁয়াজ ছুলে নিন। আমের ছোকলা ছিলে পরিষ্কার করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখতে হবে। এরপর পেঁয়াজ এবাং আম মিহিকুচি করে কাটুন। একটা ডালায় আম আর পেঁয়াজের কুচি নিয়ে তাতে কালোজিরা, শুকনা মরিচ, রসুনের কোয়া, তেঁতুল, চিনি, লবণ আর অল্প সরিষার তেল দিয়ে মাখিয়ে তিন থেকে চার দিন রোদে শুকাতে হবে।

বাদামি রং এবং ঝরঝরে হলে কাঁচের জারে ভরে সরিষার তেল দিয়ে আবার রোদে দিতে হবে।

১০) আমসত্ত্ব

উপকরণ : পাকা আম এক কেজি, চিনি দুই কাপ।

যেভাবে তৈরি করবেন

পাকা আম খোসা ছড়িয়ে একটু চটকে নিন। হালকা আঁচে একটু সিদ্ধ করে নিন। আম মিষ্টি না টক সে অনুযায়ী চিনি মিশিয়ে দিন। একটি গোল থালায় তেল মাখিয়ে একপ্রস্থ আম লেপে দিয়ে রোদে দিন। শুকিয়ে গেলে আবার একপ্রস্থ দিন। এভাবে যতটুকু মোটা করতে চান সে অনুযায়ী আম দিন। ভালোভাবে শুকিয়ে গেলে কৌটায় ভরে রেখে দিন। রোদের ব্যবস্থা না থাকলে গ্যাসের চুলার নিচে রেখেও আমসত্ত্ব করা যাবে।